📄 শেয়ার ক্রেতার শ্রেণীবিভাগ
দুধরনের শেয়ার ক্রেতা আছে:
১. কিছু লোক কোম্পানির অংশীদার হওয়ার জন্য শেয়ার ক্রয় করে এবং শেয়ার নিজের কাছে রেখে বার্ষিক লভ্যাংশ অর্জন করে, তবে এমন লোক খুব কম।
২. অধিকাংশ লোক শেয়ারকেই সরাসরি ব্যবসায়িক পণ্য গণ্য করে তার ক্রয়-বিক্রয় করে। যখন শেয়ারের মূল্য কম হয় তখন ক্রয় করে আর যখন মূল্য বাড়ে তখন বিক্রি করে ফেলে। উভয় মূল্যের মধ্যে যে পার্থক্য হয় তাই তাদের মুনাফা। মূল্য বৃদ্ধির কারণে যে মুনাফা অর্জিত হয় তাকে Capital Gain বলে। এ ব্যবসায়ে প্রথমে আন্দাজ অনুমান করতে হয়, কোন্ শেয়ারের মূল্য ভবিষ্যতে কমতে এবং কোন্ শেয়ারের মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে। এ ধারণাকে বলা হয় Speculation। এ ধারণা কখনো সঠিক আবার কখনো ভুলও হয়।
📄 শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ের প্রক্রিয়া
শেয়ার বিক্রির তিনটি পদ্ধতি আছে:
📄 নগদ বিক্রি (Spot Sale)
এটা বেচাকেনার সাধারণ প্রক্রিয়া। কোনো ব্যক্তি শেয়ার দিয়ে তার মূল্য আদায় করে নেয়। এ নগদ বিক্রিতেও শেয়ারের সার্টিফিকেট সাধারণত এক সপ্তাহ পর হস্তগত হয়।
📄 Sale On Margin
এর অর্থ শেয়ারের এমন বেচাকেনা, যার মধ্যে শেয়ারের মূল্যের শতকরা কিছু অংশ সাথে সাথে পরিশোধ করতে হয় আর বাকিটা ঋণ থাকে। যেমন দশ শতাংশ মূল্য পরিশোধ করে দিল আর বাকি নব্বই শতাংশ ঋণ। সাধারণত এর প্রক্রিয়া হয় এমন, সচরাচর যে শেয়ার কিনে তার সাথে দালালদের সম্পর্ক থাকে। কোনো ব্যক্তি দালালকে বলল, অমুক কোম্পানির শেয়ার Margin-এর উপর ক্রয় করে দাও। যার হার নির্ধারণ করে নেয়া হয়। যেমন শতকরা দশ শতাংশ। এ পরিমাণ অর্থ ক্রেতা প্রদান করে। বাকি নব্বই শতাংশ দালাল তার নিজের পক্ষ থেকে পরিশোধ করে। দালাল এ অর্থ ক্রেতাকে ঋণ প্রদান করে। দালাল কখনো তার সুদ নেয় আবার কখনো নেয় না। কখনো এমন হয়, কিছুদিন পর্যন্ত বিনা সুদে সুযোগ দেয়। তারপর সুদ পরিশোধ করা জরুরি। যেমন বাকি মূল্য তিন দিনের মধ্যে পরিশোধ করলে সুদ দিতে হবে না, কিন্তু তারপর সুদ দিতে হবে। এর মধ্যে দালালের আসল লাভ কমিশন। নিজের ব্যবসায় চালু রাখা এবং কমিশন গ্রহণের জন্য সে ঋণ দিতেও প্রস্তুত থাকে।