📘 ইসলাম এবং আধুনিক অর্থনীতি ও ব্যবসায়নীতি > 📄 কর রাজস্ব আয়

📄 কর রাজস্ব আয়


যে আয় সরকারের কর থেকে আসে। কর দুপ্রকার।

টিকাঃ
১. জনগণ বাধ্যতামূলকভাবে সরকারকে যে অর্থ প্রদান করে তাকে কর (ট্যাক্স) বলে।

📘 ইসলাম এবং আধুনিক অর্থনীতি ও ব্যবসায়নীতি > 📄 প্রত্যক্ষ কর (Direct Tax)

📄 প্রত্যক্ষ কর (Direct Tax)


যা ব্যক্তির উপর এমনভাবে আরোপিত হয়, সে তার বোঝা অন্যের উপর চাপাতে পারে না। যেমন আয় বেতন সম্পত্তি ইত্যাদির উপর আরোপিত কর।

📘 ইসলাম এবং আধুনিক অর্থনীতি ও ব্যবসায়নীতি > 📄 পরোক্ষ কর (Indirect Tax)

📄 পরোক্ষ কর (Indirect Tax)


যে করের বোঝা অন্যের উপরও চাপানো যায়। যেমন দোকান কারখানা ইত্যাদির উপর কর। দোকানদার বা শিল্পপতি মূল্য বাড়িয়ে অন্যের উপর তার বোঝা চাপাতে পারে। অথবা 'বিক্রয় কর' যা দোকানদার থেকে উসুল করা হয়, কিন্তু দোকানদার প্রত্যেক বস্তু বিক্রির সময় এ কর তার ক্রেতা থেকে উসুল করে নিতে পারে।
অর্থনীতিতে করের মূলনীতিও বলে দেয়া হয়। কর আরোপ করতে এ সব মূলনীতি এবং বৈশিষ্ট্যগুলোর খেয়াল রাখা উচিৎ।
১. করের পরিমাণে অস্পষ্টতা থাকতে পারবে না।
২. কর আদায়ের ব্যবস্থা সহজ হতে হবে, যাতে কর আদায়ে মানুষকে ঝামেলা পোহাতে না হয়।
৩. কর প্রয়োজনানুরূপ হতে হবে, যা সরকারের প্রয়োজনের অতিরিক্তও নয় এবং কমও নয়।
৪. সকল শ্রেণীর উপর সমান হারে আরোপ করতে হবে।
৫. কর এ পরিমাণ হতে পারবে না যাতে লোক মনে করতে থাকে, তাদের কারবারে কোনো লাভই হয় না। এর পরিণামে দেশে উৎপাদন কার্যক্রম প্রভাবিত হতে শুরু করে।
৬. করের পরিমাণ সহনশীল হতে হবে। দ্রব্যমূল্য এবং আয়ের উত্থান পতনের কারণে আপনা আপনি বদলে যায়। বার বার বদলাতে না হয়। যেমন পরিমাণ নির্ধারণ করে কোনো বস্তুর উপর কর আরোপ করা অসহনশীল। আর মূল্যের শতকরা হার অনুসারে কর আরোপ করা হলে তা সহনশীল হবে। যা ঐ বস্তুর মূল্য পরিবর্তনের সাথে সাথে পরিবর্তন হতে থাকবে।
৭. কর ব্যবস্থাপনা এমন না হওয়া যাতে অর্থনৈতিক উন্নয়নের উপর প্রভাব পড়ে।

যে করের বোঝা অন্যের উপরও চাপানো যায়। যেমন দোকান কারখানা ইত্যাদির উপর কর। দোকানদার বা শিল্পপতি মূল্য বাড়িয়ে অন্যের উপর তার বোঝা চাপাতে পারে। অথবা 'বিক্রয় কর' যা দোকানদার থেকে উসুল করা হয়, কিন্তু দোকানদার প্রত্যেক বস্তু বিক্রির সময় এ কর তার ক্রেতা থেকে উসুল করে নিতে পারে।
অর্থনীতিতে করের মূলনীতিও বলে দেয়া হয়। কর আরোপ করতে এ সব মূলনীতি এবং বৈশিষ্ট্যগুলোর খেয়াল রাখা উচিৎ।
১. করের পরিমাণে অস্পষ্টতা থাকতে পারবে না।
২. কর আদায়ের ব্যবস্থা সহজ হতে হবে, যাতে কর আদায়ে মানুষকে ঝামেলা পোহাতে না হয়।
৩. কর প্রয়োজনানুরূপ হতে হবে, যা সরকারের প্রয়োজনের অতিরিক্তও নয় এবং কমও নয়।
৪. সকল শ্রেণীর উপর সমান হারে আরোপ করতে হবে।
৫. কর এ পরিমাণ হতে পারবে না যাতে লোক মনে করতে থাকে, তাদের কারবারে কোনো লাভই হয় না। এর পরিণামে দেশে উৎপাদন কার্যক্রম প্রভাবিত হতে শুরু করে।
৬. করের পরিমাণ সহনশীল হতে হবে। দ্রব্যমূল্য এবং আয়ের উত্থান পতনের কারণে আপনা আপনি বদলে যায়। বার বার বদলাতে না হয়। যেমন পরিমাণ নির্ধারণ করে কোনো বস্তুর উপর কর আরোপ করা অসহনশীল। আর মূল্যের শতকরা হার অনুসারে কর আরোপ করা হলে তা সহনশীল হবে। যা ঐ বস্তুর মূল্য পরিবর্তনের সাথে সাথে পরিবর্তন হতে থাকবে।
৭. কর ব্যবস্থাপনা এমন না হওয়া যাতে অর্থনৈতিক উন্নয়নের উপর প্রভাব পড়ে।

📘 ইসলাম এবং আধুনিক অর্থনীতি ও ব্যবসায়নীতি > 📄 কর বহির্ভূত আয়

📄 কর বহির্ভূত আয়


যে আয় সরকারি বা আধা সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে আসে। যেমন ওয়াপদা, ফোন, পিআইএ, পোস্ট অফিস, রেলওয়ে ইত্যাদি থেকে যে আয় আসে তা হল কর বহির্ভূত আয়।³

টিকাঃ
৩. কর ছাড়া অন্যান্য খাত থেকে যে আয় আসে তাকে কর বহির্ভূত রাজস্ব বলে। কর বহির্ভূত রাজস্ব দুই ধরনের। ১. বাণিজ্যিক রাজস্ব, ২. প্রশাসনিক রাজস্ব। সরকারি খাতে উৎপাদিত পণ্য ও সেবা এবং সরকারি সম্পত্তি থেকে যে আয় আসে তাকে বাণিজ্যিক রাজস্ব (ঈড়সসবৎপরধষ জবাবহব) বলে। গ্যাস, বিদ্যুৎ, টেলিফোন, ডাক, রেল, বিমান ইত্যাদির ভাড়া, সরকারি শিল্পখাত থেকে প্রাপ্ত আয় ইত্যাদি বাংলাদেশ সরকারের প্রধান বাণিজ্যিক রাজস্ব। প্রশাসনিক কাজ পরিচালনার মাধ্যমে সরকার যে রাজস্ব আয় করে তাকে প্রশাসনিক রাজস্ব (অফসরহরংঃৎধঃরাব জবাবহব) বলে। যেমন ফি, জরিমানা, বিশেষ কর প্রভৃতি।

যে আয় সরকারি বা আধা সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে আসে। যেমন ওয়াপদা, ফোন, পিআইএ, পোস্ট অফিস, রেলওয়ে ইত্যাদি থেকে যে আয় আসে তা হল কর বহির্ভূত আয়।³

টিকাঃ
৩. কর ছাড়া অন্যান্য খাত থেকে যে আয় আসে তাকে কর বহির্ভূত রাজস্ব বলে। কর বহির্ভূত রাজস্ব দুই ধরনের। ১. বাণিজ্যিক রাজস্ব, ২. প্রশাসনিক রাজস্ব। সরকারি খাতে উৎপাদিত পণ্য ও সেবা এবং সরকারি সম্পত্তি থেকে যে আয় আসে তাকে বাণিজ্যিক রাজস্ব (ঈড়সসবৎপরধষ জবাবহব) বলে। গ্যাস, বিদ্যুৎ, টেলিফোন, ডাক, রেল, বিমান ইত্যাদির ভাড়া, সরকারি শিল্পখাত থেকে প্রাপ্ত আয় ইত্যাদি বাংলাদেশ সরকারের প্রধান বাণিজ্যিক রাজস্ব। প্রশাসনিক কাজ পরিচালনার মাধ্যমে সরকার যে রাজস্ব আয় করে তাকে প্রশাসনিক রাজস্ব (অফসরহরংঃৎধঃরাব জবাবহব) বলে। যেমন ফি, জরিমানা, বিশেষ কর প্রভৃতি।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00