📄 তিন. ওয়ালা ও বারার সমন্বয়
এটা হলো আহলে বিদআত তথা মুসলমানদের মাঝে বিদআতে লিপ্ত বিভিন্ন গ্রুপের সঙ্গে। তাদের ভালো কাজে সহায়তা করতে হবে, মন্দ কাজে সহায়তা পরিত্যাগ করা হবে; দ্বীনি ভ্রাতৃত্ব সুরক্ষিত রাখা হবে।
কেবল মুখে নয়, বাস্তব জীবনে এসব নীতি বাস্তবায়ন করতে হবে। ইমাম আজম রহ. এগুলো বাস্তবায়ন করতেন। ইয়াহইয়া ইবনে নসর মারওয়াযি বলেন, 'আবু হানিফা ছিলেন একজন ইনসাফগার মানুষ। তিনি অধিক সময় নীরব থাকতেন। প্রশ্ন না করলে কথা বলতেন না। মুনাযারার সময় তিনি রাগ করতেন না। আমানতদারির ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন শ্রেষ্ঠ মানুষদের একজন। তার শত্রু-মিত্র ও পক্ষ-বিপক্ষের যে-কেউ তার কাছে পরামর্শ চাইলে তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে পরামর্শ দিতেন। তিনি ছিলেন তার যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মানুষ এবং সর্বাপেক্ষা বুদ্ধিমান। ...তিনি আহলে কিবলার ব্যাপারে সর্বোত্তম কথা বলতেন।'
সুতরাং ভালোর সমর্থন এবং মন্দের উৎপাটন করে যেতেই হবে। হককে হক এবং বাতিলকে বাতিল হিসেবে প্রমাণ করতে হবে। তহাবি রহ. বলেন, 'আমরা সুন্নাত এবং জামাতের অনুসরণ করি। বিচ্ছিন্নতা, মতানৈক্য ও বিভেদ এড়িয়ে চলি। ন্যায়পরায়ণ ও বিশ্বস্তদের আমরা পছন্দ করি। উৎপীড়ক ও খেয়ানতকারীদের ঘৃণা করি।'
টিকাঃ
১৪১৫. আল-ইতিকাদ, নিশাপুরি (১৫৭)।
১৪১৬. আকিদাহ তহাবিয়্যাহ (২৪)।