📘 ইসলাম এবং আধুনিক অর্থনীতি ও ব্যবসায়নীতি > 📄 ব্যাংক ঋণ (Banking Loans)

📄 ব্যাংক ঋণ (Banking Loans)


একে 'নোট ছাপানো' বলেও ব্যক্ত করা হয়, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সরকার নোট ছাপে না। কারণ আইনগতভাবে নোট ছাপানোর অধিকার সরকারের নেই; বরং স্টেট ব্যাংকের সে অধিকার রয়েছে। এ পুঁজি সংগ্রহের প্রক্রিয়া হল, সরকার 'ট্রেজারি বিল' চালু করে স্টেট ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ করে। এ পরিমাণ টাকা সরকারের একাউন্টে জমা করে দেয়া হয়। একে 'নোট ছাপানো' বলা হয়। সরকার স্টেট ব্যাংককে ঋণ পরিশোধ করে, সাধারণত বর্তমানে তার দুটি পদ্ধতি আছে। এক হল, এত টাকার আরো অতিরিক্ত 'ট্রেজারি বিল' জারি করা। দ্বিতীয় পদ্ধতি হল, সরকার স্টেট ব্যাংককে বলে, আমার একাউন্ট থেকে এত টাকা কমিয়ে দাও।
তারপর ঋণের তিনটি মেয়াদ হয় যা বাজেটে লেখা থাকে।

একে 'নোট ছাপানো' বলেও ব্যক্ত করা হয়, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সরকার নোট ছাপে না। কারণ আইনগতভাবে নোট ছাপানোর অধিকার সরকারের নেই; বরং স্টেট ব্যাংকের সে অধিকার রয়েছে। এ পুঁজি সংগ্রহের প্রক্রিয়া হল, সরকার 'ট্রেজারি বিল' চালু করে স্টেট ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ করে। এ পরিমাণ টাকা সরকারের একাউন্টে জমা করে দেয়া হয়। একে 'নোট ছাপানো' বলা হয়। সরকার স্টেট ব্যাংককে ঋণ পরিশোধ করে, সাধারণত বর্তমানে তার দুটি পদ্ধতি আছে। এক হল, এত টাকার আরো অতিরিক্ত 'ট্রেজারি বিল' জারি করা। দ্বিতীয় পদ্ধতি হল, সরকার স্টেট ব্যাংককে বলে, আমার একাউন্ট থেকে এত টাকা কমিয়ে দাও।
তারপর ঋণের তিনটি মেয়াদ হয় যা বাজেটে লেখা থাকে।

📘 ইসলাম এবং আধুনিক অর্থনীতি ও ব্যবসায়নীতি > 📄 স্থায়ী ঋণ (Permanent Loans)

📄 স্থায়ী ঋণ (Permanent Loans)


যা সরকার 'সরকারি 'ঋণপত্রের' মাধ্যমে সাধারণ জনগণ থেকে গ্রহণ করে, যা ফেরত দেয়া হয় না। তবে এসব 'ঋণপত্র' সেকেন্ডারি মার্কেটে (Secondary Market) বিক্রি করা যায়। যেমন প্রাইজবন্ড ইত্যাদি।

যা সরকার 'সরকারি 'ঋণপত্রের' মাধ্যমে সাধারণ জনগণ থেকে গ্রহণ করে, যা ফেরত দেয়া হয় না। তবে এসব 'ঋণপত্র' সেকেন্ডারি মার্কেটে (Secondary Market) বিক্রি করা যায়। যেমন প্রাইজবন্ড ইত্যাদি।

📘 ইসলাম এবং আধুনিক অর্থনীতি ও ব্যবসায়নীতি > 📄 ভাসমান ঋণ (Floating Loans)

📄 ভাসমান ঋণ (Floating Loans)


যে ঋণ সরকার স্টেট ব্যাংক থেকে গ্রহণ করে।

যে ঋণ সরকার স্টেট ব্যাংক থেকে গ্রহণ করে।

📘 ইসলাম এবং আধুনিক অর্থনীতি ও ব্যবসায়নীতি > 📄 স্বল্পমেয়াদী ঋণ (Unfunded Loans)

📄 স্বল্পমেয়াদী ঋণ (Unfunded Loans)


যেসব ঋণপত্র স্বল্পমেয়াদী হয় তাকে বুঝায়। যেমন ডিফেন্স সেভিং সার্টিফিকেট, ন্যাশনাল ডিপোজিট সার্টিফিকেট, মাসিক আয়, বিশেষ ডিপোজিট ইত্যাদি।
ঘাটতি পূরণে বেশি অংশ থাকে অভ্যন্তরীণ ঋণের। বৈদেশিক ঋণ তার তুলনায় অনেক কম হয়। যেমন ১৯৯২-৯৩ সালে যে ঋণ গ্রহণ করা হয়েছিল তার বিবরণ নিম্নরূপ:
অভ্যন্তরীণ ব্যাংক ঋণ ২১ কোটি টাকা
অভ্যন্তরীণ ব্যাংক বহির্ভূত ঋণ ৪৮ কোটি টাকা
বৈদেশিক ঋণ ১৭ কোটি টাকা
মোট ঋণ ৮৬ কোটি টাকা
ঋণের টাকা পরিষ্কারভাবে লেখা হয়। অর্থাৎ শুধু ঋণের টাকাই লেখা হয়। এর উপর যে সুদ আদায় করতে হয় তা ব্যয় খাতে লেখা হয়। আজকাল আমাদের দেশে সুদের পরিমাণ মূল টাকা থেকে বেশি হয়। যেমন ১৯৯২-৯৩ সালে সরকারকে যে দেনা পরিশোধ করতে হবে তা হল নিম্নরূপ:
মূল ঋণ ৩৩ কোটি টাকা
সুদ ৮৬ কোটি টাকা
মোট দেনা ১১৯ কোটি টাকা
তারপর সুদের বেশির ভাগ অংশই অভ্যন্তরীণ ঋণের থাকে। বৈদেশিক সুদ তার তুলনায় খুবই কম। যেমন উপরোল্লিখিত ৮৬ কোটি টাকার মধ্যে ৫৮ কোটি টাকা অভ্যন্তরীণ সুদ আর ১৫ কোটি টাকা বৈদেশিক সুদ (অবশিষ্ট ১৩ কোটি টাকার কোনো ব্যাখ্যা বাজেটে করা হয় নি)।
এখন পর্যন্ত যেসব ঋণ সরকারের দায়িত্বে অবশ্য পরিশোধ্য তার বিবরণ :
মোট ঋণ ১৩০০ কোটি টাকা
অভ্যন্তরীণ ঋণ ১০০০ কোটি টাকা
বৈদেশিক ঋণ ৩০০ কোটি টাকা
অভ্যন্তরীণ ঋণের বিবরণ:
মোট ঋণ ১০০০ কোটি টাকা
স্টেট ব্যাংক ২৭৫ কোটি টাকা
সাধারণ ব্যাংক ১১০ কোটি টাকা
বিশেষ ডিপোজিট ২০০ কোটি টাকা
বৈদেশিক ঋণের বিবরণ
বিদেশী সরকার থেকে গৃহীত ১৯০ কোটি টাকা
আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে গৃহীত ১১০ কোটি টাকা
মোট ৩০০ কোটি টাকা
এসব হিসাব থেকে বুঝা গেল, সরকারের মোট ঋণের অনেক বিরাট অংশ অভ্যন্তরীণ এবং অনেক কম অংশ বৈদেশিক।

যেসব ঋণপত্র স্বল্পমেয়াদী হয় তাকে বুঝায়। যেমন ডিফেন্স সেভিং সার্টিফিকেট, ন্যাশনাল ডিপোজিট সার্টিফিকেট, মাসিক আয়, বিশেষ ডিপোজিট ইত্যাদি।
ঘাটতি পূরণে বেশি অংশ থাকে অভ্যন্তরীণ ঋণের। বৈদেশিক ঋণ তার তুলনায় অনেক কম হয়। যেমন ১৯৯২-৯৩ সালে যে ঋণ গ্রহণ করা হয়েছিল তার বিবরণ নিম্নরূপ:
অভ্যন্তরীণ ব্যাংক ঋণ ২১ কোটি টাকা
অভ্যন্তরীণ ব্যাংক বহির্ভূত ঋণ ৪৮ কোটি টাকা
বৈদেশিক ঋণ ১৭ কোটি টাকা
মোট ঋণ ৮৬ কোটি টাকা
ঋণের টাকা পরিষ্কারভাবে লেখা হয়। অর্থাৎ শুধু ঋণের টাকাই লেখা হয়। এর উপর যে সুদ আদায় করতে হয় তা ব্যয় খাতে লেখা হয়। আজকাল আমাদের দেশে সুদের পরিমাণ মূল টাকা থেকে বেশি হয়। যেমন ১৯৯২-৯৩ সালে সরকারকে যে দেনা পরিশোধ করতে হবে তা হল নিম্নরূপ:
মূল ঋণ ৩৩ কোটি টাকা
সুদ ৮৬ কোটি টাকা
মোট দেনা ১১৯ কোটি টাকা
তারপর সুদের বেশির ভাগ অংশই অভ্যন্তরীণ ঋণের থাকে। বৈদেশিক সুদ তার তুলনায় খুবই কম। যেমন উপরোল্লিখিত ৮৬ কোটি টাকার মধ্যে ৫৮ কোটি টাকা অভ্যন্তরীণ সুদ আর ১৫ কোটি টাকা বৈদেশিক সুদ (অবশিষ্ট ১৩ কোটি টাকার কোনো ব্যাখ্যা বাজেটে করা হয় নি)।
এখন পর্যন্ত যেসব ঋণ সরকারের দায়িত্বে অবশ্য পরিশোধ্য তার বিবরণ :
মোট ঋণ ১৩০০ কোটি টাকা
অভ্যন্তরীণ ঋণ ১০০০ কোটি টাকা
বৈদেশিক ঋণ ৩০০ কোটি টাকা
অভ্যন্তরীণ ঋণের বিবরণ:
মোট ঋণ ১০০০ কোটি টাকা
স্টেট ব্যাংক ২৭৫ কোটি টাকা
সাধারণ ব্যাংক ১১০ কোটি টাকা
বিশেষ ডিপোজিট ২০০ কোটি টাকা
বৈদেশিক ঋণের বিবরণ
বিদেশী সরকার থেকে গৃহীত ১৯০ কোটি টাকা
আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে গৃহীত ১১০ কোটি টাকা
মোট ৩০০ কোটি টাকা
এসব হিসাব থেকে বুঝা গেল, সরকারের মোট ঋণের অনেক বিরাট অংশ অভ্যন্তরীণ এবং অনেক কম অংশ বৈদেশিক।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00