📄 বৈদেশিক ঋণ (Foreign Loans)
যা অন্য কোনো দেশের সরকার বা আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে গ্রহণ করা হয়।
যা অন্য কোনো দেশের সরকার বা আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে গ্রহণ করা হয়।
📄 অভ্যন্তরীণ ঋণ (Internal Loans)
যা দেশের অভ্যন্ত রে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান অথবা জনসাধারণ থেকে নেয়া হয়। অভ্যন্তরীণ ঋণ দুপ্রকার:
যা দেশের অভ্যন্ত রে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান অথবা জনসাধারণ থেকে নেয়া হয়। অভ্যন্তরীণ ঋণ দুপ্রকার:
📄 ব্যাংক বহির্ভূত ঋণ (Non Banking Loans)
যা জনসাধারণ থেকে নেয়া হয়। জনসাধারণ থেকে ঋণ গ্রহণের জন্য 'সরকারি ঋণপত্র' জারি করা হয়। বর্তমানে সরকারের পক্ষ থেকে এ উদ্দেশে বিভিন্ন সেভিং স্কিম জারি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ এ 'সরকারি ঋণপত্র' ক্রয় করে টাকা সরকারকে প্রদান করে। যেমন প্রাইজবন্ড, ন্যশনাল ডিফেন্স সেভিং সার্টিফিকেট, বিশেষ ডিপোজিট সার্টিফিকেট ইত্যাদি। এ সব ঋণপত্রের উপর বর্তমানে জনসাধারণকে সুদ দেয়া হয়।
যা জনসাধারণ থেকে নেয়া হয়। জনসাধারণ থেকে ঋণ গ্রহণের জন্য 'সরকারি ঋণপত্র' জারি করা হয়। বর্তমানে সরকারের পক্ষ থেকে এ উদ্দেশে বিভিন্ন সেভিং স্কিম জারি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ এ 'সরকারি ঋণপত্র' ক্রয় করে টাকা সরকারকে প্রদান করে। যেমন প্রাইজবন্ড, ন্যশনাল ডিফেন্স সেভিং সার্টিফিকেট, বিশেষ ডিপোজিট সার্টিফিকেট ইত্যাদি। এ সব ঋণপত্রের উপর বর্তমানে জনসাধারণকে সুদ দেয়া হয়।
📄 ব্যাংক ঋণ (Banking Loans)
একে 'নোট ছাপানো' বলেও ব্যক্ত করা হয়, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সরকার নোট ছাপে না। কারণ আইনগতভাবে নোট ছাপানোর অধিকার সরকারের নেই; বরং স্টেট ব্যাংকের সে অধিকার রয়েছে। এ পুঁজি সংগ্রহের প্রক্রিয়া হল, সরকার 'ট্রেজারি বিল' চালু করে স্টেট ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ করে। এ পরিমাণ টাকা সরকারের একাউন্টে জমা করে দেয়া হয়। একে 'নোট ছাপানো' বলা হয়। সরকার স্টেট ব্যাংককে ঋণ পরিশোধ করে, সাধারণত বর্তমানে তার দুটি পদ্ধতি আছে। এক হল, এত টাকার আরো অতিরিক্ত 'ট্রেজারি বিল' জারি করা। দ্বিতীয় পদ্ধতি হল, সরকার স্টেট ব্যাংককে বলে, আমার একাউন্ট থেকে এত টাকা কমিয়ে দাও।
তারপর ঋণের তিনটি মেয়াদ হয় যা বাজেটে লেখা থাকে।
একে 'নোট ছাপানো' বলেও ব্যক্ত করা হয়, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সরকার নোট ছাপে না। কারণ আইনগতভাবে নোট ছাপানোর অধিকার সরকারের নেই; বরং স্টেট ব্যাংকের সে অধিকার রয়েছে। এ পুঁজি সংগ্রহের প্রক্রিয়া হল, সরকার 'ট্রেজারি বিল' চালু করে স্টেট ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ করে। এ পরিমাণ টাকা সরকারের একাউন্টে জমা করে দেয়া হয়। একে 'নোট ছাপানো' বলা হয়। সরকার স্টেট ব্যাংককে ঋণ পরিশোধ করে, সাধারণত বর্তমানে তার দুটি পদ্ধতি আছে। এক হল, এত টাকার আরো অতিরিক্ত 'ট্রেজারি বিল' জারি করা। দ্বিতীয় পদ্ধতি হল, সরকার স্টেট ব্যাংককে বলে, আমার একাউন্ট থেকে এত টাকা কমিয়ে দাও।
তারপর ঋণের তিনটি মেয়াদ হয় যা বাজেটে লেখা থাকে।