📄 দারুল উলূম দেওবন্দের বৈশিষ্ট্য
আমার দাদা হযরত মাওলানা ইয়াসীন সাহেব রহ. দারুল উলূম দেওবন্দের শুরুরকালের ছাত্র ছিলেন। সেখানে বড় হয়েছেন এবং লেখাপড়া সমাপ্ত করেছেন। লেখাপড়া শেষ করে আবার সেখানেই পড়ানো শুরু করেছেন এবং সর্বশেষ ফার্সী ক্লাস পর্যন্ত পড়িয়েছেন। তিনি হযরত থানভী রহ.-এর সহপাঠী ছিলেন। তিনি বলতেন, 'আমরা দারুল উলূমের সেই যুগ দেখেছি, যখন দারুল উলূমের একজন শাইখুল হাদীস ও মুহতামিম থেকে নিয়ে একজন পাহারাদার পর্যন্ত সাহেবে নিসবত ওলীআল্লাহ ছিলেন।'
মূলত দারুল উলূম ঐ পবিত্রাত্মা ব্যক্তিগণের নাম, যারা ইত্তেবায়ে সুন্নাত, আত্মত্যাগ এবং দ্বীনের জন্য সর্বস্ব বিলীন করার জ্বলন্ত নমুনা ছিলেন। আর এই জবাই ধারাবাহিকভাবে সম্প্রসারিত হয়ে আসছে।
মহান আল্লাহর অপার করুণা, তিনি আমাদেরকে এই পবিত্রাত্মা জামাতের সাথে সম্পৃক্ত করেছেন। আর আজকে এই অনুষ্ঠানের শুরুলগ্ন এই শোকরের সাথে আরম্ভ করা হোক যে, হে আল্লাহ! আপনার লক্ষ-কোটি শোকর, আপনি আমাদেরকে ঐ পবিত্র জামাতের দলভুক্ত করেছেন। আল্লাহ না করুন যদি আমরা কোনো কাফেরের ঘরে জন্মলাভ করতাম, কিংবা কোনো পথভ্রষ্ট গোমরাহ লোকের ঔরসে জন্ম নিতাম, তাহলে আমাদের কী করার ছিল?
সুতরাং ভাইয়েরা, এসকল দ্বীনী প্রতিষ্ঠানকে মূল্যায়ন করুন। মূলত দ্বীনী প্রতিষ্ঠান আমাদের আকাবিরগণের রেখে যাওয়া অমূল্য সম্পদ।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে দ্বীনী মাদরাসার সংরক্ষণ ও সাহায্য করার তাওফীক দান করুন। আর আমরা ইখলাসের সাথে কাজ করলে ইনশাআল্লাহ আল্লাহর সাহায্য আমাদের শামিলে হাল অবশ্যই হবে।
আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে এ সকল মাদরাসার গুরুত্ব অনুধাবন করার তাওফীক দান করুন। আমীন।
وَاخِرُ دَعْوَانَا أَنِ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ