📘 ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স নববী দর্পণে সমকালীন ধারণা > 📄 সেলফ মোটিভেশনের আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক বিষয়াদি...

📄 সেলফ মোটিভেশনের আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক বিষয়াদি...


✓ ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখা, নেতিবাচকতাকে প্রশ্রয় না দেওয়া。
✓ আত্মীয়-স্বজন ও পরিবার তথা সমাজের মানুষের সাথে আত্মীয়তা ও সামাজিক সুসম্পর্ক বজায় রাখা।
✓ সজনশীল কাজে অংশগ্রহণ করা, সর্বদা নিজেকে গঠনমূলক কিংবা সেবামূলক কাজে ব্যস্ত রাখা, অলসতা পরিহার করা এবং প্রতিটি মুহূর্ত সময়কে ভালো কাজে লাগানো।
✓ প্রতিটি কাজের পেছনে অর্থ ও কাজটির স্বার্থকতা বোঝার চেষ্টা করা এবং নিরর্থক ও অর্থহীন কাজে নিজেকে ব্যস্ত না রাখা।
✓ সবসময় নতুন কিছু শেখার চেষ্টায় থাকা। উন্নত মানসিকতা-সম্পন্ন মানুষেরা আশাবাদী হয় এবং তারা বিশ্বাস করে যে, তাদের মেধা বা বুদ্ধিমত্তা তাদের প্রচেষ্টা, নতুন নতুন কৌশল শেখা বা, অপরকে সাহায্য করার সাথে সমানুপাতিক হারে বাড়ে। অপরদিকে, আবদ্ধ মানসিকতার লোকেরা মনে করে মেধা, বুদ্ধিমত্তা জাতীয় বিষয়গুলো জন্মগত। কাজেই তারা কখনোই তাদের সীমাকে অতিক্রম করতে পারে না। একই জায়গায় আটকে থাকে।
✓ যেকোনো বাধাকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করা। সমস্যার মধ্যে দিয়েও সামনে এগুনোর প্রত্যয় রাখা। এগুলোকে নিজের দোষ ভেবে আটকে না যাওয়া。

আমরা যদি দুনিয়াবী সাফল্য ও সম্পদের জন্য সর্বদা মোটিভেশন খুঁজে বেড়াই তবে তা একসময় আমাদেরকে হতাশা ও আক্ষেপের দিকে নিয়ে যাবে। তাই আমাদেরকে সকল কাজের জন্য আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। "একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টিই আমার প্রাথমিক উদ্দেশ্য"-এমন চিন্তা মনের মাঝে লালন করতে পারলে যেকোনো নিছক দুনিয়াবী কাজও ইবাদতে পরিণত হবে এবং আমাদের আত্মিক মোটিভেশন হিসেবে কাজ করবে।

মনের রাখতে হবে-জীবনের বিভিন্ন বাঁকে, নানান প্রতিবন্ধকতার মুখে আমাদের মোটিভেশনের পারদও হরদম ওঠানামা করে। জীবনের প্রত্যেক ক্ষেত্রে আমাদের মোটিভেশন সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকলে সেটাও আমাদের জন্যে অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়াত। তাই, মাঝেমাঝে আমাদের বিরতি নিতে হবে। কীসের পিছে ছুটছি বা এই কাজের পরিণতি বা উপকারীতা কী-তা নিয়ে ভাবতে হবে। যা করছি সে বিষয়ে নিজের কাছে স্বচ্ছতা ও বিনয়ীভাব বজায় রাখা, অন্যকে সে বিষয়ে অবগত করাটাও জরুরি। কিছু সময় নিয়ে মোটিভেশন সম্পর্কে আপনার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে গভীরভাবে ভাবুন। বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীনভাবে যা কিছু আপনাকে মোটিভেট করছে তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন। এরপর রাসূলুল্লাহ ﷺ এর জীবনের দিকে তাকান। তিনি কীভাবে ওই ধরনের বিষয়গুলো মোকাবিলা করেছেন কিংবা সুযোগ কাজে লাগিয়ে অন্যকে মোটিভেট করেছেন তা জানুন।

গ. সেলফ মোটিভেশনের আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক বিষয়াদি হলো-

✓ ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখা, নেতিবাচকতাকে প্রশ্রয় না দেওয়া।

✓ আত্মীয়-স্বজন ও পরিবার তথা সমাজের মানুষের সাথে আত্মীয়তা ও সামাজিক সুসম্পর্ক বজায় রাখা।

✓ সৃজনশীল কাজে অংশগ্রহণ করা, সর্বদা নিজেকে গঠনমূলক কিংবা সেবামূলক কাজে ব্যস্ত রাখা, অলসতা পরিহার করা এবং প্রতিটি মুহূর্ত সময়কে ভালো কাজে লাগানো।

✓ প্রতিটি কাজের পেছনে অর্থ ও কাজটির স্বার্থকতা বোঝার চেষ্টা করা এবং নিরর্থক ও অর্থহীন কাজে নিজেকে ব্যস্ত না রাখা।

✓ সবসময় নতুন কিছু শেখার চেষ্টায় থাকা। উন্নত মানসিকতা-সম্পন্ন মানুষেরা আশাবাদী হয় এবং তারা বিশ্বাস করে যে, তাদের মেধা বা বুদ্ধিমত্তা তাদের প্রচেষ্টা, নতুন নতুন কৌশল শেখা বা, অপরকে সাহায্য করার সাথে সমানুপাতিক হারে বাড়ে। অপরদিকে, আবদ্ধ মানসিকতার লোকেরা মনে করে মেধা, বুদ্ধিমত্তা জাতীয় বিষয়গুলো জন্মগত। কাজেই তারা কখনোই তাদের সীমাকে অতিক্রম করতে পারে না। একই জায়গায় আটকে থাকে।

✓ যেকোনো বাধাকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করা। সমস্যার মধ্যে দিয়েও সামনে এগুনোর প্রত্যয় রাখা। এগুলোকে নিজের দোষ ভেবে আটকে না যাওয়া।

আমরা যদি দুনিয়াবী সাফল্য ও সম্পদের জন্য সর্বদা মোটিভেশন খুঁজে বেড়াই তবে তা একসময় আমাদেরকে হতাশা ও আক্ষেপের দিকে নিয়ে যাবে। তাই আমাদেরকে সকল কাজের জন্য আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। "একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টিই আমার প্রাথমিক উদ্দেশ্য"-এমন চিন্তা মনের মাঝে লালন করতে পারলে যেকোনো নিছক দুনিয়াবী কাজও ইবাদতে পরিণত হবে এবং আমাদের আত্মিক মোটিভেশন হিসেবে কাজ করবে।

মনের রাখতে হবে-জীবনের বিভিন্ন বাঁকে, নানান প্রতিবন্ধকতার মুখে আমাদের মোটিভেশনের পারদও হরদম ওঠানামা করে। জীবনের প্রত্যেক ক্ষেত্রে আমাদের মোটিভেশন সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকলে সেটাও আমাদের জন্যে অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়াত। তাই, মাঝেমাঝে আমাদের বিরতি নিতে হবে। কীসের পিছে ছুটছি বা এই কাজের পরিণতি বা উপকারীতা কী-তা নিয়ে ভাবতে হবে। যা করছি সে বিষয়ে নিজের কাছে স্বচ্ছতা ও বিনয়ীভাব বজায় রাখা, অন্যকে সে বিষয়ে অবগত করাটাও জরুরি। কিছু সময় নিয়ে মোটিভেশন সম্পর্কে আপনার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে গভীরভাবে ভাবুন। বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীনভাবে যা কিছু আপনাকে মোটিভেট করছে তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন। এরপর রাসূলুল্লাহ ﷺ এর জীবনের দিকে তাকান। তিনি কীভাবে ওই ধরনের বিষয়গুলো মোকাবিলা করেছেন কিংবা সুযোগ কাজে লাগিয়ে অন্যকে মোটিভেট করেছেন তা জানুন।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00