📄 কোম্পানির তালিকাভুক্তি
স্টক এক্সচেঞ্জে কোম্পানির তালিকাভুক্তি কখনো কোম্পানি পূর্ণাঙ্গ অস্তিত্ব লাভের পর হয়ে থাকে। আবার কখনো শুধু অনুমোদনের পরপরই কার্যারম্ভের পূর্বেই হয়ে যায়। এমনকি কখনো কখনো শেয়ার ফ্লোট (Float) হবার পূর্বেই কোম্পানির তালিকাভুক্তি হয়ে যায়- যাকে সাময়িক (Provisional) তালিকাভুক্তি বলে। এরূপ তালিকাভুক্ত শেয়ারের কাউন্টার ভিন্ন হয়। যে কোম্পানির শেয়ার Stock Exchange গ্রহণ করে না তাকে Unlisted Companies বলে। এসব কোম্পানির শেয়ারের লেনদেন শুধু Over The Counter-য়েই হতে পারে, স্টক এক্সচেঞ্জে হতে পারে না।
📄 স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্যপদ (Membership)
স্টক এক্সচেঞ্জে যে কেউ চাইলেই শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় করতে পারে না, বরং এজন্য সদস্য হওয়া জরুরি। সদস্য হওয়ার জন্য ফিসও দিতে হয়। সদস্য হওয়ার আবশ্যকতার কারণ হলো স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেনগুলো অত্যন্ত জটিল ও শাস্ত্রিক ধরনের। লেনদেন করতে হলে বিশেষ পরিভাষা জানা থাকতে হয়। একজন অনভিজ্ঞ লোক এমন লেনদেনে ভুল করাটাই স্বাভাবিক। অথচ স্টক এক্সচেঞ্জে সম্পাদিত সকল লেনদেন পরিশোধের জিম্মাদার থাকে কর্তৃপক্ষ। আর প্রত্যেক ব্যক্তিকে ক্রয়-বিক্রয়ের অনুমতি দিয়ে তার কর্মকাণ্ডের জিম্মাদার হওয়া যায় না। এ কারণে ক্রয়-বিক্রয়ের অনুমতির জন্য সদস্য হওয়া অত্যাবশ্যক করা হয়েছে।
📄 স্টক এক্সচেঞ্জে Brokery (ব্রোকারি) বা দালালি
স্টক এক্সচেঞ্জের একজন সদস্য (Member) নিজের জন্যও শেয়ার ক্রয় করে এবং অন্যের থেকে কমিশন নিয়ে তার Broker (ব্রোকার) বা দালাল হিসেবে তার শেয়ারও ক্রয়-বিক্রয় করে দেয়। সদস্য নয় এমন কাউকে শেয়ার ক্রয় করতে হলে কোনো দালালকে অর্ডার দিয়ে তার মধ্যস্থতায় ক্রয় করতে হয়। শেয়ার ক্রয়ের জন্য দালালকে অর্ডার দেয়ার তিনটি পদ্ধতি আছে-
টিকাঃ
১. এভাবে ব্রোকার তথা দালালের মাধ্যমে শেয়ার ক্রয় করানোর জন্য ব্রোকার হাউজে গ্রাহকের একটি একাউন্ট খোলা থাকতে হয়। এ একাউন্টকে বিও একাউন্ট বলে- যার পূর্ণরূপ Beneficiary Owners Account। নামকরণের মধ্যেই ইঙ্গিত রয়েছে যে, শেয়ারহোল্ডাররা শেয়ার সংক্রান্ত সুযোগ-সুবিধাগুলো কোম্পানি থেকে সরাসরি ভোগ করে না- বরং, ব্রোকারেজ হাউজের মধ্যস্থতায় ভোগ করে।
📄 মার্কেট অর্ডার (Market Order)
১. মার্কেট অর্ডার (Market Order): যে অর্ডারে দালালকে বলা হয়, মার্কেটে যে রেটই থাকুক সে রেটেই অমুক কোম্পানির শেয়ার ক্রয় করা হোক।