📘 ইলা মাগফিরাহ > 📄 সূরাতুল মুদ্দাসির

📄 সূরাতুল মুদ্দাসির


সূরাতুল মুদ্দাসসির-এর ৫৬ নং আয়াতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আয়াত নং-৫৬
وَمَا يَذْكُرُونَ إِلَّا أَن يَشَاءَ اللَّهُ هُوَ أَهْلُ التَّقْوَى وَأَهْلُ الْمَغْفِرَةِ
"আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া কেউ উপদেশ গ্রহণ করতে পারে না। তিনিই ভয়ের যোগ্য এবং ক্ষমার অধিকারী।"
এই কুরআনুল কারিম নসিহতের জন্য যথেষ্ট। এই গ্রন্থ সকলের জন্য। যে কেউ চাইলেই এর থেকে উপকৃত হতে পারে। কিন্তু পরিপূর্ণ উপকৃত সে-ই হতে পারে, যাকে আল্লাহ তা'আলা চান। আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করা উচিত। আল্লাহ তা'আলা ক্ষমাকারী ও মাগফিরাত প্রদানকারী। কোন মানুষ যতই গুনাহ করুক কিন্তু তারপরে যখন সে তাকওয়ার পথ অবলম্বন করবে এবং আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করবে, তখন আল্লাহ তা'আলা তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেবেন এবং তার তাওবা কবুল করবেন।
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই আয়াত তিলাওয়াত করার পর আল্লাহ তা'আলার নিম্নের বাণীটি বর্ণনা করেন যে, আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন-আমি এর উপযুক্ত যে, বান্দা আমাকে ভয় করবে এবং আমার সাথে কোন কাজে কাউকে শরিক করবে না। অতঃপর যখন বান্দা আমাকে ভয় করল এবং শিরক থেকে পবিত্র হল, তখন আমার শান হল-আমি তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া।

সূরাতুল মুদ্দাসসির-এর ৫৬ নং আয়াতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আয়াত নং-৫৬
وَمَا يَذْكُرُونَ إِلَّا أَن يَشَاءَ اللَّهُ هُوَ أَهْلُ التَّقْوَى وَأَهْلُ الْمَغْفِرَةِ
"আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া কেউ উপদেশ গ্রহণ করতে পারে না। তিনিই ভয়ের যোগ্য এবং ক্ষমার অধিকারী।"
এই কুরআনুল কারিম নসিহতের জন্য যথেষ্ট। এই গ্রন্থ সকলের জন্য। যে কেউ চাইলেই এর থেকে উপকৃত হতে পারে। কিন্তু পরিপূর্ণ উপকৃত সে-ই হতে পারে, যাকে আল্লাহ তা'আলা চান। আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করা উচিত। আল্লাহ তা'আলা ক্ষমাকারী ও মাগফিরাত প্রদানকারী। কোন মানুষ যতই গুনাহ করুক কিন্তু তারপরে যখন সে তাকওয়ার পথ অবলম্বন করবে এবং আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করবে, তখন আল্লাহ তা'আলা তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেবেন এবং তার তাওবা কবুল করবেন।
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই আয়াত তিলাওয়াত করার পর আল্লাহ তা'আলার নিম্নের বাণীটি বর্ণনা করেন যে, আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন-আমি এর উপযুক্ত যে, বান্দা আমাকে ভয় করবে এবং আমার সাথে কোন কাজে কাউকে শরিক করবে না। অতঃপর যখন বান্দা আমাকে ভয় করল এবং শিরক থেকে পবিত্র হল, তখন আমার শান হল-আমি তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া।

সূরাতুল মুদ্দাসসির-এর ৫৬ নং আয়াতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আয়াত নং-৫৬
وَمَا يَذْكُرُونَ إِلَّا أَن يَشَاءَ اللَّهُ هُوَ أَهْلُ التَّقْوَى وَأَهْلُ الْمَغْفِرَةِ
"আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া কেউ উপদেশ গ্রহণ করতে পারে না। তিনিই ভয়ের যোগ্য এবং ক্ষমার অধিকারী।"
এই কুরআনুল কারিম নসিহতের জন্য যথেষ্ট। এই গ্রন্থ সকলের জন্য। যে কেউ চাইলেই এর থেকে উপকৃত হতে পারে। কিন্তু পরিপূর্ণ উপকৃত সে-ই হতে পারে, যাকে আল্লাহ তা'আলা চান। আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করা উচিত। আল্লাহ তা'আলা ক্ষমাকারী ও মাগফিরাত প্রদানকারী। কোন মানুষ যতই গুনাহ করুক কিন্তু তারপরে যখন সে তাকওয়ার পথ অবলম্বন করবে এবং আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করবে, তখন আল্লাহ তা'আলা তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেবেন এবং তার তাওবা কবুল করবেন।
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই আয়াত তিলাওয়াত করার পর আল্লাহ তা'আলার নিম্নের বাণীটি বর্ণনা করেন যে, আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন-আমি এর উপযুক্ত যে, বান্দা আমাকে ভয় করবে এবং আমার সাথে কোন কাজে কাউকে শরিক করবে না। অতঃপর যখন বান্দা আমাকে ভয় করল এবং শিরক থেকে পবিত্র হল, তখন আমার শান হল-আমি তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া।

সূরাতুল মুদ্দাসসির-এর ৫৬ নং আয়াতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আয়াত নং-৫৬
وَمَا يَذْكُرُونَ إِلَّا أَن يَشَاءَ اللَّهُ هُوَ أَهْلُ التَّقْوَى وَأَهْلُ الْمَغْفِرَةِ
"আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া কেউ উপদেশ গ্রহণ করতে পারে না। তিনিই ভয়ের যোগ্য এবং ক্ষমার অধিকারী।"
এই কুরআনুল কারিম নসিহতের জন্য যথেষ্ট। এই গ্রন্থ সকলের জন্য। যে কেউ চাইলেই এর থেকে উপকৃত হতে পারে। কিন্তু পরিপূর্ণ উপকৃত সে-ই হতে পারে, যাকে আল্লাহ তা'আলা চান। আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করা উচিত। আল্লাহ তা'আলা ক্ষমাকারী ও মাগফিরাত প্রদানকারী। কোন মানুষ যতই গুনাহ করুক কিন্তু তারপরে যখন সে তাকওয়ার পথ অবলম্বন করবে এবং আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করবে, তখন আল্লাহ তা'আলা তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেবেন এবং তার তাওবা কবুল করবেন।
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই আয়াত তিলাওয়াত করার পর আল্লাহ তা'আলার নিম্নের বাণীটি বর্ণনা করেন যে, আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন-আমি এর উপযুক্ত যে, বান্দা আমাকে ভয় করবে এবং আমার সাথে কোন কাজে কাউকে শরিক করবে না। অতঃপর যখন বান্দা আমাকে ভয় করল এবং শিরক থেকে পবিত্র হল, তখন আমার শান হল-আমি তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া।

📘 ইলা মাগফিরাহ > 📄 সূরাতুল বুরুজ

📄 সূরাতুল বুরুজ


সূরাতুল বুরুজ-এর ১০ ও ১৪ নং আয়াতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আয়াত নং-১০
إِنَّ الَّذِينَ فَتَنُوا الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ ثُمَّ لَمْ يَتُوبُوا فَلَهُمْ عَذَابُ جَهَنَّمَ وَلَهُمْ عَذَابُ الْحَرِيقِ
"নিশ্চয় যারা মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদেরকে আজাব দেয়, তারপর তাওবা করে না, তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের আজাব। আর তাদের জন্য রয়েছে আগুনে দগ্ধ হওয়ার আজাব।"
যে কেউই ইমানদারদেরকে কষ্ট দিয়ে তাদেরকে ইমান থেকে বিচ্যুত করার চেষ্টা করবে এবং অতঃপর এই অপরাধের জন্য তাওবা করবে না, তাহলে তার জন্য রয়েছে জাহান্নাম এবং আগুনে দগ্ধ হওয়ার শাস্তি।
অর্থাৎ এই সূরাটিতে রয়েছে আসহাবে উখদুদের কাহিনী। তবে শুধুমাত্র তাদের জন্যই নয়, বরং যে কেউই ইমানদারদের উপর জুলুম-নির্যাতন করে সত্য দীন থেকে বিচ্যুত করতে চেষ্টা করবে, অতঃপর নিজের এই কাজের জন্য তাওবাকারী না হবে, তাহলে তাদের জন্য জাহান্নামের আজাব প্রস্তুত।
উক্ত আজাবের মধ্যে অসংখ্য প্রকারের শাস্তি রয়েছে। যার মধ্যে সবচেয়ে বড় শাস্তি হল—আগুনে দগ্ধ করা হবে। যাতে শরীর ও আত্মা সব দগ্ধ করা হবে।
এই আয়াতটি থেকে তাওবার মর্যাদা অনুমান করা যায় যে, দীনের এমন জঘন্য দুশমনদের জন্যও তাওবার দরজা তাদের জীবদ্দশায় উন্মুক্ত। এজন্য শর্তারোপ করা হয়েছে যে, তারা যদি তাওবা না করে তাহলে আজাবে পতিত হবে।

আয়াত নং-১৪
وَهُوَ الْغَفُورُ الْوَدُودُ
। “আর তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, প্রেমময়।"
আল্লাহ তা'আলা الْغَفُورُ তথা অত্যন্ত ক্ষমাশীল। الْوَدُودُ তথা প্রেমময়। পেছনের আয়াতে ইরশাদ করেছেন-আল্লাহ তা'আলার পাকড়াও বড় কঠিন। আর এখানে ইরশাদ করেন-আল্লাহ তা'আলার মাগফিরাত ও মহব্বতেরও কোন সীমা নেই। তিনি তাঁর নিকট তাওবাকারী অনুগত বান্দাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেন। তাদের দোষ-ত্রুটি গোপন করেন এবং তাদেরকে বিভিন্ন প্রকার নি'আমত এবং দয়া ও অনুগ্রহ দ্বারা সম্মানিত করেন।

সূরাতুল বুরুজ-এর ১০ ও ১৪ নং আয়াতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আয়াত নং-১০
إِنَّ الَّذِينَ فَتَنُوا الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ ثُمَّ لَمْ يَتُوبُوا فَلَهُمْ عَذَابُ جَهَنَّمَ وَلَهُمْ عَذَابُ الْحَرِيقِ
"নিশ্চয় যারা মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদেরকে আজাব দেয়, তারপর তাওবা করে না, তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের আজাব। আর তাদের জন্য রয়েছে আগুনে দগ্ধ হওয়ার আজাব।"
যে কেউই ইমানদারদেরকে কষ্ট দিয়ে তাদেরকে ইমান থেকে বিচ্যুত করার চেষ্টা করবে এবং অতঃপর এই অপরাধের জন্য তাওবা করবে না, তাহলে তার জন্য রয়েছে জাহান্নাম এবং আগুনে দগ্ধ হওয়ার শাস্তি।
অর্থাৎ এই সূরাটিতে রয়েছে আসহাবে উখদুদের কাহিনী। তবে শুধুমাত্র তাদের জন্যই নয়, বরং যে কেউই ইমানদারদের উপর জুলুম-নির্যাতন করে সত্য দীন থেকে বিচ্যুত করতে চেষ্টা করবে, অতঃপর নিজের এই কাজের জন্য তাওবাকারী না হবে, তাহলে তাদের জন্য জাহান্নামের আজাব প্রস্তুত।
উক্ত আজাবের মধ্যে অসংখ্য প্রকারের শাস্তি রয়েছে। যার মধ্যে সবচেয়ে বড় শাস্তি হল—আগুনে দগ্ধ করা হবে। যাতে শরীর ও আত্মা সব দগ্ধ করা হবে।
এই আয়াতটি থেকে তাওবার মর্যাদা অনুমান করা যায় যে, দীনের এমন জঘন্য দুশমনদের জন্যও তাওবার দরজা তাদের জীবদ্দশায় উন্মুক্ত। এজন্য শর্তারোপ করা হয়েছে যে, তারা যদি তাওবা না করে তাহলে আজাবে পতিত হবে।

আয়াত নং-১৪
وَهُوَ الْغَفُورُ الْوَدُودُ
। “আর তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, প্রেমময়।"
আল্লাহ তা'আলা الْغَفُورُ তথা অত্যন্ত ক্ষমাশীল। الْوَدُودُ তথা প্রেমময়। পেছনের আয়াতে ইরশাদ করেছেন-আল্লাহ তা'আলার পাকড়াও বড় কঠিন। আর এখানে ইরশাদ করেন-আল্লাহ তা'আলার মাগফিরাত ও মহব্বতেরও কোন সীমা নেই। তিনি তাঁর নিকট তাওবাকারী অনুগত বান্দাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেন। তাদের দোষ-ত্রুটি গোপন করেন এবং তাদেরকে বিভিন্ন প্রকার নি'আমত এবং দয়া ও অনুগ্রহ দ্বারা সম্মানিত করেন।

সূরাতুল বুরুজ-এর ১০ ও ১৪ নং আয়াতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আয়াত নং-১০
إِنَّ الَّذِينَ فَتَنُوا الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ ثُمَّ لَمْ يَتُوبُوا فَلَهُمْ عَذَابُ جَهَنَّمَ وَلَهُمْ عَذَابُ الْحَرِيقِ
"নিশ্চয় যারা মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদেরকে আজাব দেয়, তারপর তাওবা করে না, তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের আজাব। আর তাদের জন্য রয়েছে আগুনে দগ্ধ হওয়ার আজাব।"
যে কেউই ইমানদারদেরকে কষ্ট দিয়ে তাদেরকে ইমান থেকে বিচ্যুত করার চেষ্টা করবে এবং অতঃপর এই অপরাধের জন্য তাওবা করবে না, তাহলে তার জন্য রয়েছে জাহান্নাম এবং আগুনে দগ্ধ হওয়ার শাস্তি।
অর্থাৎ এই সূরাটিতে রয়েছে আসহাবে উখদুদের কাহিনী। তবে শুধুমাত্র তাদের জন্যই নয়, বরং যে কেউই ইমানদারদের উপর জুলুম-নির্যাতন করে সত্য দীন থেকে বিচ্যুত করতে চেষ্টা করবে, অতঃপর নিজের এই কাজের জন্য তাওবাকারী না হবে, তাহলে তাদের জন্য জাহান্নামের আজাব প্রস্তুত।
উক্ত আজাবের মধ্যে অসংখ্য প্রকারের শাস্তি রয়েছে। যার মধ্যে সবচেয়ে বড় শাস্তি হল—আগুনে দগ্ধ করা হবে। যাতে শরীর ও আত্মা সব দগ্ধ করা হবে।
এই আয়াতটি থেকে তাওবার মর্যাদা অনুমান করা যায় যে, দীনের এমন জঘন্য দুশমনদের জন্যও তাওবার দরজা তাদের জীবদ্দশায় উন্মুক্ত। এজন্য শর্তারোপ করা হয়েছে যে, তারা যদি তাওবা না করে তাহলে আজাবে পতিত হবে।

আয়াত নং-১৪
وَهُوَ الْغَفُورُ الْوَدُودُ
। “আর তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, প্রেমময়।"
আল্লাহ তা'আলা الْغَفُورُ তথা অত্যন্ত ক্ষমাশীল। الْوَدُودُ তথা প্রেমময়। পেছনের আয়াতে ইরশাদ করেছেন-আল্লাহ তা'আলার পাকড়াও বড় কঠিন। আর এখানে ইরশাদ করেন-আল্লাহ তা'আলার মাগফিরাত ও মহব্বতেরও কোন সীমা নেই। তিনি তাঁর নিকট তাওবাকারী অনুগত বান্দাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেন। তাদের দোষ-ত্রুটি গোপন করেন এবং তাদেরকে বিভিন্ন প্রকার নি'আমত এবং দয়া ও অনুগ্রহ দ্বারা সম্মানিত করেন।

সূরাতুল বুরুজ-এর ১০ ও ১৪ নং আয়াতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আয়াত নং-১০
إِنَّ الَّذِينَ فَتَنُوا الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ ثُمَّ لَمْ يَتُوبُوا فَلَهُمْ عَذَابُ جَهَنَّمَ وَلَهُمْ عَذَابُ الْحَرِيقِ
"নিশ্চয় যারা মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদেরকে আজাব দেয়, তারপর তাওবা করে না, তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের আজাব। আর তাদের জন্য রয়েছে আগুনে দগ্ধ হওয়ার আজাব।"
যে কেউই ইমানদারদেরকে কষ্ট দিয়ে তাদেরকে ইমান থেকে বিচ্যুত করার চেষ্টা করবে এবং অতঃপর এই অপরাধের জন্য তাওবা করবে না, তাহলে তার জন্য রয়েছে জাহান্নাম এবং আগুনে দগ্ধ হওয়ার শাস্তি।
অর্থাৎ এই সূরাটিতে রয়েছে আসহাবে উখদুদের কাহিনী। তবে শুধুমাত্র তাদের জন্যই নয়, বরং যে কেউই ইমানদারদের উপর জুলুম-নির্যাতন করে সত্য দীন থেকে বিচ্যুত করতে চেষ্টা করবে, অতঃপর নিজের এই কাজের জন্য তাওবাকারী না হবে, তাহলে তাদের জন্য জাহান্নামের আজাব প্রস্তুত।
উক্ত আজাবের মধ্যে অসংখ্য প্রকারের শাস্তি রয়েছে। যার মধ্যে সবচেয়ে বড় শাস্তি হল—আগুনে দগ্ধ করা হবে। যাতে শরীর ও আত্মা সব দগ্ধ করা হবে।
এই আয়াতটি থেকে তাওবার মর্যাদা অনুমান করা যায় যে, দীনের এমন জঘন্য দুশমনদের জন্যও তাওবার দরজা তাদের জীবদ্দশায় উন্মুক্ত। এজন্য শর্তারোপ করা হয়েছে যে, তারা যদি তাওবা না করে তাহলে আজাবে পতিত হবে।

আয়াত নং-১৪
وَهُوَ الْغَفُورُ الْوَدُودُ
। “আর তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, প্রেমময়।"
আল্লাহ তা'আলা الْغَفُورُ তথা অত্যন্ত ক্ষমাশীল। الْوَدُودُ তথা প্রেমময়। পেছনের আয়াতে ইরশাদ করেছেন-আল্লাহ তা'আলার পাকড়াও বড় কঠিন। আর এখানে ইরশাদ করেন-আল্লাহ তা'আলার মাগফিরাত ও মহব্বতেরও কোন সীমা নেই। তিনি তাঁর নিকট তাওবাকারী অনুগত বান্দাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেন। তাদের দোষ-ত্রুটি গোপন করেন এবং তাদেরকে বিভিন্ন প্রকার নি'আমত এবং দয়া ও অনুগ্রহ দ্বারা সম্মানিত করেন।

📘 ইলা মাগফিরাহ > 📄 সূরাতুন নাসর

📄 সূরাতুন নাসর


সূরাতুন নাসর-এর পুরো সূরাতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

إِذَا جَاءَ نَصْرُ اللَّهِ وَالْفَتْحُ وَرَأَيْتَ النَّاسَ يَدْخُلُونَ فِي دِينِ اللَّهِ أَفْوَاجًا فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ وَاسْتَغْفِرْهُ إِنَّهُ كَانَ تَوَّابًا
“যখন আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় আসবে, আর আপনি মানুষকে দলে দলে আল্লাহর দীনে প্রবেশ করতে দেখবেন, তখন আপনি আপনার রবের পবিত্রতা বর্ণনা করুন এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় তিনি তাওবা কবুলকারী।"
বিজয়ের পরে ইস্তিগফার। আল্লাহ তা'আলার নুসরাত বা সাহায্য পাওয়ার পরে ইস্তিগফার। মহাসফলতা ও গ্রহণীয়তা পাওয়ার পরে ইস্তিগফার। কোন কাজ ভালভাবে সম্পাদনের পরে ইস্তিগফার। দায়িত্ব আদায়ের পর ইস্তিগফার। আল্লাহ তা'আলার সাথে সাক্ষাতের প্রস্তুতির পূর্বে ইস্তিগফার। নিজের দীনি কাজের হেফাজত ও উন্নতির জন্য ইস্তিগফার। আল্লাহ তা'আলার শোকর আদায়ের জন্য ইস্তিগফার। ইস্তিগফারের অসংখ্য উপকারিতা ও ফজিলত বুঝানোর সুরা হল এই সূরা।
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনের শেষ দিকে এসে যখন মক্কা বিজয় হল, তখন আরবের বিভিন্ন গোত্র দলে দলে এসে মুসলমান হতে লাগল। আল্লাহ তা'আলার ওয়াদা সত্যে পরিণত হল। এখন উম্মতের গুনাহসমূহ ক্ষমা করান। যেন শাফা'আতের মর্যাদাও লাভ হয়। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শেষ বয়সে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জানতে পারলেন যে, দুনিয়াতে তাঁর যে কাজ ছিল, তা পূর্ণ হয়েছে। এখন পরকালের সফরের সময়। তাই এই সুরা অবতীর্ণ হওয়ার পর নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাসবিহ-তাহলিল ও ইস্তিগফার বাড়িয়ে দিলেন। নামাজের মধ্যেও এবং নামাজের বাহিরেও। হাদিস শরিফে এ সকল তাসবিহ ও ইস্তিগফারগুলো এই শব্দে এসেছে। যেমন-
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي
سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ وَاسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ
سُبْحَانَ رَبِّي وَبِحَمْدِهِ وَاسْتَغْفِرُهُ إِنَّهُ كَانَ تَوَّابًا
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ إِلَيْكَ
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ رَبِّ اغْفِرْ لِي وَتُبْ عَلَى إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيم
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ اليك
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي سُبْحَانَكَ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ
سُبْحَانَكَ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْنِي
سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ اسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ
মুহাম্মাদ খুবাইব হাফি ২১ জমাদিউল উখরা ১৪৩২ হিজরী ১১ এপ্রিল ২০১৫ ঈসায়ী ভোর: ৪. ৩০ মি:

সূরাতুন নাসর-এর পুরো সূরাতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

إِذَا جَاءَ نَصْرُ اللَّهِ وَالْفَتْحُ وَرَأَيْتَ النَّاسَ يَدْخُلُونَ فِي دِينِ اللَّهِ أَفْوَاجًا فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ وَاسْتَغْفِرْهُ إِنَّهُ كَانَ تَوَّابًا
“যখন আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় আসবে, আর আপনি মানুষকে দলে দলে আল্লাহর দীনে প্রবেশ করতে দেখবেন, তখন আপনি আপনার রবের পবিত্রতা বর্ণনা করুন এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় তিনি তাওবা কবুলকারী।"
বিজয়ের পরে ইস্তিগফার। আল্লাহ তা'আলার নুসরাত বা সাহায্য পাওয়ার পরে ইস্তিগফার। মহাসফলতা ও গ্রহণীয়তা পাওয়ার পরে ইস্তিগফার। কোন কাজ ভালভাবে সম্পাদনের পরে ইস্তিগফার। দায়িত্ব আদায়ের পর ইস্তিগফার। আল্লাহ তা'আলার সাথে সাক্ষাতের প্রস্তুতির পূর্বে ইস্তিগফার। নিজের দীনি কাজের হেফাজত ও উন্নতির জন্য ইস্তিগফার। আল্লাহ তা'আলার শোকর আদায়ের জন্য ইস্তিগফার। ইস্তিগফারের অসংখ্য উপকারিতা ও ফজিলত বুঝানোর সুরা হল এই সূরা।
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনের শেষ দিকে এসে যখন মক্কা বিজয় হল, তখন আরবের বিভিন্ন গোত্র দলে দলে এসে মুসলমান হতে লাগল। আল্লাহ তা'আলার ওয়াদা সত্যে পরিণত হল। এখন উম্মতের গুনাহসমূহ ক্ষমা করান। যেন শাফা'আতের মর্যাদাও লাভ হয়। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শেষ বয়সে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জানতে পারলেন যে, দুনিয়াতে তাঁর যে কাজ ছিল, তা পূর্ণ হয়েছে। এখন পরকালের সফরের সময়। তাই এই সুরা অবতীর্ণ হওয়ার পর নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাসবিহ-তাহলিল ও ইস্তিগফার বাড়িয়ে দিলেন। নামাজের মধ্যেও এবং নামাজের বাহিরেও। হাদিস শরিফে এ সকল তাসবিহ ও ইস্তিগফারগুলো এই শব্দে এসেছে। যেমন-
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي
سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ وَاسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ
سُبْحَانَ رَبِّي وَبِحَمْدِهِ وَاسْتَغْفِرُهُ إِنَّهُ كَانَ تَوَّابًا
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ إِلَيْكَ
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ رَبِّ اغْفِرْ لِي وَتُبْ عَلَى إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيم
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ اليك
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي سُبْحَانَكَ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ
سُبْحَانَكَ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْنِي
سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ اسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ
মুহাম্মাদ খুবাইব হাফি ২১ জমাদিউল উখরা ১৪৩২ হিজরী ১১ এপ্রিল ২০১৫ ঈসায়ী ভোর: ৪. ৩০ মি:

সূরাতুন নাসর-এর পুরো সূরাতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

إِذَا جَاءَ نَصْرُ اللَّهِ وَالْفَتْحُ وَرَأَيْتَ النَّاسَ يَدْخُلُونَ فِي دِينِ اللَّهِ أَفْوَاجًا فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ وَاسْتَغْفِرْهُ إِنَّهُ كَانَ تَوَّابًا
“যখন আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় আসবে, আর আপনি মানুষকে দলে দলে আল্লাহর দীনে প্রবেশ করতে দেখবেন, তখন আপনি আপনার রবের পবিত্রতা বর্ণনা করুন এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় তিনি তাওবা কবুলকারী।"
বিজয়ের পরে ইস্তিগফার। আল্লাহ তা'আলার নুসরাত বা সাহায্য পাওয়ার পরে ইস্তিগফার। মহাসফলতা ও গ্রহণীয়তা পাওয়ার পরে ইস্তিগফার। কোন কাজ ভালভাবে সম্পাদনের পরে ইস্তিগফার। দায়িত্ব আদায়ের পর ইস্তিগফার। আল্লাহ তা'আলার সাথে সাক্ষাতের প্রস্তুতির পূর্বে ইস্তিগফার। নিজের দীনি কাজের হেফাজত ও উন্নতির জন্য ইস্তিগফার। আল্লাহ তা'আলার শোকর আদায়ের জন্য ইস্তিগফার। ইস্তিগফারের অসংখ্য উপকারিতা ও ফজিলত বুঝানোর সুরা হল এই সূরা।
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনের শেষ দিকে এসে যখন মক্কা বিজয় হল, তখন আরবের বিভিন্ন গোত্র দলে দলে এসে মুসলমান হতে লাগল। আল্লাহ তা'আলার ওয়াদা সত্যে পরিণত হল। এখন উম্মতের গুনাহসমূহ ক্ষমা করান। যেন শাফা'আতের মর্যাদাও লাভ হয়। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শেষ বয়সে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জানতে পারলেন যে, দুনিয়াতে তাঁর যে কাজ ছিল, তা পূর্ণ হয়েছে। এখন পরকালের সফরের সময়। তাই এই সুরা অবতীর্ণ হওয়ার পর নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাসবিহ-তাহলিল ও ইস্তিগফার বাড়িয়ে দিলেন। নামাজের মধ্যেও এবং নামাজের বাহিরেও। হাদিস শরিফে এ সকল তাসবিহ ও ইস্তিগফারগুলো এই শব্দে এসেছে। যেমন-
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي
سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ وَاسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ
سُبْحَانَ رَبِّي وَبِحَمْدِهِ وَاسْتَغْفِرُهُ إِنَّهُ كَانَ تَوَّابًا
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ إِلَيْكَ
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ رَبِّ اغْفِرْ لِي وَتُبْ عَلَى إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيم
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ اليك
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي سُبْحَانَكَ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ
سُبْحَانَكَ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْنِي
سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ اسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ
মুহাম্মাদ খুবাইব হাফি ২১ জমাদিউল উখরা ১৪৩২ হিজরী ১১ এপ্রিল ২০১৫ ঈসায়ী ভোর: ৪. ৩০ মি:

সূরাতুন নাসর-এর পুরো সূরাতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

إِذَا جَاءَ نَصْرُ اللَّهِ وَالْفَتْحُ وَرَأَيْتَ النَّاسَ يَدْخُلُونَ فِي دِينِ اللَّهِ أَفْوَاجًا فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ وَاسْتَغْفِرْهُ إِنَّهُ كَانَ تَوَّابًا
“যখন আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় আসবে, আর আপনি মানুষকে দলে দলে আল্লাহর দীনে প্রবেশ করতে দেখবেন, তখন আপনি আপনার রবের পবিত্রতা বর্ণনা করুন এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় তিনি তাওবা কবুলকারী।"
বিজয়ের পরে ইস্তিগফার। আল্লাহ তা'আলার নুসরাত বা সাহায্য পাওয়ার পরে ইস্তিগফার। মহাসফলতা ও গ্রহণীয়তা পাওয়ার পরে ইস্তিগফার। কোন কাজ ভালভাবে সম্পাদনের পরে ইস্তিগফার। দায়িত্ব আদায়ের পর ইস্তিগফার। আল্লাহ তা'আলার সাথে সাক্ষাতের প্রস্তুতির পূর্বে ইস্তিগফার। নিজের দীনি কাজের হেফাজত ও উন্নতির জন্য ইস্তিগফার। আল্লাহ তা'আলার শোকর আদায়ের জন্য ইস্তিগফার। ইস্তিগফারের অসংখ্য উপকারিতা ও ফজিলত বুঝানোর সুরা হল এই সূরা।
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনের শেষ দিকে এসে যখন মক্কা বিজয় হল, তখন আরবের বিভিন্ন গোত্র দলে দলে এসে মুসলমান হতে লাগল। আল্লাহ তা'আলার ওয়াদা সত্যে পরিণত হল। এখন উম্মতের গুনাহসমূহ ক্ষমা করান। যেন শাফা'আতের মর্যাদাও লাভ হয়। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শেষ বয়সে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জানতে পারলেন যে, দুনিয়াতে তাঁর যে কাজ ছিল, তা পূর্ণ হয়েছে। এখন পরকালের সফরের সময়। তাই এই সুরা অবতীর্ণ হওয়ার পর নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাসবিহ-তাহলিল ও ইস্তিগফার বাড়িয়ে দিলেন। নামাজের মধ্যেও এবং নামাজের বাহিরেও। হাদিস শরিফে এ সকল তাসবিহ ও ইস্তিগফারগুলো এই শব্দে এসেছে। যেমন-
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي
سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ وَاسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ
سُبْحَانَ رَبِّي وَبِحَمْدِهِ وَاسْتَغْفِرُهُ إِنَّهُ كَانَ تَوَّابًا
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ إِلَيْكَ
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ رَبِّ اغْفِرْ لِي وَتُبْ عَلَى إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيم
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ اليك
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي سُبْحَانَكَ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ
سُبْحَانَكَ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْنِي
سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ اسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ
মুহাম্মাদ খুবাইব হাফি ২১ জমাদিউল উখরা ১৪৩২ হিজরী ১১ এপ্রিল ২০১৫ ঈসায়ী ভোর: ৪. ৩০ মি:

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00