📄 পরিপূর্ণ পবিত্রতা
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ: التَّائِبُ مِنَ الذَّنْبِ كَمَنْ لَا ذَنْبَ لَهُ
“হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন- গুনাহ থেকে তাওবাকারীর উপমা হল ঐ ব্যক্তির ন্যায় যে কোন গুনাহই করেনি।"
টিকাঃ
[৫১] সুনানে ইবনে মাজাহ: হাদিস নং ৪২৫০
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ: التَّائِبُ مِنَ الذَّنْبِ كَمَنْ لَا ذَنْبَ لَهُ
“হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন— গুনাহ থেকে তাওবাকারীর উপমা হল ঐ ব্যক্তির ন্যায় যে কোন গুনাহই করেনি।"[৫১]
টিকাঃ
[৫১] সুনানে ইবনে মাজাহ: হাদিস নং ৪২৫০
📄 শয়তানের শিক্ষা
শয়তান বলে যে, কতদিন তোমাদের তাওবা কবুল হবে? তোমরা তো প্রতিদিনই তাওবা ভঙ্গ কর। তাই এখন তাওবা করা ছেড়ে দাও। তাওবা তোমাদের সাধ্যের বস্তু নয়। গুনাহ তোমাদের থেকে ছুটতে পারে না। তোমরা আসলেই হতভাগা। এজন্য এভাবে প্রতিদিন তাওবা করা এবং এরপর তা ভঙ্গ করে আবার তাওবা করা যথেষ্ট মনে কর। আমার সামনে আত্মসমর্পণ কর এবং নিজেকে হতভাগা মনে করে গুনাহে ডুবে যাও।
এটা শয়তানের শিক্ষা। কিন্তু আমাদের মহান রব বুঝাচ্ছেন যে, তাওবা করতেই থাক। তায়েব তথা তাওবাকারী হও। তাওয়্যাব তথা বেশি বেশি তাওবাকারী হও। যত বড় গুনাহই হয়ে যাক সাথে সাথে দৌড়ে আমার নিকট এসে তাওবা কর। তোমাদের কোন গুনাহই আমার রহমত থেকে বড় নয়। তাওবা ভঙ্গের গুনাহ হয়ে গেছে, তাহলে এই গুনাহের জন্যও পুনরায় তাওবা করো। একদিনে যদি ৭০ বারও তাওবা ভঙ্গ হয়, তাহলে প্রত্যেক বারই খাঁটি তাওবা করতে থাক। তুমি যত বেশি তাওবা করবে, ততই আমার প্রিয় হবে। যেমন পবিত্র কুরআনুল কারিমে ইরশাদ হয়েছে- إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ التَّوَّابِينَ
। "নিশ্চয় আল্লাহ তাওবাকারীদেরকে ভালোবাসেন। "
টিকাঃ
[৫২] বাকারা- ২: ২২২
শয়তান বলে যে, কতদিন তোমাদের তাওবা কবুল হবে? তোমরা তো প্রতিদিনই তাওবা ভঙ্গ কর। তাই এখন তাওবা করা ছেড়ে দাও। তাওবা তোমাদের সাধ্যের বস্তু নয়। গুনাহ তোমাদের থেকে ছুটতে পারে না। তোমরা আসলেই হতভাগা। এজন্য এভাবে প্রতিদিন তাওবা করা এবং এরপর তা ভঙ্গ করে আবার তাওবা করা যথেষ্ট মনে কর। আমার সামনে আত্মসমর্পণ কর এবং নিজেকে হতভাগা মনে করে গুনাহে ডুবে যাও।
এটা শয়তানের শিক্ষা। কিন্তু আমাদের মহান রব বুঝাচ্ছেন যে, তাওবা করতেই থাক। তায়েব তথা তাওবাকারী হও। তাওয়্যাব তথা বেশি বেশি তাওবাকারী হও। যত বড় গুনাহই হয়ে যাক সাথে সাথে দৌড়ে আমার নিকট এসে তাওবা কর। তোমাদের কোন গুনাহই আমার রহমত থেকে বড় নয়। তাওবা ভঙ্গের গুনাহ হয়ে গেছে, তাহলে এই গুনাহের জন্যও পুনরায় তাওবা করো। একদিনে যদি ৭০ বারও তাওবা ভঙ্গ হয়, তাহলে প্রত্যেক বারই খাঁটি তাওবা করতে থাক। তুমি যত বেশি তাওবা করবে, ততই আমার প্রিয় হবে। যেমন পবিত্র কুরআনুল কারিমে ইরশাদ হয়েছে— إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ التَّوَّابِينَ
। "নিশ্চয় আল্লাহ তাওবাকারীদেরকে ভালোবাসেন। "[৫২]
টিকাঃ
[৫২] বাকারা- ২: ২২২
📄 দ্রুত ইস্তিগফার করলে ফেরেশতারা গুনাহ লিখে না
عَنْ أَبِي أُمَامَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ عَنْ رَّسُولُ اللَّهِ ﷺ قَالَ: إِنَّ صَاحِبِ الشِّمَالِ لَيَرْفَعَ الْقَلَمَ سِتَّ سَاعَاتٍ عَنِ الْعَبْدِ الْمُসْلِمِ الْمُخْطِئ أَوِ الْمُسِيئِ فَإِنْ نَدِمَ وَاسْتَغْفَرَ مِنْهَا الْقَاهَا وَإِلَّا كُتِبَتْ وَاحِدَةٌ
"হজরত আবু উমামা রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন- বাম দিকের ফেরেশতা ছয় ঘণ্টা গুনাহগার মুসলিম বান্দার উপর থেকে কলম উঠিয়ে রাখে এবং অপেক্ষা করে যে, হয়তো বান্দা তাওবা করে নেবে। অতঃপর যদি সে অনুতপ্ত হয় এবং উক্ত গুনাহ থেকে ইস্তিগফার করে নেয়, তাহলে সে ফেরেশতা তা না লিখে ছেড়ে দেয়। আর যদি সে তাওবা না করে, তাহলে তার একটি গুনাহ লিখা হয়। "
টিকাঃ
[৫৩] মাজমাউয যাওয়ায়েদ: হাদিস নং ১৭৫৭৬
عَنْ أَبِي أُمَامَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ عَنْ رَّسُولُ اللَّهِ ﷺ قَالَ: إِنَّ صَاحِبِ الشِّمَالِ لَيَرْفَعَ الْقَلَمَ سِتَّ سَاعَاتٍ عَنِ الْعَبْدِ الْمُসْلِمِ الْمُخْطِئ أَوِ الْمُسِيئِ فَإِنْ نَدِمَ وَاسْتَغْفَرَ مِنْهَا الْقَاهَا وَإِلَّا كُتِبَتْ وَاحِدَةٌ
"হজরত আবু উমামা রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন— বাম দিকের ফেরেশতা ছয় ঘণ্টা গুনাহগার মুসলিম বান্দার উপর থেকে কলম উঠিয়ে রাখে এবং অপেক্ষা করে যে, হয়তো বান্দা তাওবা করে নেবে। অতঃপর যদি সে অনুতপ্ত হয় এবং উক্ত গুনাহ থেকে ইস্তিগফার করে নেয়, তাহলে সে ফেরেশতা তা না লিখে ছেড়ে দেয়। আর যদি সে তাওবা না করে, তাহলে তার একটি গুনাহ লিখা হয়। "[৫৩]
টিকাঃ
[৫৩] মাজমাউয যাওয়ায়েদ: হাদিস নং ১৭৫৭৬
📄 বার বার তাওবা ভঙ্গ হলে বান্দার করণীয় কী?
যখন বার বার গুনাহ হয়, বার বার তাওবা ভঙ্গ হয়, তখনও বান্দা আল্লাহ তা'আলার কাছ থেকে দূরে না যাওয়া। বরং কেঁদে কেঁদে তাঁর সামনে লুটিয়ে পড়া। অজু করে মসজিদের কোনে গিয়ে বসুন। আর নেককার লোকদের সংস্পর্শ অবলম্বন করুন। আল্লাহ তা'আলার কাছ থেকে দূরে সরে যাওয়া ব্যর্থতা। আর আল্লাহ তা'আলার দিকে ধাবিত হওয়া সৌভাগ্য। যেমন পবিত্র কুরআনুল কারিমে ইরশাদ হয়েছে— فَفِرُّوا إِلَى اللَّهِ । "অতএব তোমরা আল্লাহর দিকে ধাবিত হও।"
অর্থাৎ গুনাহ হওয়ার সাথে সাথেই আল্লাহ তা'আলার দিকে ধাবিত হও। আর বল যে, হে মহান মালিক! পুনরায় জুলুম হয়ে গেছে। আমি আমার জীবনের উপর জুলুম করে ফেলেছি। আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন। শয়তান বাধা দেবে কিন্তু অভিশপ্তের কথায় পড়বেন না।
টিকাঃ
[৫৪] যারিয়াত- ৫১:৫০
যখন বার বার গুনাহ হয়, বার বার তাওবা ভঙ্গ হয়, তখনও বান্দা আল্লাহ তা'আলার কাছ থেকে দূরে না যাওয়া। বরং কেঁদে কেঁদে তাঁর সামনে লুটিয়ে পড়া। অজু করে মসজিদের কোনে গিয়ে বসুন। আর নেককার লোকদের সংস্পর্শ অবলম্বন করুন। আল্লাহ তা'আলার কাছ থেকে দূরে সরে যাওয়া ব্যর্থতা। আর আল্লাহ তা'আলার দিকে ধাবিত হওয়া সৌভাগ্য। যেমন পবিত্র কুরআনুল কারিমে ইরশাদ হয়েছে— فَفِرُّوا إِلَى اللَّهِ । "অতএব তোমরা আল্লাহর দিকে ধাবিত হও।"[৫৪]
অর্থাৎ গুনাহ হওয়ার সাথে সাথেই আল্লাহ তা'আলার দিকে ধাবিত হও। আর বল যে, হে মহান মালিক! পুনরায় জুলুম হয়ে গেছে। আমি আমার জীবনের উপর জুলুম করে ফেলেছি। আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন। শয়তান বাধা দেবে কিন্তু অভিশপ্তের কথায় পড়বেন না।
টিকাঃ
[৫৪] যারিয়াত- ৫১:৫০