📘 ইলা মাগফিরাহ 📄 তাওয়াফ অবস্থায় ইস্তিগফার

📄 তাওয়াফ অবস্থায় ইস্তিগফার


“হজরত আবদুল আ'লা তামিমি রাহি. থেকে বর্ণিত, হজরত খাদিজা রাদিআল্লাহু আনহা আরজ করলেন, হে আল্লাহর রাসুল! তাওয়াফ করা অবস্থায় আমি কী বলব? রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তখন ইরশাদ করেন যে, এটা পড়ো-
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذُنُوبِي وَخَطَايَايَ وَعَمَدِى وَإِسْرَانِي فِي أَمْرِي إِنَّكَ إِنْ لَا تَغْفِرْ لِي تُهْلِكُنِي
অর্থ: হে আল্লাহ! আমার গুনাহসমূহ ও ভুলত্রুটিসমূহ ক্ষমা করুন। ইচ্ছায় করা ভুলগুলো ক্ষমা করুন। আমার কাজের সীমালঙ্ঘনকে ক্ষমা করুন। কেননা আপনি যদি আমাকে ক্ষমা না করেন, তাহলে আমি ধ্বংস হয়ে যাব।[১৩১]

টিকাঃ
[১৩১] শু'আবুল ইমান

📘 ইলা মাগফিরাহ 📄 জুলুম ও অকৃতজ্ঞতার উপর ইস্তিগফার

📄 জুলুম ও অকৃতজ্ঞতার উপর ইস্তিগফার


হজরত উমর ফারুক রাদিআল্লাহু আনহু একবার দু'আ করলেন-হে আল্লাহ! আমার জুলুম এবং কুফরকে ক্ষমা করুন। কেউ একজন জিজ্ঞেস করলেন, হে আমিরুল মুমিনীন! জুলুমের কথা তো বুঝে আসে কিন্তু কুফরের ব্যাপারটি কী? উমর রাদিআল্লাহু আনহু তখন পবিত্র কুরআনুল কারিমের সুরা ইবরাহিমের ৩৪ নং আয়াতের এই অংশটি তিলাওয়াত করলেন-
إِنَّ الْإِنسَانَ لَظَلُومٌ كَفَّارُ
“নিশ্চয় মানুষ অধিক অত্যাচারী ও অকৃতজ্ঞ। [১৩২]
ফায়দা: আরবিতে কুফর শব্দটি দুটি অর্থে ব্যবহৃত হয়। এক অর্থ তো হল ঐটা যা প্রসিদ্ধ তথা ইমানের বিপরীত কুফর। আর দ্বিতীয় অর্থ হল- নাশুকরি তথা অকৃতজ্ঞতা। এখানে উমর রাদিআল্লাহু আনহু দ্বিতীয় অর্থটি উদ্দেশ্য নিয়েছেন।

টিকাঃ
[১৩২] ইবনে আবি হাতেম; কানযুল উম্মাল: ২/৬৭৬

📘 ইলা মাগফিরাহ 📄 ছয় প্রকারের গুনাহের উপর ইস্তিগফার

📄 ছয় প্রকারের গুনাহের উপর ইস্তিগফার


“হজরত ইমরান ইবনে হুসাইন রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাধারণ দু'আ ছিল এটি-
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي مَا أَخْطَأْتُ وَمَا تَعَمَّدْتُ وَ مَا أَسْرَرْتُ وَمَا أَعْلَنْتُ وَ مَا جَهِلْتُ وَمَا تَعَمَّدْتُ
অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করে দিন আমার ঐ গুনাহসমূহ যা আমার অনিচ্ছায় হয়েছে এবং ঐ গুনাহসমূহ যা আমার ইচ্ছায় হয়েছে এবং ঐ গুনাহসমূহ যা আমি লুকিয়ে করেছি এবং ঐ গুনাহসমূহ যা আমি প্রকাশ্যে করেছি এবং ঐ গুনাহসমূহ যা আমি না জেনে করেছি এবং ঐ গুনাহসমূহ যা আমি জেনে করেছি। "[১৩৩]

টিকাঃ
[১৩৩] আহমাদ: ৪/৪৩৭ হাদিস নং ১৯৯২৫; মাহমাউয যাওয়ায়েদ: ১১০/২৭১ হাদিস নং ১৭৩৫৬

📘 ইলা মাগফিরাহ 📄 নিজের জীবনের প্রতিটি নিঃশ্বাসের মূল্যায়ন করুন

📄 নিজের জীবনের প্রতিটি নিঃশ্বাসের মূল্যায়ন করুন


عَنْ جَابِرٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَقُوْلُ: إِنَّ مِنْ سَعَادَةِ الْمَرْءِ أَنْ يَطُوْلَ عُمْرُهَ وَيَرْزُقَهُ اللَّهُ الْإِنَابَةُ
“হজরত جাবের রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন- মানুষের সৌভাগ্যের মধ্যে একটি হল এই যে, তার হায়াত দীর্ঘ হওয়া এবং আল্লাহ তা'আলা তাকে রুজু ইলাল্লাহ তথা আল্লাহ তা'আলার দিকে ধাবিত হওয়া নসিব করেছেন। "[১৩৪]
জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত মূল্যবান। জান্নাতে যাওয়ার পরে দুঃখ-কষ্ট, পেরেশানি ও আফসোস নামক কোন বস্তু থাকবে না। কিন্তু জীবনের ঐ মুহূর্তটির জন্য বড় আফসোস হবে, যা গুনাহের কাজে কিংবা কোন প্রকার নেক কাজ ব্যতীত কেটেছে। আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে রুজু ইলাল্লাহ তথা আল্লাহ তা'আলার দিকে ধাবিত হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

টিকাঃ
[১৩৪] মুস্তাদরাকে হাকেম

ফন্ট সাইজ
15px
17px