📘 ইলা মাগফিরাহ 📄 খাঁটি তাওবার শর্তসমূহ

📄 খাঁটি তাওবার শর্তসমূহ


খাঁটি তাওবার জন্য কিছু শর্তা রয়েছে। শুধুমাত্র মৌখিকভাবে তাওবা করা যথেষ্ট নয়। নিম্নের কয়েকটি বিষয় ঠিক রেখে তাওবা করলে ইন শা' আল্লাহ উক্ত তাওবা কবুল হয়ে থাকে। যথা-
১. ইখলাস: অর্থাৎ একমাত্র আল্লাহ তা'আলার সন্তুষ্টির জন্য তাওবা করা। অনেক লোক শুধুমাত্র এজন্য তাওবা করে, যেন দুনিয়াতে তার উপর কোন বিপদ না আসে।
২. নাদামাত: অর্থাৎ স্বীয় গুনাহের উপর অনুতপ্ত ও লজ্জিত হওয়া।
৩. ইকলা: অর্থাৎ উক্ত গুনাহকে ত্যাগ করা।
৪. আজম: অর্থাৎ ভবিষ্যতে গুনাহ না করার দৃঢ় সংকল্প করা।
৫. ওয়াকত: অর্থাৎ মৃত্যুর বিভীষিকা শুরু হওয়ার পূর্বেই তাওবা করে নেওয়া।
আমাদের সকলের উচিত এই পাঁচটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রেখে নিজের সকল গুনাহ থেকে আজকেই তাওবা করে নেওয়া। আল্লাহ না করুক যদি তাওবা করার সাহস না হয়, তাহলে প্রত্যেক সালাতের পরে এ দু'আ করবে যে, হে আল্লাহ! আমাকে খাঁটি তাওবার তাওফিক দান করুন। যখন কেঁদে কেঁদে বিনয়ের সাথে তাওবার দু'আ করবে, তখন ইন শা' আল্লাহ তাওবার প্রশস্ত দরজা আমাদের জন্য খুলে যাবে।

খাঁটি তাওবার জন্য কিছু শর্তা রয়েছে। শুধুমাত্র মৌখিকভাবে তাওবা করা যথেষ্ট নয়। নিম্নের কয়েকটি বিষয় ঠিক রেখে তাওবা করলে ইন শা' আল্লাহ উক্ত তাওবা কবুল হয়ে থাকে। যথা—
১. ইখলাস: অর্থাৎ একমাত্র আল্লাহ তা'আলার সন্তুষ্টির জন্য তাওবা করা। অনেক লোক শুধুমাত্র এজন্য তাওবা করে, যেন দুনিয়াতে তার উপর কোন বিপদ না আসে।
২. নাদামাত: অর্থাৎ স্বীয় গুনাহের উপর অনুতপ্ত ও লজ্জিত হওয়া।
৩. ইকলা: অর্থাৎ উক্ত গুনাহকে ত্যাগ করা।
৪. আজম: অর্থাৎ ভবিষ্যতে গুনাহ না করার দৃঢ় সংকল্প করা।
৫. ওয়াকত: অর্থাৎ মৃত্যুর বিভীষিকা শুরু হওয়ার পূর্বেই তাওবা করে নেওয়া।

আমাদের সকলের উচিত এই পাঁচটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রেখে নিজের সকল গুনাহ থেকে আজকেই তাওবা করে নেওয়া। আল্লাহ না করুক যদি তাওবা করার সাহস না হয়, তাহলে প্রত্যেক সালাতের পরে এ দু'আ করবে যে, হে আল্লাহ! আমাকে খাঁটি তাওবার তাওফিক দান করুন। যখন কেঁদে কেঁদে বিনয়ের সাথে তাওবার দু'আ করবে, তখন ইন শা' আল্লাহ তাওবার প্রশস্ত দরজা আমাদের জন্য খুলে যাবে।

📘 ইলা মাগফিরাহ 📄 তাওবা কবুল হওয়ার কয়েকটি নিদর্শন

📄 তাওবা কবুল হওয়ার কয়েকটি নিদর্শন


আল্লাহ তা'আলা যখন কোন বান্দাকে তাওবার তাওফিক দান করেন এবং তার তাওবা কবুলও করে নেন, তখন এমন কিছু নিদর্শন প্রকাশ পায়, যার দ্বারা ধারণা করা যায় যে, এই বান্দার তাওবা কবুল হয়েছে এবং সে আল্লাহ তা'আলার মহব্বতের উপযুক্ত হয়েছে। উক্ত নিদর্শনসমূহ থেকে কয়েকটি নিদর্শন হল-
১. সৎ-সঙ্গ: তাওবা কবুল হওয়ার বড় নিদর্শন হল- মানুষের সিদ্দিকীন, মুজাহিদীন ও সালেহীন তথা নেককারদের সংশ্রব লাভ হয় এবং খারাপ বন্ধুদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায়। মনে রাখবেন, সৎ-সঙ্গ হাজারো নেক আমলকে সহজ করে দেয়।
২. নেককাজের আগ্রহ: তাওবা কবুল হয়ে গেলে অন্তর নেককাজের দিকে ধাবিত হয় এবং গুনাহের প্রতি তার ভীতি সৃষ্টি হয়।
৩. দুনিয়ার মুহাব্বাত ত্যাগ করা: তাওবা কবুল হওয়ার পরে মানুষের জীবনের গতি দুনিয়া থেকে সরে আখিরাতের দিকে মোড় নেয়। অর্থাৎ তার মূল উদ্দেশ্য হয়ে যায় আল্লাহ তা'আলার সন্তুষ্টি ও পরকালের প্রস্তুতি। দুনিয়া তার হাতে থাকে কিন্তু অন্তরে প্রবেশ করে না। তার উদ্দেশ্য এমন হয় না যে, তার বাঁচা-মরা সবই দুনিয়ার জন্য।

আল্লাহ তা'আলা যখন কোন বান্দাকে তাওবার তাওফিক দান করেন এবং তার তাওবা কবুলও করে নেন, তখন এমন কিছু নিদর্শন প্রকাশ পায়, যার দ্বারা ধারণা করা যায় যে, এই বান্দার তাওবা কবুল হয়েছে এবং সে আল্লাহ তা'আলার মহব্বতের উপযুক্ত হয়েছে। উক্ত নিদর্শনসমূহ থেকে কয়েকটি নিদর্শন হল—
১. সৎ-সঙ্গ: তাওবা কবুল হওয়ার বড় নিদর্শন হল— মানুষের সিদ্দিকীন, মুজাহিদীন ও সালেহীন তথা নেককারদের সংশ্রব লাভ হয় এবং খারাপ বন্ধুদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায়। মনে রাখবেন, সৎ-সঙ্গ হাজারো নেক আমলকে সহজ করে দেয়।
২. নেককাজের আগ্রহ: তাওবা কবুল হয়ে গেলে অন্তর নেককাজের দিকে ধাবিত হয় এবং গুনাহের প্রতি তার ভীতি সৃষ্টি হয়।
৩. দুনিয়ার মুহাব্বাত ত্যাগ করা: তাওবা কবুল হওয়ার পরে মানুষের জীবনের গতি দুনিয়া থেকে সরে আখিরাতের দিকে মোড় নেয়। অর্থাৎ তার মূল উদ্দেশ্য হয়ে যায় আল্লাহ তা'আলার সন্তুষ্টি ও পরকালের প্রস্তুতি। দুনিয়া তার হাতে থাকে কিন্তু অন্তরে প্রবেশ করে না। তার উদ্দেশ্য এমন হয় না যে, তার বাঁচা-মরা সবই দুনিয়ার জন্য।

📘 ইলা মাগফিরাহ 📄 নেকির উপর গর্ব নয়, গুনাহের উপর অনুতপ্ত হওয়া চাই

📄 নেকির উপর গর্ব নয়, গুনাহের উপর অনুতপ্ত হওয়া চাই


عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ: النَّادِمُ يَنْتَظِرُ التَّوْبَةَ وَالْمُعْجِبُ يَنْتَظِرُ الْمَقْتَ
"হজরত ইবনে আব্বাস রাদিআল্লাহু আনহু নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাণী বর্ণনা করেন—গুনাহের উপর অনুতপ্ত তাওবার অপেক্ষা করে থাকে। আর নেকির উপর গর্বে লিপ্ত ব্যক্তি অপেক্ষা করে আল্লাহ তা'আলার গজবের।"
আল্লাহ তা'আলা রক্ষা করুন। অনেক লোক নেককাজ করেও ধ্বংস হয়ে যায়। কারণ সে আল্লাহ তা'আলার প্রদত্ত তাওফিক থেকে দৃষ্টি সরিয়ে তাকে নিজের যোগ্যতা মনে করে আল্লাহ তা'আলার অসন্তুষ্টি অর্জন করে। আর অনেক সৌভাগ্যবান লোক গুনাহ করেও সফল হয়ে যায় এবং সে এমনভাবে অনুতপ্ত হয় এবং এমনভাবে আল্লাহ তা'আলার সন্তুষ্টি অর্জন করে নেয়।

টিকাঃ
[৪৯] মাজমাউয যাওয়ায়েদ: হাদিস নং ১৭৫১৬

عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ: النَّادِمُ يَنْتَظِرُ التَّوْبَةَ وَالْمُعْجِبُ يَنْتَظِرُ الْمَقْتَ

"হজরত ইবনে আব্বাস রাদিআল্লাহু আনহু নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাণী বর্ণনা করেন—গুনাহের উপর অনুতপ্ত তাওবার অপেক্ষা করে থাকে। আর নেকির উপর গর্বে লিপ্ত ব্যক্তি অপেক্ষা করে আল্লাহ তা'আলার গজবের।"

আল্লাহ তা'আলা রক্ষা করুন। অনেক লোক নেককাজ করেও ধ্বংস হয়ে যায়। কারণ সে আল্লাহ তা'আলার প্রদত্ত তাওফিক থেকে দৃষ্টি সরিয়ে তাকে নিজের যোগ্যতা মনে করে আল্লাহ তা'আলার অসন্তুষ্টি অর্জন করে। আর অনেক সৌভাগ্যবান লোক গুনাহ করেও সফল হয়ে যায় এবং সে এমনভাবে অনুতপ্ত হয় এবং এমনভাবে আল্লাহ তা'আলার সন্তুষ্টি অর্জন করে নেয়।

টিকাঃ
[৪৯] মাজমাউয যাওয়ায়েদ: হাদিস নং ১৭৫১৬

📘 ইলা মাগফিরাহ 📄 সৌভাগ্যবান হল তাওবার উপর মৃত্যুবরণকারী

📄 সৌভাগ্যবান হল তাওবার উপর মৃত্যুবরণকারী


عَنْ جَابِرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ: الْمُؤْمِنُ وَاهِ رَاقِعُ فَسَعِيدُ مَنْ هَلَكَ عَلَى رَقْعِهِ
“হজরত জাবের রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন-মুমিন গুনাহগার তাওবাকারী হয়ে থাকে। (অর্থাৎ কখনো গুনাহ করে কখনো তাওবা করে।) সৌভাগ্যবান হল ঐ ব্যক্তি, যার মৃত্যু আসে তাওবাবস্থায়।"

টিকাঃ
[৫০] তাবরানী

عَنْ جَابِرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ: الْمُؤْمِنُ وَاهِ رَاقِعُ فَسَعِيدُ مَنْ هَلَكَ عَلَى رَقْعِهِ

“হজরত জাবের রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন—মুমিন গুনাহগার তাওবাকারী হয়ে থাকে। (অর্থাৎ কখনো গুনাহ করে কখনো তাওবা করে।) সৌভাগ্যবান হল ঐ ব্যক্তি, যার মৃত্যু আসে তাওবাবস্থায়।"[৫০]

টিকাঃ
[৫০] তাবরানী

ফন্ট সাইজ
15px
17px