📘 ঈমানের দুর্বলতা > 📄 দুনিয়ার প্রতি আকর্ষণ ও এর প্রতি ঝুঁকে পড়া

📄 দুনিয়ার প্রতি আকর্ষণ ও এর প্রতি ঝুঁকে পড়া


২০. দুনিয়ার প্রতি আকর্ষণ ও এর প্রতি ঝুঁকে পড়া: দুনিয়ার মোহে এমনভাবে জড়িয়ে পড়ে যে, যদি কোনো মাল বা টাকা-পয়সা ছুটে যায়; তাহলে মনে খুব যাতনা অনুভব করে। নিজেকে খুবই বঞ্চিত মনে করে। যখন দেখে অন্য কেউ তা পাচ্ছে, তখন অন্যের ব্যাপারে মনে হিংসার উদ্রেক ঘটে; যেটা ঈমানের পরিপন্থী। নবী কারীম ﷺ বলেন-
لَا يَجْتَمِعَانِ فِي قَلْبِ عَبْدِ الْإِيمَانُ وَالْحَسَدُ
“কোনো বান্দার অন্তরে ঈমান এবং হিংসা-বিদ্বেষ একত্র হতে পারে না।”

টিকাঃ
৩৫. সুনানে নাসাঈ: ৩১০৯; সুনানে আবু দাউদ: ৫/১৫০

📘 ঈমানের দুর্বলতা > 📄 জনশ্রুতিকে বর্ণনার জন্য গ্রহণ করা

📄 জনশ্রুতিকে বর্ণনার জন্য গ্রহণ করা


২১. জনশ্রুতিকে বর্ণনার জন্য গ্রহণ করা: ঈমানদারের পরিচয় তার কথায় পাওয়া যায় না। তার কথায় কুরআন, হাদীস বা সালাফে সালেহীনদের উদ্ধৃতি থাকে না।

📘 ঈমানের দুর্বলতা > 📄 নিজেকে নিয়ে বেশি ব্যস্ত থাকা এবং বাড়াবাড়ি করা

📄 নিজেকে নিয়ে বেশি ব্যস্ত থাকা এবং বাড়াবাড়ি করা


২২. নিজেকে নিয়ে বেশি ব্যস্ত থাকা এবং বাড়াবাড়ি করা: পানাহার, পোশাক-পরিচ্ছদ, বাড়ি-ঘর, গাড়ি-ঘোড়া ইত্যাদির ক্ষেত্রে দেখা যায়- নিজের পূর্ণতার জন্য বেশ গুরুত্ব দিচ্ছে। এগুলোর জন্য পেরেশান হচ্ছে। বাড়ি-ঘর আসবাব-পত্রের জন্য টাকা-পয়সা, সময় ব্যয় করছে। এটি প্রকৃতপক্ষে তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ নয়। অথচ, তার মুসলমান ভাইয়েরা কত কষ্ট-যাতনার মাঝে রয়েছে। তারা কত অভাব-অনটনের শিকার হয়ে আছে। আর এদিকে সে নিজের সুখের জন্য এমন বিষয়ে সর্বদা ব্যতিব্যস্ত, যে ব্যাপারে রাসূল ﷺ এর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। যখন তিনি মুআয ইবনে জাবাল রাযি. কে ইয়ামানের শাসনকর্তা হিসেবে প্রেরণ করেন, তখন তাঁকে এই বলে উপদেশ দিয়েছিলেন যে, إِيَّاكَ وَالتَّنَعُّمَ فَإِنَّ عِبَادَ اللَّهِ لَيْسُوا بِالْمُتَنَعِّمِينَ “নেয়ামতে মগ্ন থাকার ব্যাপারে সাবধান হও। কেননা আল্লাহর বান্দাগণ কখনো নেয়ামতে মগ্ন থাকতে পারে না।”

টিকাঃ
৩৬. আবু নুআইম-হুলিয়া: ৫/১৫৫

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00