📘 ইসলাম ও চলমান অর্থবাণিজ্য 📄 স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তান কর্তৃক প্রবর্তিত স্কীমের শরয়ী বিশ্লেষণ

📄 স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তান কর্তৃক প্রবর্তিত স্কীমের শরয়ী বিশ্লেষণ


'স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তান' রপ্তানি উৎসাহিত করার জন্য একটি স্কীম (Export Refinancing Scheme) চালু করেছে। এর নতুন পদ্ধতিতে স্টেট ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকের নামে একটি একাউন্ট খুলে দেয়। এটা মূলত ঋণের লেনদেন নয়; বরং একটি বাহানা মাত্র। তাই এর উপর 'স্টেট ব্যাংক' ট্রেঝারি বিল হিসেবে যে টাকা বাণিজ্যিক ব্যাংককে প্রদান করে তার উপর আপত্তি নেই। কারণ, এটা স্টেট ব্যাংকের পক্ষ থেকে রপ্তানি উৎসাহিত করার জন্য নিঃশর্ত পুরস্কার হিসেবে গণ্য। তবে স্টেট ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে পাঁচ শতাংশ নিয়ে যে তের শতাংশ লাভ প্রদান করে, এর মধ্যে 'রিবাল ফাদল' (ربا الفضل)-এর সন্দেহ রয়েছে। সবচেয়ে নির্মল পন্থা হলো- স্টেট ব্যাংক সরাসরি বাণিজ্যিক ব্যাংককে সাহায্য বা Subsidy প্রদান করবে।

📘 ইসলাম ও চলমান অর্থবাণিজ্য 📄 ব্যাংক বহির্ভূত অর্থসংস্থার কার্যক্রমের শরয়ী বিশ্লেষণ

📄 ব্যাংক বহির্ভূত অর্থসংস্থার কার্যক্রমের শরয়ী বিশ্লেষণ


ব্যাংক বহির্ভূত ঋণদান প্রতিষ্ঠানগুলোর (N.B.F.I) অধিকাংশই সুদি প্রতিষ্ঠান। তবে চারটি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আলোচনা দরকার যেগুলোকে সর্বপ্রথম সুদ থেকে মুক্ত করার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছিল:
১. N.I.T. (ন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট ট্রাস্ট): এটি ইউনিট চালু করে পুঁজি সংগ্রহ করে। সরকার এখানে তৃতীয় পক্ষ হয়ে আড়াই শতাংশ লাভ ও লোকসানের জামানত দেয়। মালেকী মাজহাব মতে এটি বৈধ হতে পারে। কিন্তু বর্তমানে এতে মার্ক আপ এবং ইজারা পদ্ধতির শরিয়ত পরিপন্থী রূপ ঢুকে পড়েছে।
২. I.C.P. (ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব পাকিস্তান): এর পুঁজি বিনিয়োগ শুধু কোম্পানির শেয়ারের মধ্যে হয়। কেবল হালাল কারবারী কোম্পানির শেয়ার নিলে এটি জায়েয হবে।
৩. স্মল ইন্ডাস্ট্রিজ ফাইন্যান্স কর্পোরেশন: এটি মুরাবাহা ও ইজারার মাধ্যমে বিনিয়োগ করতে পারে।
৪. H.B.F.C. (হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন): এটি 'ক্রমহ্রাসমান মালিকানা' (Decreasing Partnership) পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারে। এতে বিনিয়োগকারী ও গ্রাহক যৌথ মালিকানায় গৃহ নির্মাণ করে। গ্রাহক ব্যাংকের অংশ ভাড়া নেয় এবং ধীরে ধীরে তা ক্রয় করে নেয়।

টিকাঃ
১. হানাফী ফিকহ অনুসারে লোকসানের কাফালাত আইনগতভাবে আবশ্যক হয় না, তবে মালেকী মাজহাব মতে যে প্রতিশ্রুতি দ্বারা কাউকে ব্যয়ের মধ্যে প্রবিষ্ট করানো হয় তা আইনগতভাবে আবশ্যক হতে পারে।
১. এক চুক্তি সম্পাদনের সময় অন্য চুক্তির শর্তারোপ করা জায়েয নেই। তবে চুক্তির পূর্বে অথবা পরে অন্য চুক্তির অঙ্গীকার (Promise) করা জায়েয আছে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية