📘 ইসলাম ও চলমান অর্থবাণিজ্য 📄 (ঋণের মেয়াদ তিন ধরনের)

📄 (ঋণের মেয়াদ তিন ধরনের)


ঋণের তিন ধরনের মেয়াদ হয়ে থাকে- যা বাজেটে লিখা থাকে।

📘 ইসলাম ও চলমান অর্থবাণিজ্য 📄 ঘাটতি পূরণের বিকল্প পদ্ধতি

📄 ঘাটতি পূরণের বিকল্প পদ্ধতি


যখন সুদমুক্ত অর্থনীতির কথা আলোচনা করা হয় তখন বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশে তা সর্বাধিক কঠিন সমস্যা মনে করা হয়। অনেকেই ভাবতে থাকে, যদি সুদি ঋণ নেয়ার পথ একেবারে বন্ধ করে দেয়া হয় তাহলে বাজেট ঘাটতি পূরণের জন্য যে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণ নেয়া হয়, তা নেয়ার পদ্ধতি কী হবে? কেননা, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোতে তো শিরকত ও মুদারাবা পদ্ধতি প্রয়োগ করা সম্ভব। কিন্তু যে সকল খাতে সরকার ঋণ গ্রহণ করে তার সবগুলো এমন লাভজনক নয় যে শিরকত-মুদারাবা পদ্ধতি প্রয়োগ করা যাবে। যেমন সড়ক, সেতু, বাঁধ ইত্যাদি নির্মাণ, সেনা বাহিনীর জন্য নতুন অস্ত্র সংগ্রহ করা। অনুরূপভাবে এমন অনেক পরিকল্পনা সরকারকে গ্রহণ করতে হয় যার ফায়দা পুরো জাতি ভোগ করে, কিন্তু তা থেকে সরাসরি কোনো আয় আসে না, বিধায় সেক্ষেত্রে শিরকত ও মুদারাবা পদ্ধতি প্রয়োগ করা যায় না।

এ প্রশ্নের উত্তরে সর্বপ্রথম কথা হচ্ছে, বাজেট ঘাটতি কমানোর জন্য সর্বপ্রথম অপচয়মূলক ব্যয় পরিহার করা প্রয়োজন- রাত দিন সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপে যার প্রদর্শনী হয়। একটি দরিদ্র দেশে যার কোনো বৈধতাও নেই। তেমনিভাবে আমাদের দেশে ঘুষ দুর্নীতির কারণেও অনেক বিরাট অংকের টাকা নষ্ট হয়। এর রাস্তা বন্ধ হওয়া দরকার। কিন্তু তারপরও এ বাস্তবতা স্বস্থানে থেকে যাবে। অপচয়মূলক ব্যয় পরিহার এবং দুর্নীতি বন্ধ করা সত্ত্বেও দেশের প্রয়োজনের প্রেক্ষাপটে বাজেট ঘাটতি পূরণের জন্য পুঁজি সরবরাহের অন্য মাধ্যমের প্রয়োজন অবশিষ্ট থাকবে। বর্তমান অবস্থায় এ উদ্দেশ্যের জন্য সুদের ভিত্তিতে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণ গ্রহণ করা হয়। সুদমুক্ত করার পর সরকারের বিভিন্ন প্রয়োজনের জন্য বিভিন্ন অর্থসংস্থান পদ্ধতি গ্রহণ করা যেতে পারে। যার কয়েকটি হলো:-

১. সরকারের যে প্রতিষ্ঠান লাভজনক যেমন টেলিফোন ও টেলিগ্রাফ বিভাগ- এর অর্থসংস্থানের জন্য মুদারাবা সার্টিফিকেট জারি করা যেতে পারে। অর্থাৎ, যে ব্যক্তি এ মুদারাবা সার্টিফিকেট গ্রহণ করবে, সে ঐ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশে তার অংশ অনুযায়ী শরীক হবে। তেমনিভাবে যদি কোনো মহাসড়ক বা সেতু নির্মাণ করতে হয় তাহলে তার ব্যবহারের উপর ফিস আরোপ করা যেতে পারে। এর দ্বারা এ প্রকল্পও লাভজনক হয়ে যাবে। এর মাধ্যমেও জনসাধারণের মধ্যে মুদারাবা সার্টিফিকেট জারি করা যেতে পারে।

২. যে প্রকল্প কোনোভাবেই লাভজনক না হবে তার অর্থসংস্থানের জন্য এমন সুদমুক্ত বন্ড জারি করা যেতে পারে- যার উপর কোনো বিনিময় প্রদান করা হবে না। তবে তার গ্রাহকদের ট্যাক্সে ছাড় দেয়া যেতে পারে। ট্যাক্স ছাড় পদ্ধতি অধিক হারে আকর্ষণীয় বানানো যেতে পারে। ট্যাক্স যেহেতু জনসাধারণের উপর সরকারের ঋণ নয়, এ কারণে তা মওকুফ বা তাতে ছাড় দেয়া সুদের মধ্যে গণ্য হবে না। সরকার ট্যাক্স বসাতে এবং বিভিন্ন বিভাগকে ছাড় দেয়ার ব্যাপারে বিভিন্ন কারণ সামনে রাখে। যদি এ কারণও সামনে রাখা হয় তাহলে তাতে কোনো ক্ষতি নেই।

৩. আরেকটি প্রস্তাবও বিবেচনাযোগ্য। ঋণপত্রের মাধ্যমে জনগণ থেকে ঋণ নিয়ে শর্তযুক্ত অতিরিক্ত কিছু প্রদান করা না গেলেও কখনো সুযোগমতো কিছু পুরস্কার দেয়াতে কোনো বাঁধা নেই। আইনগতভাবে সে পুরস্কার দাবি করার কোনো অধিকার থাকবে না। মালয়েশিয়ায় এ প্রস্তাবের উপর কার্যক্রম চলছে। যেহেতু এ পদ্ধতিতে পুরস্কার শর্তযুক্তও নয়, আর তার হারও ধার্যকৃত নয় এবং তা পাওয়াও নিশ্চিত নয়, ঋণদাতার পক্ষ থেকে তার দাবিও নেই- এ কারণে দর্শনগত দিক থেকে তার উপর সুদের সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। কিন্তু সন্দেহ হয়- ধারাবাহিক কার্যক্রমের ফলে এটা المعروف کالمশروط এ মূলনীতির অন্তর্ভুক্ত হয়ে যেতে পারে। সুতরাং আরো একটি প্রস্তাব হচ্ছে, এ অতিরিক্ত আদায়কে দেশের মোট জাতীয় উৎপাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট করে দেয়া যেতে পারে। অর্থাৎ ঋণের মেয়াদে মোট জাতীয় উৎপাদনে যত বৃদ্ধি পাবে, ততটুকু বেশিই জনসাধারণেরকে দেয়া হবে। যদি কোনো বৃদ্ধি না থাকে, তাহলে অতিরিক্ত কিছু দেয়া হবে না। এ প্রস্তাবের ব্যাপারে এখনো আমার নেতিবাচক বা ইতিবাচক কোনো দিকে দৃঢ়তা নেই। কিন্তু ওলামায়ে কেরামের এ ব্যাপারে অবশ্যই চিন্তা-ভাবনা করা উচিত।

৪. সরকারের নিজের কাজের জন্য, অনুরূপভাবে সেনাবাহিনীর জন্য অনেক মেশিনারি সামগ্রীর প্রয়োজন হয়। এর অর্থসংস্থানের জন্য ইজারা পদ্ধতিও সহজে গ্রহণ করা যায়। কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে এসব সামগ্রী ইজারার ভিত্তিতে লাভ করা যায়।

৫. এ ছাড়া একটি বহুমুখী কর্মপ্রক্রিয়া হতে পারে। সরকার তার ব্যয়ের অর্থসংস্থানের জন্য একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গঠন করবে। এ প্রতিষ্ঠান সরকারি বিভাগেও প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে এবং তাকে আধা সরকারিও বানানো যেতে পারে। এ প্রতিষ্ঠান জনগণের জন্য মুদারাবা সার্টিফিকেট চালু করবে। আর এ সার্টিফিকেটের মাধ্যমে প্রাপ্ত জনগণের টাকা থেকে সরকারকে বিভিন্ন কাজের মধ্যে শিরকত, মুদারাবা, ইজারা এবং মুরাবাহার ভিত্তিতে অর্থ বিনিয়োগ করবে। যার বিস্তারিত প্রক্রিয়া ব্যাংকিং অধ্যায়ে বর্ণনা করা হয়েছে। এ বিনিয়োগের ফলে যে আয় হবে সেটা মুদারাবা সার্টিফিকেটধারীদের মধ্যে অংশ অনুযায়ী বণ্টন করা হবে। এ মুদারাবা সার্টিফিকেট সেকেন্ডারি মার্কেটে ক্রয়-বিক্রয়যোগ্যও হতে পারে। এভাবে জনসাধারণ আশ্বস্ত হতে পারে যে, তার খাটানো টাকা যখন ইচ্ছা সেকেন্ডারি মার্কেটে বিক্রি করে ফেরত নিতে পারবে। আর সার্টিফিকেট নিজের কাছে রাখতে চাইলে উল্লেখিত প্রতিষ্ঠানের আয়ে অংশীদার হতে পারবে।

মোটকথা, বিভিন্ন প্রয়োজনের তাগিদে বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন এবং তার জন্য উত্তম ব্যবস্থা উদ্ভাবন করা যেতে পারে।

এ ছাড়া অভ্যন্তরীণ ঋণের এক বিরাট অংক থাকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঋণ। তার উপর সুদের লেনদেন নিছক একটি কাগজী জমা খরচ। এটা বাদ দিতে কোনো জটিলতা নেই। তেমনিভাবে কেন্দ্রীয় এবং প্রাদেশিক সরকারের মধ্যে ঋণের লেনদেনেও সুদের কার্যক্রম সহজেই দূর করা যেতে পারে। এতেও কোনো জটিলতা নেই।

বৈদেশিক ঋণের ব্যাপারেও যদি সরকার আন্তরিকতার সাথে চেষ্টা করে তাহলে অন্য দেশকে ইসলামী বিনিয়োগ পদ্ধতির ভিত্তিতে টাকা সরবরাহ করার প্রতি উদ্বুদ্ধ করতে পারে। বৈদেশিক ঋণদাতাদের আসল উদ্দেশ্য হচ্ছে মুনাফা অর্জন করা, মুনাফা অর্জনের পদ্ধতি তাদের মূল উদ্দেশ্য নয়। এর একটি সরল দৃষ্টান্ত হচ্ছে, অনেক দেশ ঋণ দেয়ার সময় শর্তারোপ করে যে, দ্রব্য-সামগ্রী তাদের দেশ থেকেই ক্রয় করতে হবে। যখন দ্রব্য সামগ্রী তাদের দেশ থেকেই ক্রয় করতে হবে তখন ঋণের পরিবর্তে দ্রব্য-সামগ্রীকেই মুরাবাহা মুয়াজ্জালা-এর ভিত্তিতে গ্রহণ করতে কী অসুবিধা? এখন সারা দুনিয়ায় ইসলামী বিনিয়োগ পদ্ধতি ক্রমে ক্রমে পরিচিত হয়ে উঠছে। I.M.F. এবং ওয়ার্ল্ড ব্যাংকে এ ব্যাপারে যথারীতি গবেষণা হচ্ছে। তার থেকে কোনো কোনোটার সমর্থনে পাশ্চাত্য লেখকদের প্রবন্ধও প্রকাশিত হচ্ছে। I.F.C. (ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স কর্পোরেশন- যা বিশ্ব ব্যাংক ধাঁচের একটি প্রতিষ্ঠান এবং খাঁটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঋণ প্রদান করে) এখন ইসলামী ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে নিজেরাই ইসলামী বিনিয়োগ পদ্ধতির ভিত্তিতে কারবার করছে। এ অবস্থায় ইসলামী দেশগুলো যদি আন্তরিকতা এবং গুরুত্বের সাথে অন্য দেশের সাথে এ ভিত্তিতে লেনদেনের চেষ্টা করে তাহলে সাফল্য অর্জন কঠিন কিছু নয়।

📘 ইসলাম ও চলমান অর্থবাণিজ্য 📄 পরিশিষ্ট (প্রতিটি ইংরেজী শব্দের সঠিক উচ্চারণ)

📄 পরিশিষ্ট (প্রতিটি ইংরেজী শব্দের সঠিক উচ্চারণ)


ছাত্রদের সুবিধার্থে এ পুস্তকের প্রতিটি ইংরেজী শব্দের সঠিক উচ্চারণ অধ্যায় ভিত্তিক সন্নিবেশ করা হলো-

প্রথম অধ্যায় : অর্থনীতি

Economics (ইকনমিক্স): অর্থনীতি /الاقتصاد
Capitalism (ক্যাপিট্যালিজম): ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থা/ الرأسمالية
Socialism (সোশ্যালিজম): সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থা/الاشتراكية
Communism (কমিউনিজম): সাম্যবাদ / الشيوعية
Determination of Priorities (ডিটারমিনেইশন অভ প্রায়রিটিজ): প্রয়োজন নিরূপণ / تحديد الأولويات
Allocation of Resources (অ্যালকেইশন অভ রিসোর্সেস): উপকরণ বিভাজন / تخصيص الموارد
Distribution of Income (ডিসস্ট্রিবিউশন অভ ইন্কাম): আয় বণ্টন /توزيع الدخل
Development (ডিভিলমেন্ট): উন্নয়ন / تطوير
Law of Demand & Supply (ল-অভ ডিমান্ড এ্যান্ড সাপ্লাই): চাহিদা ও যোগান বিধি / قانون العرض والطلب
Private Property (প্রাইভেট প্রপার্টি): ব্যক্তি মালিকানা /ملكية خاصة
Profit Motive (প্রফিট মোটিভ): মুনাফা লাভের প্রেরণা / الدافع الربح
Laissez Faire (লেসেই ফেয়ার): সরকারি হস্তক্ষেপমুক্ততা/ الحرية الإختصاصية
Market Economy (মার্কেট ইকনমি): বাজার-নির্ভর অর্থব্যবস্থা/اقتصاد السوق
Market Forces (মার্কেট ফোরসেস): বাজারশক্তি /قوى السوق
Planned Economy (প্ল্যান্ড ইকনমি): পরিকল্পিত অর্থব্যবস্থা / اقتصاد اقتصاد مخطط / موجهة
Collective Property (কালেক্টিভ প্রপার্টি): সামষ্টিক মালিকানা / الملكية الجماعية
Planning (প্লানিং): কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা/তখতীত
Mixed Economy (মিক্সড ইকনমি): মিশ্র অর্থনীতি/ইকতিসাদ মুখতালিফ
Public Sector (পাব্লিক সেক্টর): সরকারী তত্ত্বাবধানের প্রতিষ্ঠানসমূহ /াল-কিতাউল আম
Private Sector (প্রাইভেট সেক্টর): ব্যক্তি উদ্যোগের প্রতিষ্ঠানসমূহ / আল-কিতাউল খাস
Collective Interest (কালেক্টিভ ইন্ট্রেস্ট): সামষ্টিক স্বার্থ / মসলহাত জামায়ীয়্যাহ
Equitable Distribution of Income (এক্যুইট্যাবল ডিসট্রিবিউশন অভ ইনকাম): আয়ের সুষম বণ্টন / আত-তাওযিউল আদিল লিদ-দাখল
Utopian (ইউটোপিয়ান): আকাশকুসুম কল্পনা, কাল্পনিক / আল-মাদিনাতুল ফাদিলাই
Monopoly (মনোপলি): একচেটিয়া কর্তৃত্ব/এহতিকার
Free Competition (ফ্রী কম্পিটিশন): অবাধ প্রতিযোগিতা / মুনাকশাহ হুররাহ
Production of Wealth (প্রডাকশন অভ ওয়েল্থ): সম্পদ উৎপাদন / ইন্তাজুস সারওয়াহ
Distribution of Wealth (ডিসট্রিবিউশন অভ ওয়েল্থ): সম্পদ বণ্টন / তাওযিউস সারওয়াহ
Exchange of Wealth (এক্সচেইঞ্জ অভ ওয়েল্থ): সম্পদ বিনিময় / মুবাদালাতুস সারওয়াহ
Consumption of Wealth (কনজাম্পশন অভ ওয়েল্থ): সম্পদ ভোগ / ইস্তিহলাকুস সারওয়াহ
Factors of Production (ফ্যাক্টরস অভ প্রডাক্‌শন): উৎপাদনের উপাদানসূহ/ আওয়ামিলুল ইন্তাজ
Land (ল্যান্ড): ভূমি / আর্দ
Labour (লেইবার): শ্রম / আল-আমল
Capital (ক্যাপিটাল): মূলধন / রা'সুল মাল
Entrepreneur (এন্ট্রাপ্রেনার): উদ্যোক্তা / রিয়াদী
Rent (রেন্ট): ভাড়া / তা'জীর
Wages (ওয়েজেস্): শ্রমের মজুরি / উজুর
Interest (ইন্টারেস্ট): মূলধনের সুদ / ফাইদাহ
Profit (প্রফিট): উদ্যোক্তার লাভ / রিবহ
Theory of Surplus Value (থিয়রি অভ সারপ্লাস ভ্যালিউ): উদ্বৃত্ত মূল্য তত্ত্ব / নাযরিয়াতুল কদর
Privatization (প্রাইভেটাইজেশন): বিজাতীয়করণ / আল-খাসখাসাহ
Perestroica (পেরেস্ত্রয়েকা): একটি গ্রন্থের নাম / আল-বিরিসতুরিকা
Financing (ফাইন্যান্সিং): অর্থ বিনিয়োগ / তামউইল
Cold war (কোল্ড ওয়ার): স্নায়ুযুদ্ধ

(পরিশিষ্টের বাকি অংশ কোম্পানি, অর্থব্যবস্থা, ব্যাংকিং, বীমা ও সরকারি অর্থব্যবস্থার পরিভাষাগুলো মূল বইয়ের তালিকা অনুযায়ী সাজানো হয়েছে।)

টিকাঃ
১. উচ্চারণগত শুদ্ধতা যাচাই করে দিয়েছেন জনাব মুহাম্মাদ মাসুদ পারভেজ; সিনিয়র শিক্ষক, ইংরেজী ভাষা ও সাহিত্য, গ্রীন স্কলার্স ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এ্যান্ড কলেজ; দনিয়া, ঢাকা-১২৩৬। জাযাহুল্লাহু খাইরান।

ফন্ট সাইজ
15px
17px