📄 আল্লাহর নিকট চেয়ে নিই
অবশ্য আব্বাজান রহ. শিখিয়ে গেছেন, যখন এমন অবস্থার শিকার হবে, তখন দুহাত তুলে আল্লাহর নিকট চেয়ে নেবে। আলহামদুলিল্লাহ এর তাওফীক হয়েছে। আল্লাহর দরবারে দুহাত প্রসারিত করে চেয়েছি। সফর থেকে ফিরে এখন পর্যন্ত জিজ্ঞেস করিনি বর্তমানে কী অবস্থা। কিন্তু কোনো প্রয়োজনই আল্লাহ তাআলা অপূর্ণ রাখেন না। এটা আমার সম্মানিত পিতার ইখলাস এবং তাঁর শেষরাতের ক্রন্দনের ফল এবং আমার শায়খ হযরত ডাক্তার আবদুল হাই সাহেবের দোয়ার দান।
এতে আমার কোনো বৈশিষ্ট্য নেই। যদি মাদরাসাকে আমাদের বাহুবলের উপর ছেড়ে দেওয়া হতো, তাহলে এত বড় প্রতিষ্ঠান কোনো অবস্থাতেই চালানো সম্ভব হতো না। আল্লাহ তাআলা নিজ অনুগ্রহে এ সকল বুযুর্গের দোয়া, ইখলাসের দৌলতে একে চালিয়ে নিচ্ছেন। আল্লাহ তাআলা স্বয়ং এর অভিভাবক।
📄 দোকান নয়, এটা মাদরাসা
আব্বাজান রহ. বলে গেছেন, আমরা কোনো দোকান খুলিনি, যেটা সর্বদা চলমান রাখা জরুরি। যতক্ষণ পর্যন্ত একে সঠিক মূলনীতির ভিত্তিতে চালিয়ে রাখা সম্ভব, ততক্ষণ পর্যন্ত চালিয়ে যাও। যখন মনে করবে নিজস্ব মূলনীতিকে পর্যুদস্ত করতে হবে এবং দ্বীনের অসম্মানি করতে হবে, তখন এতে তালা ঝুলিয়ে বন্ধ করে দেবে।
এই ওসীয়ত করে তিনি চলে গেছেন। আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ তাআলা একে নিজ অনুগ্রহে এবং রহমতে চালিয়ে নিচ্ছেন। এর দৃষ্টান্ত দুনিয়ার আর কোনো প্রতিষ্ঠানে হয়তো পাওয়া যাবে না। এটা মহান আল্লাহর কুদরতী কারিশমা। যা প্রত্যেকেই স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করছেন। তবে কেউ যদি সংশোধনের নিয়তে কোনো পরামর্শ পেশ করেন, তাহলে তা সানন্দে গ্রহণ করা হবে। কিন্তু কেউ যদি চান, এই দ্বীনী মাদরাসা তার নিজস্ব রীতি-নীতি থেকে সরে গিয়ে অন্য কোনো পথ-পদ্ধতি গ্রহণ করুক, ইনশাআল্লাহ এটা কখনও সম্ভব হবে না। যতদিন আমাদের শরীরে প্রাণ অবশিষ্ট থাকবে এবং নিঃশ্বাস বাকি থাকবে, দারুল উলূম তার নীতি থেকে হটবে না ইনশাআল্লাহ। হ্যাঁ, যেদিন নীতিচ্যুত হতে হবে, সেদিন তা বন্ধ করে দেওয়া হবে। আল্লাহ তাআলা একে তার নিজস্ব নীতির উপর তাঁর সন্তুষ্টি অনুযায়ী চলার তাওফীক দান করুন। আমি আপনাদের অনেক সময় নিয়ে ফেললাম। কিন্তু কিছু কথা যা না বললেই নয়, তা বললাম।