📘 ইমাম বুখারী রহ এর ঈমানদীপ্ত জীবন 📄 ইমাম বুখারী রহ. এর চার ইমাম থেকে হাদীস গ্রহণ

📄 ইমাম বুখারী রহ. এর চার ইমাম থেকে হাদীস গ্রহণ


ইমাম বুখারী রহ. চার ইমামের মধ্য হতে ইমাম মালেক রহ. এর থেকে সবচেয়ে বেশি রেওয়ায়েত গ্রহণ করেছেন। আর নিজের শায়েখ ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল রহ. থেকে কেবল দু'টি রেওয়ায়েত গ্রহণ করেছেন। একটি কিতাবুল মাগাজী অধ্যায়ে আর অন্যটি কিতাবুন নিকাহ অধ্যায়ে। তিনি ইমাম শাফেয়ী রহ. ও ইমাম আবু হানিফা রহ. থেকে কোন রেওয়ায়েত গ্রহণ করেননি এবং ইমাম আবু হানিফা রহ. এর কিছু বক্তব্যেকে তিনি (قَالَ بَعْضُ النَّاسِ) ‘কিছু লোকেরা বলেন’ শিরোনামে উল্লেখ করে অনার্থক নিশানা বানিয়েছেন। তাঁর অন্যান্য গ্রন্থের তুলনায় বুখারী শরীফে তিনি ইমাম আবু হানিফার প্রতি কিছু উদারতা দেখিয়েছেন। কিন্তু তাঁর অন্যান্য গ্রন্থে যেমন, ইমামের পিছনে ক্বেরাতপাঠ, রফয়ে ইয়াদায়েন মত রচনাগুলিতে তিনি তো আক্রমণাত্মক আচরণ করেছেন। যার প্রতিদান স্বীয় ছাত্র ইমাম মুসলিম রহ. সহীহ মুসলিমের মুকাদ্দামায় দিয়েছেন এবং ইমাম তিরমিযি রহ. তাঁর শায়েখ ইমাম বুখারী রহ. থেকে একটি রেওয়ায়েতও গ্রহণ করেননি।

📘 ইমাম বুখারী রহ এর ঈমানদীপ্ত জীবন 📄 সহীহ বুখারীর হাশিয়া ও ব্যাখ্যাগ্রন্থ

📄 সহীহ বুখারীর হাশিয়া ও ব্যাখ্যাগ্রন্থ


জামে সহীহ এর গ্রহণযোগ্যতা ও গুরুত্বের প্রতি লক্ষ্য রেখে প্রত্যেক যামানার উলামায়ে কেরাম তার হাশিয়া ও ব্যাখ্যাগ্রন্থ রচনা করতে মনোনিবেশ করেছেন। যার ফলে সহীহ বুখারীর অগণিত ব্যাখ্যাগ্রন্থ বাজারে পাওয়া যায়। তবে এর মধ্যে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ও প্রসিদ্ধ ব্যাখ্যাগ্রন্থ হল, ফতহুল বারী।

(১) ফতহুল বারীঃ শায়খুল ইসলাম হাফেয আবুল ফযল আহমদ ইবনে আলী ইবনে হাজার আসকালানী রহ. (মৃত্যুঃ ৮৫২ হিজরী) রচনা করেছেন। ২৭৫
(২) উমদাতুল ক্বারীঃ আল্লামা বদরুদ্দীন আবু মুহাম্মদ মাহমুদ ইবনে আহমদ আল আইনী আল হানাফী রহ. (মুত্যুঃ ৮৫৫ হিজরী) রচনা করেছেন। ২৭৬

টিকাঃ
২৭৫. মালফুযাতে মুফতি মাহমুদ হাসান গাঙ্গুহী (১/৮৩)
২৭৬. মালফুযাতে মুফতি মাহমুদ হাসান গাঙ্গুহী (১/৮৩)

ফন্ট সাইজ
15px
17px