📘 ইসলাম ও জাহেলিয়াতের দ্বন্দ্ব 📄 নবীদের স্মৃতিচিহ্নসমূহে মসজিদ নির্মাণ করা

📄 নবীদের স্মৃতিচিহ্নসমূহে মসজিদ নির্মাণ করা


এ বিষয়টিও ইয়াহুদী খৃষ্টানদেরদের আবিস্কৃত। যেমন- ওমর রা. হতে বর্ণিত হয়েছে যে, তারা তাদের নবীদের নিদর্শনসমূহকে মসজিদে পরিণত করতো। এদের অনুকরণে বহু জাহেল মুসলিম এ ধরনের কাজ শুরু করেছে। যেমন তারা সৌধ নির্মাণ করেছে সেই স্থানে, যেখানে আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আত্মগোপন করেছিলেন। অথবা যেখানে পা রেখেছিলেন, কিংবা যেখানে দাড়িয়ে ইবাদত করেছিলেন। অথচ ইসলামে এইসব অতি ভক্তির কোনো স্থান নেই।

ইরাকে এমন বহু স্থান আছে, যেখানে বড় বড় সৌধ নির্মাণ করা হয়েছে। যেমন একটি জায়গা আছে, লোকদের ধারণা সেখানে শায়খ আব্দুল কাদের জীলানী রহ. ইবাদত করতেন। আর এক জায়গায় একটি পাথরের উপরে হাতের তালুর চিহ্ন আছে। শিয়াদের ধারণায় এটি তাদের ইমাম আলীর রা. হাতের তালুর চিহ্ন। এমনিভাবে আরো কয়েকটি জায়গা আছে, যেসব জায়গা সম্বন্ধে লোকদের ধারণা এই যে, এসব স্থানে খিযির আলাইহিস সালামকে দেখা গিয়েছিল। যদিও তার কোনো ভিত্তি নেই। এমনিভাবে আরো বহু স্থান আছে, যে সবের নাম করতে গেলে স্থান সংকুলান হবে না। অতএব যারা ইসলামের দাবীদার, তাদের উচিত এসব থেকে দূরে থাকা।

বিষয়টির বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিলে আশা করি অন্যায় হবে না। শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনে তায়মিয়াহ রহ. বলেন যে, উপরোক্ত ব্যাপারে খ্যাতনামা ওলামায়ে কেরামের মধ্যে দু'ধরণের মতামত দেখতে পাওয়া যায়। এক - ঐ সমস্ত স্থানে ইবাদত করা নিষিদ্ধ। তবে যেসব স্থান সম্পর্কে শরীয়তের নির্দেশ আছে, সেগুলির হুকুম স্বতন্ত্র। যেমন মাকামে ইবরাহীমে সালাত আদায় করা, কাবা ঘরে খুঁটির নিকটে সালাত পাঠ করা, মসজিদসমূহে এবং পয়লা কাতারে ছালাতের আকাংখা করা ইত্যাদি।

দ্বিতীয় মত হলো- বিশেষ কোনো গুরুত্ব না দিয়ে এসব স্থানে ইবাদত করায় তেমন কোনো দোষ নেই। যেমন আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রা. আল্লাহর নবীর চলার পথের নিদর্শনসমূহকে অধিক গুরুত্ব দিতেন। যদিও নবী করীম এসব স্থানে হঠাৎ কখনো চলেছেন। ইমাম আহমদ ইবন হাম্বলকে রহ. উক্ত বিষয়ে কেউ জিজ্ঞেস করলে এর সমর্থনে তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতুম রা. (অন্ধ ছাহাবী) কি নিজ বাড়ীতে সালাত আদায় করার জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট অনুমতি চাননি? আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রা.কি রাসূলের সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চলার পথের নিদর্শনসমূহের অনুগমন করতেন না? অতএব এসব স্থানে যাতায়াত করায় কারুর জন্য ক্ষতির কারণ নেই। তবে বাড়াবাড়ি করা অন্যায়। আহমদ ইবনে কাসেম এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হলে তিনিও উপরোক্ত মন্তব্য করেন এবং বলেন যে, এক সময় ইবনে ওমর রা. কে একস্থানে পানি ঢালতে দেখা গেল। জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন যে, আমি এই স্থানে আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পানি ঢালতে দেখেছি। আহমদ রহ. বলতেন যে, এতটুকু করায় কোনো দোষ বর্তায় না। কিন্তু আজকাল লোকেরা এ ব্যাপারে খুব বাড়াবাড়ি করছে। যেমন- ইমাম হোসাইয়েন রা. এর কবর প্রভৃতি সম্বন্ধে। উপরের আলোচনা দু'টি কিতাবুল আদবের মধ্যে 'খেলাল' বর্ণনা করেছেন।

সহীহ বুখারীতে মুসা ইবন উকবা হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন যে, আমি সালেম ইবন আবদুল্লাহকে রাস্তায় বিভিন্ন স্থানে দাঁড়াতে ও সালাত আদায় করতে দেখেছি। তিনি বলতেন, আমার পিতা আবদুল্লাহ ইবন ওমর রা. এসব স্থানে রাসূলকে সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ছালাত আদায় করতে দেখার কারণে নিজেও সালাত আদায় করতেন। এসব কারণেই ইমাম আহমদ রহ. এ ব্যাপারে অনুমতি দিয়েছেন।

পক্ষান্তরে যারা এটাকে অপছন্দ করেন, তাদের যুক্তি নিম্নরূপঃ
সাঈন ইবন মানছুর স্বীয় সুনানে মারুর ইবন সুওয়াইদ হতে বর্ণনা করেন যে, আমরা একদা ওমরের রা. সংগে হজ্জের সফরে বের হলাম। তিনি আমাদের সংগে ফজরের জামা'আতে প্রথম রাকা'আতে সুরা ফীল ও দ্বিতীয় রাকা'আতে সূরা কুরাইশ তিলাওয়াত করলেন। অতঃপর হজ্জ থেকে ফেরার পথে দেখলেন যে, এক জায়গায় সালাত পাঠ করার জন্য লোকেরা খুব তাড়াতাড়ি কছে। তিনি জিজ্ঞেস করে জানতে পারলেন যে, এখানে রাসূলুল্লাহ সালাত আদায় করেছিলেন। একথা শুনে ওমর রা. বলেন, তোমাদের পূর্বে ইয়াহুদী খৃষ্টানরা এভাবেই ধ্বংস হয়েছে। তারা তাদের নবীদের স্মৃতি চিহ্নগুলিকে ইবাদতগাহে পরিণত করেছিল। এতএব তোমাদের মধ্যে যাদের (ফরয) সালাত বাকী আছে, তারা আদয় করে নাও। যাদের সালাতের প্রয়োজন নেই, তারা চলে যাও।

অন্য বর্ণনায় মুহাম্মাদ ইবন আযযাহ প্রমুখ বর্ণনা করেন যে, হুদায়বিয়ার সন্ধিকালীন যে ঐতিহাসিক গাছ তলায় দাঁড়িয়ে উপস্থিত সকল মুসলিম রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র হাতে হাত রেখে মৃত্যুশপথ নিয়েছিলেন, পরবর্তীকালে যখন লোকেরা ঐ গাছের কাছে যাতায়াত শুরু করলো, তখন ওমর রা. ভবিষ্যৎ ফেৎনার আশংকায় গাছটি কেটে ফেলার নির্দেশ দিলেন।

এখানে ওমর রা. যে দূরদর্শী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন উহাই গ্রহণযোগ্য। তাঁর জ্যেষ্ঠপুত্র আবদুল্লাহ ইবন ওমর ব্যতীত সকল ছাহাবীর মতামত উহাই। অতএব তার উপরেই আমাদের আমল করা ওয়াজিব এবং সেদিকেই ফিরে যাওয়া উচিত। গ্রন্থকার মুহাম্মাদ ইবন সুলায়মান আল তামিমী যে একজন স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কুর'আন ও সুন্নাহপন্থী চিন্তাবিদ ছিলেন এবং হাম্বলী মাযহাবের মুকাল্লিদ ছিলেন না, উপরোক্ত আলোচনা তাঁর একটি প্রকৃষ্ট প্রমাণ।

📘 ইসলাম ও জাহেলিয়াতের দ্বন্দ্ব 📄 কবরে বাতি দেওয়া

📄 কবরে বাতি দেওয়া


ইতোপূর্বে এর নিষেধাজ্ঞা সম্বলিত হাদীস উল্লেখিত হয়েছে। প্রিয় পাঠক! বিশেষ করে যদি আপনি একবার শিয়া ইমাম বা রাসূলের সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পরিবারভূক্ত ইমামদের কবরগুলিকে দেখতেন। সেখানে রমযানের রাত্রি ও অন্যান্য পবিত্র রাত্রিগুলিতে যেভাবে আলোকসজ্জা করা হয় (তা দারুণভাবে নিন্দনীয়)। অথচ তারা এক অতীব পূণ্যের কাজ বলে ভেবে থাকে।

📘 ইসলাম ও জাহেলিয়াতের দ্বন্দ্ব 📄 কবরগুলিকে ঈদের স্থানে পরিণত করা

📄 কবরগুলিকে ঈদের স্থানে পরিণত করা


আবু হুরায়রা রা. বলেন- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি যে তোমরা (যিকির-আযকার ও সালাত থেকে খালি করে) তোমাদের ঘরগুলিকে কবরস্থানে পরিণত করো না। তোমরা আমার কবরকে ঈদ-উৎসবের স্থানে পরিণত করো না। তোমরা আমার উপর দরূদ পড়ো। যে স্থান থেকেই তোমরা দরুদ পড়ো না কেন, তা আমার কাছে পৌঁছানো হয়। (নাসাঈ, মেশকাত ৮৬ পৃঃ)

প্রিয় পাঠক! জেনে রাখুন যে, ঈদ বলা হয় ঐ সাধারণ সম্মেলনকে যা প্রতি বছর, সপ্তাহে বা মাসে নিয়মিতভাবে ফিরে আসে বা আবর্তিত হয়। যেমন- ঈদুল ফিতর, জুমু'আ বা অনুরূপ কোনো উপাসনা সম্মেলন অথবা সাধারণ সম্মেলন। কখনো তা নির্দিষ্ট স্থানকে কেন্দ্র করে হয়ে থাকে। কখনো বা অনির্দিষ্ট স্থানে। ইরাকবাসী মুসলিমদের অবস্থা হলো এই যে, তারা দেশের প্রত্যেক অলির কবরে নির্দিষ্ট একটি দিনে যিয়ারতের উদ্দেশ্যে জমায়েত হবে। (যেমন- আমাদের দেশে 'উরস' উৎসবে জমায়েত হয়ে থাকে)। কেউ জুমু'আর দিনকে নির্দিষ্ট করে নিয়েছে, কেউ মঙ্গলবার, কেউ বা অন্যান্য সময়ে। এমনিভাবে কোনো কোন রাতকেও তারা (যিয়ারত ও জমায়েতের উদ্দেশ্যে) নির্দিষ্ট করে নিয়েছে। যেমন- শবে কদর, শবেবরাত বা ঈদের দিনগুলিতে যেসব বিষয়ে আল্লাহ কোনো দলীল নাযিল করেন নি।

টিকাঃ
২৮. মাননীয় লেখক হাদীসটি ভুলক্রমে উল্লেখ করেননি। আলোচ্য বিষয়ের সহিত মিল থাকায় সংযোজন করা হল। (অনুবাদক)

📘 ইসলাম ও জাহেলিয়াতের দ্বন্দ্ব 📄 কবরে জবেহ করা

📄 কবরে জবেহ করা


আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন- (হে নবী) 'আপনি বলুন যে, নিশ্চয়ই আমার সালাত, আমার কুরবানী, আমার জীবন ও আমার মৃত্যু সবকিছুই কেবলমাত্র বিশ্ব চরাচরের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। তাঁর কোনো শরীক নেই এবং আমি এ বিষয়ে (কোনরূপ শরীক না করার জন্যই) আদিষ্ট হয়েছি এবং আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে আমিই প্রথম'। (সূরা আল-আন'আম, ৬: আয়াত ১৬২-১৬৩)

উক্ত আয়াতে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন স্বীয় নবীকে নির্দেশ দিচ্ছেন- মুশরিকদের নিকট একথা পৌঁছে দেওয়ার জন্য যে, তিনি স্বীয় ইবাদত উপাসনা ও যবেহ কুরবানীকে শুধুমাত্র আল্লাহর জন্যই খালেছ করছেন। অতএব যে ব্যক্তি আল্লাহ ব্যতীত অন্যের নৈকট্য কামনা করবে তার ক্ষতির হাত থেকে বাঁচার জন্য কিংবা তার কাছ থেকে কোনো উপকার লাভের জন্য- তাহলে সেটা হবে সেইরূপ কুফরী ও শিরকী আক্বীদা, যার উপর পূর্ববর্তী লোকেরা ছিল।

উহর নিষিদ্ধতার ব্যাপারে নিম্নোক্ত হাদীসগুলি প্রণিধানযোগ্য। জনৈক ব্যক্তি আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট 'বাওয়ানাহ্' নামক স্থানে তার মানতী পশু যবেহ করার অনুমতি চাইল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞেস করলেন, সেখানে কি কোনো মূর্তি আছে? তারপর জিজ্ঞেস করলেন, সেখানে কি মুশরিকদের জমায়েতের মত জমায়েত হয়ে থাকে? উত্তরে সেই ব্যক্তি বলেন কোনটাই নয়। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে অনুমতি প্রদান করলেন। (আবু দাউদ)

অন্য একটি সহীহ হাদীসে ইরশাদ হয়েছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন বলেন যে, দেখো সামান্য একটা মাছির কারণে একজন লোক জাহান্নামে গেল অপরজন জান্নাতে গেল। লোকেরা জিজ্ঞেস করলো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! সেটা কিরূপ? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন যে, দু'জন লোক একটি সম্প্রদায়ের লোকদের নিকট দিয়ে যাচ্ছিল। তাদের একটি প্রতিমা ছিল। নিয়ম ছিল এই যে, তার নিকট দিয়ে যে কেউ অতিক্রম করবে, তাকে ঐ প্রতিমার নামে কিছু কুরবানী দিয়ে যেতে হবে। একজন বলল, কুরবানী দেয়ার মত আমার কাছে কিছু নেই। তারা বলল, একটি মাছি ধরে হলেও কুরবানী দাও। তাদের কথা অনুযায়ী প্রথম লোকটি কাজ করলো, একটি মাছি কুরবানী দিল এবং সে মুক্তি পেল। অতঃপর জাহান্নামী হলো। অন্য জন পরিষ্কার বলে দিল যে, আমি আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো নামে কোনো কিছু কুরবানী দিতে প্রস্তুত নই। ফলে লোকেরা তাকে হত্যা করলো। কিন্তু সে জান্নাতী হলো।

হাদীসটিতে (আমাদের জন্য) বহু উপদেশ ও মঙ্গল নিহিত রয়েছে। এখানে লোক দুইটি মুসলিম ছিল। অথচ সামান্য কারণে একজন জাহান্নামে গেল। লোকটির আক্বীদা-বিশ্বাসে কোনো ত্রুটি ছিল না। সে শুধুমাত্র 'জান বাঁচানোর' খাতিরেই কাজটি করেছিল। প্রিয় পাঠক! নিয়ত ও আক্বীদা-বিশ্বাসই সর্বাপেক্ষা বড় জিনিস। আক্বীদা কত মজবুত ও আপোষহীন হওয়া প্রয়োজন, উপরের ঘটনাটি তার জ্বাজ্জল্যমান প্রমাণ। অতএব আপনি বিষয়টি গভীরভাবে অনুধাবন করুন। মনের কান দিয়ে শুনুন, লোকগুলি ঐ দু'জনের নিকট কি প্রস্তাব দিয়েছিল। দেখুন সত্য সব সময়ই স্পষ্ট, আর বাতিল সব সময়ই সন্দেহযুক্ত। গভীরভাবে চিন্তা করে দেখুন, মুশরিকগণ তাদের প্রতিমাগুলির জন্যে কুরবানী করে থাকে আল্লাহর নৈকট্য হাছিলের উদ্দেশ্যে, ওরা আল্লাহর নিকট তাদের জন্য শাফাআত করবে এই উদ্দেশ্যে। কেননা ওরা কেউ আল্লাহর রাসূল, কেউ মালাইকা, কেউ বা আউলিয়া। আজকালকের মানুষ আরও কত কি করছে, তা আপনার নিকট খুব পরিষ্কার। আল্লাহ আমাদেরকে সাহায্য করুন।

টিকাঃ
২৯. আমাদের দেশে কবরে 'হাজত' দেওয়া বলা হয়। (অনুবাদক)
৩০. 'জান বাঁচানো ফরজ' এই গোড়া অজুহাত দেখিয়ে এবং তথাকথিত হেকমতের দোহাই দিয়ে যারা শিরকের সংগে সহঅবস্থানের চেষ্টা করেন, তারা হাদীসটি সম্পর্কে চিন্তা করুন।

ফন্ট সাইজ
15px
17px