📄 ব্রেটন উডস ব্যবস্থার পতন
উল্লিখিত ব্যবস্থার ভিত্তি ছিল এ কথার উপর, কোনো এক ধনী রাষ্ট্র তার মুদ্রার উপর স্বর্ণ দেয়ার জন্য প্রস্তুত আছে। সুতরাং আমেরিকা তখন ডলারের বিনিময়ে স্বর্ণ দেয়ার জন্য প্রস্তুত ছিল, কিন্তু কার্যক্ষেত্রে আমেরিকা থেকে কেউই স্বর্ণ দাবি করত না। তবে ফ্রান্স আমেরিকার কাছে ডলারের বিপরীতে স্বর্ণের দাবি তোলা শুরু করে। যার কারণে ফ্রান্স ও আমেরিকার মধ্যকার অবস্থাও স্বাভাবিক থাকে নি, আর আমেরিকার কাছে স্বর্ণের মজুদও কমতে থাকে। ফলে ১৯৭১ সালে আমেরিকা স্বর্ণ দিতে অস্বীকার করে বসে এবং ব্রেটন উডস ব্যবস্থা শেষ হয়ে যায়। নির্ধারিত বিনিময় হার ব্যবস্থা (Fixed Exchange Rate System) বহাল থাকে নি। এখন বিনিময় হার ব্যবস্থার জন্য দুটি নীতি প্রচলিত হয়- ১. একটা নীতি হল, যেমন অন্যান্য পণ্যের কোনো রেট নির্ধারিত থাকে না; বরং স্বাধীন বাজার নিজেই যোগান ও চাহিদার ভিত্তিতে রেট স্থির করে। তেমনিভাবে মুদ্রার রেটও খোলা বাজারে ছেড়ে দিতে হবে। যোগান ও চাহিদার ভিত্তিতে আপনা আপনিই রেট স্থির হতে থাকবে। যেমন ডলার এবং বাংলাদেশী টাকার যোগান ও চাহিদার মাধ্যমে বাংলাদেশী টাকার সাথে ডলারের রেট নির্ধারিত হবে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বাজারে যোগান ও চাহিদার আলোকে অন্যান্য দেশের মুদ্রার সাথে বাংলাদেশী টাকার রেট নির্ধারিত হবে। এ নীতিকে (Freely Floating Exchange Rates) নীতি বলা হয়। আরবিতে বলা হয় ‘اسعار الصرف العائمة الحرة’। ২. দ্বিতীয় নীতি ছিল, মৌলিকভাবে তো রেট স্বাধীনই থাকা উচিৎ, তা সত্ত্বেও সে সাথে সরকারের উচিৎ রেটের উপর নজর রাখা। কখনো যদি রেট মাত্রাতিরিক্ত বেশি কম হতে দেখা যায়, তাহলে সরকার হস্তক্ষেপ করবে। যার প্রক্রিয়া হবে এমন, কেন্দ্রীয় ব্যাংককে বাজারে অবতীর্ণ হয়ে মূল্য নিয়ন্ত্রণ করার নির্দেশ দেবে। এ নীতিকে ইংরেজিতে Managed Float এবং আরবিতে ‘اسعار الصرف العائمة المدراة’ বলা যায়।
উল্লিখিত ব্যবস্থার ভিত্তি ছিল এ কথার উপর, কোনো এক ধনী রাষ্ট্র তার মুদ্রার উপর স্বর্ণ দেয়ার জন্য প্রস্তুত আছে। সুতরাং আমেরিকা তখন ডলারের বিনিময়ে স্বর্ণ দেয়ার জন্য প্রস্তুত ছিল, কিন্তু কার্যক্ষেত্রে আমেরিকা থেকে কেউই স্বর্ণ দাবি করত না। তবে ফ্রান্স আমেরিকার কাছে ডলারের বিপরীতে স্বর্ণের দাবি তোলা শুরু করে। যার কারণে ফ্রান্স ও আমেরিকার মধ্যকার অবস্থাও স্বাভাবিক থাকে নি, আর আমেরিকার কাছে স্বর্ণের মজুদও কমতে থাকে। ফলে ১৯৭১ সালে আমেরিকা স্বর্ণ দিতে অস্বীকার করে বসে এবং ব্রেটন উডস ব্যবস্থা শেষ হয়ে যায়। নির্ধারিত বিনিময় হার ব্যবস্থা (Fixed Exchange Rate System) বহাল থাকে নি। এখন বিনিময় হার ব্যবস্থার জন্য দুটি নীতি প্রচলিত হয়- ১. একটা নীতি হল, যেমন অন্যান্য পণ্যের কোনো রেট নির্ধারিত থাকে না; বরং স্বাধীন বাজার নিজেই যোগান ও চাহিদার ভিত্তিতে রেট স্থির করে। তেমনিভাবে মুদ্রার রেটও খোলা বাজারে ছেড়ে দিতে হবে। যোগান ও চাহিদার ভিত্তিতে আপনা আপনিই রেট স্থির হতে থাকবে। যেমন ডলার এবং বাংলাদেশী টাকার যোগান ও চাহিদার মাধ্যমে বাংলাদেশী টাকার সাথে ডলারের রেট নির্ধারিত হবে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বাজারে যোগান ও চাহিদার আলোকে অন্যান্য দেশের মুদ্রার সাথে বাংলাদেশী টাকার রেট নির্ধারিত হবে। এ নীতিকে (Freely Floating Exchange Rates) নীতি বলা হয়। আরবিতে বলা হয় ‘اسعار الصرف العائمة الحرة’। ২. দ্বিতীয় নীতি ছিল, মৌলিকভাবে তো রেট স্বাধীনই থাকা উচিৎ, তা সত্ত্বেও সে সাথে সরকারের উচিৎ রেটের উপর নজর রাখা। কখনো যদি রেট মাত্রাতিরিক্ত বেশি কম হতে দেখা যায়, তাহলে সরকার হস্তক্ষেপ করবে। যার প্রক্রিয়া হবে এমন, কেন্দ্রীয় ব্যাংককে বাজারে অবতীর্ণ হয়ে মূল্য নিয়ন্ত্রণ করার নির্দেশ দেবে। এ নীতিকে ইংরেজিতে Managed Float এবং আরবিতে ‘اسعار الصرف العائمة المدراة’ বলা যায়।
উল্লিখিত ব্যবস্থার ভিত্তি ছিল এ কথার উপর, কোনো এক ধনী রাষ্ট্র তার মুদ্রার উপর স্বর্ণ দেয়ার জন্য প্রস্তুত আছে। সুতরাং আমেরিকা তখন ডলারের বিনিময়ে স্বর্ণ দেয়ার জন্য প্রস্তুত ছিল, কিন্তু কার্যক্ষেত্রে আমেরিকা থেকে কেউই স্বর্ণ দাবি করত না। তবে ফ্রান্স আমেরিকার কাছে ডলারের বিপরীতে স্বর্ণের দাবি তোলা শুরু করে। যার কারণে ফ্রান্স ও আমেরিকার মধ্যকার অবস্থাও স্বাভাবিক থাকে নি, আর আমেরিকার কাছে স্বর্ণের মজুদও কমতে থাকে। ফলে ১৯৭১ সালে আমেরিকা স্বর্ণ দিতে অস্বীকার করে বসে এবং ব্রেটন উডস ব্যবস্থা শেষ হয়ে যায়। নির্ধারিত বিনিময় হার ব্যবস্থা (Fixed Exchange Rate System) বহাল থাকে নি। এখন বিনিময় হার ব্যবস্থার জন্য দুটি নীতি প্রচলিত হয়- ১. একটা নীতি হল, যেমন অন্যান্য পণ্যের কোনো রেট নির্ধারিত থাকে না; বরং স্বাধীন বাজার নিজেই যোগান ও চাহিদার ভিত্তিতে রেট স্থির করে। তেমনিভাবে মুদ্রার রেটও খোলা বাজারে ছেড়ে দিতে হবে। যোগান ও চাহিদার ভিত্তিতে আপনা আপনিই রেট স্থির হতে থাকবে। যেমন ডলার এবং বাংলাদেশী টাকার যোগান ও চাহিদার মাধ্যমে বাংলাদেশী টাকার সাথে ডলারের রেট নির্ধারিত হবে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বাজারে যোগান ও চাহিদার আলোকে অন্যান্য দেশের মুদ্রার সাথে বাংলাদেশী টাকার রেট নির্ধারিত হবে। এ নীতিকে (Freely Floating Exchange Rates) নীতি বলা হয়। আরবিতে বলা হয় ‘اسعار الصرف العائمة الحرة’। ২. দ্বিতীয় নীতি ছিল, মৌলিকভাবে তো রেট স্বাধীনই থাকা উচিৎ, তা সত্ত্বেও সে সাথে সরকারের উচিৎ রেটের উপর নজর রাখা। কখনো যদি রেট মাত্রাতিরিক্ত বেশি কম হতে দেখা যায়, তাহলে সরকার হস্তক্ষেপ করবে। যার প্রক্রিয়া হবে এমন, কেন্দ্রীয় ব্যাংককে বাজারে অবতীর্ণ হয়ে মূল্য নিয়ন্ত্রণ করার নির্দেশ দেবে। এ নীতিকে ইংরেজিতে Managed Float এবং আরবিতে ‘اسعار الصرف العائمة المدراة’ বলা যায়।