📄 সম্পত্তিসমূহ
একে আরবিতে 'موجودات ' এবং ইংরেজিতে Assets বলে। সম্পত্তি তিন প্রকার-
একে আরবিতে 'موجودات ' এবং ইংরেজিতে Assets বলে। সম্পত্তি তিন প্রকার-
📄 চলতি মূলধন (Current Assets)
তাকে আরবিতে 'موجودات متداولة ' বলা হয়। যা হয় নগদ অর্থ বা সহজে নগদায়ন করা যায় এমন বস্তু। এর মধ্যে চারটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত।
ক. নগদ অর্থ (Cash),
খ. কোম্পানির আদায়যোগ্য অর্থ (Accounts Receivable)। যেমন কোম্পানি কোনো বস্তু বিক্রি করেছে, তার মূল্য এখনো উসূলধীন।
গ. কোম্পানি যদি অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিয়ে তার দলিল ও রসিদ নিজের কাছে সংরক্ষণ করে থাকে তাহলে সেটাও তার সম্পত্তির মধ্যে গণ্য হবে, যেমন বন্ড প্রভৃতি। তাকে বলে Notes Receivable।
ঘ. অন্য কোনো কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানে যে পুঁজি বিনিয়োগ করা হয়েছে এবং সেখানকার অর্থ আদায় নিশ্চিত (Investments)।
তাকে আরবিতে 'موجودات متداولة ' বলা হয়। যা হয় নগদ অর্থ বা সহজে নগদায়ন করা যায় এমন বস্তু। এর মধ্যে চারটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত।
ক. নগদ অর্থ (Cash),
খ. কোম্পানির আদায়যোগ্য অর্থ (Accounts Receivable)। যেমন কোম্পানি কোনো বস্তু বিক্রি করেছে, তার মূল্য এখনো উসূলধীন।
গ. কোম্পানি যদি অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিয়ে তার দলিল ও রসিদ নিজের কাছে সংরক্ষণ করে থাকে তাহলে সেটাও তার সম্পত্তির মধ্যে গণ্য হবে, যেমন বন্ড প্রভৃতি। তাকে বলে Notes Receivable।
ঘ. অন্য কোনো কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানে যে পুঁজি বিনিয়োগ করা হয়েছে এবং সেখানকার অর্থ আদায় নিশ্চিত (Investments)।
📄 স্থাবর সম্পত্তি (Fixed Assets)
আরবিতে তাকে ' موجودات ثابتة ' বলা হয়। এর অর্থ অনগদ সম্পত্তি, যা সহজে নগদায়নযোগ্য নয়। যেমন- যন্ত্রপাতি, বিল্ডিং ইত্যাদি।
আরবিতে তাকে ' موجودات ثابتة ' বলা হয়। এর অর্থ অনগদ সম্পত্তি, যা সহজে নগদায়নযোগ্য নয়। যেমন- যন্ত্রপাতি, বিল্ডিং ইত্যাদি।
📄 অবস্তু সম্পত্তি (Intangible Assets)
যাকে আরবিতে 'موجودات غير مادية ' বলা হয়। এমন বস্তু যাকে বস্তুগতভাবে চেনা যায় না, যেমন- গুডউইল (সুনাম)। তার মূল্যও হিসাব করা হয় এবং বেচাকেনাও হয়। কিন্তু এটা কোনো অনুভবযোগ্য বস্তুগত জিনিস নয়। অথবা কোনো ব্যবসায়ের এডভারটাইজিংয়ে (প্রচার) অর্থ ব্যয় হয়েছে। এ প্রচার দ্বারা কয়েক বছর পর্যন্ত উপকার হবে। এটাও অবস্তু সম্পত্তির অন্তর্ভুক্ত হবে।
সম্পত্তির বিবরণ লেখার পর তা সংগ্রহের মাধ্যম এবং তার জন্য মূলধন সংস্থানের (Financing) উৎসও লেখা হয়।
সম্পত্তির মূল্য বিভিন্ন রকমের হয়। এক রকম মূল্য হল, ক্রয় করার সময়ের মূল্য। তারপর ব্যবহারের পর পুরাতন হওয়ার কারণে তার মূল্য কমে যায়। সময় অতিবাহিত হলে মূল্য বৃদ্ধিও পায়, কিন্তু যেহেতু এ মূল্য পরিবর্তনের সঠিক পরিমাণ অনুমান করা কঠিন। এ কারণে ব্যালান্স শিটে সম্পত্তির সে মূল্য ধরা হয় যে মূল্যে তা ক্রয় করা হয়েছিল। তাকে বলা হয় বইয়ের মূল্য (Book Value)। যেহেতু এ সম্পত্তির বর্তমান বাজার মূল্য সাধারণত বিভিন্ন রকম হয়, এ কারণে সাধারণত ব্যালান্স শিট থেকে কোম্পানির অবস্থার প্রকৃত রূপ ফুটে উঠে না; বরং আনুমানিক ও সম্ভাব্য ধারণা হয় মাত্র। এর ভিতর ধোঁকা-প্রতারণাও চলে।
ব্যালান্স শিটের দ্বিতীয় অংশে 'দায়সমূহ' লেখা হয়, অর্থাৎ যে অর্থ কোম্পানির পরিশোধ করতে হবে। দায়ের মধ্যে কর্মচারীদের বেতন, কোনো ক্রয়কৃত জিনিসের মূল্য যা পরিশোধ করতে হবে, ধারকৃত মূলধন যা পরিশোধ করতে হবে এবং এ ধরনের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত। দায় লেখার রীতি হল, প্রথমে দীর্ঘমেয়াদী দায় লেখা হয়। যেমন ঋণ গ্রহণ করা হয়েছে যা পাঁচ বছর পর পরিশোধ করতে হবে, এমন দায়কে Long Time Liabilities বলে। তারপর চলতি দায়সমূহ লেখা হয়, যা অল্প দিনের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। যেমন কর্মচারীদের বেতন, ট্যাক্স, ক্রয়কৃত কোনো জিনিসের বিল যা পরিশোধ করতে হবে, দীর্ঘ মেয়াদী ঋণের যে অংশ এক বছরের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে ইত্যাদি। এমন দায়কে বলা হয় Current Liabilities।
যাকে আরবিতে 'موجودات غير مادية ' বলা হয়। এমন বস্তু যাকে বস্তুগতভাবে চেনা যায় না, যেমন- গুডউইল (সুনাম)। তার মূল্যও হিসাব করা হয় এবং বেচাকেনাও হয়। কিন্তু এটা কোনো অনুভবযোগ্য বস্তুগত জিনিস নয়। অথবা কোনো ব্যবসায়ের এডভারটাইজিংয়ে (প্রচার) অর্থ ব্যয় হয়েছে। এ প্রচার দ্বারা কয়েক বছর পর্যন্ত উপকার হবে। এটাও অবস্তু সম্পত্তির অন্তর্ভুক্ত হবে।
সম্পত্তির বিবরণ লেখার পর তা সংগ্রহের মাধ্যম এবং তার জন্য মূলধন সংস্থানের (Financing) উৎসও লেখা হয়।
সম্পত্তির মূল্য বিভিন্ন রকমের হয়। এক রকম মূল্য হল, ক্রয় করার সময়ের মূল্য। তারপর ব্যবহারের পর পুরাতন হওয়ার কারণে তার মূল্য কমে যায়। সময় অতিবাহিত হলে মূল্য বৃদ্ধিও পায়, কিন্তু যেহেতু এ মূল্য পরিবর্তনের সঠিক পরিমাণ অনুমান করা কঠিন। এ কারণে ব্যালান্স শিটে সম্পত্তির সে মূল্য ধরা হয় যে মূল্যে তা ক্রয় করা হয়েছিল। তাকে বলা হয় বইয়ের মূল্য (Book Value)। যেহেতু এ সম্পত্তির বর্তমান বাজার মূল্য সাধারণত বিভিন্ন রকম হয়, এ কারণে সাধারণত ব্যালান্স শিট থেকে কোম্পানির অবস্থার প্রকৃত রূপ ফুটে উঠে না; বরং আনুমানিক ও সম্ভাব্য ধারণা হয় মাত্র। এর ভিতর ধোঁকা-প্রতারণাও চলে।
ব্যালান্স শিটের দ্বিতীয় অংশে 'দায়সমূহ' লেখা হয়, অর্থাৎ যে অর্থ কোম্পানির পরিশোধ করতে হবে। দায়ের মধ্যে কর্মচারীদের বেতন, কোনো ক্রয়কৃত জিনিসের মূল্য যা পরিশোধ করতে হবে, ধারকৃত মূলধন যা পরিশোধ করতে হবে এবং এ ধরনের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত। দায় লেখার রীতি হল, প্রথমে দীর্ঘমেয়াদী দায় লেখা হয়। যেমন ঋণ গ্রহণ করা হয়েছে যা পাঁচ বছর পর পরিশোধ করতে হবে, এমন দায়কে Long Time Liabilities বলে। তারপর চলতি দায়সমূহ লেখা হয়, যা অল্প দিনের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। যেমন কর্মচারীদের বেতন, ট্যাক্স, ক্রয়কৃত কোনো জিনিসের বিল যা পরিশোধ করতে হবে, দীর্ঘ মেয়াদী ঋণের যে অংশ এক বছরের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে ইত্যাদি। এমন দায়কে বলা হয় Current Liabilities।