📄 ইস্তিওয়ার ব্যাপারে ইমামের আকিদা
পিছনের আলোচনাতে স্পষ্ট যে, আল্লাহর ঊর্ধ্বত্বকে ইমাম আজম শারীরিকভাবে ব্যাখ্যা করেন না। রাসুলুল্লাহর (ﷺ) হাদিসকে সেই অর্থে বোঝেন না, যে অর্থে পরবর্তীরা বুঝেছেন। তাঁর মতে, উপরের দিকে ফিরে দোয়া কিংবা হাদিসে দাসী কর্তৃক আকাশের দিকে ইশারা করার মানে আল্লাহর অবস্থানস্থল বোঝানো নয়। এ কারণে তাঁকে যখন প্রশ্ন করা হলো, যদি কেউ বলে, আল্লাহ কোথায়? আপনি তাকে এ ব্যাপারে কী বলবেন? তিনি বললেন, “তাকে বলব, গোটা সৃষ্টিকে সৃষ্টি করার আগে আল্লাহ তায়ালা ছিলেন। আল্লাহ তায়ালা তখন ছিলেন, যখন কোনো স্থানের অস্তিত্ব ছিল না। আল্লাহ তায়ালা তখন ছিলেন, যখন ‘কোথায়’, ‘সৃষ্টি’ কিংবা ‘বস্তু’ এমন কিছুরই অস্তিত্ব ছিল না। কারণ, তিনিই সবকিছুর স্রষ্টা।”৭৫৮
ইস্তিওয়ার ব্যাপারে এটাই সালাফের মানহাজ। তারা সংক্ষেপে এবং কুরআনে যেভাবে এসেছে, হুবহু সেভাবে ইস্তিওয়ার প্রতি ইজমালি বিশ্বাস রাখতেন। এর ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ কিংবা ধরন বলতেন না। এটা নিয়ে অতিরঞ্জিত আলোচনা করতেন না। এটাকে 'বসা', 'স্থির হওয়া', 'অবস্থান করা' ইত্যাদি মানবিক শব্দের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করতেন না। ইমামের আকিদাসংশ্লিষ্ট সকল গ্রন্থে ইস্তিওয়ার ব্যাপারে তাঁর এই মতামতই পাওয়া যায়। ইমাম রহ. বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, আল্লাহ আরশের উপর 'ইস্তিওয়া' করেছেন। কিন্তু তিনি আরশের প্রতি মুখাপেক্ষী নন। আরশের উপর অবস্থানকারী নন। বরং তিনি কোনো প্রয়োজন ছাড়াই আরশ ও আরশের বাইরে অন্য সকল বস্তুর রক্ষাকর্তা। সৃষ্টির মতো তিনি যদি কোনো জিনিসের মুখাপেক্ষী হতেন, তবে জগৎ সৃষ্টি ও পরিচালনা করতে সক্ষম হতেন না। তিনি যদি বসা কিংবা অবস্থানের প্রতি মুখাপেক্ষী হতেন, তবে আরশ সৃষ্টির আগে আল্লাহ কোথায় ছিলেন? আল্লাহ এসব থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত।”৭৫৯
জটিলতা হলো, পরবর্তীরা এই সংক্ষিপ্ত ও বিশুদ্ধ তানযিহের মূলনীতির উপর থাকতে পারেননি। বরং বিভিন্নমুখী প্রান্তিকতার শিকার হয়েছেন। একদল আল্লাহ তায়ালাকে আসমানে আরশের উপর বসিয়ে দিয়েছেন। তারা বিশ্বাস করেছেন আরশ আল্লাহর স্থান। তিনি সেখানে অবস্থান গ্রহণ করেছেন! বরং এরচেয়েও দুঃখজনক হলো ইলমি বিকৃতি। ইমাম আবু হানিফা যেহেতু উম্মাহর একজন শ্রেষ্ঠতম বরেণ্য ইমাম এবং অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব, এ জন্য তারা ইমামকে তাদের নিজ আকিদার প্রচারমাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করেছেন। ইমামের বক্তব্যকে বিকৃত করেছেন। ফলে ওয়াসিয়্যাহ পুস্তিকাতে আল্লাহর 'ইস্তিওয়া আলাল আরশ'-কেন্দ্রিক ব্যাখ্যাতে আমরা দেখব, ওয়াসিয়্যাহর পাণ্ডুলিপির উপর অনধিকার চর্চা করা হয়েছে। তাতে অন্যায় হস্তক্ষেপ হয়েছে। ওয়াসিয়্যাহর এক্ষেত্রে বিশুদ্ধতম পাঠ হলো যা আমরা উল্লেখ করেছি :
(ওয়া নুক্বিররু বিআন্নাল্লাহা তায়ালা আলাল আরশিস তাওয়া মিন গইরি আই ইয়াকুনা লাহ হু হাজাতুও ওয়া ইসতিক্বরাুরন আলাইহি, ওয়াহুুযা হাফিজুল আরশি ওয়া গইরিল আরশি মিন গইরি ইহতিয়াজ)
অর্থাৎ, “আমরা বিশ্বাস করি, আল্লাহ আরশের উপর 'ইস্তিওয়া' করেছেন, প্রয়োজন ও অবস্থানগ্রহণ ব্যতীত। বরং তিনি কোনো প্রয়োজন ছাড়াই আরশ ও গয়র-আরশ সবকিছুর রক্ষাকর্তা।”৭৬০
কিন্তু উক্ত পাঠ কেউ কেউ বিকৃত করেছেন। ফলে ওয়াসিয়্যাহর সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নুসখার পাঠ এমন—
(ওয়া নুক্বিররু বিআন্নাল্লাহা তায়ালা আলাল আরশিস তাওয়া মিন গইরি আই ইয়াকুনা লাহ হু হাজাতুন, ওয়াস তাক্বরাুরন আলাইহি ওয়াহুুযা হাফিজুল আরশি ওয়া গইরিল আরশি মিন গইরি ইহতিয়াজ)
অর্থাৎ, 'আমরা বিশ্বাস করি, আল্লাহ আরশের উপর 'ইস্তিওয়া' করেছেন। কিন্তু তিনি আরশের প্রতি মুখাপেক্ষী নন। আর তিনি আরশের উপর অবস্থান গ্রহণ করেছেন। তিনি কোনো প্রয়োজন ছাড়াই আরশ ও গয়র-আরশ সবকিছুর রক্ষাকর্তা। '৭৬১
দেখুন, অর্থ কীভাবে উলটে গেল। ইমামের পরবর্তী বক্তব্য হলো: 'তিনি যদি বসা কিংবা অবস্থানের প্রতি মুখাপেক্ষী হতেন, তবে আরশ সৃষ্টির আগে আল্লাহ কোথায় ছিলেন?' বিকৃত পাঠের সঙ্গে এই বক্তব্যের কোনো সামঞ্জস্যতা আছে? মোটেই না। বরং দু'টো সাংঘর্ষিক।
তবে, আলহামদুলল্লাহ, ইস্তিওয়াকেন্দ্রিক ইমাম আজমের একাধিক বক্তব্য রয়েছে। ফলে দু-একটির ভিতরে হস্তক্ষেপ করা হলেও সবগুলোর ভিতরে হস্তক্ষেপ করা সম্ভব হয়নি। এভাবে ইমামের বিশুদ্ধ আকিদা আমাদের সামনে রয়ে গেছে। নিশাপুরি ইমাম থেকে বর্ণনা করেন—মুকাতিল ইবনে সুলাইমানের কাছে লেখা চিঠির জবাবে ইমাম লিখেন: আল্লাহর বাণী, 'তিনি আরশের উপর ইস্তিওয়া করেছেন' সত্য। এটা মূলত কুরআনে আল্লাহ তায়ালা যা বলেছেন— 'নিশ্চয় তোমাদের পালনকর্তা যিনি ছয় দিনে আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর আরশের উপর ইস্তিওয়া করেছেন।' [আরাফ: ৫৪]—সেটাই। তিনি যেভাবে বলেছেন সেভাবেই। আরশের উপর তাঁর ইস্তিওয়া সম্পর্কে আমরা কোনোকিছু জানার দাবি করি না। আমরা বিশ্বাস করি, তিনি ইস্তিওয়া করেছেন। তবে তাঁর ইস্তিওয়া সৃষ্টির ইস্তিওয়ার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ নয়। আরশের উপর ইস্তিওয়ার ব্যাপারে আমাদের বক্তব্য এটুকুই।৭৬২ সুবহানাল্লাহ! কত সুস্পষ্ট ও সংক্ষিপ্ত আকিদা। কুরআনের আকিদা। এটাই সকল সালাফে সালেহিনের আকিদা।
আরেক দল ইস্তিওয়ার অর্থ সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছেন। আয়াতগুলোকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করেছেন যা আল্লাহ নিজে করেননি, তাঁর রাসুল বলেননি; সাহাবায়ে কেরাম, তাবেয়িন, তাবে-তাবেয়িন করেননি। ইমাম যেখান নিজে বলেছেন, “আমরা বিশ্বাস করি, আল্লাহ আরশের উপর 'ইস্তিওয়া' করেছেন।”৭৬৩ আরও বলেছেন, “তিনি আরশের উপর ইস্তিওয়া করেছেন সত্য।”৭৬৪ সেখানে তারা ইমামের অনুসরণের দাবি সত্ত্বেও 'ইস্তিওয়া'-কে নেতৃত্ব, রাজত্ব, প্রতিপত্তি, পরিচালনা ইত্যাদি নানান শব্দে ব্যাখ্যা করেছেন। কেউ তো ইস্তিওয়া অর্থ করেছেন সৃষ্টি। ফলে ইস্তিওয়া আলাল আরশ অর্থ হবে, আরশের উপর সৃষ্টি করা। অথচ ইমাম আজম কিংবা সালাফে সালেহিনের কেউ এমন ব্যাখ্যা করেননি; করলে বরং বিভ্রান্ত সম্প্রদায়গুলো করেছে।৭৬৫ তাই ব্যাখ্যার নামে এ ধরনের অদ্ভুত বক্তব্য জুড়ে দেওয়া সম্পূর্ণ অনুচিত।
এক্ষেত্রে কর্তব্য হলো মুতাকাদ্দিমিন তথা ইমাম আজমসহ প্রথম যুগের হানাফি ইমামদের সঙ্গে থাকা, পরবর্তীদের ব্যাখ্যা বর্জন করা। মুহাম্মাদ ইবনুল ফযল বলখি বলেন, “আল্লাহ তায়ালা আরশের উপর ইস্তিওয়া করেছেন। তিনি 'আরশের উপরে'— ধরনহীন, সাদৃশ্যহীন, যেমনটা তিনি চেয়েছেন।” অন্যত্র লিখেন, 'তিনি স্থানের ঊর্ধ্বে। স্থানের প্রতি অমুখাপেক্ষী। আরশ তাঁর স্থান নয়।'৭৬৬
এমনকি খোদ সমরকন্দের মুতাকাল্লিমগণ যারা ইলমুল কালামকে আকিদার মৌলিক হাতিয়ারস্বরূপ গ্রহণ করেছেন এবং সিফাতের তাবিলের ক্ষেত্রে 'উদারতা' দেখিয়েছেন, তাদেরও অনেকে ইস্তিওয়ার তাবিল করেননি। স্বয়ং ইমাম আবু মনসুর মাতুরিদি রহ. 'ইস্তিওয়া'-কে 'ইস্তিলা' (পরিচালনা, প্রতিপত্তি) ও 'আরশ'-কে 'মুলক' (রাজত্ব) নানা শব্দে ব্যাখ্যার সম্ভাব্যতা ও বৈধতা বর্ণনার করার পর বলেন, “এক্ষেত্রে আমাদের মূলকথা হলো : যেহেতু আল্লাহ তায়ালার মতো কিছু নেই যেমনটা তিনি বলেছেন, 'তাঁর মতো কিছু নেই।' [শুরা : ১১] সুতরাং আমরা বলব, রহমান আল্লাহ আরশের উপর ইস্তিওয়া করেছেন যেমনটা কুরআনে এসেছে... এরপর আমরা সেটাকে অন্য কোনো বস্তু দিয়ে নিশ্চিত তাবিল করব না। কারণ, তখন (আমরা যে শব্দে তাবিল করলাম) সেটার বাইরে আরও ভিন্ন শব্দেও তাবিল করা যাবে। তাই আমরা বলব : আল্লাহ এখানে যা উদ্দেশ্য নিয়েছেন তাতে আমরা ঈমান রাখি। ইস্তিওয়া ছাড়া আল্লাহর দিদারসহ কুরআনে বর্ণিত অন্যান্য (সিফাতের) ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। একদিকে যেমন আল্লাহর সাদৃশ্য নাকচ করতে হবে, অন্যদিকে আল্লাহ যা উদ্দেশ্য নিয়েছেন তাতে বিশ্বাস রাখতে হবে। সেক্ষেত্রে সুনিশ্চিত কোনো (ব্যাখ্যা) নির্ধারণ করা যাবে না।”৭৬৭
মাতুরিদি তাঁর তাফসিরেও 'ইস্তিওয়া'র বিভিন্ন তাবিল উল্লেখ করার পরে শেষে লিখেছেন, “আমাদের মূলনীতি হলো, আল্লাহ তাঁর সকল কর্ম ও গুণে সাদৃশ্য থেকে পবিত্র। ফলে 'রহমান আরশের উপর ইস্তিওয়া করেছেন' কুরআনে যেভাবে এসেছে সেভাবেই বলতে হবে।”৭৬৮ এভাবে 'ইস্তিওয়া'র তাবিল বর্জন খোদ মাতুরিদি রহ. থেকে প্রমাণিত হলো।
একইভাবে সদরুল ইসলাম বাযদাবিও (৪৯৩ হি.) বিভিন্ন সিফাতের তাবিল করে সে তাবিলকেই হাকিকত বলা সত্ত্বেও, সিফাতকেন্দ্রিক কোথাও কোথাও বৈপরীত্যের শিকার হওয়া সত্ত্বেও—যা পিছনে তুলে ধরা হয়েছে—সামগ্রিকভাবে এবং বিশেষত ইস্তিওয়ার ক্ষেত্রে ইমাম আজম রহ. এবং সালাফে সালেহিনের অনুসরণ করেছেন। তিনি লিখেন, “আল্লাহ স্থান-পাত্রের ঊর্ধ্বে। তিনি কোনো স্থানের মাঝে বা উপরে নন। বরং সৃষ্টির আগে তিনি যেমন ছিলেন তেমন আছেন। আল্লাহ তায়ালা আরশ সৃষ্টির পর আরশের উপর ইস্তিওয়া করেছেন। তবে এটা স্থানান্তর কিংবা সত্তাসহ আরশের উপর অবস্থান নয়। আল্লাহর জন্য কোনো দিক প্রযোজ্য নয়। তিনি সকল দিকের ঊর্ধ্বে। দিক সৃষ্টির আগে তিনি যেমন ছিলেন, সবসময় তেমন আছেন ও থাকবেন।”৭৬৯
আবদুর রহিম মুফতি যাদাহ (১২০৩ হি.) একই পথে হেঁটেছেন। তিনি ইস্তিওয়া'র সম্ভাব্য একাধিক ব্যাখ্যা উল্লেখের পরে লিখেন, “তৃতীয় মাযহাব হলো 'ইস্তিওয়া'-কে একটি স্বতন্ত্র বিশেষ সিফাত হিসেবে গ্রহণ করা। এর ধরন ও স্বরূপ আল্লাহর কাছে সঁপে দেওয়া। এটাই ইমাম আজম আবু হানিফা, ইমামুল হুদা আবু মনসুর মাতুরিদি এবং প্রসিদ্ধমতে আবুল হাসান আশআরির মাযহাব। আর এটাই তাবিলের বিভিন্ন জটিলতা থেকে মুক্ত মাসলাক। ... সুতরাং আল্লাহ আরশে ইস্তিওয়া করেছেন ধরনহীন, শরীরবিহীন। তিনি আরশ থেকে অনুখাপেক্ষী। আরশের উপর অবস্থান গ্রহণ থেকে অমুখাপেক্ষী।”৭৭০
গুমুশখানভি লিখেন, “আল্লাহ তায়ালার সিফাত সৃষ্টির সিফাতের সঙ্গে সাদৃশ্য রাখে না। তিনি আরশের উপর ইস্তিওয়া করেছেন যেভাবে তিনি বলেছেন এবং যে অর্থ উদ্দেশ্য নিয়েছেন।”৭৭১
শামসুদ্দিন সমরকন্দি লিখেছেন, “ইস্তিওয়াকে 'ইস্তিলা' দিয়ে ব্যাখ্যা করা সুন্দর নয়।”৭৭২
আকিদাহ তহাবিয়্যাহর ব্যাখ্যায় মাহমুদ কওনভি লিখেন, 'ইস্তিওয়া' (সহ সকল সিফাতের) ক্ষেত্রে সালাফের মাযহাব হলো, এগুলোকে তাশবিহ তথা সাদৃশ্য থেকে মুক্ত রেখে সত্যায়ন করা। এগুলোর তাবিল তথা ব্যাখ্যাকে আল্লাহর কাছে সঁপে দেওয়া। এগুলোর তাবিল না করা। বরং এ বিশ্বাস রাখা যে, আল্লাহ যা উদ্দেশ্য নিয়েছেন সেটা হক। এটাই সাধারণ মানুষের জন্য নিরাপদ পন্থা। যদি তারা এসব সম্পর্কে প্রশ্ন করে কিংবা এগুলোর তাবিল জানার জন্য পীড়াপীড়ি করে, তবে তাদের ধমকানো হবে, সতর্ক করা হবে।৭৭৩
টিকাঃ
৭৫৮. আল-ফিকহুল আবসাত (৫৭)।
৭৫৯. আল-ওয়াসিয়্যাহ (পাণ্ডুলিপি) (৩)।
৭৬০. আল-ওয়াসিয়্যাহ (পাণ্ডুলিপি) (৩)।
৭৬১. আল-ওয়াসিয়্যাহ (দার ইবনে হাযাম) (৩৯)।
৭৬২. আল-ইতিকাদ, নিশাপুরি (১৪৯)।
৭৬৩. আল-ওয়াসিয়্যাহ (দার ইবনে হাযাম) (৩৯)।
৭৬৪. আল-ইতিকাদ, নিশাপুরি (১৪৯)।
৭৬৫. দেখুন : আত-তাবাকাতুস সানিয়্যাহ, তাকিউদ্দিন গাজ্জি (১/১৫৭)। শরহুল ফিকহিল আকবার, সমরকন্দি (২৬)।
৭৬৬. আল-ইতিকাদ, বলখি (১০৬-১০৭)।
৭৬৭. দেখুন: আত-তাওহিদ (৫৭)। তাবসিরাতুল আদিল্লাহ (১/৩৫০)।
৭৬৮. তাফসিরে মাতুরিদি (৭/২৬৯)।
৭৬৯. উসুলুদ্দিন, বাযদাবি (২৫০-২৫১)।
৭৭০. শরহুল ওয়াসিয়্যাহ, মুফতি যাদাহ (৯৯-১০০)।
৭৭১. জামেউল মুতুন, গুমুশখানভি (৮)।
৭৭২. আস-সাহায়িফুল ইলাহিয়্যাহ (৩৭৫)।
৭৭৩. আল-কালাইদ ফি শরহিল আকাইদ (৭০)।