📄 সমসাময়িক মুহাদ্দিসদের স্বীকারোক্তি
হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানী রহ. বর্ণনা করেন, যদি ইমাম বুখারী রহ. এর প্রশংসায় মুতাআখিরীনদের মতামত নকল করা হয়, তাহলে কাগজ ও কালী সম্ভবত শেষ হয়ে যাবে। সমকালীন সময়ে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা হল, একদা উমর ইবনে যারারাহ রহ. ও মুহাম্মাদ ইবনে রা'ফে রহ. ইলালে হাদীস সম্পর্কে কিছু প্রশ্নের সমাধানের পর যখন মজলিস ত্যাগ করছিলেন, তখন তিনি উপস্থিত সমাবেশের দিকে মুখ ফিরে বললেন,
أبو عبد الله فَإِنَّهُ أفقه منا وأعلم وَأَبْصر
আবু আবদুল্লাহ আমাদের সকলের চেয়ে ফকীহ, জ্ঞানী ও গবেষক।
ইমাম ইসহাক ইবনে রাহওয়াইহ রহ. বলেন, 'তিনি আমার থেকে উত্তম গবেষক'। অথচ সে সময় ইমাম বুখারী রহ. যুবক ছিলেন। ইমাম তিরমিযি রহ. বর্ণনা করেন, সনদ ও ইলালের মধ্যে ইমাম বুখারী রহ. চেয়ে উত্তম আমি কাউকে পাইনি। ইমাম মুসলিম রহ. ইমাম বুখারী রহ. এর দরবারে উপস্থিত হয়ে এ মর্মে সাক্ষ্য দেন যে,
أشهد أنه لَيْسَ فِي الدُّنْيَا مثلك
আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনার মতো দ্বিতীয় আর কেউ নেই। ইবনে খুজাইমাহ রহ. বর্ণনা করেন, এ পৃথিবীতে আমি ইমাম বুখারী রহ. থেকে হাদীসের উত্তম আলিম দেখিনি।
টিকাঃ
১২১. আবু আবদুল্লাহ ইমাম বুখারী রহ এর কুনিয়াত ছিল
১২২. ফতহুল বারী (১/৪৮৪)
১২৩. ফতহুল বারী (১/৪৮৫)
১২৪. আত তাহযীব (১/৭০)
📄 মুহাদ্দিসগণের গৌরবোজ্জল শ্রদ্ধা
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন,
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَوْ كَانَ الدِّينُ عِنْدَ الثَّرَيَّا، لَذَهَبَ بِهِ رَجُلٌ مِنْ فَارِسَ أَوْ قَالَ مِنْ أَبْنَاءِ فَارِسَ حَتَّى يَتَنَاوَلَهُ
হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, দ্বীন যদি সপ্তর্ষি মন্ডলস্থ সুরাইয়া সেতারায় থাকত, তবুও পারস্য দেশের একজন লোক তা নিয়ে আসত। অথবা বলেন, পারস্যের লোকদের মধ্যে একজন লোক তা নিয়ে আসত।
এই হাদীসের ব্যাখ্যায় অধিকাংশ মুহাদ্দিসীন ইমাম আবু হানীফা রহ. এর দিকে ইশারা করেছেন। আল্লামা জালালুদ্দীন সুয়ূতী রহ. বলেন, তিনি হলেন, ইমাম আবু হানীফা রহ.। আল্লামা তাকী উসমানী বলেন, এ হাদীসের দ্বারা উদ্দেশ্য ইমাম আবু হানীফা রহ.। তবে কেউ কেউ ইমাম বুখারী রহ. এর কথাও উল্লেখ করেছেন।
ইমাম বুখারী রহ. এর উস্তাদ মুহাদ্দীস কুতায়বা ইবনে সাঈদ সাকাফী রহ. বলেন, جالست الفُقَهَاء والزهاد والعباد فَمَا رَأَيْت مُنْذُ عقلت مثل مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيلَ وَهُوَ فِي زَمَانه كعمر فِي الصَّحَابَة আমি আবেদ, যাহেদ ও ফকীহদের সাথে অনেক উঠা-বসা করেছি, কিন্তু মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈলের মতো আর কাউকে দেখিনি, তিনি তার সময়ে এতোটাই প্রসিদ্ধ ছিলেন, যেমনভাবে সাহাবীদের মধ্যে হযরত উমর রা. ছিলেন। তিনি আরো বলেন,
لَو كَانَ مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيلَ فِي الصَّحَابَةِ لَكَانَ آيَة
ইমাম বুখারী রহ. যদি সাহবীদের সময়ে আগমন ঘটতো, তাহলে তিনি একটি উজ্জল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকতেন।
ইমাম বুখারী রহ. যখন বসরায় আগমন করলেন, তখন সেখানকার প্রখ্যাত আলিম ও মুহাদ্দীস মুহাম্মদ ইবনে বাশার রহ. বলেন, قدم الْيَوْমِ سيد الْفُقَهَاءِ আজ ফকীহকুল সম্রাট আমাদের মাঝে আগমন করেছেন। ইসহাক ইবনে রাহওয়াইহ রাহ. বলেন,
لو كَانَ في زمن الحسن بن أبي الحسن الْبَصْرِي لاحتاج إِلَيْهِ لمعرفته بِالحَدِيثِ وفقهه
ইমাম বুখারী রাহ. এর আগমন যদি হাসান বসরী রহ. এর যামানায় হতো, তাহলে হাসান বসরী রহ.ও ইমাম বুখারী রহ. থেকে ইলমে হাদীস ও ইলমে ফিকহের অজানা ইলম অবশ্যই গ্রহণ করতেন। রাযা ইবনে রাযা রহ. বলেন, هُوَ آية من آيات الله تمشي على ظهر الأرض ইমাম বুখারী রহ. হচ্ছেন, আল্লাহ তায়ালার নিদর্শনাবলীর অন্যতম একটি নিদর্শন, যা জলন্ত অবস্থায় পৃথিবীর বুকে বিচরণ করে বেড়াচ্ছে। তিনি আরো বলেন, فضل مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيل على العلماء كفضل الرجال على النِّسَاء মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈলের মর্যাদা সাধারণ আলিমদের উপর তেমন, যেমন নারীদের উপর পুরুষদের মর্যাদা।
আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে খুযাইমাহ রহ. বলেন, مَا تَحت أَدِيمِ السَّمَاء أعلم بِالْحَدِيثِ من مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيل আসমানের নীচে মুহাম্মদ ইবনে ইসসাঈল রহ. অপেক্ষা হাদীস শাস্ত্রে সর্বাধিক জ্ঞানী ও অধিক সংরক্ষণকারী আমি আর কাউকে দেখিনি।
ইমাম মুসলিম রহ. ইমাম বুখারী রহ. এর নিকট উপস্থিত হয়ে বলেছেন, أشهد أَنه لَيْسَ فِي الدُّنْইয়ান مثلك আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনার মতো দ্বিতীয় আর কেউ নেই।
মুহাম্মদ ইবনে আবী হাতিম রাহ, বলেন, رأَيْتَ البُخَارِي فِي الْمَنَامِ خلف النَّبي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم وَالنَّبِيِّ صلى الله عَلَيْهِ وَسلم يمشي فكلما رفع النَّبي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم قدمه وضع أَبُو عبد الله قدمه في ذلك الموضع আমি স্বপ্নে দেখলাম, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পিছু পিছু ইমাম বুখারী রহ. চলছেন। অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেখানে পা মোবারক ফেলছেন, ঠিক সেখানেই ইমাম বুখারী রহ.ও পা ফেলছেন। ঘটনাটি এ কথার প্রতি ইঙ্গিত দেয় যে, ইমাম বুখারী রহ. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাতের পরিপূর্ণ অনুসারী ছিলেন।
মাহমুদ ইবনে নযর শাফেয়ী রহ. বলেন, আমি বসরা, শাম, পবিত্র হেজায ও কুফাসহ বহুবিদ শহরে মুহাদ্দিসীনদের দরবারে সফর করেছি। তাদের সবাই ইমাম বুখারী রহ. এর প্রশংসা করেছেন এবং তাকে সর্বদায় নিজেদের থেকে শ্রেষ্ঠ ভেবেছেন। মুহাম্মদ ইবনে আবী হাতিম রহ. বর্ণনা করেন, আমি ইয়াহইয়া ইবনে জাফর আল বাইকান্দী রহ. কে বলতে শুনেছি যে, যদি আমার জীবন থেকে কিছু বছর মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈলকে দেয়া যেতো, তাহলে আমি তাই করতাম। কেননা আমার মৃত্যু মানে একজন সাধারণ মানুষের মৃত্যু। আর তাঁর মৃত্যু মানেই ইলমের মৃত্যু।
হাফেযুল হাদীস আবদুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান আদ দারেমী রহ. বলেন, قَدْ رَأَيْتُ الْعُلَمَاء بالحرمين والحجاز وَالشَّامِ وَالْعراق فَمَا رَأَيْت فيهم أجمع من مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيل আমি মক্কা, মদীনা, হেজায, সিরিয়া ও ইরাকে অসংখ্য আলেমদের সাথে সাক্ষাৎ করেছি, কিন্তু ইমাম বুখারীর মতো অন্য কাউকে দেখিনি। তিনি আরো বলেন, هُوَ أَعْلَمُنَا وَأَفْقَهُنَا وَأَكْথەرُنَا طَلَبًا মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল আমাদের সবার চেয়ে জ্ঞানী, ফকীহ, হাদীস অন্বেষী ও অধিক মনোযোগী গবেষক।
ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল বলেন, مَا أَخْرَجَتْ خُرَاسَان مثل مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيلَ খুরাসানে মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল এর মতো অন্য কোন ব্যক্তি জন্ম নেয়নি। আমর ইবনে আলী আল ফাল্লাস রহ. বলেন, حَدِيث لا يعرفه مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيلَ لَيْسَ بِحَدِيث মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল অবগত নেই, এমন কোন হাদীস থাকতেই পারে না।
ইয়াকুব ইবনে ইবরাহীম আদ দাওরাকী রহ. বলেন, مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيل فقيه هذه الأمة মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল হচ্ছেন এই উম্মাতের শ্রেষ্ঠ ফকীহ। আবু হাতীম আর রাযী রহ. বলেন, يقدم عليكم رجل من أهل خراسان لن يخرج منها أحفظ منه ولا قدم العراق أعلم منه খোরাসানের অধিবাসীদের থেকে তোমাদের মধ্যে এমন এক ব্যক্তির আবির্ভাব ঘটেছে, যার সমকক্ষ হাফিযুল হাদীস খোরাসানে আর জন্ম নেয়নি এবং তার থেকে অধিক জ্ঞনী ইরাকে শুভাগমন করেনি।
মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আয যুহলী রহ. বলেন, محمد بن يحيى يسأله عن الأسامي والكنى وعلل الحديث ويمر فيه محمد بن إسماعيل مثل السهم كأنه يقرأ {قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ} আমি কোনো কোনো সময় ইমাম বুখারী রহ. কে হাদীসের সনদে বর্ণিত রাবীদের নাম, উপনাম, ত্রুটি-বিচ্যুতি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতাম, তখন তীর যেমন লক্ষ্যস্থলে পৌঁছে যায়, তেমনি ইমাম বুখারী রহ. ধারাবাহিকভাবে সনদসহ হাদীস বলে যেতেন, যেন তিনি {قُلْ هُوَ اللهُ أَحَدٌ} 'কুল হু আল্লাহু আহাদ' সূরাটি একদমে পাঠ করে যাচ্ছেন।
আবু জাফর আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল জু'ফী আল মুসনাদী রহ. বলেন, محمد بن إسماعيل إمام فمن لم يجعله إماما فاتهمه মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল বুখারী রহ. হল, একজন যুগশ্রেষ্ঠ ইমাম। যে তাকে এ স্বীকৃতি দিল না, সে তার প্রতি মিথ্যারোপ করলো। হাফেয মূসা ইবনে হারুন রহ. বলেন, সৌরজগতের সমস্ত মুসলিম সমাজ একত্রিত হয়ে সমবেত চেষ্টা করলেও ইমাম বুখারী রহ. এর মতো একজন আলিম বের করতে পারবে না।
হুসাইন ইবনে হুরাইস রহ. বলেন, لا أعلم أَنِّي رَأَيْت مثل مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيلَ كَأَنَّهُ لم يخلق إِلَّا لِلْحَدِيث ইমাম বুখারী রহ. এর মতো অপর একজন খ্যাতি সম্পন্ন হাফিযুল হাদীস আছে কিনা, তা আমার জানা নেই। মনে হয় তিনি যেন একমাত্র হাদীসের খেদমতের জন্যই সৃষ্টি হয়েছেন।
কুতাইবা রহঃ থেকে নেশা অবস্থায় তালাকের হুকুম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হল, এমতাবস্থায় ইমাম বুখারী রহ. সে মজলিসে উপস্থিত হলেন। অতঃপর কুতাইবা রহ. প্রশ্নকারীকে লক্ষ্য করে বললে, هَذَا أَحْمد بن حَنْبَل وَإِسْحَاق بن رَاهَوَيْهِ وَعلي بن الْمَدِينِي قد ساقهم الله إِلَيْكَ وَأَشَارَ إِلَى البُخَارِي আল্লাহ তায়ালা তোমাদের নিকট ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল, ইসহাক ইবনে রাহওয়াইহ, আলী ইবনে মাদীনীকে প্রেরণ করেছেন, তাঁর কাছেই বিষয়টি জেনে নাও। একথা বলে তিনি ইমাম বুখারী রহ. এর দিকে ইঙ্গিত করলেন। তিনি আরো বলেন, فَمَا رَأَيْتَ مُنْذُ عقلت مثل مُحَمَّদ بن إِسْمَاعِيل আমার নিকটে পূর্ব ও পশ্চিম থেকে হাজারো লোক হাদীস শ্রবণের জন্য আসেন। তবে আমি মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈলের মতো কাউকে দেখিনি।
আহমদ ইবনে ইসহাক বলেন, من أَرَادَ أَن ينظر إِلَى فَقِيهِ بِحَقِّهِ وَصدقه فَلْيَنْظُر إِلَى مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيل যদি কোন ব্যক্তি একজন প্রকৃত বিজ্ঞ ও সুদক্ষ ফকীহকে দেখতে চায়, সে যেন মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈলকে দেখে। আবদুল্লাহ ইবনে হাম্মাদ আল-আবালী রহ. বলেন, لَوَدِدْت أَنِّي كنت شَعْرَةٍ فِي جَسَد مُحَمَّদ بن إِسْمَاعِيل হায় আফসোস! আমি যদি ইমাম বুখারী রহ. এর শরীরের একটি পশম হিসাবে বিদ্যামান থাকার সৌভাগ্য লাভ করতে পারতাম।
আল্লামা হাফেয ইবনে হাজার আসকালানী রহ. বলেন, ইমাম বুখারীর প্রশংসায় পূর্ববর্তী যুগের উলামা মাশায়েখের উক্তিসমূহ যদি উদ্ধৃত করা হয়, তাহলে কাগজ শেষ হয়ে যাবে এবং আয়ু নিঃশেষিত হয়ে যাবে। তবুও তার প্রশংসা শেষ হবে না। এ যেন এক অতল সাগর বিশেষ।
টিকাঃ
১২৫. সহীহ মুসলিম (২৫৪৬)
১২৬. ফয়জুল বারী (৪/২৪৫)
১২৭. ফতহুল মুলহীম (৫/৩২৩)
১২৮. হাদইয়ুস সারী (৬৭৪ পৃষ্ঠা)
১২৯. সিয়ারু আ'লামীন নুবালা (১২/৪৩১)
১৩০. তাহযীবুত তাহযীব (৭/৪৩)
১৩১. ফতহুল বারী (১/৪৮৩)
১৩২. হাদইয়ুস সারী (৬৭৬ পৃষ্ঠা)
১৩৩. হাদইয়ুস সারী (৬৭৬ পৃষ্ঠা)
১৩৪. তাযকিরাতুল হুফ্ফায (২/৭০১)
১৩৫. ফতহুল বারী (১/৪৮৫)
১৩৬. তারীখে বাগদাদ (২/১০)
১৩৭. তাহযীবুত তাহযীব (৭/৪৫)
১৩৮. সিয়ারু আ'লামীন নুবালা (১২/৪৩১)
১৩৯. হাদইয়ুস সারী (৬৭৭ পৃষ্ঠা)
১৪০. আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া (১১/২২-২৩)
১৪১. আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া (১১/২৩)
১৪২. তারীখে বাগদাদ (২/১৮)
১৪৩. তাহযিবুল কামাল ফি আসমাইর রিজাল (২৪/৪৫৭)
১৪৪. তারীখে বাগদাদ (২/৩৪০)
১৪৫. তারীখে বাগদাদ (২/৩৪০)
১৪৬. তারীখে বাগদাদ (২/৩৪০)
১৪৭. ইমাম বুখারী (৩৬ পৃষ্ঠা)
১৪৮. হাদইউস সারী (৬৬৯ পৃষ্ঠা)
১৪৯. হাদইয়ুস সারী (৪৮২ পৃষ্ঠা)
১৫০. হাদইয়ুস সারী (৪৮২ পৃষ্ঠা)
১৫১. হাদইয়ুস সারী (৬৬৯ পৃষ্ঠা)
১৫২. ফতহুল বারী (১/৪৮৫)