📄 মাগফিরাতের সমুদ্র
কুরআনুল কারিমে মাগফিরাতের এই নুর তথা আলো মুসলমানদের উপর ১৭ বার বর্ষিত হয়েছে। যদি একবারও বর্ষিত হত, তাহলেও সকল মুমিনের জন্য যথেষ্ট ছিল। কিন্তু এখানে তো "রাব্বে গাফুর" তথা দয়াময় প্রভুর মাগফিরাতের সমুদ্র। পুরো সমুদ্র। এজন্যই আল্লাহ তা'আলার মাগফিরাত ও রহমত থেকে নৈরাশ হওয়া অনেক বড় গুনাহ। তবে হ্যাঁ! আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে কবিরা গুনাহ থেকে হেফাজত করুন। আল্লামা ইমাম কুরতুবী রাহি. স্বীয় তাফসীরে ঐ সকল হাদিস ও বক্তব্যসমূহ একত্র করেছেন, যেগুলোতে 'কাবায়ের' তথা কবিরা গুনাহসমূহের বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে। যা সাত থেকে নিয়ে সাতশত পর্যন্ত। তবে হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিআল্লাহু আনহুর একটি বক্তব্য হল—কবিরা গুনাহ হল মোট চারটি। যথা—
الْيَأْسُ مِنْ رَوْحِ اللَّهِ . তথা আল্লাহ তা'আলার রহমত এবং সাহায্য থেকে নৈরাশ হয়ে যাওয়া।
اَلْقُنُوْطُ مِنْ رَحْمَةِ اللَّهِ তথা আল্লাহ তা'আলার মাগফিরাত এবং রহমত থেকে আশাহত হয়ে পড়া।
وَالأَمْنُ مِنْ مَّكْرِ اللهِ তথা আল্লাহ তা'আলার শান্তি এবং অদৃশ্য ব্যবস্থাপনা থেকে নির্ভয় হয়ে যাওয়া।
ঘ. وَالشَّرْكُ بِاللهِ তথা আল্লাহ তা'আলার সাথে শিরক করা।
কিছু লোক গুনাহ করে এবং গুনাহের চোরাবালিতে ফেঁসে যায়। অতঃপর যখন নিজেকে সর্বদিক থেকে গুনাহে জর্জরিত দেখতে পায়, তখন আল্লাহ তা'আলার রহমত থেকে একেবারে নিরাশ হয়ে না ইস্তিগফার করে, না তাওবা করে। তারা বলে যে, আমরা তো গুনাহ থেকে মুক্তই হতে পারছি না। সুতরাং মৌখিক তাওবা করে কি লাভ? আমাদের ইস্তিগফার করতে লজ্জা লাগে। কারণ বার বার তাওবা ভেঙ্গে যায়। বাহ্যিকভাবে দেখতে এটা অনেক ভাল চিন্তা মনে হলেও কিন্তু বাস্তবে এটা শয়তানি চিন্তা-ভাবনা। এটা আল্লাহ তা'আলা থেকে সম্পূর্ণ ছিন্ন হয়ে শয়তানের কোলে নিক্ষিপ্ত হওয়ার ঘোষণা। এটা আল্লাহ তা'আলার মাগফিরাতের গুণ ও মাগফিরাতের শক্তিকে অস্বীকারের নামান্তর। এমন কোন গুনাহ আছে যেটা আল্লাহ তা'আলার শক্তি ও ক্ষমতা থেকে বড়? এমন কোন গুনাহ আছে যেটা আল্লাহ তা'আলার মাগফিরাত থেকেও পশস্ত? আল্লাহ তা'আলা যখন মাগফিরাত প্রদান করেন, তখন এমন শক্তিশালী মাগফিরাতই প্রদান করেন, যা গুনাহের সকল কার্যকারিতাকে ধ্বংস করে দেয়। কারো গুনাহের সীমা যদি এমন বিস্তীর্ণ হয়ে যায় যে, গুনাহের শাখা-প্রশাখা অনেক দূর পর্যন্ত বিস্মৃত হয়ে গেছে, তাহলেও আল্লাহ তা'আলার মাগফিরাত যখন আসে, তখন সকল গুনাহ তার সকল কার্যকারিতাকে ধ্বংস করে দেয় এবং লোকদের যে সকল হকসমূহ গুনাহগারের যিম্মায় থাকে, সেগুলোও আদায় করিয়ে দেন এবং যে সকল গুনাহের দাগ অনেক গভীর হয়ে থাকে সেখানে অনেক গভীর নেক কাজের তাওফিক নিয়ে আসে।
কোন ব্যক্তি যদি লক্ষ টাকা খেয়ানত করে খাঁটি তাওবা করে নেয়, আল্লাহ তা'আলা তখন তাকে কোটি টাকা দিয়ে দেন। যেন সে খেয়ানতকৃত লক্ষ টাকাও ফেরত দিতে পারে এবং সর্বোপরি আরও লক্ষ লক্ষ টাকা সাদকায়ে জারিয়াও করে আসতে পারে। আল্লাহ তা'আলা কোন সাধারণ ক্ষমাকারী নন। গাফুরই গাফুর। গাফফারই গাফ্ফার। হজরত ওয়াহশী রাদিআল্লাহু আনহু যিনি সায়্যিদুশ শুহাদা হজরত হামজা রাদিআল্লাহু আনহুকে হত্যা করার অপরাধ করেছিল। তাওবা করার এবং তাওবা কবুল হওয়ার পরও পেরেশানিতে ভুগছিলেন। দয়াময় প্রভু ব্যবস্থা করে দিলেন। আল্লাহ তা'আলার বড় এক দুশমনকে হত্যার সৌভাগ্য দান করলেন। যেন মনের পেরেশানির বোঝা হালকা হয়ে যায়। সুপ্রিয় পাঠক! খাঁটি মনে তাওবা তো করুন। খাঁটি অন্তরে তাওবার দরজায় তো আসুন। আল্লাহ তা'আলা গাফির ও গাফুর। মাগফিরাতের আসল অর্থ তো হল—পর্দাবৃত করা এবং গোপন করা। আগেকার যুগে যুদ্ধসমূহের মধ্যে মাথায় লোহার যে টুপি পড়া হত, তাকে মাগফার বলা হত। তা মাথাকে নিরাপদে ঢেকে দিত। ঠিক এমনিভাবে আল্লাহ তা'আলার মাগফিরাতও মানুষকে গুনাহের ক্ষতি থেকে দুনিয়া ও আখিরাতে নিরাপদ করে দেয় ও ঢেকে ফেলে। তাই আল্লাহওয়ালাগণ বলেন-গুনাহ হল একটি জুলুম বা অন্ধকার যা মানুষের স্বীয় সত্তার উপর ছেয়ে যায়।
📄 সর্বপ্রকার গুনাহগারের জন্য মাগফিরাতের মর্যাদা
গুনাহগার তিন প্রকার। যথা-
ক. “জালিম” তথা সাধারণ গুনাহগার।
খ. "জুলুম” তথা কঠিন গুনাহগার।
গ. "জাল্লাম” তথা বার বার গুনাহকারী।
কিন্তু আল্লাহ তা'আলার রহমত দেখুন-যে বান্দা জালিম আল্লাহ তা'আলা তার জন্য "গাফির” তথা ক্ষমাকারী। আর যে বান্দা জুলুম তথা কঠিন গুনাহগার তার জন্য আল্লাহ তা'আলা "গাফুর" তথা অত্যন্ত ক্ষমাকারী। আর যে বান্দা "জাল্লাম” তথা বার বার গুনাহকারী তার জন্য আল্লাহ তা'আলা "গাফ্ফার" তথা বার বার ক্ষমাকারী। আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। মাগফিরাত কামনা করা এবং ক্ষমা প্রার্থনা করাকেই ইস্তিগফার বলে। অনুতপ্ত অন্তরে ইস্তিগফার। আলোচনা চলছিল আল্লাহ তা'আলার রহমত এবং মাগফিরাত থেকে নৈরাশ হওয়া অনেক বড় কবিরা গুনাহ। অপর দিকে কিছু লোক (নাউযুবিল্লাহ) আল্লাহ তা'আলার প্রতি কুধারণার শিকার হয়ে যায়। তারা দুনিয়াতে দুঃখ-কষ্ট দেখে শয়তানের জালে ফেঁসে যায় যে, আল্লাহ তা'আলা (নাউযুবিল্লাহ) শোনে না। আল্লাহ তা'আলা সাহায্য করে না। এমন দৃষ্টিভঙ্গিও অনেক বড় কবিরা গুনাহ। আল্লাহ তা'আলা অবশ্যই শোনেন এবং তিনি সাহায্যও করেন। তবে তাড়াহুড়াপ্রবণ মানুষ তাঁর সাহায্যের ধরনকে সব সময় বুঝতে পারে না। তারা মনে করে যে, সাহায্য আসে না। বস্তুত সাহায্য অবশ্যই আসে। সাহায্য যদি না-ই আসতো, তাহলে জানা নেই মানুষের কী অবস্থা হত।
📄 আমলের ব্যাপারে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
আমলের ব্যাপারে একটি জরুরি বিষয় স্মরণ রাখতে হবে। তা হল যদি স্বীয় ইমান নিরাপদ রাখতে চান তাহলে গায়রে মাসনুন তথা সুন্নাত নয় এমন অজিফা ও আমল অধিক না করা। আমলকারী হওয়ার উৎসাহ অন্তর থেকে বের করুন। মুমিন এবং তাওবাকারী হওয়ার উৎসাহ অন্তরে বদ্ধমূল করুন। কামেল কোন পীর-মুরশীদ বা শায়েখ যদি নসিব হয়ে যায়, তাহলে জিজ্ঞেস করে করে অজিফা আদায় করা। আর যদি কামেল কোন পীর-মুরশীদ বা শায়েখ নসিব না হয়, তাহলে কুরআন তিলাওয়াত, নফল রোজা, সাদাকা, কালিমায়ে তায়্যিবা, ইস্তিগফার ও দুরুদ শরিফের আমল করতে থাকুন। অর্থাৎ ফরজ ইবাদাতের পরে যেটুকু সময় পাবেন, এই সময়ের মধ্যে এগুলোই আমল করুন এবং মাসনুন দু'আসমূহের গুরুত্বারোপ করুন। এগুলোর জন্য না কোন পীর-মুরশীদ বা শায়েখের অনুমতির প্রয়োজন এবং না এগুলোতে কোন আশঙ্কা বিদ্যমান। এছাড়া অন্যান্য অজিফাসমূহ হয়তো অবশেষে নিরাশায় নিক্ষেপ করবে অথবা নাউযুবিল্লাহ অন্তরে নিজের সত্তার অহংকার এসে যাবে। যা আত্মাধ্যিক রোগের মূল এবং অনেক ধ্বংসাত্মক ক্যান্সার।
হজরত উসমান গনী রাদিআল্লাহু আনহু যিন-নুরাইন ছিলেন। জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত ছিলেন। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অত্যন্ত প্রিয় ছিলেন। দানশীলদের সর্দার ছিলেন। সদকায়ে জারিয়ার ইমাম ছিলেন। লজ্জাশীলতার ক্ষেত্রে তাঁর উপমা তিনি নিজেই। তবুও কবরের পাশ দিয়ে যেতে জার জার করে কাঁদতেন এবং কবরের আজাবের ভয়ে থর থর করে কাঁপতেন। তথাপিও আমাদের এ অবস্থা কিভাবে হয়? কবরের ভয়ে আমাদের এক ফোঁটা অশ্রুও বের হয় না। বুঝা গেল যে, নফস এবং অন্তরে পাপাচার এবং অহংকার রয়েছে। এজন্যই হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিআল্লাহু আনহু বলেন-
দুনিয়া ও আখিরাতে আল্লাহ তা'আলার শাস্তি থেকে বেপরোয়া হয়ে যাওয়াও কবিরা গুনাহ। এ অবস্থাটা মন্দ সংশ্রবের কারণেই তৈরী হয় এবং অধিক পরিমাণে গায়রে শরয়ী অজিফার কারণেও মানুষের মৃত্যুর ভয়, কবর-হাশর ও আখিরাতের ফিকির থাকে না। এজন্য যখনই অজিফা পাঠ করবেন, তখনই খাঁটি ইস্তিগফার করবেন। ইস্তিগফারের বরকতে আল্লাহ মানুষের অবস্থার পরিবর্তন করে দেন।
গুনাহের প্রচার করো না
আম্মাজান হজরত আয়েশা রাদিআল্লাহু আনহার নিকট এক মহিলা আসলো। এসে মাসআলা জিজ্ঞেস করার মত করে নিজের গুনাহের আলোচনা করতে লাগল। সম্ভবত ইহরাম অবস্থায় কেউ তার হাতের কব্জি ধরেছে অথবা স্পর্শ করেছে। সে যখনই এ কথা বলেছে অমনি আম্মাজান হজরত আয়েশা রাদিআল্লাহু আনহা চেহারা ফিরিয়ে নিলেন এবং বললেন-
থাম! থাম! অতঃপর বললেন-
হে ইমানদার নারীগণ! তোমাদের কারো যদি কোন গুনাহ হয়ে যায়, তাহলে অন্য কাউকে বলো না। বরং সাথে সাথে আল্লাহ তা'আলার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করো। আল্লাহ তা'আলার নিকট তাওবা-ইস্তিগফার করো। মনে রাখবে! বান্দা শুধু লজ্জা দেয়, কোন পরিবর্তন করতে পারে না। অপর দিকে আল্লাহ তা'আলা পরিবর্তন করে দেন, লজ্জা দেন না। অর্থাৎ তোমরা যদি তোমাদের গুনাহসমূহ মানুষের নিকট বলে বেড়াও, মানুষ তোমাদের এ সকল গুনাহ ক্ষমা ও মুছে দিতে পারবে না। না তোমাদের অবস্থাকে পরিবর্তন করতে পারবে এবং না তোমাদেরকে গুনাহের ক্ষতিসমূহ থেকে বাঁচাতে পারবে। তবে হ্যাঁ! অবশ্যই তারা তোমাদেরকে বদনাম এবং লজ্জায় ফেলতে পারবে। যখনই সুযোগ পাবে তখনই তারা উক্ত গুনাহের কারণে লজ্জা, অপমান ও বদনামে লিপ্ত করতে পারবে। যেখানে আল্লাহ তা'আলা না লজ্জিত করেন। না বদনাম করেন এবং না অপমান করেন। বরং তিনি তোমাদের দুরবস্থাকে ভাল অবস্থায় উন্নীত করে দেন। তিনি তোমাদের গুনাহের ক্ষতিসমূহ থেকে বাঁচিয়ে দেন। তিনি "আল-আফু" তথা ক্ষমাকারী। তিনি গুনাহকে মুছে দেন। তিনি "আল-গাফুর" তথা তিনি গুনাহকে গোপন করেন এবং কোন কোন সময় তো এমন রহমত এবং পরিবর্তন করে দেন যে, স্বয়ং গুনাহগার বান্দারও স্বীয় গুনাহ মনে থাকে না। মনে হয় যেন সর্বদিক থেকে গুনাহের নাম-নিশানা পর্যন্ত মুছে গেছে। না তা আমলনামায় অবশিষ্ট আছে, না তা গুনাহ লিপিবদ্ধকারী ফেরেশতার স্মরণ আছে। না তা এ জমিনের স্বরণ আছে, যেখানে তা সংঘটিত হয়েছিল। না তা সেই অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের স্মরণ আছে যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দিয়ে সেই গুনাহ করেছিল এবং না স্বয়ং গুনাহগার বান্দার স্মরণ আছে।
এমন দয়া ও মাগফিরাত আর কে করতে পারে? যতক্ষণ জীবনের শ্বাস-প্রশ্বাস চলমান। যতক্ষণ সূর্য পূর্ব দিগন্তে উদিত হবে, তাওবার দরজাও ততক্ষণ খোলা। প্রিয় পাঠক! বেশি বেশি ইস্তিগফার। অধিক পরিমাণে ইস্তিগফার। খাঁটি ইস্তিগফার। উত্তম তাওবা। খাঁটি তাওবা। সত্য তাওবা। পাক্কা তাওবা।
📄 একটি উপকারী শিক্ষা
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ نَشْهَدُ أَنْ لَّا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ نَسْتَغْفِرُكَ وَنَتُوْبُ الَيْكَ نَسْتَغْفِرُكَ وَنَتُوْبُ إِلَيْكَ؛ نَسْتَغْفِرُكَ وَنَتُوْبُ أَلَيْكَ؛
অন্যের জন্য ইস্তিগফার করা ও অন্যকে দিয়ে নিজের জন্য ইস্তিগফার করানো
আল্লাহ তা'আলা আমার ও আপনাদের সকলের এবং সকল ইমানদারদের মাগফিরাত দান করুন। অন্যের জন্য ইস্তিগফার করা এবং অন্যকে দিয়ে নিজের জন্য ইস্তিগফার করানো অনেক গুরুত্বপূর্ণ এবং ফজিলতপূর্ণ আমল। আর এ আমলটি বর্তমানে মুসলমানদের মধ্যে পুনরায় জীবিত করা প্রয়োজন। আজই পবিত্র কুরআনুল কারিম খুলুন এবং চেষ্টা করুন যেন এক বসায়ই এ বিষয়ের সকল আয়াত সামনে এসে যায়।
দেখুন কত বড় উপহার। আল্লাহ তা'আলার দয়ায় একটি সংক্ষিপ্ত শিরোনামে কুরআনুল কারিমের একটি পূর্ণাঙ্গ বিষয়ের সারমর্ম এসে যায়। চলুন প্রথমে অন্তরের ইখলাস তথা একনিষ্ঠতার সাথে কালিমায়ে তায়্যিবা পাঠ করি।
لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ؛ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ مُحَمَّدُ الرَّسُولُ اللَّهِ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ؛
এখন আসুন! নিজের সকল কবিরা ও সগিরা গুনাহসমূহ থেকে তাওবা করি।
اسْتَغْفِرُ اللَّهُ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّوْمُ وَاتُوْبُ إِلَيْهِ
নিজের মাতা-পিতা ও সকল মুসলমানের জন্য ইস্তিগফার করি।
اللَّهُمَّ اغْفِرْلِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِلْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ الْأَحْيَاءِ مِنْهُمْ وَالْأَمْوَاتِ
এখন ইখলাসের সাথে দুরূদ শরিফ পড়ন যেন কবুল হয়ে যায়।
اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ وَآلِهِ وَصَحْبِهِ وَبَارَكَ وَسَلَّمْ تَسْلِيمًا كَثِيرًا كَثِيرًا