📘 ইলা মাগফিরাহ 📄 অন্ধকার থেকে বের হওয়ার উপায়

📄 অন্ধকার থেকে বের হওয়ার উপায়


আল্লাহ তা'আলা আমাকে এবং আপনাদের সকলকে 'তাওয়্যাবীন' এর অন্তর্ভুক্ত করুন। নিশ্চয় আল্লাহ তা'আলা তাওবাকারীদের ভালোবাসেন। "তওয়্যাবীন" অর্থ হল, অধিক তাওবা ও ইস্তিগফারকারী। প্রিয় পাঠক! আপনি কি শয়তানের কোমর ভেঙ্গে দিতে চান? শয়তান বলে যে, আমি মানুষকে গুনাহের দ্বারা ধ্বংস করেছি। আর মানুষ আমাকে লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ ও ইস্তিগফার দিয়ে ধ্বংস করে ফেলেছে। আপনি কি অন্ধকার থেকে বের হতে চান? নফসের অন্ধকার। গুনাহের অন্ধকার। জুলুমের অন্ধকার। অসহায়ত্বের অন্ধকার। তাহলে অধিক পরিমাণে ইস্তিগফার করুন। ঐ যে দেখুন! হজরত ইউনুস আলাইহিস সালাম মাছের পেটে ইস্তিগফার করেছেন। এত প্রচণ্ড অন্ধকার কিন্তু ইস্তিগফারের বরকতে সেই অন্ধকার তার নিকট চন্দ্রের আলো মনে হচ্ছিল। চাঁদ যেন আকাশে নয়, মাছের পেটেই রয়েছে। শুধু আলো আর আলো। আর জানেন তাঁর আওয়াজ কোন পর্যন্ত পৌঁছেছিল? হ্যাঁ! সেই আওয়াজ আরশের নিকট বিদ্যমান ফেরেশতা সুস্পষ্টভাবে শুনতে পেয়েছিল এবং পরস্পর বলতেছিল যে, আওয়াজটা তো চেনা-পরিচিত মনে হচ্ছে। মুজাহিদদের মধ্যে যদি ইস্তিগফারের আমল এসে যায়, তাহলে তারা শক্তিশালী হয়ে যাবে। তারা যদি শক্তিশালী হয়, তাহলে জিহাদ শক্তিশালী হবে। যখন জিহাদ শক্তিশালী হবে, তখন ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহ শক্তি ও সাহস পাবে। প্রিয় পাঠক! তাই আসুন ইস্তিগফার করি। পূর্ণ মনোযোগ ও আগ্রহের সাথে ইস্তিগফার করি।

📘 ইলা মাগফিরাহ 📄 ইসমে আজমের প্রভাব

📄 ইসমে আজমের প্রভাব


হজরত সা'দ বিন আবি ওয়াক্কাস রাদিআল্লাহু আনহু বলেন, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন—মাছওয়ালা তথা হজরত ইউনুস আলাইহিস সালাম যখন মাছের পেটে ছিলেন, তখন তিনি যে দু'আটি করেছিলেন, তা ছিল এই—
لَا إِلَهَ إِلَّا أَنتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ
"আপনি ছাড়া কোন (সত্য) ইলাহ নেই। আপনি পবিত্র মহান। নিশ্চয় আমি ছিলাম জালিম।"

যে কোন মুসলমান নিজের কোন উদ্দেশ্য পূরণের জন্য এ কালিমাসমূহ পাঠ করে দু'আ করবে, আল্লাহ তা'আলা তার দু'আ অবশ্যই কবুল করবেন।

টিকাঃ
৩. আম্বিয়া- ২১:৮৭
৪. সুনানে তিরমিজি: হাদিস নং ৩৫০৫

📘 ইলা মাগফিরাহ 📄 গ্রহণযোগ্য, রোগ মুক্তি ও মাগফেরাত

📄 গ্রহণযোগ্য, রোগ মুক্তি ও মাগফেরাত


তাফসিরে দুররে মানসুরে মুসতাদরাকে হাকেমের বর্ণনায় হজরত সা'দ বিন আবি ওয়াক্কাস রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন-আমি কি তোমাদেরকে আল্লাহ তা'আলার পবিত্র নাম বলব না? তা হল- لَا إِلَهَ إِلَّا أَنتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ

যে কোন মুসলমান চল্লিশ বার এর মাধ্যমে স্বীয় রবের নিকট দু'আ করবে, অতঃপর উক্ত রোগে যদি সে মৃত্যুবরণ করে, যে রোগে সে এ দু'আ করেছিল। তাহলে তাকে শহীদের সাওয়াব দেওয়া হবে। আর যদি সে সুস্থ হয়ে যায় (অর্থাৎ যদি সে সুস্থ হয়ে যায়) তাহলে এমতাবস্থায় সুস্থ হবে যে, তার গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়েছে।

টিকাঃ
৫. আনওয়ারুল বয়ান: ৬/১৬১

📘 ইলা মাগফিরাহ 📄 দু‘আটি প্রত্যেক মুসলমানের জন্যই

📄 দু‘আটি প্রত্যেক মুসলমানের জন্যই


দু'আটি প্রত্যেক মুসলমানের জন্যই হজরত সা'দ বিন আবি ওয়াক্কাস রাদিআল্লাহু আনহু বলেন, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন-মাছওয়ালা তথা হজরত ইউনুস আলাইহিস সালাম যখন মাছের পেটে ছিলেন, তখন তিনি যে দু'আটি করেছিলেন, তা ছিল এই-
لَا إِلَهَ إِلَّا أَنتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ

যে কোন মুসলমান নিজের কোন উদ্দেশ্য পূরণের জন্য এ কালিমাসমূহ পাঠ করে দু'আ করবে, আল্লাহ তা'আলা তার দু'আ অবশ্যই কবুল করবেন। ইমাম হাকেম রাহি. বলেন যে, এ হাদিসটির সনদ সহিহ এবং তিনি অন্য আরও একটি সনদে এ বর্ণনায় নিম্নের বাক্যসমূহও উল্লেখ করেছেন- এক ব্যক্তি আরজ করল, হে আল্লাহর রাসুল! এ দু'আটি কি শুধুমাত্র হজরত ইউনুস আলাইহিস সালামের সাথে সুনির্দিষ্ট নাকি সকল মুমিনের জন্য ব্যাপক? নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তখন ইরশাদ করেন- তুমি কি আল্লাহ তা'আলার বাণী শুনোনি-
فَاسْتَجَبْنَا لَهُ وَنَجَيْنَاهُ مِنَ الْغَمِّ وَكَذَلِكَ نُنجِي الْمُؤْمِنِينَ
"অতঃপর আমি তার ডাকে সাড়া দিয়েছিলাম এবং দুশ্চিন্তা থেকে তাকে উদ্ধার করেছিলাম। আর এভাবেই আমি মুমিনদেরকে উদ্ধার করে থাকি।"

অর্থাৎ এ দু'আটি এবং তার কার্যকারিতা সকল মুসলমানের জন্যে।

টিকাঃ
৬. সুনানে তিরমিজি: হাদিস নং ৩৫০৫
৭. আম্বিয়া- ২১: ৮৮
৮. আত-তারগীব ওয়াত-তারহীব: ২/৩২০

ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية