📄 বোনাস শেয়ার জারি করার পূর্বশর্ত
বোনাস শেয়ার জারি করার পূর্বশর্ত (দু'টি):
১. বোনাস শেয়ার জারি করার দ্বারা কোম্পানির মূলধন বেড়ে যায়। তাই যে পরিমাণ টাকার বোনাস শেয়ার জারি করা হবে Authorised Capital-এ সে পরিমাণের অবকাশ থাকতে হবে। উদাহরণস্বরূপ: ৮০ মিলিয়ন টাকার শেয়ার জারি করার অনুমোদন মিলেছিলো। আর এ নাগাদ ৬০ মিলিয়ন টাকার শেয়ার জারি করা হয়েছে। তাহলে আরো ২০ মিলিয়নের অবকাশ আছে।
২. বোনাস শেয়ার জারি করার জন্য এটাও জরুরি যে, শেয়ারের বাজারমূল্য (তথা Market Value / القيمة السوقية) নামিকমূল্য (তথা Face Value / القيمة الاسمية) থেকে কম হতে পারবে না। যদি বাজারমূল্য নামিকমূল্য থেকে কম হয় তাহলে বোনাস শেয়ার জারি করার দ্বারা শেয়ারহোল্ডারদের ক্ষতি হবে।
টিকাঃ
১. শেয়ারহোল্ডারদের নগদ ডিভিডেন্ড না দিয়ে সমপরিমাণ টাকার শেয়ার ইস্যু করে দেয়াকে বোনাস শেয়ার বলে। নগদ ডিভিডেন্ড দিলে কোম্পানির সম্পদ কমে যায়, কিন্তু শেয়ার ইস্যু করে দিলে কোম্পানির আয়কৃত সম্পদের পরিমাণ অটুট থাকে।
📄 লিমিটেড কোম্পানির প্রকৃতি
লিমিটেড কোম্পানিকে আরবীতে الشركة المحدودة বলে। এর দ্বারা উদ্দেশ্য 'দায়' (مسئولية / Liability) সীমিত হওয়া। লিমিটেড কোম্পানিতে শেয়ার গ্রাহকদের দায় তাদের বিনিয়োগকৃত মূলধন পর্যন্তই সীমিত থাকে। অর্থাৎ, যদি কোম্পানির লোকসান হয় বা কোম্পানি ঋণী হয়ে যায় তাহলে কোম্পানিতে বিনিয়োগকারীদের সর্বোচ্চ ক্ষতি এই হবে যে, তাদের বিনিয়োগকৃত অর্থটুকু শুধু গচ্চা যাবে- এর অতিরিক্ত ব্যক্তিগত কোনো সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হবে না। অনুরূপভাবে কোম্পানির দায়ও কোম্পানির সম্পত্তি পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকবে। ঋণ আদায়ের জন্য বড়জোর কোম্পানির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা যেতে পারে। এ জন্যই লিমিটেড কোম্পানির সাথে লিমিটেড লেখা জরুরি- যাতে ঋণদাতারা একথা জেনেই ঋণ দিতে পারে।
📄 কোম্পানির প্রকার
কোম্পানি দুই প্রকার:-
১) পাবলিক কোম্পানি (الشَّرِكَةُ الْعَامَّةُ) ।
২) প্রাইভেট কোম্পানি (الشَّرِكَةُ الْخَاصَّةُ) ।
📄 প্রাইভেট কোম্পানির পরিচয়
এ নাগাদ আলোচনা পাবলিক কোম্পানি সম্পর্কে ছিলো। প্রাইভেট কোম্পানিও অনুরূপ আইনসম্পন্ন ব্যক্তিসত্তা। কিন্তু এর সদস্য সংখ্যা সীমিত হয়ে থাকে। যেমন: পাকিস্তানে কমপক্ষে ২জন আর সর্বোচ্চ ৫০ জন হতে পারে। এ কোম্পানির মূলধন সংগ্রহের জন্য শেয়ার জারি করা হয় না, তাই এর প্রস্পেক্টাসও ছাপানো হয় না।