📘 ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স নববী দর্পণে সমকালীন ধারণা > 📄 অন্যের প্রতি আন্তরিক হোন এবং মন দিয়ে অন্যের কথা শুনুন

📄 অন্যের প্রতি আন্তরিক হোন এবং মন দিয়ে অন্যের কথা শুনুন


কেউ যখন আপনার কাছে নিজের ব্যক্তিগত সমস্যার কথা বলতে আসে তখন স্বাভাবিকভাবেই তার মনের অবস্থা ভালো থাকে না। আপনার কাছে তার কষ্টগুলো বলে কিছুটা হালকা হতে পারবেন ভেবেই হয়তো আপনাকে কথাগুলো বলতে এসেছেন। এসময়ে তার কথাগুলো মন দিয়ে শুনুন, তার প্রতি সহানুভূতিশীল হোন। তাকে জিজ্ঞেস করুন, "এখন তার মনের অবস্থা কী।” যেকোনো প্রয়োজনে আপনি যে তার পাশে থাকতে চান তা বোঝানোর জন্যে তাকে প্রশ্ন করুন, "আমি কি তোমার জন্যে কিছু করতে পারি?” কারো কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা মানে আপনি তার সমাধানে বাধ্য কিংবা সমাধান করতে পারবেন বিষয়টা এমন না। বরং আপনি যে তার কথা মনোযোগের সাথে শুনলেন এতে তার হালকা বোধ হবে। কথায় আছে, কষ্ট কারো সাথে শেয়ার করলে অর্ধেক হয় আর আনন্দ কারো সাথে শেয়ার করলে দ্বিগুণ হয়। আপনি মনোযোগ দিয়ে কারো কথা শোনার ফলে সে বুঝবে আপনি তার প্রতি সহমর্মী। রাসূল সঃ খুব ভালো শ্রোতা ছিলেন। হাদীসে এসেছে, কেউ তার সাথে কিছু বললে তিনি তা পুরোপুরি মনোযোগের সাথে শুনতেন। বক্তার কথা শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি তার কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতেন না। এমনকি তিনি কখনো ঘাড় ঘুড়িয়ে কারো সাথে কথা বলতেন না। শরীর ও মন পুরোটা তার দিকে ফিরিয়ে তিনি বক্তার কথা বোঝার চেষ্টা করতেন আর বক্তাও তার এম্পেথেটিক হওয়ার বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারত। আপনার কোনো ঘনিষ্ঠ বন্ধু আপনাকে কিছু বলতে চাইলে তার সাথে ফোনে বা সরাসরি সাক্ষাত করে কথা বলুন। এগুলো মানুষের মনে অনেকখানি ভালোলাগার সৃষ্টি করে। সে যদি আপনার মা-বাবা, ভাই-বোন বা জীবনসঙ্গী হয়ে থাকে, তবে তাকে জড়িয়ে ধরুন, তার পাশে থাকুন।

কেউ যখন আপনার কাছে নিজের ব্যক্তিগত সমস্যার কথা বলতে আসে তখন স্বাভাবিকভাবেই তার মনের অবস্থা ভালো থাকে না। আপনার কাছে তার কষ্টগুলো বলে কিছুটা হালকা হতে পারবেন ভেবেই হয়তো আপনাকে কথাগুলো বলতে এসেছেন। এসময়ে তার কথাগুলো মন দিয়ে শুনুন, তার প্রতি সহানুভূতিশীল হোন। তাকে জিজ্ঞেস করুন, "এখন তার মনের অবস্থা কী।” যেকোনো প্রয়োজনে আপনি যে তার পাশে থাকতে চান তা বোঝানোর জন্যে তাকে প্রশ্ন করুন, "আমি কি তোমার জন্যে কিছু করতে পারি?” কারো কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা মানে আপনি তার সমাধানে বাধ্য কিংবা সমাধান করতে পারবেন বিষয়টা এমন না। বরং আপনি যে তার কথা মনোযোগের সাথে শুনলেন এতে তার হালকা বোধ হবে। কথায় আছে, কষ্ট কারো সাথে শেয়ার করলে অর্ধেক হয় আর আনন্দ কারো সাথে শেয়ার করলে দ্বিগুণ হয়। আপনি মনোযোগ দিয়ে কারো কথা শোনার ফলে সে বুঝবে আপনি তার প্রতি সহমর্মী। রাসূল সঃ খুব ভালো শ্রোতা ছিলেন। হাদীসে এসেছে, কেউ তার সাথে কিছু বললে তিনি তা পুরোপুরি মনোযোগের সাথে শুনতেন। বক্তার কথা শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি তার কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতেন না। এমনকি তিনি কখনো ঘাড় ঘুড়িয়ে কারো সাথে কথা বলতেন না। শরীর ও মন পুরোটা তার দিকে ফিরিয়ে তিনি বক্তার কথা বোঝার চেষ্টা করতেন আর বক্তাও তার এম্পেথেটিক হওয়ার বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারত। আপনার কোনো ঘনিষ্ঠ বন্ধু আপনাকে কিছু বলতে চাইলে তার সাথে ফোনে বা সরাসরি সাক্ষাত করে কথা বলুন। এগুলো মানুষের মনে অনেকখানি ভালোলাগার সৃষ্টি করে। সে যদি আপনার মা-বাবা, ভাই-বোন বা জীবনসঙ্গী হয়ে থাকে, তবে তাকে জড়িয়ে ধরুন, তার পাশে থাকুন。

কেউ যখন আপনার কাছে নিজের ব্যক্তিগত সমস্যার কথা বলতে আসে তখন স্বাভাবিকভাবেই তার মনের অবস্থা ভালো থাকে না। আপনার কাছে তার কষ্টগুলো বলে কিছুটা হালকা হতে পারবেন ভেবেই হয়তো আপনাকে কথাগুলো বলতে এসেছেন। এসময়ে তার কথাগুলো মন দিয়ে শুনুন, তার প্রতি সহানুভূতিশীল হোন। তাকে জিজ্ঞেস করুন, "এখন তার মনের অবস্থা কী।” যেকোনো প্রয়োজনে আপনি যে তার পাশে থাকতে চান তা বোঝানোর জন্যে তাকে প্রশ্ন করুন, "আমি কি তোমার জন্যে কিছু করতে পারি?” কারো কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা মানে আপনি তার সমাধানে বাধ্য কিংবা সমাধান করতে পারবেন বিষয়টা এমন না। বরং আপনি যে তার কথা মনোযোগের সাথে শুনলেন এতে তার হালকা বোধ হবে। কথায় আছে, কষ্ট কারো সাথে শেয়ার করলে অর্ধেক হয় আর আনন্দ কারো সাথে শেয়ার করলে দ্বিগুণ হয়। আপনি মনোযোগ দিয়ে কারো কথা শোনার ফলে সে বুঝবে আপনি তার প্রতি সহমর্মী। রাসূল সঃ খুব ভালো শ্রোতা ছিলেন। হাদীসে এসেছে, কেউ তার সাথে কিছু বললে তিনি তা পুরোপুরি মনোযোগের সাথে শুনতেন। বক্তার কথা শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি তার কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতেন না। এমনকি তিনি কখনো ঘাড় ঘুড়িয়ে কারো সাথে কথা বলতেন না। শরীর ও মন পুরোটা তার দিকে ফিরিয়ে তিনি বক্তার কথা বোঝার চেষ্টা করতেন আর বক্তাও তার এম্পেথেটিক হওয়ার বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারত। আপনার কোনো ঘনিষ্ঠ বন্ধু আপনাকে কিছু বলতে চাইলে তার সাথে ফোনে বা সরাসরি সাক্ষাত করে কথা বলুন। এগুলো মানুষের মনে অনেকখানি ভালোলাগার সৃষ্টি করে। সে যদি আপনার মা-বাবা, ভাই-বোন বা জীবনসঙ্গী হয়ে থাকে, তবে তাকে জড়িয়ে ধরুন, তার পাশে থাকুন。

📘 ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স নববী দর্পণে সমকালীন ধারণা > 📄 বক্তাকে প্রশ্ন করুন

📄 বক্তাকে প্রশ্ন করুন


প্রশ্ন কথোপকথনকে স্বতঃস্ফূর্ত করে তোলে। যখন কেউ কোনো সমস্যা বিশেষত ব্যক্তিগত সমস্যার কথা আপনার কাছে বলতে আসে তখন তাকে সে বিষয়ে আরও প্রশ্ন করুন। এতে করে সে কথা বলায় আগ্রহ খুঁজে পাবে। অপরজন কী বলছে তা মন দিয়ে শুনুন, এরপর তাকে অর্থপূর্ণ প্রশ্ন করুন। ধরুন, আপনার কাছের বন্ধু আপনার কাছে তার বৈবাহিক জীবনের সমস্যার কথা বলতে এলো। এ ক্ষেত্রে আপনার প্রশ্ন হওয়া উচিত, 'কী হয়েছে?, 'তুমি কি এখন ঠিক আছো?' বা, 'তোমাদের মাঝে কী নিয়ে মূলত মনোমালিন্য হচ্ছে?' এধরনের প্রশ্ন তাকে স্বছন্দে আপনার কাছে নিজের কথাগুলো খুলে বলতে সাহায্য করবে। তা ছাড়া আপনি যে তাঁর কাছ থেকে আরও শুনতে চান সেটাও সে বুঝতে পারবে। অপরদিকে আপনার গা-ছাড়া মন্তব্য যেমন, "বুঝতে পারছি, আশা করি, তোমাদের মাঝে সব দ্রুত ঠিক হয়ে যাবে” বা, 'সংসারে ঝগড়া-বিবাদ হওয়াটা স্বাভাবিক একটা ব্যাপার” বা "ধৈর্য ধরো, সব ঠিক হয়ে যাবে” – এধরনের কথাগুলো অপর ব্যক্তিকে পরবর্তী কথা বলায় পুরোপুরি নিরুৎসাহিত করে তোলে।

প্রশ্ন কথোপকথনকে স্বতঃস্ফূর্ত করে তোলে। যখন কেউ কোনো সমস্যা বিশেষত ব্যক্তিগত সমস্যার কথা আপনার কাছে বলতে আসে তখন তাকে সে বিষয়ে আরও প্রশ্ন করুন। এতে করে সে কথা বলায় আগ্রহ খুঁজে পাবে। অপরজন কী বলছে তা মন দিয়ে শুনুন, এরপর তাকে অর্থপূর্ণ প্রশ্ন করুন। ধরুন, আপনার কাছের বন্ধু আপনার কাছে তার বৈবাহিক জীবনের সমস্যার কথা বলতে এলো। এ ক্ষেত্রে আপনার প্রশ্ন হওয়া উচিত, 'কী হয়েছে?, 'তুমি কি এখন ঠিক আছো?' বা, 'তোমাদের মাঝে কী নিয়ে মূলত মনোমালিন্য হচ্ছে?' এধরনের প্রশ্ন তাকে স্বছন্দে আপনার কাছে নিজের কথাগুলো খুলে বলতে সাহায্য করবে। তা ছাড়া আপনি যে তাঁর কাছ থেকে আরও শুনতে চান সেটাও সে বুঝতে পারবে। অপরদিকে আপনার গা-ছাড়া মন্তব্য যেমন, "বুঝতে পারছি, আশা করি, তোমাদের মাঝে সব দ্রুত ঠিক হয়ে যাবে” বা, 'সংসারে ঝগড়া-বিবাদ হওয়াটা স্বাভাবিক একটা ব্যাপার” বা "ধৈর্য ধরো, সব ঠিক হয়ে যাবে” – এধরনের কথাগুলো অপর ব্যক্তিকে পরবর্তী কথা বলায় পুরোপুরি নিরুৎসাহিত করে তোলে。

প্রশ্ন কথোপকথনকে স্বতঃস্ফূর্ত করে তোলে। যখন কেউ কোনো সমস্যা বিশেষত ব্যক্তিগত সমস্যার কথা আপনার কাছে বলতে আসে তখন তাকে সে বিষয়ে আরও প্রশ্ন করুন। এতে করে সে কথা বলায় আগ্রহ খুঁজে পাবে। অপরজন কী বলছে তা মন দিয়ে শুনুন, এরপর তাকে অর্থপূর্ণ প্রশ্ন করুন। ধরুন, আপনার কাছের বন্ধু আপনার কাছে তার বৈবাহিক জীবনের সমস্যার কথা বলতে এলো। এ ক্ষেত্রে আপনার প্রশ্ন হওয়া উচিত, 'কী হয়েছে?, 'তুমি কি এখন ঠিক আছো?' বা, 'তোমাদের মাঝে কী নিয়ে মূলত মনোমালিন্য হচ্ছে?' এধরনের প্রশ্ন তাকে স্বছন্দে আপনার কাছে নিজের কথাগুলো খুলে বলতে সাহায্য করবে। তা ছাড়া আপনি যে তাঁর কাছ থেকে আরও শুনতে চান সেটাও সে বুঝতে পারবে। অপরদিকে আপনার গা-ছাড়া মন্তব্য যেমন, "বুঝতে পারছি, আশা করি, তোমাদের মাঝে সব দ্রুত ঠিক হয়ে যাবে” বা, 'সংসারে ঝগড়া-বিবাদ হওয়াটা স্বাভাবিক একটা ব্যাপার” বা "ধৈর্য ধরো, সব ঠিক হয়ে যাবে” – এধরনের কথাগুলো অপর ব্যক্তিকে পরবর্তী কথা বলায় পুরোপুরি নিরুৎসাহিত করে তোলে。

📘 ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স নববী দর্পণে সমকালীন ধারণা > 📄 Mirroring

📄 Mirroring


ধরুন, কেউ আপনাকে ১০ টি বড়সড় মেসেজ লিখে পাঠালো আর আপনি তার প্রতিউত্তরে এক লাইনের ছোট একটা উত্তর করলেন। একটি স্বতস্ফূর্ত কথোপকথন বন্ধ হওয়ার জন্যে এটুকুই যথেষ্ট। একই বিষয় ঘটে, যখন আপনি অত্যন্ত ব্যক্তিগত কোনো ম্যাসেজের উত্তরে এক কথায় লিখে দেন, "বুঝতে পেরেছি" বা, "ঠিক আছে" বা "হুম"। অপর ব্যক্তি আপনাকে অনেককিছু বলতে চাচ্ছিলো অথচ আপনি তাকে আপনার উত্তর দিয়ে দমিয়ে দিলেন। সে যে আগ্রহ নিয়ে তার কথাগুলো শুরু করেছিলো, আপনি তার সেই আগ্রহকে বিন্দুমাত্র মূল্যায়ন করলেন না। ঠিক এই 'জায়গাতে Mirroring এর বিষয়টি আসে। এর অর্থ হলো, কারও অব্যক্ত কথার ধরন, অঙ্গভঙ্গি বা আচার-আচরণ বুঝতে চেষ্টা করা। এগুলোর মাধ্যমে তার সাথে একটি সংযোগ স্থাপন করা।

কাজেই, আপনার বন্ধু যখন আপনার কাছে কোনো ব্যক্তিগত সমস্যার কথা বলতে আসে তখন তার প্রতিউত্তরে আপনার জীবনের প্রাসঙ্গিক কোনো ঘটনার কথা তাকে বলুন। সে যদি আপনার চোখের দিকে তাকায়, তবে আপনিও তার চোখের দিকে তাকান। সে যদি দৃষ্টি ফিরিয়ে নেয় তবে আপনিও তা-ই করুন। সে চাইলে, তাকে নিজের মতো করে সামলিয়ে ওঠার সুযোগ দিন। তাদের প্রতিটি দেহভঙ্গি অনুকরণ করতে যাবেন না। বরং তাদের কন্ঠস্বর ও মানসিক অবস্থার সাথে নিজের আচরণকে মানিয়ে নিন।

ঘ. Mirroring:
ধরুন, কেউ আপনাকে ১০ টি বড়সড় মেসেজ লিখে পাঠালো আর আপনি তার প্রতিউত্তরে এক লাইনের ছোট একটা উত্তর করলেন। একটি স্বতস্ফূর্ত কথোপকথন বন্ধ হওয়ার জন্যে এটুকুই যথেষ্ট। একই বিষয় ঘটে, যখন আপনি অত্যন্ত ব্যক্তিগত কোনো ম্যাসেজের উত্তরে এক কথায় লিখে দেন, "বুঝতে পেরেছি" বা, "ঠিক আছে" বা "হুম"। অপর ব্যক্তি আপনাকে অনেককিছু বলতে চাচ্ছিলো অথচ আপনি তাকে আপনার উত্তর দিয়ে দমিয়ে দিলেন। সে যে আগ্রহ নিয়ে তার কথাগুলো শুরু করেছিলো, আপনি তার সেই আগ্রহকে বিন্দুমাত্র মূল্যায়ন করলেন না। ঠিক এই 'জায়গাতে Mirroring এর বিষয়টি আসে। এর অর্থ হলো, কারও অব্যক্ত কথার ধরন, অঙ্গভঙ্গি বা আচার-আচরণ বুঝতে চেষ্টা করা। এগুলোর মাধ্যমে তার সাথে একটি সংযোগ স্থাপন করা।
কাজেই, আপনার বন্ধু যখন আপনার কাছে কোনো ব্যক্তিগত সমস্যার কথা বলতে আসে তখন তার প্রতিউত্তরে আপনার জীবনের প্রাসঙ্গিক কোনো ঘটনার কথা তাকে বলুন। সে যদি আপনার চোখের দিকে তাকায়, তবে আপনিও তার চোখের দিকে তাকান। সে যদি দৃষ্টি ফিরিয়ে নেয় তবে আপনিও তা-ই করুন। সে চাইলে, তাকে নিজের মতো করে সামলিয়ে ওঠার সুযোগ দিন। তাদের প্রতিটি দেহভঙ্গি অনুকরণ করতে যাবেন না। বরং তাদের কন্ঠস্বর ও মানসিক অবস্থার সাথে নিজের আচরণকে মানিয়ে নিন।

📘 ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স নববী দর্পণে সমকালীন ধারণা > 📄 আলাপ শেষ করার জন্যে তাড়াহুড়া করবেন না

📄 আলাপ শেষ করার জন্যে তাড়াহুড়া করবেন না


কেউ যখন নিজের সমস্যার কথা অন্যজনকে বলতে আসে, তখন তারা এক লাফে আলাপের ইতি টেনে দিতে ব্যতিব্যস্ত হয়ে ওঠে। ধরুন, কেউ আপনাকে বলতে এসেছে যে, তাকে চাকরি থেকে বহিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে। আর আপনি উত্তরে বলে বসলেন, "ও আচ্ছা, আশা করি, তুমি দ্রুত আরেকটা চাকরি পেয়ে যাবে"। আচ্ছা, এখন আসুন এই উত্তরে কী সমস্যা রয়েছে তা দেখা যাক। প্রথমত, মানুষটিকে মাত্রই এক জায়গা থেকে ছাঁটাই করা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই, সে কষ্ট পেয়েছে, হতাশ হয়েছে। তার অনুভূতিটা বোঝা এখানে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয়ত, চাকরি বাজারের খারাপ অবস্থার কারণে যদি তাকে বহিষ্কার করা হয়ে থাকে তবে "আশা করি, তুমি দ্রুত আরেকটা চাকরি পেয়ে যাবে” কথাটি তার কাছে কাটা ঘায়ে নুনের ছিটার মতো মনে হতে পারে। কেননা, এটি কেবল তাকে তার অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কথাই বারংবার স্মরণ করিয়ে দিবে।

এ ক্ষেত্রে যা করা যেতে পারে তা হলো,

* তার বর্তমান মানসিক অবস্থা বোঝার চেষ্টা করা,
* প্রাসঙ্গিক কিছু প্রশ্ন করে তাকে তার মনে অবস্থা খুলে বলতে সাহায্য করা, যাতে সে কিছুটা হলেও হালকা অনুভব করে। বহিষ্কারের এমন ঘটনায় আলাপ চালিয়ে নেওয়ার ভালো উপায় হলো, তাকে এই কথাগুলো বলা - "খবরটা শুনে খুব খারাপ লাগছে। কী হয়েছিল?" বা, "তোমার এখন কী অবস্থা?" বা, "সামনে কী করবে, কিছু ভেবেছো?" সে যদি কোনো চাকরির সন্ধান করে থাকে তবে তাকে জিজ্ঞেস করুন, "তুমি কোন ধরনের চাকরি খুঁজছো?" - এভাবে পরিস্থিতি বুঝে তাঁর সাথে কথা চালিয়ে যান。

আরেকটি উদাহরণ: কারও বহু বছরের সংসার জীবনের ইতি ঘটেছে। এখন যদি তাকে বলা হয়, "আরে!, এতে মন খারাপের কী আছে, আগের কথা বাদ দিয়ে নতুনকিছু ভাবো"- এধরনের কথা বলার চেয়ে অসংবেদনশীল আচরণ আর কী হতে পারে! কেননা এই কথাগুলো কেবল তার কষ্টকে আরও বহুগুণে বাডিয়ে দেয়। বরং তাকে প্রশ্ন করুন, "তোমার মনের অবস্থা এমন কেমন?", "তুমি ঠিক আছো তো?", "তুমি কি ওই ব্যাপারে কিছু বলতে চাও?", "তোমাদের মাঝে আসলে কী হয়েছিল?”, “তুমি এখন কী পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছো?”- এগুলো তাদের কষ্ট কিছুটা হলেও হ্রাস করবে।

অন্যদিকে, আপনি হয়তো ভালো নিয়‍্যাতেই তাকে কষ্ট ভুলে থাকতে বলবেন, কিন্তু কথাগুলো তাকে স্পর্শ করবে না। কেননা, আপনি তাঁর ব্যথাটা বোঝার চেষ্টা করছেন না। যেন, আপনি তাদের আবেগকে কোনো গুরুত্ব দিচ্ছেন না বরং বোঝানোর চেষ্টা করছেন, তাদের কষ্টটা অমূলক। নিজেকে সেই ব্যক্তির অবস্থায় বসিয়ে দেখুন কেমন লাগে! মানুষটির মানসিক অবস্থার সাথে নিজেকে খাপ খাওয়ানোর চেষ্টা করুন। টেনেটুনে আলাপকে নির্দিষ্ট কোনো উপসংহারে নিয়ে যাওয়াটা অবিবেচক আচরণ ছাড়া আর কিছু নয়।

রাসূল-এর সাথে তার সাহাবিদের সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ। সাহাবিরা তাদের মনে কথাগুলো খোলামেলাভাবে রাসূল-এর সাথে শেয়ার করত। একদিন একযুদ্ধে রাসূল তার সাহাবিদের নিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে যাচ্ছিলেন। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ নামের এক সাহাবি এই যুদ্ধে যোগ দেন। সেসময় জাবির সদ্য টিনেজ শেষ করা এক যুবক এবং তিনি একটি উৎকৃষ্ট উটের পিঠে চড়ে যুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন। সেসময় রাসূল-এর সাথে তার যে কথোপকথন হয় তার মধ্যে রাসূল-এর এম্পেথেটিক দিকটি প্রকাশ পায় সাথে সাথে উপরিউক্ত তিনটি বিষয় " বক্তাকে প্রশ্ন করা” Mirroring এবং আলাপ শেষ করার জন্যে তাড়াহুড়া না করার বিষয়টি খুব ভালভাবে বুঝতে পারি।

জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ একটি উৎকৃষ্ট উটের ওপর সাওয়ার হয়ে 'জাতুর রিকা' যুদ্ধে যোগ দেন। চলতে চলতে উটটি হঠাৎ থেমে যায়। জাবির তাকে উঠিয়ে চালাবার চেষ্টা করছেন, এমন সময় পেছন থেকে রাসূলুল্লাহর সা. এর কণ্ঠস্বর ভেসে এলো, জাবির কী হয়েছে?

জাবির বললেন, উট চলছে না।

রাসুল নিকটে এসে উটের গায়ে আঘাত করার সাথে সাথে উটটি দ্রুত চলতে থাকে। এসময় অন্যান্যরা সামনে চলে গিয়েছিল। রাসূল এবং জাবির পেছনে পাশাপাশি উটে চড়ে যাচ্ছিলেন। রাসূল তাঁর পরিবারের ব্যাপারে বিভিন্ন প্রশ্ন করলেন। জাবির রাসূল ﷺ-এর জানালো তার বাবা জিহাদে শহীদ হয়েছেন এবং কিছু ঋণ রেখে গেছেন। রাসূল সেই ঋণ শোধের ব্যাপারে কথা বলে এবং জাবিরকে হালকা করার জন্য বিয়ে করেছে কিনা জানতে চাইলেন। জাবির জানালেন এক বিধবা মেয়েকে বিয়ে করেছেন। এভাবে রাসূল দুঃখ এবং ঋণে জর্জরিত একজন কর্মীকে কীভাবে একজন যুবকের সাথে আলোচনার পছন্দের টপিক বিয়ে নিয়ে আলোচনা শুরু করেন。

এরপর রাসূল সা. জাবিরের নিকট থেকে উটটি খরীদ করার প্রস্তাব করেন। জাবির মূল্য ছাড়াই বিক্রি করতে রাজী হন। রাসূল সা. বললেন, না তা হবে না, মূল্য তোমাকে নিতে হবে। উট কেনা বেচার ঘটনাটি জাবির থেকে এভাবে বর্ণনা করেছেনঃ রাসূল সা. বললেন, জাবির এই উটটি আমার নিকট বিক্রি করবে?

- হাঁ, করব।

- কত দামে?

- এক দিরহামে।

- এক দিরহামে একটি উট কেনা যায়?

- তাহলে দুই দিরহামে।

- না, আমি চল্লিশ দিরহামে তোমার উটটি কিনলাম এবং আল্লাহর রাস্তায় তোমাকে আমি ওর পিঠে চড়াবো। এ ভাবে পথে উট কেনা বেচা হয়ে গেল।

মদীনা পৌঁছে জাবির উট নিয়ে রাসূলুল্লাহর সা. দরযায় হাজির হলেন। রাসূল সা. উটটি ঘুরে ঘুরে দেখলেন আর বললেনঃ খুব সুন্দর। তারপর বিলালকে ডেকে নির্দেশ দিলেন, এক উকিয়া (চল্লিশ দিরহাম) ওজন করে দাও এবং একটু বেশি দাও। অতঃপর রাসূল সা. জাবিরকে জিজ্ঞেস করলেন, তিনি উটের দাম পেয়েছেন কি না। জাবির বললেন, হাঁ, পেয়েছি। তখন রাসূল সা. জাবিরের হাতে উটটি তুলে দিয়ে বললেনঃ এই উট ও মূল্য দুইটিই নিয়ে যাও, সবই তোমার। জাবির খুব খুশী মনে উটসহ বাড়ী ফেরেন।

এই একটা ঘটনাই, আমাদের অনেকগুলো ব্যবহার শিক্ষা দেয়। আমাদের ফেলো সহযোগী, সঙ্গী, বন্ধুবান্ধবদের সাথে আমাদের আচরণ কেমন হবে তার চমৎকার উদাহরণ মজুদ আছে এই ঘটনাতে। একই সাথে আমরা বুঝতে পারি রাসূল ﷺ কীভাবে প্রতিনিয়ত ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্সের চর্চা করেছেন。

ঙ. আলাপ শেষ করার জন্যে তাড়াহুড়া করবেন না

কেউ যখন নিজের সমস্যার কথা অন্যজনকে বলতে আসে, তখন তারা এক লাফে আলাপের ইতি টেনে দিতে ব্যতিব্যস্ত হয়ে ওঠে। ধরুন, কেউ আপনাকে বলতে এসেছে যে, তাকে চাকরি থেকে বহিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে। আর আপনি উত্তরে বলে বসলেন, "ও আচ্ছা, আশা করি, তুমি দ্রুত আরেকটা চাকরি পেয়ে যাবে"। আচ্ছা, এখন আসুন এই উত্তরে কী সমস্যা রয়েছে তা দেখা যাক। প্রথমত, মানুষটিকে মাত্রই এক জায়গা থেকে ছাঁটাই করা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই, সে কষ্ট পেয়েছে, হতাশ হয়েছে। তার অনুভূতিটা বোঝা এখানে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয়ত, চাকরি বাজারের খারাপ অবস্থার কারণে যদি তাকে বহিষ্কার করা হয়ে থাকে তবে "আশা করি, তুমি দ্রুত আরেকটা চাকরি পেয়ে যাবে” কথাটি তার কাছে কাটা ঘায়ে নুনের ছিটার মতো মনে হতে পারে। কেননা, এটি কেবল তাকে তার অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কথাই বারংবার স্মরণ করিয়ে দিবে।
এ ক্ষেত্রে যা করা যেতে পারে তা হলো,

* তার বর্তমান মানসিক অবস্থা বোঝার চেষ্টা করা,
* প্রাসঙ্গিক কিছু প্রশ্ন করে তাকে তার মনে অবস্থা খুলে বলতে সাহায্য করা, যাতে সে কিছুটা হলেও হালকা অনুভব করে।

বহিষ্কারের এমন ঘটনায় আলাপ চালিয়ে নেওয়ার ভালো উপায় হলো, তাকে এই কথাগুলো বলা - "খবরটা শুনে খুব খারাপ লাগছে। কী হয়েছিল?" বা, "তোমার এখন কী অবস্থা?" বা, "সামনে কী করবে, কিছু ভেবেছো?" সে যদি কোনো চাকরির সন্ধান করে থাকে তবে তাকে জিজ্ঞেস করুন, "তুমি কোন ধরনের চাকরি খুঁজছো?" - এভাবে পরিস্থিতি বুঝে তাঁর সাথে কথা চালিয়ে যান।

আরেকটি উদাহরণ: কারও বহু বছরের সংসার জীবনের ইতি ঘটেছে। এখন যদি তাকে বলা হয়, "আরে!, এতে মন খারাপের কী আছে, আগের কথা বাদ দিয়ে নতনকিছু ভাবো"- এধরনের কথা বলার চেয়ে অসংবেদনশীল আচরণ আর কী হতে পারে! কেননা এই কথাগুলো কেবল তার কষ্টকে আরও বহুগুণে বাডিয়ে দেয়। বরং তাকে প্রশ্ন করুন, "তোমার মনের অবস্থা এমন কেমন?", "তুমি ঠিক আছো তো?", "তুমি কি ওই ব্যাপারে কিছু বলতে চাও?", "তোমাদের মাঝে আসলে কী হয়েছিল?”, “তুমি এখন কী পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছো?”- এগুলো তাদের কষ্ট কিছুটা হলেও হ্রাস করবে।
অন্যদিকে, আপনি হয়তো ভালো নিয়‍্যাতেই তাকে কষ্ট ভুলে থাকতে বলবেন, কিন্তু কথাগুলো তাকে স্পর্শ করবে না। কেননা, আপনি তাঁর ব্যথাটা বোঝার চেষ্টা করছেন না। যেন, আপনি তাদের আবেগকে কোনো গুরুত্ব দিচ্ছেন না বরং বোঝানোর চেষ্টা করছেন, তাদের কষ্টটা অমূলক। নিজেকে সেই ব্যক্তির অবস্থায় বসিয়ে দেখুন কেমন লাগে! মানুষটির মানসিক অবস্থার সাথে নিজেকে খাপ খাওয়ানোর চেষ্টা করুন। টেনেটুনে আলাপকে নির্দিষ্ট কোনো উপসংহারে নিয়ে যাওয়াটা অবিবেচক আচরণ ছাড়া আর কিছু নয়।

রাসূল-এর সাথে তার সাহাবিদের সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ। সাহাবিরা তাদের মনে কথাগুলো খোলামেলাভাবে রাসূল-এর সাথে শেয়ার করত। একদিন একযুদ্ধে রাসূল তার সাহাবিদের নিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে যাচ্ছিলেন। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ নামের এক সাহাবি এই যুদ্ধে যোগ দেন। সেসময় জাবির সদ্য টিনেজ শেষ করা এক যুবক এবং তিনি একটি উৎকৃষ্ট উটের পিঠে চড়ে যুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন। সেসময় রাসূল-এর সাথে তার যে কথোপকথন হয় তার মধ্যে রাসূল-এর এম্পেথেটিক দিকটি প্রকাশ পায় সাথে সাথে উপরিউক্ত তিনটি বিষয় " বক্তাকে প্রশ্ন করা” Mirroring এবং আলাপ শেষ করার জন্যে তাড়াহুড়া না করার বিষয়টি খুব ভালভাবে বুঝতে পারি।

জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ একটি উৎকৃষ্ট উটের ওপর সাওয়ার হয়ে 'জাতুর রিকা' যুদ্ধে যোগ দেন। চলতে চলতে উটটি হঠাৎ থেমে যায়। জাবির তাকে উঠিয়ে চালাবার চেষ্টা করছেন, এমন সময় পেছন থেকে রাসূলুল্লাহর সা. এর কণ্ঠস্বর ভেসে এলো, জাবির কী হয়েছে?

জাবির বললেন, উট চলছে না।

রাসুল নিকটে এসে উটের গায়ে আঘাত করার সাথে সাথে উটটি দ্রুত চলতে থাকে। এসময় অন্যান্যরা সামনে চলে গিয়েছিল। রাসূল এবং জাবির পেছনে পাশাপাশি উটে চড়ে যাচ্ছিলেন। রাসূল তাঁর পরিবারের ব্যাপারে বিভিন্ন প্রশ্ন করলেন। জাবির রাসূল ﷺ-এর জানালো তার বাবা জিহাদে শহীদ হয়েছেন এবং কিছু ঋণ রেখে গেছেন। রাসূল সেই ঋণ শোধের ব্যাপারে কথা বলে এবং জাবিরকে হালকা করার জন্য বিয়ে করেছে কিনা জানতে চাইলেন। জাবির জানালেন এক বিধবা মেয়েকে বিয়ে করেছেন। এভাবে রাসূল দুঃখ এবং ঋণে জর্জরিত একজন কর্মীকে কীভাবে একজন যুবকের সাথে আলোচনার পছন্দের টপিক বিয়ে নিয়ে আলোচনা শুরু করেন।

এরপর রাসূল সা. জাবিরের নিকট থেকে উটটি খরীদ করার প্রস্তাব করেন। জাবির মূল্য ছাড়াই বিক্রি করতে রাজী হন। রাসূল সা. বললেন, না তা হবে না, মূল্য তোমাকে নিতে হবে। উট কেনা বেচার ঘটনাটি জাবির থেকে এভাবে বর্ণনা করেছেনঃ রাসূল সা. বললেন, জাবির এই উটটি আমার নিকট বিক্রি করবে?

- হাঁ, করব।

- কত দামে?

- এক দিরহামে।

- এক দিরহামে একটি উট কেনা যায়?

- তাহলে দুই দিরহামে।

- না, আমি চল্লিশ দিরহামে তোমার উটটি কিনলাম এবং আল্লাহর রাস্তায় তোমাকে আমি ওর পিঠে চড়াবো। এ ভাবে পথে উট কেনা বেচা হয়ে গেল।

মদীনা পৌঁছে জাবির উট নিয়ে রাসূলুল্লাহর সা. দরযায় হাজির হলেন। রাসূল সা. উটটি ঘুরে ঘুরে দেখলেন আর বললেনঃ খুব সুন্দর। তারপর বিলালকে ডেকে নির্দেশ দিলেন, এক উকিয়া (চল্লিশ দিরহাম) ওজন করে দাও এবং একটু বেশি দাও। অতঃপর রাসূল সা. জাবিরকে জিজ্ঞেস করলেন, তিনি উটের দাম পেয়েছেন কি না। জাবির বললেন, হাঁ, পেয়েছি। তখন রাসূল সা. জাবিরের হাতে উটটি তুলে দিয়ে বললেনঃ এই উট ও মূল্য দুইটিই নিয়ে যাও, সবই তোমার। জাবির খুব খুশী মনে উটসহ বাড়ী ফেরেন।

এই একটা ঘটনাই, আমাদের অনেকগুলো ব্যবহার শিক্ষা দেয়। আমাদের ফেলো সহযোগী, সঙ্গী, বন্ধুবান্ধবদের সাথে আমাদের আচরণ কেমন হবে তার চমৎকার উদাহরণ মজুদ আছে এই ঘটনাতে। একই সাথে আমরা বুঝতে পারি রাসূল কীভাবে প্রতিনিয়ত ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্সের চর্চা করেছেন।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00