📘 ইসলাম ও জাহেলিয়াতের দ্বন্দ্ব 📄 মুখে শিস দেওয়া ও হাত তালি দেওয়ার মাধ্যমে ইবাদত করা

📄 মুখে শিস দেওয়া ও হাত তালি দেওয়ার মাধ্যমে ইবাদত করা


জাহেলী যুগের লোকেরা পবিত্র কা'বা ঘরে এসে মুখে শিস দিতো ও দু'হাতে তালি বাজাতো। আর একেই তারা 'সালাত' বা নামাজ বলে অভিহিত করতো। কোনো বর্ণনায় পাওয়া যায় যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সালাতে দাঁড়াতেন তখন তারা শিস দেওয়া ও তালি দেওয়া শুরু করতো, যাতে ছালাতে (নামাজে) একাগ্রতা বিনষ্ট হয়। অন্য বর্ণনায় পাওয়া যায় যে, নারী ও পুরুষ একত্রিত হয়ে হাত ধরাধরি করে উলঙ্গ অবস্থায় কা'বাঘর তাওয়াফ করতো এবং শিস দিতো ও তালি বাজাতো। ইবাদতের নামে ও ছালাতের নামে জাহেলী যুগের লোকদের এই অশিষ্ট আচরণের বর্ণনা দিতে গিয়ে আল্লাহ বলেন-
'বায়তুল্লাহ শরীফের নিকট শিস দেওয়া ও তালি বাজানোই তাদের সালাত (নামাজ) ছিল। অতএব আজকের দিনে তোমাদের সেই কুফরী কর্মের স্বাদ গ্রহণ করো।' (সূরা আন-আনফাল, ৮: আয়াত ৩৫)

আজকের এ যুগেও কোনো কোন জাহেল মুসলিম মসজিদে যিকির করার নামে শিস দিয়ে থাকে ও তালি বাজিয়ে থাকে। এ সবই যে জাহেলী যুগের তরিকা, তাতে কোনই সন্দেহ নাই। যাবতীয় বাদ্যযন্ত্রের আওয়াজ শরীয়তে শয়তানের আওয়াজ হিসাবে গণ্য করা হয়েছে ইহাই সর্বজন বিদিত।

টিকাঃ
২৪. এখানে শ্রদ্ধেয় লেখক একটি কবিতা নকল করেছেন। এতদ্ব্যতীত উপরোক্ত বক্তব্যের সমর্থনে সূরা আল-ইসরার ৬৪ আয়াতটি উদ্ধৃত করেছেন। যদিও তা সংগতিপূর্ণ নয়। কলেবর বৃদ্ধির ভয়ে বাদ দেওয়া হলো।

📘 ইসলাম ও জাহেলিয়াতের দ্বন্দ্ব 📄 আকীদা-বিশ্বাসে মুনাফেকী

📄 আকীদা-বিশ্বাসে মুনাফেকী


জাহেলী যুগের অনেকে যখন মুসলিমদের নিকট আসতো তখন মুখে ঈমানের দাবী করতো। কিন্তু যখন সেখান থেকে বেরিয়ে যেতো, তখন যে অবিশ্বাস বা কুফরী নিয়ে সে প্রবেশ করেছিল, সেটা সংগে নিয়েই সে নিষ্ক্রান্ত হতো।

📘 ইসলাম ও জাহেলিয়াতের দ্বন্দ্ব 📄 ভ্রষ্টতার দিকে আহবান

📄 ভ্রষ্টতার দিকে আহবান


জাহেলী যুগের লোকেরা মানুষকে অজ্ঞতার কারণে ভ্রষ্টতার দিকে আহবান করতো।

📘 ইসলাম ও জাহেলিয়াতের দ্বন্দ্ব 📄 জেনেশুনে কুফরীর দিকে আহবান

📄 জেনেশুনে কুফরীর দিকে আহবান


জাহেলী যুগের লোকেরা সবকিছু জেনেশুনেও মানুষকে কুফরীর দিকে আহবান করতো।

ফন্ট সাইজ
15px
17px