📄 ইমাম আবু হানিফা রাহিমাহুল্লাহ
ইমাম মুহাম্মদ রাহিমাহুল্লাহ [১৩১-১৮৯ হি.] প্রণীত 'জামে সাগির' কিতাবের ৮৭ নং পৃষ্ঠায় রয়েছে :
وَيُعْرَضُ عَلَى الْمُرْتَدِّ حُرًّا كَانَ أَوْ عَبْدًا الْإِسْلَامُ، فَإِنْ أَبَي قُتِلَ.
মুরতাদ স্বাধীন হোক বা গোলাম, তার সামনে ইসলাম পেশ করা হবে। তারপর যদি প্রত্যাখ্যান করে, তাকে হত্যা করা হবে।
ইমাম মুহাম্মদ রাহিমাহুল্লাহ রচিত 'আলমুআত্তা' কিতাবের ২৮২ নং পৃষ্ঠায় রয়েছে:
قَالَ مُحَمَّدُ : إِنْ شَاءَ الإِمَامُ أَخَّرَ الْمُرْتَدَّ ثَلَathًا إِنْ طَمِعَ فِي تَوْبَتِهِ، أَوْ سَأَلَهُ ذلِكَ الْمُرْتَدُّ؛ وَإِنْ لَمْ يَطْمَعْ فِي ذلِكَ، وَلَمْ يَسَأَلْهُ الْمُرْتَدُّ، فَقَتَلَهُ، فَلَا بَأْسَ بِهِ.
মুহাম্মদ বলেছেন, ইমাম যদি আশা করেন, সে [মুরতাদ] তাওবা করবে, অথবা স্বয়ং মুরতাদ সুযোগ চায়, তাহলে তিনি চাইলে ৩দিন পর্যন্ত হত্যা বিলম্বিত করবেন। পক্ষান্তরে ইমাম যদি তার তাওবার আশা না করেন এবং মুরতাদও সুযোগ প্রার্থনা না করে, এমতাবস্থায় যদি তাকে সুযোগ না দিয়ে হত্যা করে ফেলেন, তাহলে সমস্যা নেই।
📄 ইমাম মালেক রাহিমাহুল্লাহ
তিনি বলেন, মুরতাদ বিষয়ে আমার নিকট ঐ কথাই গ্রহণযোগ্য, যা ফারুকে আজম রাজিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন। অর্থাৎ তাকে ৩দিন সুযোগ দিয়ে তাওবা করার আহ্বান জানানো হবে। তাওবা না করলে হত্যা করে দেওয়া হবে ।(১)
টিকাঃ
১. 'শিফা' প্রভৃতি।
📄 ইমাম শাফেয়ি রাহিমাহুল্লাহ
ইমাম শাফেয়ি রাহিমাহুল্লাহ থেকে এ বিষয়ে দুটি বর্ণনা রয়েছে- ১. মুরতাদকে কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। তখনই যদি সে তাওবা না করে, তৎক্ষণাৎ হত্যা করে দেওয়া হবে। ২. তিন দিনের সুযোগ দেওয়ার পর তাওবা না করলে হত্যা করে ফেলতে হবে। (২)
টিকাঃ
২. শিফা, পৃ. ২৪৮
📄 ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রাহিমাহুল্লাহ
ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রাহিমাহুল্লাহরও [১৬৪-২৪১ হি.] একই মাজহাব বর্ণনা করা হয়।
এ পরিমাণ নিবেদন পেশ করার পর আমাদের ধারণা হলো, কোনো মুসলমানের যেভাবে মুরতাদের হুকুমের ব্যাপারে সন্দেহ থাকার সুযোগ নেই; তদ্রূপ এটাও সন্দেহাতীত বাস্তব, কাদিয়ানিরা ইসলামের অকাট্য বিষয়গুলো অস্বীকার করা ও নির্লজ্জভাবে কোরআন-হাদিসের উক্তিসমূহ ঠোকরানোকে কোনো মন্দ কাজ মনে করে না।
وَيَحْسَبُوْنَهُ هَيِّنًا وَهُوَ عِنْدَ اللَّهِ عَظِيمٌ
বান্দা মুহাম্মদ شفی আফাল্লাহু আনহু শিক্ষক, দারুল উলুম দেওবন্দ রবিউল আউয়াল, ১৩৪০ হি.