📄 অপশন বিক্রি (Options / بيع الخيارات)
কোনো বিশেষ পণ্য বিশেষ মূল্যে বিক্রয় বা ক্রয়ের অধিকার প্রদানকে بيع الخيارات (Options) বলে। Options দুই প্রকার:-
১. বিক্রির অপশন: কোনো ব্যক্তি অন্যের সাথে অঙ্গীকার করে যে, যদি তুমি চাও তাহলে আমি অমুক পণ্য এত দামে এই সময়ের মধ্যে তোমার থেকে ক্রয় করে নেয়ার চুক্তি করছি।
২. ক্রয়ের অপশন: তেমনি এর বিপরীতে কখনো Option দাতা গ্রাহকের সাথে অঙ্গীকার করে, আমি তোমার কাছে অমুক পণ্য অমুক তারিখ পর্যন্ত এত মূল্যে বিক্রি করার চুক্তি করছি।
টিকাঃ
১. Option (অপশন)-এর এক অর্থ: পছন্দের সুযোগ, বাড়তি দামদরে লেনদেনের শর্ত। ক্রেতার জন্য পছন্দের সুযোগ থাকার শর্ত করা হলে তাকে Call Option / Buyer's Option বলে। আর বিক্রেতার জন্য পছন্দের সুযোগ থাকার শর্ত করা হলে তাকে Put Option বলে।
📄 Options এর উদ্দেশ্য
Option কারেন্সির ব্যাপারেও হয় আবার পণ্যের ব্যাপারেও হয়। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে Option দাতা ঐ কারেন্সি বা পণ্য মূল্যের হ্রাস-বৃদ্ধির ব্যাপারে গ্রহীতাকে নিশ্চয়তা প্রদান করে এবং এর বিপরীতে কমিশন গ্রহণ করে।
যেমন: এক লোক পঁচিশ টাকা দিয়ে একটি ডলার ক্রয় করলো। সে একটা অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকে- যদি ডলারটি নিজের কাছে রাখে তাহলে হয়তো মূল্য কমে যাবে। এখন অন্য এক ব্যক্তি তাকে নিশ্চয়তা প্রদান করে বললো, ডলার তোমার কাছেই রাখো। আমি আগামী তিন মাসের মধ্যে এ ডলার পঁচিশ টাকায় ক্রয় করার জন্য তোমার সাথে অঙ্গীকার করছি। আর এ অঙ্গীকারের বিনিময়ে আমি এত টাকা ফিস নেবো।
📄 পুঁজিবাজার/ السُّوقُ الْمَالِيَّةُ / Financial Market
আমাদের আলোচ্য, 'স্টক এক্সচেঞ্জ' মূলত একটি বড় বাজারের অংশমাত্র- যাকে আরবীতে السُّوقُ الْمَالِيَّة, ইংরেজিতে 'Financial Market' বা 'Capital Market' এবং বাংলায় 'পুঁজিবাজার' বলে। এই পুঁজিবাজারে শুধু কোম্পানির শেয়ারই নয় বরং অন্যান্য প্রতিষ্ঠান (যেমন ব্যাংক, বিভিন্ন অর্থসংস্থা, সরকার ইত্যাদি) কর্তৃক জারিকৃত ঋণপত্রও ক্রয়-বিক্রয় হয়।
টিকাঃ
১. বাংলাদেশের বর্তমান পুঁজিবাজারের ২টি অংশ রয়েছে। প্রথমটি হচ্ছে সিকিউরিটিজ মার্কেট যার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ। অপরটি হচ্ছে নন-সিকিউরিটিজ অংশ। নন-সিকিউরিটিজ অংশে রয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা- যেমন: বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ, বীমা কোম্পানি, বিশেষায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি।
📄 বিভিন্ন প্রকার বন্ড
ট্যাক্সসহ যাবতীয় সরকারী আয়ের উৎস যখন বাজেট ঘাটতি পূরণে অক্ষম হয় তখন জনগণ থেকে ঋণ গ্রহণের জন্য সরকার এ সকল সনদ তথা ঋণপত্র জারি করে থাকে। যেমন:-
* প্রাইজবন্ড: স্বতন্ত্রভাবে প্রতিটি প্রাইজবন্ড থেকে সরকারের কোনো লাভ না হলেও সামষ্টিক সংগৃহীত অর্থ বিনিয়োগমূলক খাতে লাগিয়ে মুনাফা হয়। সে মুনাফা লটারীর মাধ্যমে বণ্টন হয়।
* ডিফেন্স সেভিং সার্টিফিকেট
* বিশেষ ডিপজিট সার্টিফিকেট
* ফরেন এক্সচেইঞ্জ বিয়ারার সার্টিফিকেট: বাহির থেকে কেউ ফরেন এক্সচেইঞ্জ যেমন ডলার এনে থাকলে সরকারকে প্রদানের বিপরীতে দেশীয় টাকার সার্টিফিকেট জারি করা হয়। F.E.B.C. এর উপর বার্ষিক ১২% সুদ পাওয়া যায়।
টিকাঃ
১. বাংলাদেশ প্রাইজবন্ড বাংলাদেশ ব্যাংকের সমস্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক, ক্যাশ অফিস ও ডাকঘর থেকে কেনা ও ভাঙানো যায়।