📄 নিজেকে বা অন্যকে অনুপ্রাণিত করার আগে নিজের লক্ষ্য সম্পর্কে পরিষ্কার হয়ে নেওয়া জরুরি
স্বাস্থ্য, সুসম্পর্ক, পেশা বা জীবনের কোনো শখ পূরণের ক্ষেত্রেই এটা প্রয়োজন। এভাবে চিন্তা করতে পারলে, যেকোনো কাজের ইতিবাচক দিকগুলো আমাদের সামনে স্পষ্ট হয়ে দাঁড়াবে。
আবার, উদ্দেশ্য অর্জনের পথে যেসমস্ত বাধা বিপত্তি আসতে পারে, সেগুলো সম্পর্কে সতর্ক থাকাটাও জরুরি। কেননা, যেকোনো অর্জনের ক্ষেত্রে সম্ভাবনার সাথে সাথে থাকে নানান জটিলতা। কেবল চূড়ান্ত ফলাফলকে সকল মনোযোগের কেন্দ্র বানিয়ে রাখা ঠিক নয়। এতে এক সময় সফলতা অধরা এক বিষয় বলে মনে হতে পারে বা লক্ষ্যে পৌঁছানোর ধাপগুলোকে অনেক জটিল বলে মনে হতে পারে। তাই লক্ষ্যে পৌঁছানোর পথকে ছোট ছোট ধাপে ভাগ করে নেওয়া উচিত। এভাবে, পর্যায়ক্রমে সামনে এগিয়ে যাওয়াটাই আপনার মোটিভেশনকে বাড়িয়ে দিতে থাকবে। বাধা-বিপত্তি আসবেই। কিন্তু প্রতিবন্ধকতা সম্পর্কে পূর্ব সতর্কতা অবলম্বন করা গেলে সে সম্পর্কে খাপ খাইয়ে নেওয়ার মনোভাব বজায় রাখতে পারলে যেকোনো সমস্যাকে সহজে সমাধান করা সম্ভব হবে। আর এভাবে লক্ষ্যের দিকে অব্যাহতভাবে এগিয়ে যাওয়া সহজ হবে।
ক. নিজেকে বা অন্যকে অনুপ্রাণিত করার আগে নিজের লক্ষ্য সম্পর্কে পরিষ্কার হয়ে নেওয়া জরুরি
স্বাস্থ্য, সুসম্পর্ক, পেশা বা জীবনের কোনো শখ পূরণের ক্ষেত্রেই এটা প্রয়োজন। এভাবে চিন্তা করতে পারলে, যেকোনো কাজের ইতিবাচক দিকগুলো আমাদের সামনে স্পষ্ট হয়ে দাঁড়াবে।
আবার, উদ্দেশ্য অর্জনের পথে যেসমস্ত বাধা বিপত্তি আসতে পারে, সেগুলো সম্পর্কে সতর্ক থাকাটাও জরুরি। কেননা, যেকোনো অর্জনের ক্ষেত্রে সম্ভাবনার সাথে সাথে থাকে নানান জটিলতা। কেবল চূড়ান্ত ফলাফলকে সকল মনোযোগের কেন্দ্র বানিয়ে রাখা ঠিক নয়। এতে এক সময় সফলতা অধরা এক বিষয় বলে মনে হতে পারে বা লক্ষ্যে পৌঁছানোর ধাপগুলোকে অনেক জটিল বলে মনে হতে পারে। তাই লক্ষ্যে পৌঁছানোর পথকে ছোট ছোট ধাপে ভাগ করে নেওয়া উচিত। এভাবে, পর্যায়ক্রমে সামনে এগিয়ে যাওয়াটাই আপনার মোটিভেশনকে বাড়িয়ে দিতে থাকবে। বাধা-বিপত্তি আসবেই। কিন্তু প্রতিবন্ধকতা সম্পর্কে পূর্ব সতর্কতা অবলম্বন করা গেলে সে সম্পর্কে খাপ খাইয়ে নেওয়ার মনোভাব বজায় রাখতে পারলে যেকোনো সমস্যাকে সহজে সমাধান করা সম্ভব হবে। আর এভাবে লক্ষ্যের দিকে অব্যাহতভাবে এগিয়ে যাওয়া সহজ হবে।
📄 সেলফ-মোটিভেটেড থাকার জন্য অপরকে মোটিভেট করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ
আমাদের মাথায় রাখতে হবে, আমরা কীভাবে অন্যকে মোটিভেট করছি। আমরা কি সহানুভূতিশীল, সহমর্মী ও আশাবাদী ভঙ্গিতে মানুষের সাথে কথা বলছি? নাকি আমরা জোর খাটিয়ে, শাসিয়ে, অপমান-অপদস্ত করে কিংবা ভয় দেখিয়ে কথা বলছি? নম্রভাবে, আশাবাদী স্বরে, মানুষের সাথে ইতিবাচক দিকগুলো আলোচনা করার গুণগুলো আমাদেরকে স্বার্থক মোটিভেশন দানকারী হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করবে。
মানুষকে তাদের অতীতে অর্জনের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে বা পূর্বের কোনো সমস্যা কাটিয়ে ওঠার ঘটনা মনে করিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে সাহস যোগানো যেতে পারে। দৃঢ় আচরণ আর সুন্দর উপস্থাপনার দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে সহজেই আমরা অপরকে মোটিভেট করতে পারি। আমাদের নিজেদের জীবনেই হয়তো এমন বহু মানুষের আনাগোনা রয়েছে যাদের সামনে জগতের যেকোনো বিষয় নিয়ে কথা তুললেই উপদেশের ঝাপি খুলে নিয়ে বসবেন অথচ, নিজ জীবনে তারা কোনো বিষয়েই দৃষ্টান্ত স্থাপন করে দেখাতে পারেননি। "আমি যেমনটা বলি, তেমনটা করো। আমার কাজ অনুকরণ করার দরকার নেই" এই ধরনের কথা কেউই তেমন আমলে নেয় না। এই কারণে নিজ জীবনে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে সে বিষয়ে মানুষকে মোটিভেট করা, তাদের পথ দেখানো এবং সাহস যোগানো অধিক কার্যকর।
আমরা রাসূলুল্লাহ ﷺ এর জীবনের দিকে যদি তাকাই তবে দেখতে পাব, তিনি কীভাবে অনন্য দক্ষতার সাথে নিজের আচরিত ও প্রচারিত বিশ্বাসগুলো নিজের জীবনে পালন করেছেন এবং অন্যের মাঝে সঞ্চারিত করেছেন। তাঁর জীবনভর মিশন ছিল কুরআনের বাণী প্রচার ও বাস্তবায়ন। তাঁর ইন্তেকালের পর যখন তাঁর স্ত্রী আয়িশা কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল- “রাসূলুল্লাহ ﷺ এর চরিত্র কেমন ছিল?” তখন তিনি জবাব দিয়েছিলেন- "তোমরা কি কুরআন পড়োনি? কুরআনই ছিল তাঁর চরিত্র”। রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁর উম্মাহর জন্য এবং বিশ্ববাসীর জন্য কীভাব এত স্বার্থক মোটিভেটর হয়ে উঠলেন তা আয়িশা এর এই কথা থেকে সহজেই অনুমেয়।
খ. সেলফ-মোটিভেটেড থাকার জন্য অপরকে মোটিভেট করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ
আমাদের মাথায় রাখতে হবে, আমরা কীভাবে অন্যকে মোটিভেট করছি। আমরা কি সহানুভূতিশীল, সহমর্মী ও আশাবাদী ভঙ্গিতে মানুষের সাথে কথা বলছি? নাকি আমরা জোর খাটিয়ে, শাসিয়ে, অপমান-অপদস্ত করে কিংবা ভয় দেখিয়ে কথা বলছি? নম্রভাবে, আশাবাদী স্বরে, মানুষের সাথে ইতিবাচক দিকগুলো আলোচনা করার গুণগুলো আমাদেরকে স্বার্থক মোটিভেশন দানকারী হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করবে।
মানুষকে তাদের অতীতে অর্জনের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে বা পূর্বের কোনো সমস্যা কাটিয়ে ওঠার ঘটনা মনে করিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে সাহস যোগানো যেতে পারে। দৃঢ় আচরণ আর সুন্দর উপস্থাপনার দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে সহজেই আমরা অপরকে মোটিভেট করতে পারি। আমাদের নিজেদের জীবনেই হয়তো এমন বহু মানুষের আনাগোনা রয়েছে যাদের সামনে জগতের যেকোনো বিষয় নিয়ে কথা তুললেই উপদেশের ঝাপি খুলে নিয়ে বসবেন অথচ, নিজ জীবনে তারা কোনো বিষয়েই দৃষ্টান্ত স্থাপন করে দেখাতে পারেননি। "আমি যেমনটা বলি, তেমনটা করো। আমার কাজ অনুকরণ করার দরকার নেই" এই ধরনের কথা কেউই তেমন আমলে নেয় না। এই কারণে নিজ জীবনে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে সে বিষয়ে মানুষকে মোটিভেট করা, তাদের পথ দেখানো এবং সাহস যোগানো অধিক কার্যকর।
আমরা রাসূলুল্লাহ ﷺ এর জীবনের দিকে যদি তাকাই তবে দেখতে পাব, তিনি কীভাবে অনন্য দক্ষতার সাথে নিজের আচরিত ও প্রচারিত বিশ্বাসগুলো নিজের জীবনে পালন করেছেন এবং অন্যের মাঝে সঞ্চারিত করেছেন। তাঁর জীবনভর মিশন ছিল কুরআনের বাণী প্রচার ও বাস্তবায়ন। তাঁর ইন্তেকালের পর যখন তাঁর স্ত্রী আয়িশা কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল- “রাসূলুল্লাহ ﷺ এর চরিত্র কেমন ছিল?” তখন তিনি জবাব দিয়েছিলেন- "তোমরা কি কুরআন পড়োনি? কুরআনই ছিল তাঁর চরিত্র”। রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁর উম্মাহর জন্য এবং বিশ্ববাসীর জন্য কীভাব এত স্বার্থক মোটিভেটর হয়ে উঠলেন তা আয়িশা এর এই কথা থেকে সহজেই অনুমেয়।
📄 সেলফ মোটিভেশনের আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক বিষয়াদি...
✓ ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখা, নেতিবাচকতাকে প্রশ্রয় না দেওয়া。
✓ আত্মীয়-স্বজন ও পরিবার তথা সমাজের মানুষের সাথে আত্মীয়তা ও সামাজিক সুসম্পর্ক বজায় রাখা।
✓ সজনশীল কাজে অংশগ্রহণ করা, সর্বদা নিজেকে গঠনমূলক কিংবা সেবামূলক কাজে ব্যস্ত রাখা, অলসতা পরিহার করা এবং প্রতিটি মুহূর্ত সময়কে ভালো কাজে লাগানো।
✓ প্রতিটি কাজের পেছনে অর্থ ও কাজটির স্বার্থকতা বোঝার চেষ্টা করা এবং নিরর্থক ও অর্থহীন কাজে নিজেকে ব্যস্ত না রাখা।
✓ সবসময় নতুন কিছু শেখার চেষ্টায় থাকা। উন্নত মানসিকতা-সম্পন্ন মানুষেরা আশাবাদী হয় এবং তারা বিশ্বাস করে যে, তাদের মেধা বা বুদ্ধিমত্তা তাদের প্রচেষ্টা, নতুন নতুন কৌশল শেখা বা, অপরকে সাহায্য করার সাথে সমানুপাতিক হারে বাড়ে। অপরদিকে, আবদ্ধ মানসিকতার লোকেরা মনে করে মেধা, বুদ্ধিমত্তা জাতীয় বিষয়গুলো জন্মগত। কাজেই তারা কখনোই তাদের সীমাকে অতিক্রম করতে পারে না। একই জায়গায় আটকে থাকে।
✓ যেকোনো বাধাকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করা। সমস্যার মধ্যে দিয়েও সামনে এগুনোর প্রত্যয় রাখা। এগুলোকে নিজের দোষ ভেবে আটকে না যাওয়া。
আমরা যদি দুনিয়াবী সাফল্য ও সম্পদের জন্য সর্বদা মোটিভেশন খুঁজে বেড়াই তবে তা একসময় আমাদেরকে হতাশা ও আক্ষেপের দিকে নিয়ে যাবে। তাই আমাদেরকে সকল কাজের জন্য আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। "একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টিই আমার প্রাথমিক উদ্দেশ্য"-এমন চিন্তা মনের মাঝে লালন করতে পারলে যেকোনো নিছক দুনিয়াবী কাজও ইবাদতে পরিণত হবে এবং আমাদের আত্মিক মোটিভেশন হিসেবে কাজ করবে।
মনের রাখতে হবে-জীবনের বিভিন্ন বাঁকে, নানান প্রতিবন্ধকতার মুখে আমাদের মোটিভেশনের পারদও হরদম ওঠানামা করে। জীবনের প্রত্যেক ক্ষেত্রে আমাদের মোটিভেশন সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকলে সেটাও আমাদের জন্যে অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়াত। তাই, মাঝেমাঝে আমাদের বিরতি নিতে হবে। কীসের পিছে ছুটছি বা এই কাজের পরিণতি বা উপকারীতা কী-তা নিয়ে ভাবতে হবে। যা করছি সে বিষয়ে নিজের কাছে স্বচ্ছতা ও বিনয়ীভাব বজায় রাখা, অন্যকে সে বিষয়ে অবগত করাটাও জরুরি। কিছু সময় নিয়ে মোটিভেশন সম্পর্কে আপনার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে গভীরভাবে ভাবুন। বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীনভাবে যা কিছু আপনাকে মোটিভেট করছে তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন। এরপর রাসূলুল্লাহ ﷺ এর জীবনের দিকে তাকান। তিনি কীভাবে ওই ধরনের বিষয়গুলো মোকাবিলা করেছেন কিংবা সুযোগ কাজে লাগিয়ে অন্যকে মোটিভেট করেছেন তা জানুন।
গ. সেলফ মোটিভেশনের আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক বিষয়াদি হলো-
✓ ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখা, নেতিবাচকতাকে প্রশ্রয় না দেওয়া।
✓ আত্মীয়-স্বজন ও পরিবার তথা সমাজের মানুষের সাথে আত্মীয়তা ও সামাজিক সুসম্পর্ক বজায় রাখা।
✓ সৃজনশীল কাজে অংশগ্রহণ করা, সর্বদা নিজেকে গঠনমূলক কিংবা সেবামূলক কাজে ব্যস্ত রাখা, অলসতা পরিহার করা এবং প্রতিটি মুহূর্ত সময়কে ভালো কাজে লাগানো।
✓ প্রতিটি কাজের পেছনে অর্থ ও কাজটির স্বার্থকতা বোঝার চেষ্টা করা এবং নিরর্থক ও অর্থহীন কাজে নিজেকে ব্যস্ত না রাখা।
✓ সবসময় নতুন কিছু শেখার চেষ্টায় থাকা। উন্নত মানসিকতা-সম্পন্ন মানুষেরা আশাবাদী হয় এবং তারা বিশ্বাস করে যে, তাদের মেধা বা বুদ্ধিমত্তা তাদের প্রচেষ্টা, নতুন নতুন কৌশল শেখা বা, অপরকে সাহায্য করার সাথে সমানুপাতিক হারে বাড়ে। অপরদিকে, আবদ্ধ মানসিকতার লোকেরা মনে করে মেধা, বুদ্ধিমত্তা জাতীয় বিষয়গুলো জন্মগত। কাজেই তারা কখনোই তাদের সীমাকে অতিক্রম করতে পারে না। একই জায়গায় আটকে থাকে।
✓ যেকোনো বাধাকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করা। সমস্যার মধ্যে দিয়েও সামনে এগুনোর প্রত্যয় রাখা। এগুলোকে নিজের দোষ ভেবে আটকে না যাওয়া।
আমরা যদি দুনিয়াবী সাফল্য ও সম্পদের জন্য সর্বদা মোটিভেশন খুঁজে বেড়াই তবে তা একসময় আমাদেরকে হতাশা ও আক্ষেপের দিকে নিয়ে যাবে। তাই আমাদেরকে সকল কাজের জন্য আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। "একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টিই আমার প্রাথমিক উদ্দেশ্য"-এমন চিন্তা মনের মাঝে লালন করতে পারলে যেকোনো নিছক দুনিয়াবী কাজও ইবাদতে পরিণত হবে এবং আমাদের আত্মিক মোটিভেশন হিসেবে কাজ করবে।
মনের রাখতে হবে-জীবনের বিভিন্ন বাঁকে, নানান প্রতিবন্ধকতার মুখে আমাদের মোটিভেশনের পারদও হরদম ওঠানামা করে। জীবনের প্রত্যেক ক্ষেত্রে আমাদের মোটিভেশন সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকলে সেটাও আমাদের জন্যে অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়াত। তাই, মাঝেমাঝে আমাদের বিরতি নিতে হবে। কীসের পিছে ছুটছি বা এই কাজের পরিণতি বা উপকারীতা কী-তা নিয়ে ভাবতে হবে। যা করছি সে বিষয়ে নিজের কাছে স্বচ্ছতা ও বিনয়ীভাব বজায় রাখা, অন্যকে সে বিষয়ে অবগত করাটাও জরুরি। কিছু সময় নিয়ে মোটিভেশন সম্পর্কে আপনার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে গভীরভাবে ভাবুন। বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীনভাবে যা কিছু আপনাকে মোটিভেট করছে তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন। এরপর রাসূলুল্লাহ ﷺ এর জীবনের দিকে তাকান। তিনি কীভাবে ওই ধরনের বিষয়গুলো মোকাবিলা করেছেন কিংবা সুযোগ কাজে লাগিয়ে অন্যকে মোটিভেট করেছেন তা জানুন।