📘 ইসলাম ও চরমপন্থা > 📄 মিসরের জামাআ ইসলামিয়ার আলোকিত প্রত্যাবর্তন

📄 মিসরের জামাআ ইসলামিয়ার আলোকিত প্রত্যাবর্তন


আমরা এখানে অত্যন্ত গৌরবের সাথে উল্লেখ করতে চাই যা মিসরের জামাআ ইসলামিয়া ঘোষণা করেছে এবং সেটিকে তাদের আধ্যাত্মিক নেতা শায়খ উমর আব্দুর রহমান সমর্থন করেছেন, যিনি এখন আমেরিকার কারাগারে বন্দী রয়েছেন- আল্লাহ তাঁকে মুক্তি দিন- তারা ঘোষণা করেছে চরমপন্থা বন্ধ করার এবং শান্তির পথ গ্রহণ করার আর সবধরনের সশস্ত্র প্রতিরোধ পরিত্যাগ করার। তারা তাদের জিহাদের নামে যেসব ভুল-ত্রুটি সংঘঠিত হয়েছে তা তারা স্বীকার করেছে। তারা এটি করেছে ১৯৯৭ সালের ৫ই জুলাই কোর্টের নিকট। সামরিক আদালতে ২৩৫ নং মামলায় উপস্থিত সকলেই হতবাক হয়ে গেলেন যখন জামাআ ইসলামিয়ার শীর্ষস্থানীয় নেতাদের স্বাক্ষর করা বিবৃতি পাঠ করে শুনানো হল প্রিন্টিং মিডিয়া ও স্যাটেলাইট চ্যানেলের লোকজনের উপস্থিতিতে যে, তারা সবধরনের রক্তপাত ও সশস্ত্র আক্রমণ পরিত্যাগ করছে।

জামাআ ইসলামিয়ার কতিপয় নেতা এটির সত্যতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন। পরে তারা নিশ্চিত হতে পারেন যে ঘটনা সত্য, তারা সমঝোতা ও শান্তির পথ গ্রহণ করেছেন। এরপর তারা ১৯৯৯ সালের ২৮ মার্চ ঘোষণা করে সম্পূর্ণভাবে চরমপন্থা পরিত্যাগ করার এবং সবধরনের আক্রমণ ত্যাগ করার আর তারা এ ব্যাপারে বিবৃতিও প্রকাশ করে।

এরপর জামাআ ইসলামিয়ার নেতৃবৃন্দ বেশ কিছু বিবৃতি ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি ও বাস্তবতার নিরিখে প্রকাশ করেন যাতে তারা তাদের এই পদক্ষেপ ও অবস্থানের ব্যাপারটি স্পষ্ট করে তুলে ধরেন। তারা কুরআন-সুন্নাহর আলোকে ও ইসলামী চিন্তাবিদ ও আলেম-উলামাদের দলিল-প্রমাণসহ বেশকিছু বিবৃতি প্রকাশ করেন যা তারা "তাসহীহুল মাফাহীম" [বুঝ-সমঝ পরি শুদ্ধকরণ] নামে প্রকাশ করেন। এসব বিবৃতির প্রকাশক বলেন, এগুলো হল শান্তি আলোচনার বিশেষ ফলশ্রুতি। এর দ্বারা নেতৃবৃন্দ চেয়েছেন তাদের ভুল-ভ্রান্তি সম্পর্কে লোকজনকে অবহিত করতে এবং ইসলাম সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মাঝে যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে তা দূর করতে বিশেষ করে ইসলামী কর্মকাণ্ড সম্পর্কে।

তিনি আরো বলেন, এসব বিবৃতির আরেকটি বিশেষ দিক হল, শীর্ষস্থানীয় সকল নেতৃবৃন্দ এটি দেখেছেন এবং পড়েছেন যেমনঃ কারাম জুহদী, নাজেহ ইবরাহীম, উসামা হাফেজ, ফুয়াদ দুআলিমী, হামদী আব্দুর রহমান, আলী শারীফ, আসেম আব্দুল মাজেদ এবং এসام দারবালা।

এসব বিবৃতি ও প্রচারণা আমার দৃষ্টি কেড়েছে এ জন্য যে, তাদের নিকট আমার বই-পুস্তক ছিল নিষিদ্ধ। কিন্তু আমি দেখলাম বিভিন্ন জায়গাতে তারা আমার বই-পুস্তকের উদ্ধৃতি দিয়েছে। এর দ্বারা বুঝা যায় তারা মুখলেস বা একনিষ্ঠ ছিল এবং তারা তাদের পূর্বের গোঁড়ামী থেকে বের হয়ে এসেছে। তারা অন্ধ অনুসরণ ও বাড়াবাড়ি পরিত্যাগ করেছে আর এটি তাদের সঠিক পথে ফিরে আসারই প্রমাণ বহন করে এবং সঠিক জ্ঞান ও হিকমতের অন্বেষণ করার ক্ষেত্রে তাদের আগ্রহের বহিঃপ্রকাশ বুঝায়।

সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষেত্রে দশটি শরয়ী বাধা

এসব ভাইয়েরা বুঝতে পেরেছে যে, সরকারের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করা বা সশস্ত্র জিহাদ করা যাকে তারা শরীয়তে ওয়াজিব বলে বিশ্বাস করত, এটি আজ তাদের উপর ওয়াজিব নয়। এর কারণ এ ব্যাপারে অনেকগুলো বাধা রয়েছে, তন্মধ্যে অন্যতম হলো দশটি। তাদের প্রথম বুকলেট "চরমপন্থা পরিহার করার পদক্ষেপঃ বাস্তবতা ও শরয়ী দৃষ্টিভঙ্গী"-এ তারা এ ব্যাপারে দলিল-প্রমাণ সহ উল্লেখ করে যা এখানে উল্লেখ করা হল।

১. প্রথম বাধাঃ এধারণাই প্রবল হচ্ছে যে, জিহাদ বা সশস্ত্র লড়াই বা সংঘাত দ্বারা কাঙ্খিত ফললাভ সম্ভবপর হবে না, যে উদ্দেশ্যে এই জিহাদ শুরু করা হয়েছিল।

২. দ্বিতীয় বাধাঃ সশস্ত্র লড়াই করা [মহান আল্লাহর সৃষ্টির উদ্দেশ্য-লক্ষের পরিপন্থী। (এবং তা ঘৃণিতও বটে।)

৩. তৃতীয় বাধাঃ অপারগতা বা সামর্থ্যহীনতা। আর অপারগতার কারণে ওয়াজিবাত বা কর্তব্য তিরোহিত হয়ে যায়। "তোমরা আল্লাহকে ভয় কর যতটুকু সম্ভব।” (সূরা তাগাবুন: ১৬)

৪. চতুর্থ বাধাঃ ধ্বংস (জীবনাবশান) যেমনটি মহান আল্লাহ বলেনঃ “তোমরা তোমাদের হস্তদ্বয়কে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিও না।” (সূরা বাকারা: ১০৫)

৫. পঞ্চম বাধাঃ মুশরিকদের সাথে মুসলমানের উপস্থিতি। একজন মুসলমানের রক্তের জিম্মাদারীর কারণে সে যদি অন্যান্য মুশরিকের মাঝে রয়ে যায় যাতে তাকে পার্থক্য করা সম্ভব না হয় তাহলে সকলের রক্তই নিরাপদ হয়ে যাবে। তাদেরকে আক্রমণ করা যাবে না, মুসলিমের উপস্থিতির কারণে। এ ব্যাপারে কুরআন বলেঃ

وَلَوْلَا رِجَالٌ مُؤْمِنُونَ وَنِسَاءً مُؤْمِنَاتٌ لَّمْ تَعْلَمُوهُمْ أَنْ تَطَئُوهُمْ فَتُصِيبَكُمْ مِّنْهُمْ مَّعَرَّةٌ بِغَيْرِ عِلْمٍ ، لِيُدْخِلَ اللهُ فِي رَحْمَتِهِ مَنْ يَشَاءُ : لَوْ تَزَيَّلُوا لَعَذَّبْنَا الَّذِينَ كَفَرُوا مِنْهُمْ عَذَابًا أَلِيمًا - (الفتح : (٢٥)

"যদি মুমিন পুরুষরা ও মুমিন নারীরা না থাকত, যাদের সম্পর্কে তোমরা জান না যে, অজ্ঞাতসারে তাদেরকে পদদলিত করবে, ফলে তাদের কারণে তোমরা দোষী হতে কিন্তু আমি তাদের উপর কর্তৃত্ব দিয়েছি যাতে আল্লাহ যাকে ইচ্ছা স্বীয় রহমতে প্রবেশ করাবেন। যদি তারা পৃথক থাকত, তাহলে তাদের মধ্যে যারা কুফরী করেছে তাদেরকে আমি অবশ্যই যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি দিতাম।" (সূরা ফাতহঃ ২৫)

৬. ষষ্ঠ বাধাঃ কাফেররাও কালেমা শাহাদাত পাঠ করছে, মুরতাদ ব্যক্তিও তাওবা করতে পারে এবং সঠিক ইসলামের পথে ফিরে আসছে এবং গুনাহগার-পাপী আল্লাহর আনুগত্যে ফিরে আসছে।

৭. সপ্তম বাধাঃ যদি লড়াই-সংগাম করতে গিয়ে যে ফিতনা ও বিপর্যয় সৃষ্টি হবে বলে আশংকা করা হয়, সম্ভাব্য ফল লাভের চেয়ে অথবা এর দ্বারা ভালোর চেয়ে মন্দই বেশী হবার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে।

৮. অষ্টম বাধাঃ বিশেষ করে আহলে কিতাবদের (ইহুদী-খৃষ্টানদের) ব্যাপারে- যদি তারা নির্ধারিত ট্যাক্স (জিযিয়া) বা অন্য কর সরকারের নিকট প্রদান করে থাকে আর তাদের জন্য সরকার নিরাপত্তা প্রদান করে থাকে, তাহলে তাদের সাথে যুদ্ধ করা যায় না। তারা যেহেতু مسلمانوں দেশে নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় প্রবেশ করছে, তাহলে তাদেরকে নিরাপত্তা দিতে হবে, তাদেরকে হত্যা করা যাবে না বা তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা যায় না।

৯. নবম বাধাঃ সকলের নিকট দাওয়াত না পৌঁছা। কারণ, কারো নিকট ইসলামের দাওয়াত না পৌঁছার পূর্বে তার সাথে লড়াই করা জায়েয নয়।

১০. দশম বাধাঃ সন্ধিচুক্তি স্বাক্ষর করা। আর একথা সুবিদিত যে, সন্ধিই উত্তম। শায়খ হাসকাফী তাঁর দুররুল মুখতার [তানভীরুল আবসার গ্রন্থের ব্যাখ্যা] গ্রন্থে বলেন, তাদের সাথে সন্ধিচুক্তি সম্পাদন করা জায়েয তাদের পক্ষ থেকে ধন-সম্পদ দিয়ে অথবা আমাদের পক্ষ থেকে ধন-সম্পদ প্রদান করে, যদি এতে কল্যাণ থাকে মহান আল্লাহর এ বাণীর কারণেঃ

وَإِنْ جَنَحُوا لِلسَّلْمِ فَاجْنَحْ لَهَا - (الأنفال : ٦١) "আর যদি তারা সন্ধির প্রতি ঝুঁকে পড়ে, তাহলে তুমিও তার প্রতি ঝুঁকে পড়।” (সূরা আনফাল: ৬১) ইমাম ইবনে আবেদীন এর টীকায় লিখেন, "আয়াতের হুকুমকে শর্তযুক্ত করা হয়েছে কল্যাণলাভ থাকার বিষয়টিকে প্রাধান্য দেয়ার ক্ষেত্রে, এটি সম্মিলিত অভিমত [ইজমা]।” ১

এই চুক্তি যখনই সম্পাদিত হবে তখনই লড়াই করা নিষিদ্ধ হয়ে যাবে, সে চুক্তি সাময়িক হোক বা স্থায়ী।

এ দশটি বাধার কথা যা এখানে উল্লেখ করলাম, সেগুলো তাদের প্রথম বুকলেট "চরমপন্থা পরিহার করার পদক্ষেপঃ বাস্তবতা ও শরয়ী দৃষ্টিভঙ্গী" থেকে সংক্ষেপে উল্লেখ করলাম। তারা সেখানে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছে। তাদের সে বুকলেটের শেষভাগে এই বলিষ্ঠ বক্তব্য তুলে ধরেছে যা আমি এখানে উল্লেখ করছিঃ

তারা বলেঃ "আমরা ইসলামী আন্দোলনের অংশ হিসেবে আমাদের উপর ওয়াজিব হল- আমাদের উদ্দেশ্য-লক্ষ্য স্পষ্ট হতে হবে যেজন্য আমরা কাজ করছি এবং অবশ্যই আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপকে মূল্যায়ন করতে হবে যে, এই পদক্ষেপ আমাদের উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করবে কি না। আমাদের মহান উদ্দেশ্যই হল যা নবী-রাসূলগণ নিয়ে এসেছেনঃ "তোমরা আল্লাহর ইবাদত কর। তিনি ব্যতীত তোমাদের অন্য কোন উপাস্য নেই।” (সূরা মুমিনুন : ৩২)

আমাদের উদ্দেশ্যই হল মানুষকে তাদের রব এর ইবাদতের বন্ধনে একীভূত করা অর্থাৎ সমস্ত সৃষ্টিকুলের নিকট হেদায়েতের বাণী উপস্থাপন করা। এজন্য আমাদেরকে পর্যাপ্ত সাহসের সাথে অগ্রসর হতে হবে যেকোন সিদ্ধান্তের ব্যাপারে যাকে আমরা আমাদের উদ্দেশ্য-লক্ষ্য বাস্তবায়নে সহায়ক মনে করব।

আমাদেরকে আরো সাহসের সাথে অগ্রসর হতে হবে যেন আমরা আমাদের গৃহীত পদক্ষেপ যা আমাদের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সহায়ক নয় যদিও বাস্তবে সেটি কেউ কেউ আমাদের ইতোমধ্যে বাস্তবে করে ফেলেছে তা পরিহার করতে হবে- যা আমাদের উদ্দেশ্য-লক্ষ্য মানুষকে হেদায়েতের পথে আহ্বান করা- এতে প্রতিবন্ধক কর্মকাণ্ড অবশ্যই সাহসের সাথে পরিহার করব। এটি কোন বাহাদুরী নয় যে, আমরা আমাদের দেশের' সন্তানদেরকে হত্যা করব। আমরা এটা দৃঢ়তার সাথে বিশ্বাস করি যে, আমরা কারো হাড়-হাড্ডি ভাঙতে গিয়ে প্রকৃতপক্ষে দীনের দাওয়াতকেই ধ্বংস করে দিলাম।

বরং সাহস ও বাহাদুরীর কাজ হল যা রাসূলুল্লাহ (সা.) করেছেন যখন তিনি দেখলেন কুরাইশদের সাথে যুদ্ধ পরিত্যাগ করা উত্তম, তখন তিনি তাদের সাথে সন্ধি করেন [সন্ধি চুক্তিতে কুরাইশদের পক্ষ থেকে বেশ কিছু কঠোর ও অসম্মানজনক শর্তারোপ করা হয়েছিল]। এমনকি উমর (রা.) বলেন, আমরা কেন দীনের ব্যাপারে এত কঠিন শর্ত মেনে নিচ্ছি।"১

রাসূল (সা.) আরো সাহস ও বাহাদুরীর উদাহরণ হল- তিনি যখন জানলেন খালিদ ইবনে ওয়ালিদ কৌশলে মুসলিম সৈন্যদের নিয়ে মুতা'র যুদ্ধ থেকে পিছু হটে এসেছেন। তিনি সেটিকে মেনে নিয়েছেন। অথচ অনেক মুসলমানই এটিকে মেনে নিতে না পেরে তাঁকে পলাতক বলে অভিযুক্ত করেন।

রাসূল (সা.) এর শিক্ষা ও অনুমোদন ভালভাবে অধ্যয়ন-পর্যবেক্ষণ করে আমরা মিসরে সশস্ত্র লড়াই পরিত্যাগ করার ঘোষণা প্রদান করছি।”২

আমার দৃঢ়বিশ্বাস মিসরের জামাআ ইসলামিয়ার বর্তমান অবস্থান এবং তাদের পূর্বচিন্তাধারা থেকে প্রত্যাবর্তন করা নিঃসন্দেহে এক বলিষ্ঠ সাহসী পদক্ষেপ। আর তাদের বক্তব্যগুলো পুস্তিকা আকারে প্রকাশ করায় তাদের নিয়তের একনিষ্ঠতার ব্যাপারে কোন সন্দেহ-সংশয় থাকে না। এর দ্বারা তাদের চিন্তাধারাও প্রত্যাখ্যাত হয়েছে যারা শুধুমাত্র নিরাপত্তামূলক পদক্ষেপ গ্রহণকেই একমাত্র পথ বলে মনে করত। নিরাপত্তামূলক পদক্ষেপ ও কর্মসূচী দ্বারা তাদেরকে সাময়িকভাবে দমন করা সম্ভব হলেও সমস্যার স্থায়ী সমাধান ও চিন্তার জগতে তাদের যে ভ্রান্তি রয়েছে তা দূর করা সম্ভব হবে না। সুযোগ পেলেই বিভ্রান্তরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে। হয়তবা নতুন কোন নামে বা আঙ্গিকে তারা সংগঠিত হবে। এজন্য তাদের চিন্তাধারায় পরিবর্তন এনে তাদেরকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হওয়ায় সমস্যার সমাধান হয়েছে বলেই প্রতীয়মান হয়।

وآخر دعوانا أن الحمد لله رب العالمين

সমাপ্ত

টিকাঃ
১. বিষয়টিকে বিস্তারিতভাবে জানতে হলে "ফিকহুল জিহাদ” গ্রন্থটি পাঠ করুন, যা অচিরেই প্রকাশিত হবে।
১. বুখারী হাদীস নং ৩০১০, মুসলিম ১৭৮৫/৯৪ সাহল ইবনে হুনাইফ (রা.) থেকে বর্ণিত।
২. দেখুন, জামাআ ইসলামিয়ার প্রকাশিত বুকলেট "চরমপন্থা পরিহার করার পদক্ষেপঃ বাস্তবতা ও শরয়ী দৃষ্টিভঙ্গী", এবং তাদের অপর প্রকাশিত পুস্তিকা- "জিহাদের কি ভুল-ত্রুটি সংঘটিত হয়েছে তার উপর দৃষ্টিপাত"।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00