📘 ইমাম আজমের আকিদা > 📄 রাসূলুল্লাহর (সা.) সঙ্গে মুমিনদের সম্পর্ক

📄 রাসূলুল্লাহর (সা.) সঙ্গে মুমিনদের সম্পর্ক


তাওহিদের পরে রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর মারিফাত লাভ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ, তিনি আমাদের দ্বীনদারির মূল ভিত্তি। তিনিই আমাদের আল্লাহর সঙ্গে সম্পৃক্ত করেছেন। আমাদেরকে আমাদের রব চিনিয়েছেন। কুরআন নিয়ে এসেছেন। ইসলামকে পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তিনি আমাদের সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন। জীবদ্দশায় আমাদের জন্য চোখের অশ্রু এবং শরীরের খুন ঝরিয়েছেন। আমাদের চিন্তায় অস্থির থেকেছেন। মৃত্যুর পরেও তিনি আমাদের জন্য কবরে অস্থির থাকেন। আমরা সুপথে থাকলে খুশি হন। বিপথে গেলে বিমর্ষ হন, ইস্তিগফার করেন। পরকালেও আমাদের জন্য সর্বাপেক্ষা বেশি চিন্তাগ্রস্থ থাকবেন তিনি। হাশরের ময়দানের বিভিন্ন স্থানে আমাদের জন্য ছোটাছুটি করবেন। হিসাবের জন্য আমাদের অপেক্ষার পালা সুদীর্ঘ ও সুতীব্র হলে আল্লাহর দরবারে সিজদায় লুটিয়ে পড়ে আমাদের জন্য কাঁদবেন। সূর্যের তাপে আমাদের ছাতি ফাটার উপক্রম হলে আমাদের জন্য হাউযে কাওসারের পাড়ে পানির পাত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে যাবেন। মিযানে আমলনামা মাপা শুরু হলে সেখানে ছুটে যাবেন। আমরা যখন পুলসিরাত পার হব, তখন এর পাড়ে দাঁড়িয়ে ‘আল্লাহ রক্ষা করুন! আল্লাহ রক্ষা করুন!’ বলতে থাকবেন। আমাদের জান্নাতে পৌঁছে দিয়ে তবেই তিনি প্রশান্তি লাভ করবেন।

ফলে এ মহামানব আমাদের আত্মার আত্মীয়। আমাদের জীবন ও মরণের, দুনিয়া ও আখেরাতের সবচেয়ে কাছের বন্ধু, নেতা ও অভিভাবক। আল্লাহর পরে আমাদের সবচেয়ে বেশি ভালোবাসা পাওয়ার উপযুক্ত। বরং মুমিন হওয়ার জন্য তাঁকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসতেই হবে। তিনি নিজে বলে গিয়েছেন, ‘আল্লাহর শপথ যার হাতে আমার প্রাণ! তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত মুমিন হতে পারবে না যতক্ষণ না আমাকে সে তার নিজের চেয়ে, নিজের পিতা ও সন্তানের চেয়ে, ধনসম্পদ ও দুনিয়ার সকল মানুষের চেয়ে বেশি ভালোবাসবে।’১০০৫

এ ভালোবাসার কারণ হলো রাসুলুল্লাহর প্রতি প্রত্যেকটি মানুষের মুখাপেক্ষিতা সারা জীবনের। জন্ম থেকে কেবল মৃত্যু পর্যন্ত নয়; বরং কবর, হাশর থেকে জান্নাতে গিয়েও তাঁর সঙ্গে আমাদের বন্ধন শেষ হওয়ার নয়। প্রত্যেকটি মানুষকে মুসলিম হওয়ার জন্য তাওহিদের পরেই রিসালাত তথা রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-কে রাসুল হিসেবে মেনে নেওয়ার সাক্ষ্য দিতে হয়। নামায-রোযার মতো ইসলামের বড় বড় ইবাদত থেকে শুরু করে ছোট ছোট ইবাদতেও রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর জন্য সালাত-সালামের অংশ রাখতে হয়। মৃতুর সময় তাওহিদের সঙ্গে রিসালাতের সাক্ষ্য দিতে হয়। কবরে শোয়ানোমাত্রই প্রত্যেকটি মানুষকে উঠিয়ে বসিয়ে তাঁর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়! পরকালেও মানুষ তাঁর কাছে সুপারিশ চাইতে ছুটে যাবে। পিপাসার্ত হলে তাঁর হাউযের পানি পান করে তৃপ্ত হতে চাইবে। তাঁর পতাকাতলে সমবেত হতে চাইবে। জান্নাতেও তাঁর সঙ্গে থাকতে চাইবে!

ফলে প্রত্যেক মুমিনের জন্য রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-কে পূর্ণভাবে চেনা, তাঁর জীবনের খুঁটিনাটি সবকিছু জানা, তাঁর সুন্নাতগুলো সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান লাভ করা, তাঁর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আকিদার বিষয়গুলো জানা আবশ্যক। তবে সর্বপ্রথম কর্তব্য হলো, তাঁর ওপর ঈমান আনা।

ইমাম আজম বলেন, ‘প্রত্যেক মুমিনকে তাওহিদের পাশাপাশি সর্বপ্রথম রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর প্রতি ঈমান আনতে হবে।’ প্রশ্ন করা হলো—কেউ যদি বলে, আমি আল্লাহর উপর ঈমান আনি কিন্তু মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর উপর ঈমান আনি না, তার ব্যাপারে বক্তব্য কী? ইমাম বলেন: ‘এটা সম্ভব নয়। তাকে কাফের গণ্য করা হবে। আল্লাহর ঈমান সম্পর্কে তার দাবি মিথ্যা মনে করা হবে। সে যে আল্লাহর উপর ঈমান রাখে না এটার প্রমাণ হলো মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর উপর ঈমান না রাখা। কারণ, যে ব্যক্তি আল্লাহকে অবিশ্বাস করবে, সে মুহাম্মাদ (ﷺ)-কেও অবিশ্বাস করবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু মুহাম্মাদ (ﷺ)-কে অবিশ্বাস করলে আল্লাহকে অবিশ্বাস করবে এমন জরুরি না। যেমন—খ্রিষ্টানরা প্রথমে এক আল্লাহতে অবিশ্বাস করল। এর ফলে তারা ত্রিত্ববাদের শিকার হলো। একইভাবে ইহুদিরা যখন আল্লাহর ধনী হওয়া, দাতা হওয়া, প্রতিপালক ও ক্ষমতাশালী হওয়াকে অস্বীকার করল, তখন ধারণা করতে লাগল যে—আল্লাহ ফকির; তিনি কৃপণ; উযাইর তাঁর ছেলে; আল্লাহ তায়ালা মানুষের মতো। একই কথা যারা আগুন কিংবা সূর্য ও চন্দ্রের পূজা করে। তা ছাড়া, আল্লাহ তায়ালা বলেছেন: ۞ فَلَا وَرَبِّكَ لَا يُؤْمِنُونَ حَتَّىٰ يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ ۞ অর্থ : ‘অতএব, আপনার পালনকর্তার শপথ! যতক্ষণ না তাদের মধ্যে সৃষ্ট বিবাদের ব্যাপারে তারা আপনাকে ন্যায় বিচারক বলে মনে করে, ততক্ষণ পর্যন্ত তারা মুমিন হতে পারবে না।’ [নিসা : ৬৫] সুতরাং যে ব্যক্তি বলে, সে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস রাখে কিন্তু মুহাম্মাদ (ﷺ)-কে অবিশ্বাস করে, আমরা মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর প্রতি অবিশ্বাসের মাধ্যমেই বুঝে নেব যে, সে মূলত আল্লাহকেও অবিশ্বাস করে। এটা এভাবে বুঝব যে, যদি কোনো ব্যক্তি দাবি করে সে একা ১০ মনের বোঝা ওঠাতে পারে, কিন্তু দুই মন উঠিয়েই কাত হয়ে পড়ে যায়, তবে বুঝতে হবে তার দাবি মিথ্যা। কেউ যদি বলে, আমি আল্লাহকে মানি কিন্তু মানুষ যে মাখলুক সেটা মানি না। বুঝতে হবে তার দাবি মিথ্যা। কারণ, সে যদি আল্লাহকে চিনত, তবে বুঝত, পৃথিবীতে তিনি ছাড়া সবকিছু তাঁর সৃষ্টি। এর আরও একটি উদাহরণ হচ্ছে সেই ব্যক্তির মতো যার কাছে সমান দূরত্বে একটি কুপি আর একটি প্রকাণ্ড অগ্নিকুণ্ড প্রজ্বলিত। তার দাবি, কুপিটি সে দেখছে, কিন্তু আগুন দেখতে পাচ্ছে না। তার এ দাবি মিথ্যা প্রতিপন্ন হবে। কারণ, সে যদি প্রকৃতপক্ষেই কুপিটি দেখত আগুন সেটার আগে দেখতে পেত।১০০৬

সুতরাং রাসুলুল্লাহ (ﷺ) সম্পর্কে জানা এবং তাঁর উপর ঈমান আনা প্রত্যেক মুমিনের জন্য আবশ্যক। রিসালাতের সাক্ষ্য দেওয়া ব্যতীত কেউ মুমিন হতে পারবে না। রাসুলুল্লাহ (ﷺ) সম্পর্কে জানা ব্যতীত কারও ঈমান বিশুদ্ধ হবে না।

ইমাম আজম রহ. বলেন, ‘মুহাম্মাদ (ﷺ) আল্লাহর বন্ধু। তাঁর বান্দা। তাঁর নবি। তাঁর রাসুল। তাঁর মনোনীত ও নির্বাচিত। তিনি কখনো মূর্তিপূজা করেননি। কখনো এক মুহূর্তের জন্য আল্লাহর সঙ্গে শরিক করেননি। কখনো কোনো সগিরা বা কবিরা গুনাহ করেননি।’১০০৭

টিকাঃ
১০০৫. বুখারি (কিতাবুল ঈমান : ১৪)। মুসলিম (কিতাবুল ঈমান : ৪৪)।
১০০৬. আল-আলিম ওয়াল মুতাআল্লিম (২০)।
১০০৭. আল-ফিকহুল আকবার (৪)।

📘 ইমাম আজমের আকিদা > 📄 তিনি আল্লাহর বন্ধু (হাবিব)

📄 তিনি আল্লাহর বন্ধু (হাবিব)


রাসুলুল্লাহ (ﷺ) হলেন, আল্লাহর পরম প্রিয় বন্ধু। তাঁর ‘হাবিব’ (প্রিয়পাত্র) ও ‘খলিল’ (পরম বন্ধু)। পৃথিবীর সকল মানুষের মাঝে আল্লাহ তায়ালা তাঁকেই সবচেয়ে বেশি ভালোবেসেছেন। তাঁর উপর সবচেয়ে বেশি অনুগ্রহ করেছেন। তাঁকে সবচেয়ে বেশি আপন করেছেন। ইবনে আব্বাস সূত্রে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, ‘... আমি আল্লাহর হাবিব তথা প্রিয় বন্ধু। এতে গর্ব নেই।’১০০৮

টিকাঃ
১০০৮. তিরমিযি (আবওয়াবুল মানাকিব: ৩৬১৬)। মুসনাদে দারেমি (মুকাদ্দিমাতুল মুআল্লিফ : ৪৮)।

📘 ইমাম আজমের আকিদা > 📄 তিনি আল্লাহর বান্দা

📄 তিনি আল্লাহর বান্দা


রাসুলুল্লাহ (ﷺ) যত মর্যাদাবান হন, তবুও তিনি মানুষ, আল্লাহর সৃষ্টি। তাঁর দাস ও গোলাম। আল্লাহ তায়ালা তাঁকে সৃষ্টি করেছেন, অস্তিত্বে এনেছেন, নবুওত ও রিসালাত দিয়েছেন। তাঁকে পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ বানিয়েছেন। বরং আল্লাহ নিজের পরে তাঁকে সবচেয়ে দামি বানিয়েছেন। এ সবকিছু তাঁর উপর আল্লাহর অনুগ্রহ। এ জন্য তিনি ছিলেন আল্লাহর সবচেয়ে প্রিয় বান্দা, সবচেয়ে বেশি কৃতজ্ঞ বান্দা। তিনি দিনে আল্লাহর পথে দাওয়াত ও সংগ্রাম করতেন, আর রাতের পর রাত আল্লাহর সামনে দাঁড়িয়ে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতেন। দাঁড়াতে দাঁড়াতে তাঁর পা ফুলে যেত। তাকে বলা হলো, আপনাকে তো আল্লাহ তায়ালা ক্ষমা করে দিয়েছেন। তাহলে এত কাঁদেন কেন? তিনি বললেন, ‘আমি কি আমার প্রভুর কৃতজ্ঞ বান্দা হব না?’১০০৯

আল্লাহর সঙ্গে এই উবুদিয়্যাত তথা দাসত্বের সম্পর্ক গোটা চরাচরের সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ ও দামি সম্পর্ক। পৃথিবীর দাসত্ব লাঞ্ছনা ও অবজ্ঞার কারণ। অপরদিকে আল্লাহর দাসত্ব সম্মান ও গৌরবের। যে আল্লাহর যত বড় দাস হতে পারবে, তাঁর সামনে নিজেকে যত ক্ষুদ্র করতে পারবে, সে তত বড় সম্মানিত, তাঁর তত প্রিয় হতে পারবে। এ জন্য নবিজি (ﷺ) রাতের আঁধারে কেঁদে বুক ভাসাতেন, জান্নাতের জন্য নয়। কারণ, আল্লাহ তো তাকে সৃষ্টির আগেই জান্নাতের মালিক বানিয়ে রেখেছেন। তিনি কাঁদতেন আল্লাহর কৃতজ্ঞ দাস হওয়ার জন্য। দাস ও মনিবের এই সম্পর্ক পৃথিবীর সবচেয়ে দৃঢ়, সুন্দর, নিঃস্বার্থ ও বরকতময় সম্পর্ক।

রাসুলুল্লাহ (ﷺ) সবসময় নবুওত ও রিসালাতের পাশাপাশি নিজেকে আল্লাহর বান্দা ও দাস হিসেবে পরিচয় দিতেন। উমর রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ‘তোমরা আমার প্রশংসায় বাড়াবাড়ি করো না যেভাবে খ্রিষ্টানরা ঈসা ইবনে মারইয়ামের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করেছে। আমি তো কেবল আল্লাহর বান্দা। তাই তোমরা বলো, আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসুল।’১০১০

টিকাঃ
১০০৯. বুখারি (আবওয়াবুত তাহাজ্জুদ: ৪৮৩৬)। মুসলিম (সিফাত ইয়াওমিল কিয়ামাহ : ২৮১৯)।
১০১০. বুখারি (কিতাবু আহাদিসিল আম্বিয়া: ৩৪৪৫)। মুসনাদে আহমদ (মুসনাদুল আশারাহ আল-মুবাশশারিন বিল জান্নাহ: ১৫৬)।

📘 ইমাম আজমের আকিদা > 📄 তাঁর মনোনীত ও নির্বাচিত

📄 তাঁর মনোনীত ও নির্বাচিত


জগতের অনেককিছু চেষ্টা-প্রচেষ্টার মাধ্যমে অর্জন করা যায়, করতে হয়। কিন্তু সবকিছু চেষ্টা করেও অর্জন করা যায় না। সব সৌভাগ্য পৃথিবীর সবকিছু বিসর্জন দিয়েও লাভ করা যায় না। এমন এক সৌভাগ্য হচ্ছে আল্লাহর ‘মনোনয়ন।’ আল্লাহ তায়ালা মুহাম্মাদ (ﷺ)-কে দুনিয়া ও আখেরাতের সর্দার বানিয়েছেন, শেষ নবি ও রাসুল বানিয়েছেন, জগতের সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টি বানিয়েছেন, তাঁর পরম প্রিয় বন্ধু বানিয়েছেন। এটা হয়েছে স্রেফ তাঁর অনুগ্রহ ও মনোনয়নের ফলে। তাঁকে সৃষ্টির আগেই তিনি তাঁর জন্য এ সৌভাগ্য লিখে রেখেছেন। এটা আমলের মাধ্যমে অর্জন করার বিষয় নয়; এ সৌভাগ্য আল্লাহ যার জন্য লিখে রেখেছেন তিনিই এটা লাভে ধন্য হন। রাসুলুল্লাহর মতো অন্য সকল নবি-রাসুলও বিভিন্ন পরিমাণ ও পর্যায়ে এ সৌভাগ্য লাভ করেছেন। আল্লাহ তাদের নবি ও রাসুল হিসেবে মনোনীত করেছেন নিজ অনুগ্রহ ও নির্বাচনের মাধ্যমে। তাঁরা তাঁদের নিজেদের আমলের মাধ্যমে এ পর্যন্ত পৌঁছতে পারেননি। কেউই আমলের মাধ্যমে নবি হতে পারবে না। এটার একমাত্র উপায় হচ্ছে আল্লাহর পক্ষ থেকে মনোনয়ন ও নির্বাচন।

আল্লাহ তায়ালা বিভিন্ন নবিকে মনোনয়নের ব্যাপারে কুরআনে বলেছেন, ۞ إِنَّ اللَّهَ اصْطَفَىٰ آدَمَ وَنُوحًا وَآلَ إِبْرَاهِيمَ وَآلَ عِمْرَانَ عَلَى الْعَالَمِينَ ۞ অর্থ : ‘নিঃসন্দেহে আল্লাহ আদম, নুহ, ইবরাহিমের বংশধর এবং ইমরানের বংশধরকে সমস্ত জগতের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন।’ [আলে ইমরান: ৩৩] ওয়াসিলা ইবনে আসকা‘ থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসুল (ﷺ) বলেছেন, ‘আল্লাহ তায়ালা ইসমাইলের বংশধর থেকে কিনানা সম্প্রদায়কে মনোনীত করেছেন। কিনানা থেকে কুরাইশ বংশকে মনোনীত করেছেন। কুরাইশ থেকে বনু হাশিমকে বাছাই করেছেন। আর বনু হাশিম থেকে আমাকে নির্বাচিত করেছেন।’১০১১

টিকাঃ
১০১১. বুখারি (কিতাবুল ফাযায়েল: ২২৭৬)। তিরমিযি (আবওয়াবুল মানাকিব: ৩৬০৬)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00