📘 ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স নববী দর্পণে সমকালীন ধারণা 📄 আত্মবিশ্বাস (Self-confidence)

📄 আত্মবিশ্বাস (Self-confidence)


আত্মবিশ্বাস হলো নিজেদের সম্পর্কে এবং নিজেদের সক্ষমতা নিয়ে আমাদের অনুভূতি। একজন আত্মবিশ্বাসী ব্যক্তির নিজেকে ভালভাবে পরিচালনা করার, জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার, বাধাগুলো অতিক্রম করার ক্ষমতা রয়েছে। আত্মবিশ্বাস এমনই গুরুত্বপূর্ণ ইমোশনাল ফ্যাক্টর, যা একজন ব্যক্তিকে অন্যদের কাছে সহজেই আপন হতে এবং তাদের সাথে ভালোভাবে যোগাযোগ করতে সক্ষম করে তোলে। পাশাপাশি তাকে বর্তমানের অর্জন এবং ভবিষ্যতের লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম করে।

'আত্মবিশ্বাস' শব্দটির সাথে সমস্বরে আরেকটি শব্দ চলে আসে। তা হলে 'আত্মসম্মান'। এই শব্দ দুটি অনেকসময় একটি আরেকটির প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে শব্দ দুইটার মাঝে সূক্ষ্ম ফারাক আছে। কখনো কেউ দৃঢ় আত্মবিশ্বাস নিয়ে কাজ করতে পারে অথচ তখন হয়তো তার আত্মসম্মানবোধ একেবারে তলানিতে। আবার আত্মসম্মানের প্রাচুর্য থাকলেও আত্মবিশ্বাসের অভাবে অনেক কাজ করা হয়ে ওঠে না। অবস্থার পরিবর্তন হলে আমাদের আত্মবিশ্বাসের মাত্রাও পরিবর্তিত হয়ে যায়। পরিচিত পরিবেশে আত্মবিশ্বাসী হওয়া সহজ। কিন্তু নতুন চ্যালেঞ্জের মোকাবিলায় চুপসে যাওয়া অস্বাভাবিক কিছু না। আমাদের জীবনের অতীত ঘটনা আর স্মৃতির কারণেও আমাদের আত্মবিশ্বাসের পারদ ওঠানামা করে। আত্মবিশ্বাস হলো আস্থা, বিশ্বাস এবং নির্ভরতার মিলিত রুপ。

ইসলামি বিশ্বাসে আরেকটি শব্দ অতীব গুরুত্বপূর্ণ। সেটা হলো 'তাওয়াক্কুল' বা 'আল্লাহর ওপর ভরসা'। অনেকে আত্মবিশ্বাসকে তাওয়াক্কুলের বিপরীত মনে করলেও আত্মবিশ্বাস এবং তাওয়াক্কুলের মধ্যে কোনো বৈপরীত্য নেই। বরং তাওয়াক্কুল মানুষকে যথাযথভাবে আত্মবিশ্বাসী হতে সাহায্য করে।

হাসান বসরি রহ. বলেন, 'মালিকের ওপর বান্দার তাওয়াক্কুলের অর্থ, আল্লাহই তার নির্ভরতার স্থান-একথা সে মনে রাখবে।' [১০৬]

কীভাবে একটি মানব শিশুশ্র মধ্যে হাঁটার আত্মবিশ্বাস বিকাশ লাভ করে? প্রথমত, মা সন্তানকে তার হাত ধরে দাঁড়াতে সাহায্য করে। তারপরে সে শিশুটিকে নিজের মতো চলতে দেয়। কয়েক ধাপ পিছিয়ে যায় এবং শিশুটিকে তার কাছে আসতে বলে। শিশুটি প্রথমে নিশ্চিত হতে পারে না যে সে এটি করতে পারবে কি না। কিন্তু তার মায়ের হাসি তাকে আত্মবিশ্বাস এনে দেয়। তার মায়ের প্রতি তার আস্থা তার নিজের প্রতি তার আস্থাকে জোরালো করে। শীঘ্রই শিশুটি তার শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখার ক্ষমতার ব্যাপারে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাস অর্জন করে। মূলত তাওয়াক্কুলের মাঝে আত্মবিশ্বাসের বীজ এবং 'নিজেকে জানা'র মাঝে সেই আত্মবিশ্বাসের বিকাশ লুকিয়ে আছে। সকল নবিই তাদের জীবনে আত্মবিশ্বাসের সৌন্দর্য ও শক্তি দেখিয়েছেন।

**নবি-রাসূলগণের আত্মবিশ্বাস**

নবি ইউসুফ এবং মূসা এর আত্মবিশ্বাসের উদাহরণ আমাদের জন্য অত্যন্ত শিক্ষনীয় হতে পারে। ইউসুফকে অনেক বছর কারাগারে রাখার পর যখন বাদশাহের দরবারে আনা হলো তিনি তাদের সামনে নিজেকে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী হিসেবে মেলে ধরেন। এত বছর জেলের অন্ধকার কুঠিরে থাকার পর তিনি আশাহত হয়ে দরবারে আসার কথা ছিল। তার ওপর তিনি জানতেন তার গায়ে দাসের কালিমা লেগে আছে। কিন্তু তিনি ছিলেন আত্মসচেতন ও আত্মবিশ্বাসী। নবি ইউসুফ ** জানতেন তৎকালীন বাদশাহ তার ব্যাপারে দুটো জায়গায় খুশি। এক, তিনি স্বপ্নের ব্যাখ্যা করতে পারেন।
দুই, তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ার আগ পর্যন্ত জেল থেকে বের হতে অস্বীকৃতি জানান।

তাই ভিনদেশী দাস এবং রাজার চোখে দোষী হয়েও তার সততা, আল্লাহভীরুতা এবং ঐশী জ্ঞান তাকে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। তিনি বাদশাহ'র চোখে চোখ রেখে রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদ 'রাষ্ট্রের কোষাধ্যক্ষ' হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেন।
'আমাকে দেশের কোষাধ্যক্ষ নিযুক্তকরুন। নিশ্চয়ই আমি সুসংরক্ষণকারী, সুবিজ্ঞ।[১০৭]

খরাকবলিত এক দেশের জন্য এটা খুব ঝুঁকিপূর্ণ একটা দায়িত্ব ছিল। কিন্তু ইউসুফ আল্লাহ-প্রদত্ত আত্মবিশ্বাসের জোরেই এমন কন্টাকীর্ণ পথে হাঁটার ইরাদা করেন।

নবি ইউসুফ এর এ ঘটনার সূত্র ধরে নিজেকে প্রশ্ন করুন, আল্লাহ আমাদের কী দায়িত্ব দিয়েছেন? আমরা কী কী গুণাবলি এবং প্রতিভা উপহার হিসেবে আল্লাহর পক্ষ থেকে পেয়েছি? আমরা কি আমাদের প্রতিভা ব্যবহার করে আমাদের দায়িত্ব পালন করছি? নাকি আমাদের তাওয়াক্কুল ও আত্মবিশ্বাসের অভাবের কারণে আমরা পিছিয়ে আছি?

নবি মূসা এর ঘটনার দিকে আমরা চোখ বুলালে তার আত্মবিশ্বাসের বিচ্ছুরণ অনুভব করতে পারব। অনিচ্ছাকৃত হত্যাকাণ্ডের বোঝা মাথায় নিয়ে দেশ ত্যাগ করে দশ বছর পর তিনি দেশে ফিরে আসছিলেন। তখন তিনি দূর পাহাড়ে আগুন দেখতে পান। সেখানে গিয়ে মহাবিশ্বের রবের সাথে তার কথোপকথন হয়। রাব্বুল আলামীন তাকে ফেরাউনকে দাওয়াত দেওয়ার মতো কঠিন দায়িত্ব দেন। চিন্তা করুন মূসা এর কথা! অনিচ্ছাকৃত হত্যাকাণ্ডের বোঝা মাথায় নিয়ে দেশত্যাগী হয়ে ফেরাউন থেকে পালিয়ে থাকা আবার সেই ফেরাউনের প্রতি রয়েছে ছোটবেলার ঋণ।[১০৮] এই মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েনের মধ্যে আরও একটা বড় সমস্যা ছিল মুখের জড়তা। কিন্তু এসব কোনো সমস্যাই তার কাছে আল্লাহর নির্দেশের সামনে সমস্যা মনে হলো না। তিনি নিজেকে আত্মবিশ্বাসী করার জন্য তৎকালীন ভাষার ভংগিতে আল্লাহর কাছে দুআ করলেন-

رَبِّ اشْرَحْ لِي صَدْرِي
'হে আমার প্রতিপালক! আমার বক্ষ প্রশস্ত করে দাও।

মুখের জড়তা দূর করার জন্য আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ জানালেন এভাবে-

وَيَسِّرْ لِي أَمْرِي وَاحْلُلْ عُقْدَةٌ مِّن لِسَانِي

এবং আমার কর্ম সহজ করে দাও। আমার জিহ্বার জড়তা দূর করে দাও।

তারপর নিজের ভাইকে সহযোগী হিসেবে দেওয়ার জন্য আল্লাহর দরবারে মিনতি জানালেন。

وَاجْعَل لِّي وَزِيرًا مِنْ أَهْلِي
আমার স্বজনদের মধ্য হতে আমার জন্য একজন সহায়ক নিযুক্ত কর।

যখন আমরা এমন কোনো দায়িত্বের সম্মুখীন হই যা পূরণ করা আমাদের পক্ষে অসম্ভব বলে মনে হয়, তখন মুসা আলাইহিস সালাম -এর জীবনের এই ঘটনাটি স্মরণ করুন। মনে রাখবেন যে মহাবিশ্বের রব আপনাকে এই দায়িত্ব দিয়েছেন। কারণ তিনি জানেন আপনি এটি করতে পারেন। এমনকি আপনি নিজে এটি উপলব্ধি করতে না পারলেও। আপনার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে এমন ত্রুটিগুলো সম্পর্কে চিন্তা করুন এবং সেগুলো কাটিয়ে উঠার জন্য দুআ করুন।

আমাদের প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কীভাবে তার সাহাবিদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসের খুঁটি গেড়ে দিয়েছিলেন, তা নিয়ে আলোচনা করা যাক।

অসুন্দর নাম পরিবর্তন:

নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর উচ্চ প্রজ্ঞার কারণে আত্ম- বিশ্বাসকে শক্তিশালী করার জন্য ভাল নামের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন ছিলেন। তিনি ভাল নাম পছন্দ করতেন। কুৎসিত নাম পরিবর্তন করে তিনি সুন্দর অর্থবহ নাম দিতেন। উমরের এক কন্যার নাম ছিল 'আসিয়াহ' রাসূল আসিয়ার নাম পরিবর্তন করে বলেছিলেন: "তুমি জামিলা।”[১০৯]

নিজেকে অপমান না করা:

রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “তোমাদের কেউ যেন না বলে-আমার আত্মা খারাপ হয়ে গেছে। বরং সে বলুক, আমার আত্মা অনুতপ্তহীন হয়ে উঠেছে।”[১১০]

অনেকে ভাল নিয়তে কিংবা রিয়ার উদ্দেশ্যেও নিজের সম্পর্কে অপমানসূচক কথা বলে। আল্লাহর রাসূল ওপরের হাদীসে ভাল নিয়তেও নিজেকে নিয়ে কটুকথা বলতে নিষেধ করেছেন। কেউ যদি গোপনে কোনো খারাপ কাজ করে ফেলে, সেটা সবাইকে বলে বেড়ানো উচিত না। নিজের কাছে এবং মানুষের কাছে নিজের আত্মসম্মান বজায় রাখা তাকে আত্মবিশ্বাসী করবে।

পজিটিভ ম্যাসেজ : রাসূল তার সঙ্গীসাথিদেরকে পজিটিভ ম্যাসেজ দিয়ে তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস অক্ষুন্ন রাখার চেষ্টা করতেন। আবু বকর-কে নিজের বন্ধু বলে তিনি সম্বোধন করেছেন। উমর সম্পর্কে বলেছেন, আমার পরে কেউ নবি হলে সে হতো উমর।[১১১] আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদকে জ্ঞানের গভীরতা এবং আগ্রহের জন্য "শিক্ষিত ছেলে”[১১২] বলে সম্বোধন করেছেন। মূসা আশআরীকে সুন্দর কণ্ঠের জন্য বলেছেন- 'দাঊদ এর পরিবার থেকে একটা বাঁশি তোমাকে দেওয়া হয়েছে।[১১৩] এভাবে সকলের ভালো বিষয়গুলোকে সামনে এনে তিনি তাদেরকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলতেন।

• অহংকার নয়, নিজের সম্পর্কে সঠিক ধারণা

সমাজে চলতে গেলে অনেকসময় মানুষকে নিজের সম্পর্কে জানানোর প্রয়োজন হয়ে পরে। নিজের ভালো এবং শক্তিশালী দিকগুলো তাদেরকে বিনয়ের সাথে দেখিয়ে দিলে অহংকার হবে না, বরং তা নিজের সম্পর্কে সুধারণার বহিঃপ্রকাশই হবে। এ বিষয়টা কিছুক্ষেত্রে মানুষের জন্যও উপকারী হবে। যেমন ধরুন, আল্লাহ রাসূল ﷺ নিজের সম্পর্কে কাফের মুশরিকদের বারবার জানিয়েছেন। যারা ইসলাম গ্রহণ করেছে তাদেরকেও নিজের সম্পর্কে বলতে গিয়ে বলেছেন, "আমি আদম সন্তানের শিক্ষক, আমি আল্লাহর প্রিয় এবং এতে কোনো অহংকার নেই। আমি কেয়ামতের দিন নবিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অনুসরণকারী। আমিই তোমাদের মধ্যে আল্লাহ সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি জ্ঞানী এবং সবচেয়ে বেশি ধার্মিক এবং আমি যারা তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে তাদের মধ্যে সবচেয়ে যোগ্য।"

তেমনিভাবে রাসূল ﷺ -এর একজন প্রিয় সাহাবি আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ মানুষকে কুরআনের শিক্ষা দিতেন। তিনি বলতেন, "তাঁর শপথ, যিনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই! আল্লাহর কিতাবে এমন কোনো সূরা নেই, যেটি নাযিল হওয়ার স্থান সম্পর্কে আমি অবগত নই। এমন কোনো আয়াত নেই, যেটি অবতীর্ণ হওয়ার প্রেক্ষাপট সম্পর্কে আমি বেখবর......।"

রাসূল ﷺ বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে সাহাবিদের মাঝে আত্মবিশ্বাসের গুণ জাগরুক রাখার চেষ্টা করেছেন। হাদীসের পরতে পরতে উম্মাহর সদস্যদের আত্মবিশ্বাসী করার জন্য রাসূল ﷺ -এর দিকনির্দেশনা আছে। কুরআন হাদীসকে জানার সাথে সাথে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ করলে আমাদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পেতে থাকবে।

* নিজের দক্ষতা এবং দুর্বলতা চিহ্নিত করে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। একজন মানুষ যখন নিজের সামর্থ্য ও অক্ষমতা সম্পর্কে জানে না, তখন সে আস্থাহীন হয়ে পড়ে। নিজের ব্যাপারে পরিষ্কার ধারণা থাকাই আত্মবিশ্বাস অর্জনের মূল উপায়। এজন্য জো-হ্যারি মডেল ও SWOT analysis অত্যন্ত কার্যকরী একটি পদক্ষেপ।
* অতীতের সাফল্যের স্মৃতি স্মরণ করাও একজন ব্যক্তিকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে পারে। বিশেষত যখন আমাদের জীবনে একের পর এক ব্যর্থতা আসে তখন অতীত সাফল্যের মধুর স্মৃতিই হতে পারে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার অন্যতম হাতিয়ার। তবে এ ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে যে, অতীত সাফল্য যেন আমাদেরকে আত্ম-অহমিকা কিংবা অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসে নিপতিত না করে।
* প্রাসঙ্গিক বিষয়ে এবং নিজের কাজের বিষয়ে বেশি বেশি পড়াশোনা করলে এবং জানাশোনার পরিধি বাড়ালে নিজের মধ্যে আত্মবিশ্বাস তৈরী হয়। এর জন্য প্রয়োজন আনন্দের সাথে জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য পড়া এবং নিজের কাজ/ব্যবসার বিষয়ে স্বচ্ছ ধারণা রাখা। নিজের কাজ বা ব্যবসার ক্ষেত্রে স্বচ্ছ ও পরিষ্কার ধারণা থাকলে নিজ থেকেই আত্মবিশ্বাস তৈরী হয়।
* আল্লাহর ওপর বিশ্বাস (ঈমান) এবং নির্ভরতা (তাওয়াক্কুল) একজন মানুষকে মানসিকভাবে অনেক শক্তিশালী করে দেয়। সে তার প্রতিটি পদক্ষেপে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও অসন্তুষ্টির দিকে লক্ষ্য রাখে। ফলে সে হয়ে ওঠে আত্মবিশ্বাসী এবং পদে পদে আল্লাহর সাহায্য সে অনুভব করে।

টিকাঃ
[১০৬] জামেউল উলূম ওয়াল হিকাম, পৃঃ ৪৩৭
[১০৭] সূরা ইউসুফ-৫৫
[১০৮] যদিও অনেকে দুই সময় ভিন্ন দুই ফিরাউনের কথা বলেন। তৎকালীন মিশরে বাদশাহদের ফেরাউন বলা হত
[১০৯] সহিহ মুসলিম: ২১৩৯
[১১০] সহিহ বুখারি: ৬১৭৯
[১১১] সুনানুত তিরমিযি: ৩৬৮৬
[১১২] মুসনাদে আহমাদ: ৩৫৯৯
[১১৩] সহিহুল বুখারি: ৫০৪৮

ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية