📘 ঈমান-কুফর ও তাকফীর > 📄 অকাট্যভাবে প্রমাণিত হওয়া

📄 অকাট্যভাবে প্রমাণিত হওয়া


অকাট্যভাবে প্রমাণিত হওয়া : যে জিনিস নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আমাদের নিকট 'তাওয়াতুরে'র মাধ্যমে পৌঁছেছে, তার প্রমাণিত হওয়াটা অকাট্য। যেমন কোরআন মাজিদ, নামাজের সংখ্যা, রাকাতের সংখ্যা, রুকু-সিজদা প্রভৃতির ধরণ, আজান, জাকাতের ব্যাখ্যা, হজ ও তার সংশ্লিষ্ট অনেক ব্যাখ্যা, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খতমে নবুওয়াত প্রভৃতি।
'তাওয়াতুর' অর্থ হলো, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুরু করে আমাদের পর্যন্ত প্রত্যেক যুগে পৃথিবীর বিভিন্ন ভূখণ্ডে, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে তার বর্ণনাকারীর সংখ্যা এ পরিমাণ থাকা যে, তাদের সকলের ভুল বা মিথ্যার উপর একমত হয়ে যাওয়া যুক্তির নিরিখে অসম্ভব মনে হয়।

📘 ঈমান-কুফর ও তাকফীর > 📄 তাগুতের

📄 তাগুতের


'তাওয়াতুর' অর্থ হলো, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুরু করে আমাদের পর্যন্ত প্রত্যেক যুগে পৃথিবীর বিভিন্ন ভূখণ্ডে, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে তার বর্ণনাকারীর সংখ্যা এ পরিমাণ থাকা যে, তাদের সকলের ভুল বা মিথ্যার উপর একমত হয়ে যাওয়া যুক্তির নিরিখে অসম্ভব মনে হয়।

📘 ঈমান-কুফর ও তাকফীর > 📄 সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হওয়া

📄 সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হওয়া


সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হওয়া : ফিকহ ও আকিদা বিশারদ আলেমগণের পরিভাষায় ‘সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হওয়া'কে ضَرُوْرِيُّ বা بِالضَّرُوْرَةِ শব্দে ব্যক্ত করা হয়। তা হলো, 'তাওয়াতুর' হওয়ার পাশাপাশি তার প্রসিদ্ধি বিশেষ ও সাধারণ সকল মুসলমানের মধ্যে এ স্তরের হয়ে যাওয়া যে, সাধারণ লোকেরাও সে সম্পর্কে অবগত থাকে। যেমন নামাজ, রোজা, জাকাত ও হজ ফরজ হওয়া, আজান সুন্নত হওয়া, এবং হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মধ্যে নবুওয়াত সমাপ্ত হওয়া।

📘 ঈমান-কুফর ও তাকফীর > 📄 জরুরিয়াতে দীন

📄 জরুরিয়াতে দীন


জরুরিয়াতে দীন : যে জিনিস নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে তাওয়াতুরের মাধ্যমে এ স্তরের প্রসিদ্ধি ও সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত যে, বিশিষ্ট ও সাধারণ প্রত্যেক মানুষ তা সম্পর্কে অবগত থাকে, তাকে ফিকহ ও আকিদাশাস্ত্রবিদ আলেমগণের পরিভাষায় 'জরুরিয়াতে দীন' বলা হয়।

সতর্কীকরণ : ঈমান অনেকগুলো জিনিসের সত্যায়ন ও গ্রহণ করার নাম, যা পূর্বে সংজ্ঞায় উল্লেখ হয়েছে। কিন্তু কুফরের জন্য ঐ সবগুলো জিনিস অস্বীকার করা বা মিথ্যা সাব্যস্ত করা আবশ্যক নয়। বরং সেগুলোর মধ্য থেকে কোনো একটিকে মিথ্যা সাব্যস্ত করা বা অস্বীকার করাও কুফর। অবশিষ্ট সবগুলোকে আন্তরিকভাবে সত্যায়ন ও গ্রহণ করলেও ব্যক্তি ঈমানদার হবে না।
তাই ঈমান ও ইসলাম একই বাস্তবতার নাম। কিন্তু কুফর অনেক প্রকারে বিভক্ত। মৌলিক দুটি প্রকার তো সুরা বাকারার শুরুতে উল্লেখিত আয়াতগুলোতে বর্ণনা করা হয়েছে- ১. বাহ্যিক কুফর। ২. মুনাফিকির কুফর। কুফরির অবশিষ্ট প্রকারগুলোর ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ নিম্নে করা হচ্ছে। আল্লাহ তাওফিকদাতা ও সাহায্যকারী।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00