📄 আল্লাহ তা‘আলার নিকট প্রিয় আওয়াজ
عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ : مَا مِنْ صَوْتٍ أَحَبُّ إِلَى اللهِ مِنْ صَوْتٍ عَبْدٍ لُهْفَانٍ عَبْدٌ أَصَابَ ذَنْبًا فَكُلَّمَا ذَكَرَ ذَنْبَهُ امْتَلَأ قَلْبُهُ فَرْقًا مِنَ اللَّهِ فَقَالَ: يَارَبَّاهُ
“হজরত আনাস রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন- (গুনাহের উপর অনুতপ্ত হওয়ার কারণে) আল্লাহ তা'আলার নিকট পেরেশান ব্যক্তির আওয়াজ থেকে অধিক প্রিয় কোন আওয়াজ নেই। যে বান্দা, যখনই সে নিজের গুনাহকে স্বরণ করে, তখনই তার অন্তর আল্লাহ তা'আলার ভয়ে কম্পিত হয়ে উঠে এবং সে বলে হায় আমার রব।”
টিকাঃ
[৪৭] হিলইয়াতুল আউলিয়া
عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ : مَا مِنْ صَوْتٍ أَحَبُّ إِلَى اللهِ مِنْ صَوْতٍ عَبْدٍ لُهْفَانٍ عَبْدٌ أَصَابَ ذَنْبًا فَكُلَّمَا ذَكَرَ ذَنْبَهُ امْتَلَأ قَلْبُهُ فَرْقًا مِنَ اللَّهِ فَقَالَ: يَارَبَّاهُ
“হজরত আনাস রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন— (গুনাহের উপর অনুতপ্ত হওয়ার কারণে) আল্লাহ তা'আলার নিকট পেরেশান ব্যক্তির আওয়াজ থেকে অধিক প্রিয় কোন আওয়াজ নেই। যে বান্দা, যখনই সে নিজের গুনাহকে স্মরণ করে, তখনই তার অন্তর আল্লাহ তা'আলার ভয়ে কম্পিত হয়ে উঠে এবং সে বলে হায় আমার রব।”[৪৭]
টিকাঃ
[৪৭] হিলইয়াতুল আউলিয়া
📄 তাওবার আরও কিছু উপকারিতা
তাওবা মূলত আত্মিক পবিত্রতার নাম। এটা মানুষের ভেতরের ময়লা-আবর্জনা ও অপবিত্রতাকে দূর করে দেয়। তাওবার দরজা চব্বিশ ঘণ্টা খোলা। যতক্ষণ মৃত্যুর বিভীষিকা শুরু না হবে ততক্ষণ মানুষের তাওবা কবুল হয়ে থাকে। তাওবার অনেক উপকারিতা রয়েছে। যথা-
১. তাওবাকারীর আল্লাহ তা'আলার মহব্বত লাভ হয়।
২. তাওবা করলে গুনাহ মিটে যায়। গুনাহের প্রভাব ধ্বংস হয়ে যায় এবং অধিকাংশ সময় উক্ত গুনাহগুলোকে নেকিতে পরিণত করে দেওয়া হয়।
৩. তাওবার দ্বারা মানুষের সমূহ কল্যাণ ও সফলতা লাভ হয়।
وَتُوبُوا إِلَى اللَّهِ جَمِيعًا أَيُّهَ الْمُؤْمِنُونَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ
“তোমরা সকলেই আল্লাহর নিকট তাওবা করো, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার। "
টিকাঃ
[৪৮] নূর- ২৪: ৩১
তাওবা মূলত আত্মিক পবিত্রতার নাম। এটা মানুষের ভেতরের ময়লা-আবর্জনা ও অপবিত্রতাকে দূর করে দেয়। তাওবার দরজা চব্বিশ ঘণ্টা খোলা। যতক্ষণ মৃত্যুর বিভীষিকা শুরু না হবে ততক্ষণ মানুষের তাওবা কবুল হয়ে থাকে। তাওবার অনেক উপকারিতা রয়েছে। যথা—
১. তাওবাকারীর আল্লাহ তা'আলার মহব্বত লাভ হয়।
২. তাওবা করলে গুনাহ মিটে যায়। গুনাহের প্রভাব ধ্বংস হয়ে যায় এবং অধিকাংশ সময় উক্ত গুনাহগুলোকে নেকিতে পরিণত করে দেওয়া হয়।
৩. তাওবার দ্বারা মানুষের সমূহ কল্যাণ ও সফলতা লাভ হয়।
وَتُوبُوا إِلَى اللَّهِ جَمِيعًا أَيُّهَ الْمُؤْمِنُونَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ
“তোমরা সকলেই আল্লাহর নিকট তাওবা করো, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার। "[৪৮]
টিকাঃ
[৪৮] নূর- ২৪: ৩১
📄 খাঁটি তাওবার শর্তসমূহ
খাঁটি তাওবার জন্য কিছু শর্তা রয়েছে। শুধুমাত্র মৌখিকভাবে তাওবা করা যথেষ্ট নয়। নিম্নের কয়েকটি বিষয় ঠিক রেখে তাওবা করলে ইন শা' আল্লাহ উক্ত তাওবা কবুল হয়ে থাকে। যথা-
১. ইখলাস: অর্থাৎ একমাত্র আল্লাহ তা'আলার সন্তুষ্টির জন্য তাওবা করা। অনেক লোক শুধুমাত্র এজন্য তাওবা করে, যেন দুনিয়াতে তার উপর কোন বিপদ না আসে।
২. নাদামাত: অর্থাৎ স্বীয় গুনাহের উপর অনুতপ্ত ও লজ্জিত হওয়া।
৩. ইকলা: অর্থাৎ উক্ত গুনাহকে ত্যাগ করা।
৪. আজম: অর্থাৎ ভবিষ্যতে গুনাহ না করার দৃঢ় সংকল্প করা।
৫. ওয়াকত: অর্থাৎ মৃত্যুর বিভীষিকা শুরু হওয়ার পূর্বেই তাওবা করে নেওয়া।
আমাদের সকলের উচিত এই পাঁচটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রেখে নিজের সকল গুনাহ থেকে আজকেই তাওবা করে নেওয়া। আল্লাহ না করুক যদি তাওবা করার সাহস না হয়, তাহলে প্রত্যেক সালাতের পরে এ দু'আ করবে যে, হে আল্লাহ! আমাকে খাঁটি তাওবার তাওফিক দান করুন। যখন কেঁদে কেঁদে বিনয়ের সাথে তাওবার দু'আ করবে, তখন ইন শা' আল্লাহ তাওবার প্রশস্ত দরজা আমাদের জন্য খুলে যাবে।
খাঁটি তাওবার জন্য কিছু শর্তা রয়েছে। শুধুমাত্র মৌখিকভাবে তাওবা করা যথেষ্ট নয়। নিম্নের কয়েকটি বিষয় ঠিক রেখে তাওবা করলে ইন শা' আল্লাহ উক্ত তাওবা কবুল হয়ে থাকে। যথা—
১. ইখলাস: অর্থাৎ একমাত্র আল্লাহ তা'আলার সন্তুষ্টির জন্য তাওবা করা। অনেক লোক শুধুমাত্র এজন্য তাওবা করে, যেন দুনিয়াতে তার উপর কোন বিপদ না আসে।
২. নাদামাত: অর্থাৎ স্বীয় গুনাহের উপর অনুতপ্ত ও লজ্জিত হওয়া।
৩. ইকলা: অর্থাৎ উক্ত গুনাহকে ত্যাগ করা।
৪. আজম: অর্থাৎ ভবিষ্যতে গুনাহ না করার দৃঢ় সংকল্প করা।
৫. ওয়াকত: অর্থাৎ মৃত্যুর বিভীষিকা শুরু হওয়ার পূর্বেই তাওবা করে নেওয়া।
আমাদের সকলের উচিত এই পাঁচটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রেখে নিজের সকল গুনাহ থেকে আজকেই তাওবা করে নেওয়া। আল্লাহ না করুক যদি তাওবা করার সাহস না হয়, তাহলে প্রত্যেক সালাতের পরে এ দু'আ করবে যে, হে আল্লাহ! আমাকে খাঁটি তাওবার তাওফিক দান করুন। যখন কেঁদে কেঁদে বিনয়ের সাথে তাওবার দু'আ করবে, তখন ইন শা' আল্লাহ তাওবার প্রশস্ত দরজা আমাদের জন্য খুলে যাবে।
📄 তাওবা কবুল হওয়ার কয়েকটি নিদর্শন
আল্লাহ তা'আলা যখন কোন বান্দাকে তাওবার তাওফিক দান করেন এবং তার তাওবা কবুলও করে নেন, তখন এমন কিছু নিদর্শন প্রকাশ পায়, যার দ্বারা ধারণা করা যায় যে, এই বান্দার তাওবা কবুল হয়েছে এবং সে আল্লাহ তা'আলার মহব্বতের উপযুক্ত হয়েছে। উক্ত নিদর্শনসমূহ থেকে কয়েকটি নিদর্শন হল-
১. সৎ-সঙ্গ: তাওবা কবুল হওয়ার বড় নিদর্শন হল- মানুষের সিদ্দিকীন, মুজাহিদীন ও সালেহীন তথা নেককারদের সংশ্রব লাভ হয় এবং খারাপ বন্ধুদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায়। মনে রাখবেন, সৎ-সঙ্গ হাজারো নেক আমলকে সহজ করে দেয়।
২. নেককাজের আগ্রহ: তাওবা কবুল হয়ে গেলে অন্তর নেককাজের দিকে ধাবিত হয় এবং গুনাহের প্রতি তার ভীতি সৃষ্টি হয়।
৩. দুনিয়ার মুহাব্বাত ত্যাগ করা: তাওবা কবুল হওয়ার পরে মানুষের জীবনের গতি দুনিয়া থেকে সরে আখিরাতের দিকে মোড় নেয়। অর্থাৎ তার মূল উদ্দেশ্য হয়ে যায় আল্লাহ তা'আলার সন্তুষ্টি ও পরকালের প্রস্তুতি। দুনিয়া তার হাতে থাকে কিন্তু অন্তরে প্রবেশ করে না। তার উদ্দেশ্য এমন হয় না যে, তার বাঁচা-মরা সবই দুনিয়ার জন্য।
আল্লাহ তা'আলা যখন কোন বান্দাকে তাওবার তাওফিক দান করেন এবং তার তাওবা কবুলও করে নেন, তখন এমন কিছু নিদর্শন প্রকাশ পায়, যার দ্বারা ধারণা করা যায় যে, এই বান্দার তাওবা কবুল হয়েছে এবং সে আল্লাহ তা'আলার মহব্বতের উপযুক্ত হয়েছে। উক্ত নিদর্শনসমূহ থেকে কয়েকটি নিদর্শন হল—
১. সৎ-সঙ্গ: তাওবা কবুল হওয়ার বড় নিদর্শন হল— মানুষের সিদ্দিকীন, মুজাহিদীন ও সালেহীন তথা নেককারদের সংশ্রব লাভ হয় এবং খারাপ বন্ধুদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায়। মনে রাখবেন, সৎ-সঙ্গ হাজারো নেক আমলকে সহজ করে দেয়।
২. নেককাজের আগ্রহ: তাওবা কবুল হয়ে গেলে অন্তর নেককাজের দিকে ধাবিত হয় এবং গুনাহের প্রতি তার ভীতি সৃষ্টি হয়।
৩. দুনিয়ার মুহাব্বাত ত্যাগ করা: তাওবা কবুল হওয়ার পরে মানুষের জীবনের গতি দুনিয়া থেকে সরে আখিরাতের দিকে মোড় নেয়। অর্থাৎ তার মূল উদ্দেশ্য হয়ে যায় আল্লাহ তা'আলার সন্তুষ্টি ও পরকালের প্রস্তুতি। দুনিয়া তার হাতে থাকে কিন্তু অন্তরে প্রবেশ করে না। তার উদ্দেশ্য এমন হয় না যে, তার বাঁচা-মরা সবই দুনিয়ার জন্য।