📄 অন্যকে ছাড় দিতে চেষ্টা করুন
এই একটি অভ্যাস নিজের মধ্যে নিয়ে আসতে পারলে আমরা যেমন নিজেরা মানসিকভাবে প্রশান্তি লাভ করতে পারতাম, অনেক মানসিক চাপ ও রাগ-ক্ষোভকে ঝেটিয়ে বিদায় করতে পারতাম তেমনি অন্যের সাথেও অহেতুক ভুল বোঝাবুঝি এবং মন কষাকষি থেকে মুক্ত থাকতাম।
দৈনন্দিন জীবনে চলতে-ফিরতে অন্যের আচার-আচরণ, কথা-বার্তা সবকিছু মনমতো হবেই-এমন কথা নেই। তাই অন্যের অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণে দুঃখ না করে বরং তাকে Benefit of Doubt দিয়ে মাফ করে দেওয়াই সহজ সমাধান।
মুশরিকদের আঘাত পাওয়ার পরে রাসূল ﷺ তাঁর মুখমন্ডল থেকে রক্ত মুছছিলেন আর বলছিলেন, “ওই কওম কীরূপে কৃতকার্য হতে পারে যারা তাদের নবি এর মুখমণ্ডলে আঘাত করেছে এবং তাঁর দাঁত ভেঙে দিয়েছে অথচ তিনি তাদেরকে আল্লাহর দিকে ডাকছিলেন”। এই প্রেক্ষিতে আল্লাহ আয়াত নাযিল করলেন- لَيْسَ لَكَ مِنَ الْأَمْرِ شَيْءٌ أَوْ يَتُوبَ عَلَيْهِمْ أَوْ يُعَذِّبَهُمْ فَإِنَّهُمْ ظَالِمُونَ
"আল্লাহ তাদের প্রতি ক্ষমাশীল হবেন অথবা শাস্তি দেবেন – এ ব্যাপারে তোমার কিছু করার নেই; কেননা তারা হচ্ছে জালেম”। [১৪৮] সহিহ মুসলিমের বর্ণনায় রয়েছে, রাসূল ﷺ বারবার বলছিলেন, “হে আমার প্রতিপালক, আমার কওমকে ক্ষমা করে দিন কারণ তারা জানে না”। [১৪৯] এই হাদীসে আমরা দেখছি:
• একজন মুসলিম সর্বদা অপরকে Benefit of Doubt দিতে চেষ্টা করবে, এমনকি সে অমুসলিম হলেও। রাসূল এখানে তাঁর কওমের অজ্ঞতার কথা বলে তাদেরকে ক্ষমার করার ওসীলা বের করেছেন।
• রাসূল বলেছেন, "কারণ তারা জানে না”, তিনি বলেননি যে, “কারণ তারা জাহেল”। অর্থাৎ মুশরিকদের হিদায়াতের প্রতি রাসূল এর আকাঙ্খা ও মনত্বের প্রগাঢ়তা কতটা ছিল!
• রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁর জীবনের কঠিনতম মুহূর্তে মৃত্যুর সামনে দাঁড়িয়েও যদি শত্রুকে Benefit of Doubt দিতে পারেন, তবে আমরা কেন আমাদের চারপাশের মানুষদের তা দিতে পারি না?
টিকাঃ
[১৪৮] সূরা আলে ইমরান, ৩:১২৮
[১৪৯] সহিহ মুসলিম, হাদীস নং: ১৭৯২
ঞ. অন্যকে ছাড় দিতে চেষ্টা করুন
এই একটি অভ্যাস নিজের মধ্যে নিয়ে আসতে পারলে আমরা যেমন নিজেরা মানসিকভাবে প্রশান্তি লাভ করতে পারতাম, অনেক মানসিক চাপ ও রাগ-ক্ষোভকে ঝেটিয়ে বিদায় করতে পারতাম তেমনি অন্যের সাথেও অহেতুক ভুল বোঝাবুঝি এবং মন কষাকষি থেকে মুক্ত থাকতাম।
দৈনন্দিন জীবনে চলতে-ফিরতে অন্যের আচার-আচরণ, কথা-বার্তা সবকিছু মনমতো হবেই-এমন কথা নেই। তাই অন্যের অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণে দুঃখ না করে বরং তাকে Benefit of Doubt দিয়ে মাফ করে দেওয়াই সহজ সমাধান।
মুশরিকদের আঘাত পাওয়ার পরে রাসূল তাঁর মুখমন্ডল থেকে রক্ত মুছছিলেন আর বলছিলেন, “ওই কওম কীরূপে কৃতকার্য হতে পারে যারা তাদের নবি এর মুখমণ্ডলে আঘাত করেছে এবং তাঁর দাঁত ভেঙে দিয়েছে অথচ তিনি তাদেরকে আল্লাহর দিকে ডাকছিলেন”। এই প্রেক্ষিতে আল্লাহ আয়াত নাযিল করলেন- لَيْسَ لَكَ مِنَ الْأَمْرِ شَيْءٌ أَوْ يَتُوبَ عَلَيْهِمْ أَوْ يُعَذِّبَهُمْ فَإِنَّهُمْ ظَالِمُونَ
"আল্লাহ তাদের প্রতি ক্ষমাশীল হবেন অথবা শাস্তি দেবেন – এ ব্যাপারে তোমার কিছু করার নেই; কেননা তারা হচ্ছে জালেম”। [148] সহিহ মুসলিমের বর্ণনায় রয়েছে, রাসূল বারবার বলছিলেন, “হে আমার প্রতিপালক, আমার কওমকে ক্ষমা করে দিন কারণ তারা জানে না”। [149] এই হাদীসে আমরা দেখছি:
• একজন মুসলিম সর্বদা অপরকে Benefit of Doubt দিতে চেষ্টা করবে, এমনকি সে অমুসলিম হলেও। রাসূল এখানে তাঁর কওমের অজ্ঞতার কথা বলে তাদেরকে ক্ষমার করার ওসীলা বের করেছেন।
• রাসূল বলেছেন, "কারণ তারা জানে না”, তিনি বলেননি যে, “কারণ তারা জাহেল”। অর্থাৎ মুশরিকদের হিদায়াতের প্রতি রাসূল এর আকাঙ্খা ও মনত্বের প্রগাঢ়তা কতটা ছিল!
. রাসূলুল্লাহ তাঁর জীবনের কঠিনতম মুহূর্তে মৃত্যুর সামনে দাঁড়িয়েও যদি শত্রুকে Benefit of Doubt দিতে পারেন, তবে আমরা কেন আমাদের চারপাশের মানুষদের তা দিতে পারি না?
টিকাঃ
[148] সূরা আলে ইমরান, ৩:১২৮
[149] সহিহ মুসলিম, হাদীস নং: ১৭৯২