📘 ইমাম আজমের আকিদা > 📄 সংশয় নিরসন

📄 সংশয় নিরসন


যেমনটা বলা হয়েছে—খারেজি ও শিয়া সম্প্রদায় মোজার উপর মাসাহকে স্বীকার করে না। তাদের মতে, মোজার উপর মাসাহ করা বৈধ নয়। তারা কিছু সাহাবির বক্তব্য দিয়ে দলিল দেয়। যেমন—ইবনে আব্বাসের বক্তব্য, রাসুলুল্লাহ (ﷺ) সুরা মায়িদা অবতরণের পর থেকে কখনো মাসাহ করেননি! আয়েশা রাযি. বলেন, মোজার উপর মাসাহ করার চেয়ে আমার দুই পা কেটে ফেলা বেশি পছন্দ করি! উক্ত সংশয়ের জবাব হলো, তারা মোজার উপর মাসাহের বৈধতা সম্পর্কে তখন জানতেন না। পরবর্তীকালে যখন জানতে পারেন, তখন সবাই সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের দিকে প্রত্যাবর্তন করেন।১৭৪০

টিকাঃ
১৭৪০. দেখুন: শরহুল ওয়াসিয়্যাহ, বাবিরতি (১১৭-১১৮)।

📘 ইমাম আজমের আকিদা > 📄 রমযান মাসে তারাবিহ পড়া সুন্নাত

📄 রমযান মাসে তারাবিহ পড়া সুন্নাত


ইমাম আজম রহ.সহ আহলে সুন্নাতের আলেমদের সর্বসম্মতিক্রমে রমযানের রাতগুলোতে তারাবিহ পড়া সুন্নাত। ইমাম আজম বলেন, 'রমযান মাসের রাতের বেলা তারাবিহ পড়া সুন্নাত।'১৭৪১ তারাবিহের রাকাতসংখ্যা নিয়ে আলেমদের দ্বিমত থাকলেও হাদিস, সাহাবাদের বক্তব্য এবং খুলাফায়ে রাশেদিনের আমলের মাধ্যমে প্রমাণিত বিশুদ্ধতর কথা হলো, তারাবিহর নামায বিশ রাকাত। ইশা ও বিতরের নামায এর বাইরে।

প্রশ্ন আসতে পারে, আকিদার কিতাবে নামাযের ব্যাপারে আলোচনা করার কারণ কী? এটা মূলত আগের মাসআলার মতো রাফেযিদের খণ্ডনে। তারা তারাবিহর নামায অস্বীকার করে। উমর রাযি.-এর প্রতি বিদ্বেষবশত তারাবিহকে বিদআত বলে উমরকেও তারা বিদআতি সাব্যস্ত করতে চায়। কিন্তু উম্মাহর কাছে তাদের এ ষড়যন্ত্র স্পষ্ট। ফলে তাদের বক্তব্য প্রত্যাখ্যাত।

মুহাম্মাদ ইবনুল ফযল বলখি লিখেন, 'তারাবিহর নামায সুন্নাত। শরিয়তে প্রমাণিত। যে এটা অস্বীকার করবে, সে রাফেযি গণ্য হবে।'১৭৪২ সারাখসি লিখেন, 'গোটা উম্মত তারাবিহের বৈধতার ব্যাপারে একমত। রাফেযিরা ছাড়া কোনো আলেম এটাকে অস্বীকার করেনি।'১৭৪৩

টিকাঃ
১৭৪১. আল-ফিকহুল আকবার (৫)।
১৭৪২. আল-ইতিকাদ (১১০)।
১৭৪৩. আল-মাবসুত (২/১৪৩)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00