📘 ইলা মাগফিরাহ > 📄 সূরাতুল মুযম্মিল

📄 সূরাতুল মুযম্মিল


সূরাতুল মুযযাম্মিল-এর ২০ নং আয়াতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

[ আয়াত নং-২০
إِنَّ رَبَّكَ يَعْلَمُ أَنَّكَ تَقُومُ أَدْنَى مِن ثُلُثَيِ اللَّيْلِ وَنِصْفَهُ وَثُلُثَهُ وَطَائِفَةٌ مِّنَ الَّذِينَ مَعَكَ وَاللَّهُ يُقَدِرُ اللَّيْلَ وَالنَّهَارَ عَلِمَ أَن لَّن تُحْصُوهُ فَتَابَ عَلَيْكُمْ فَاقْرَءُوا مَا تَيَسَّرَ مِنَ الْقُرْآنِ عَلِمَ أَن سَيَكُونُ مِنكُم مَّرْضَى وَآخَرُونَ يَضْرِبُونَ فِي الْأَرْضِ يَبْتَغُونَ مِن فَضْلِ اللَّهِ وَآخَرُونَ يُقَاتِلُونَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَاقْرَءُوا مَا تَيَسَّرَ مِنْهُ وَأَقِيمُوا الصَّلَاةَ وَآتُوا الزَّكَاةَ وَأَقْرِضُوا اللهَ قَرْضًا حَسَنًا وَمَا تُقَدِّمُوا لِّأَنفُسِكُم مِّنْ خَيْرٍ تَجِدُوهُ عِندَ اللهِ هُوَ خَيْرًا وَأَعْظَمَ أَجْرًا وَاسْتَغْفِرُوا اللَّهَ إِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
“নিশ্চয় তোমার রব জানেন যে, তুমি রাতের দুই তৃতীয়াংশের কিছু কম, অথবা অর্ধরাত অথবা রাতের এক তৃতীয়াংশ সালাতে দাঁড়িয়ে থাক এবং তোমার সাথে যারা আছে তাদের মধ্য থেকে একটি দলও। আর আল্লাহ রাত ও দিন নিরূপণ করেন। তিনি জানেন যে, তোমরা তা করতে সক্ষম হবে না। তাই তিনি তোমাদেরকে ক্ষমা করলেন। অতএব তোমরা কুরআন থেকে যতটুক সহজ ততটুকু পড়। তিনি জানেন তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ অসুস্থ হয়ে পড়বে। আর কেউ কেউ আল্লাহর অনুগ্রহ সন্ধানে পৃথিবীতে ভ্রমণ করবে, আর কেউ কেউ আল্লাহর পথে লড়াই করবে। অতএব তোমরা কুরআন থেকে যতটুকু সহজ ততটুকু পড়। আর সালাত কায়েম কর, জাকাত দাও এবং আল্লাহকে উত্তম ঋণ দাও। আর তোমরা নিজেদের জন্য মঙ্গলজনক যা কিছু অগ্রে পাঠাবে তোমরা তা আল্লাহর কাছে পাবে প্রতিদান হিসেবে উৎকৃষ্টতর ও মহত্তররূপে। আর তোমরা আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাও। নিশ্চয় আল্লাহ অতীব ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।”
আল্লাহ তা'আলার জানা আছে যে, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও তার সাহাবায়ে কেরামগণ তাহাজ্জুদ এর হুকুমের পূর্ণ আমল করেছে এবং কখনো অর্ধরাত, কখনো রাতের এক তৃতীয়াংশ এবং কখনো দুই তৃতীয়াংশ তারা নামাজে কাটাতেন। আল্লাহ তা'আলার এটাও জানা আছে যে, তোমরা এটা সর্বদা পূর্ণ করতে পারবে না। যার ফলে আল্লাহ তা'আলা স্বীয় রহমতে ক্ষমার ঘোষণা প্রেরণ করে দিলেন- فَتَابَ عَلَيْكُمْ তাই তিনি তোমাদেরকে ক্ষমা করলেন। এজন্য যার উঠার তাওফিক হয়, সে যত রাকাত ইচ্ছা সালাত পড়বে এবং তাতে যে পরিমাণ ইচ্ছা কুরআন তিলাওয়াত করবে। এখন উম্মতের উপর তাহাজ্জুদের সালাত ফরজও নয় এবং না এর জন্য কোন ওয়াক্ত এবং তিলাওয়াতের নির্ধারিত পরিমাণের কোন শর্ত আছে যে, রাতের এত অংশ দাঁড়িয়ে থাকতে হবে এবং এ পরিমাণ কুরআন পড়তে হবে। আল্লাহ তা'আলা জানতেন যে, তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ অসুস্থও হতে পারে। অনেকে আবার সফরে থাকতে পারে। তোমাদের মধ্যে এমন মর্দে মুজাহিদও থাকতে পারে যে যুদ্ধরত অবস্থায় আছে। এজন্য তোমাদের উপর সহজ করে দেওয়া হয়েছে-তোমরা নামাজের মধ্যে যে পরিমাণ কুরআন পড়া সহজ হয়, ঐ পরিমাণই পড়। তবে হ্যাঁ! ফরজ সালাতসমূহ খুব গুরুত্বের সাথে আদায় করতে থাক। জাকাত দিতে থাক এবং আল্লাহর রাস্তায় আনন্দচিত্তে সম্পদ ব্যয় করতে থাক। আর স্মরণ রাখবে, তোমরা যে নেক আমল এখানে করবে, আল্লাহ তা'আলার নিকট থেকে তা অনেক উত্তমরূপে ফেরত পাবে এবং এর জন্য অনেক বেশি প্রতিদানও লাভ করবে। এ সকল নেক আমল মূলত ঐ রশদ যা তোমরা তোমাদের প্রকৃত জীবনের জন্য আল্লাহ তা'আলার নিকট জমা করছ। এজন্য এটা মনে করো না যে, নেকি এখানে শেষ হয়ে যাবে। আর এই আয়াতে সর্বশেষ হুকুম হল- وَاسْتَغْفِرُوا اللَّهَ আর আল্লাহ তা'আলার নিকট ইস্তিগফার করতে থাক।
প্রতিটি মানুষেরই কিছু না কিছু ভুল-ত্রুটি থাকেই। গুনাহ এবং ত্রুটি-বিচ্যুতি হয়েই যায়। সুতরাং সেগুলোর ক্ষতিপূরণের জন্য ইস্তিগফার করতে থাক। আল্লাহ তা'আলার নিকট ক্ষমাপ্রার্থনা করতে থাক। إِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
নিশ্চয় আল্লাহ তা'আলা অতীব ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

📘 ইলা মাগফিরাহ > 📄 সূরাতুল মুদ্দাসির

📄 সূরাতুল মুদ্দাসির


সূরাতুল মুদ্দাসসির-এর ৫৬ নং আয়াতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আয়াত নং-৫৬
وَمَا يَذْكُرُونَ إِلَّا أَن يَشَاءَ اللَّهُ هُوَ أَهْلُ التَّقْوَى وَأَهْلُ الْمَغْفِرَةِ
"আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া কেউ উপদেশ গ্রহণ করতে পারে না। তিনিই ভয়ের যোগ্য এবং ক্ষমার অধিকারী।"
এই কুরআনুল কারিম নসিহতের জন্য যথেষ্ট। এই গ্রন্থ সকলের জন্য। যে কেউ চাইলেই এর থেকে উপকৃত হতে পারে। কিন্তু পরিপূর্ণ উপকৃত সে-ই হতে পারে, যাকে আল্লাহ তা'আলা চান। আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করা উচিত। আল্লাহ তা'আলা ক্ষমাকারী ও মাগফিরাত প্রদানকারী। কোন মানুষ যতই গুনাহ করুক কিন্তু তারপরে যখন সে তাকওয়ার পথ অবলম্বন করবে এবং আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করবে, তখন আল্লাহ তা'আলা তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেবেন এবং তার তাওবা কবুল করবেন।
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই আয়াত তিলাওয়াত করার পর আল্লাহ তা'আলার নিম্নের বাণীটি বর্ণনা করেন যে, আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন-আমি এর উপযুক্ত যে, বান্দা আমাকে ভয় করবে এবং আমার সাথে কোন কাজে কাউকে শরিক করবে না। অতঃপর যখন বান্দা আমাকে ভয় করল এবং শিরক থেকে পবিত্র হল, তখন আমার শান হল-আমি তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া।

সূরাতুল মুদ্দাসসির-এর ৫৬ নং আয়াতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আয়াত নং-৫৬
وَمَا يَذْكُرُونَ إِلَّا أَن يَشَاءَ اللَّهُ هُوَ أَهْلُ التَّقْوَى وَأَهْلُ الْمَغْفِرَةِ
"আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া কেউ উপদেশ গ্রহণ করতে পারে না। তিনিই ভয়ের যোগ্য এবং ক্ষমার অধিকারী।"
এই কুরআনুল কারিম নসিহতের জন্য যথেষ্ট। এই গ্রন্থ সকলের জন্য। যে কেউ চাইলেই এর থেকে উপকৃত হতে পারে। কিন্তু পরিপূর্ণ উপকৃত সে-ই হতে পারে, যাকে আল্লাহ তা'আলা চান। আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করা উচিত। আল্লাহ তা'আলা ক্ষমাকারী ও মাগফিরাত প্রদানকারী। কোন মানুষ যতই গুনাহ করুক কিন্তু তারপরে যখন সে তাকওয়ার পথ অবলম্বন করবে এবং আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করবে, তখন আল্লাহ তা'আলা তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেবেন এবং তার তাওবা কবুল করবেন।
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই আয়াত তিলাওয়াত করার পর আল্লাহ তা'আলার নিম্নের বাণীটি বর্ণনা করেন যে, আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন-আমি এর উপযুক্ত যে, বান্দা আমাকে ভয় করবে এবং আমার সাথে কোন কাজে কাউকে শরিক করবে না। অতঃপর যখন বান্দা আমাকে ভয় করল এবং শিরক থেকে পবিত্র হল, তখন আমার শান হল-আমি তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া।

সূরাতুল মুদ্দাসসির-এর ৫৬ নং আয়াতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আয়াত নং-৫৬
وَمَا يَذْكُرُونَ إِلَّا أَن يَشَاءَ اللَّهُ هُوَ أَهْلُ التَّقْوَى وَأَهْلُ الْمَغْفِرَةِ
"আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া কেউ উপদেশ গ্রহণ করতে পারে না। তিনিই ভয়ের যোগ্য এবং ক্ষমার অধিকারী।"
এই কুরআনুল কারিম নসিহতের জন্য যথেষ্ট। এই গ্রন্থ সকলের জন্য। যে কেউ চাইলেই এর থেকে উপকৃত হতে পারে। কিন্তু পরিপূর্ণ উপকৃত সে-ই হতে পারে, যাকে আল্লাহ তা'আলা চান। আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করা উচিত। আল্লাহ তা'আলা ক্ষমাকারী ও মাগফিরাত প্রদানকারী। কোন মানুষ যতই গুনাহ করুক কিন্তু তারপরে যখন সে তাকওয়ার পথ অবলম্বন করবে এবং আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করবে, তখন আল্লাহ তা'আলা তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেবেন এবং তার তাওবা কবুল করবেন।
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই আয়াত তিলাওয়াত করার পর আল্লাহ তা'আলার নিম্নের বাণীটি বর্ণনা করেন যে, আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন-আমি এর উপযুক্ত যে, বান্দা আমাকে ভয় করবে এবং আমার সাথে কোন কাজে কাউকে শরিক করবে না। অতঃপর যখন বান্দা আমাকে ভয় করল এবং শিরক থেকে পবিত্র হল, তখন আমার শান হল-আমি তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া।

সূরাতুল মুদ্দাসসির-এর ৫৬ নং আয়াতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আয়াত নং-৫৬
وَمَا يَذْكُرُونَ إِلَّا أَن يَشَاءَ اللَّهُ هُوَ أَهْلُ التَّقْوَى وَأَهْلُ الْمَغْفِرَةِ
"আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া কেউ উপদেশ গ্রহণ করতে পারে না। তিনিই ভয়ের যোগ্য এবং ক্ষমার অধিকারী।"
এই কুরআনুল কারিম নসিহতের জন্য যথেষ্ট। এই গ্রন্থ সকলের জন্য। যে কেউ চাইলেই এর থেকে উপকৃত হতে পারে। কিন্তু পরিপূর্ণ উপকৃত সে-ই হতে পারে, যাকে আল্লাহ তা'আলা চান। আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করা উচিত। আল্লাহ তা'আলা ক্ষমাকারী ও মাগফিরাত প্রদানকারী। কোন মানুষ যতই গুনাহ করুক কিন্তু তারপরে যখন সে তাকওয়ার পথ অবলম্বন করবে এবং আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করবে, তখন আল্লাহ তা'আলা তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেবেন এবং তার তাওবা কবুল করবেন।
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই আয়াত তিলাওয়াত করার পর আল্লাহ তা'আলার নিম্নের বাণীটি বর্ণনা করেন যে, আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন-আমি এর উপযুক্ত যে, বান্দা আমাকে ভয় করবে এবং আমার সাথে কোন কাজে কাউকে শরিক করবে না। অতঃপর যখন বান্দা আমাকে ভয় করল এবং শিরক থেকে পবিত্র হল, তখন আমার শান হল-আমি তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া।

📘 ইলা মাগফিরাহ > 📄 সূরাতুল বুরুজ

📄 সূরাতুল বুরুজ


সূরাতুল বুরুজ-এর ১০ ও ১৪ নং আয়াতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আয়াত নং-১০
إِنَّ الَّذِينَ فَتَنُوا الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ ثُمَّ لَمْ يَتُوبُوا فَلَهُمْ عَذَابُ جَهَنَّمَ وَلَهُمْ عَذَابُ الْحَرِيقِ
"নিশ্চয় যারা মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদেরকে আজাব দেয়, তারপর তাওবা করে না, তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের আজাব। আর তাদের জন্য রয়েছে আগুনে দগ্ধ হওয়ার আজাব।"
যে কেউই ইমানদারদেরকে কষ্ট দিয়ে তাদেরকে ইমান থেকে বিচ্যুত করার চেষ্টা করবে এবং অতঃপর এই অপরাধের জন্য তাওবা করবে না, তাহলে তার জন্য রয়েছে জাহান্নাম এবং আগুনে দগ্ধ হওয়ার শাস্তি।
অর্থাৎ এই সূরাটিতে রয়েছে আসহাবে উখদুদের কাহিনী। তবে শুধুমাত্র তাদের জন্যই নয়, বরং যে কেউই ইমানদারদের উপর জুলুম-নির্যাতন করে সত্য দীন থেকে বিচ্যুত করতে চেষ্টা করবে, অতঃপর নিজের এই কাজের জন্য তাওবাকারী না হবে, তাহলে তাদের জন্য জাহান্নামের আজাব প্রস্তুত।
উক্ত আজাবের মধ্যে অসংখ্য প্রকারের শাস্তি রয়েছে। যার মধ্যে সবচেয়ে বড় শাস্তি হল—আগুনে দগ্ধ করা হবে। যাতে শরীর ও আত্মা সব দগ্ধ করা হবে।
এই আয়াতটি থেকে তাওবার মর্যাদা অনুমান করা যায় যে, দীনের এমন জঘন্য দুশমনদের জন্যও তাওবার দরজা তাদের জীবদ্দশায় উন্মুক্ত। এজন্য শর্তারোপ করা হয়েছে যে, তারা যদি তাওবা না করে তাহলে আজাবে পতিত হবে।

আয়াত নং-১৪
وَهُوَ الْغَفُورُ الْوَدُودُ
। “আর তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, প্রেমময়।"
আল্লাহ তা'আলা الْغَفُورُ তথা অত্যন্ত ক্ষমাশীল। الْوَدُودُ তথা প্রেমময়। পেছনের আয়াতে ইরশাদ করেছেন-আল্লাহ তা'আলার পাকড়াও বড় কঠিন। আর এখানে ইরশাদ করেন-আল্লাহ তা'আলার মাগফিরাত ও মহব্বতেরও কোন সীমা নেই। তিনি তাঁর নিকট তাওবাকারী অনুগত বান্দাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেন। তাদের দোষ-ত্রুটি গোপন করেন এবং তাদেরকে বিভিন্ন প্রকার নি'আমত এবং দয়া ও অনুগ্রহ দ্বারা সম্মানিত করেন।

সূরাতুল বুরুজ-এর ১০ ও ১৪ নং আয়াতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আয়াত নং-১০
إِنَّ الَّذِينَ فَتَنُوا الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ ثُمَّ لَمْ يَتُوبُوا فَلَهُمْ عَذَابُ جَهَنَّمَ وَلَهُمْ عَذَابُ الْحَرِيقِ
"নিশ্চয় যারা মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদেরকে আজাব দেয়, তারপর তাওবা করে না, তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের আজাব। আর তাদের জন্য রয়েছে আগুনে দগ্ধ হওয়ার আজাব।"
যে কেউই ইমানদারদেরকে কষ্ট দিয়ে তাদেরকে ইমান থেকে বিচ্যুত করার চেষ্টা করবে এবং অতঃপর এই অপরাধের জন্য তাওবা করবে না, তাহলে তার জন্য রয়েছে জাহান্নাম এবং আগুনে দগ্ধ হওয়ার শাস্তি।
অর্থাৎ এই সূরাটিতে রয়েছে আসহাবে উখদুদের কাহিনী। তবে শুধুমাত্র তাদের জন্যই নয়, বরং যে কেউই ইমানদারদের উপর জুলুম-নির্যাতন করে সত্য দীন থেকে বিচ্যুত করতে চেষ্টা করবে, অতঃপর নিজের এই কাজের জন্য তাওবাকারী না হবে, তাহলে তাদের জন্য জাহান্নামের আজাব প্রস্তুত।
উক্ত আজাবের মধ্যে অসংখ্য প্রকারের শাস্তি রয়েছে। যার মধ্যে সবচেয়ে বড় শাস্তি হল—আগুনে দগ্ধ করা হবে। যাতে শরীর ও আত্মা সব দগ্ধ করা হবে।
এই আয়াতটি থেকে তাওবার মর্যাদা অনুমান করা যায় যে, দীনের এমন জঘন্য দুশমনদের জন্যও তাওবার দরজা তাদের জীবদ্দশায় উন্মুক্ত। এজন্য শর্তারোপ করা হয়েছে যে, তারা যদি তাওবা না করে তাহলে আজাবে পতিত হবে।

আয়াত নং-১৪
وَهُوَ الْغَفُورُ الْوَدُودُ
। “আর তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, প্রেমময়।"
আল্লাহ তা'আলা الْغَفُورُ তথা অত্যন্ত ক্ষমাশীল। الْوَدُودُ তথা প্রেমময়। পেছনের আয়াতে ইরশাদ করেছেন-আল্লাহ তা'আলার পাকড়াও বড় কঠিন। আর এখানে ইরশাদ করেন-আল্লাহ তা'আলার মাগফিরাত ও মহব্বতেরও কোন সীমা নেই। তিনি তাঁর নিকট তাওবাকারী অনুগত বান্দাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেন। তাদের দোষ-ত্রুটি গোপন করেন এবং তাদেরকে বিভিন্ন প্রকার নি'আমত এবং দয়া ও অনুগ্রহ দ্বারা সম্মানিত করেন।

সূরাতুল বুরুজ-এর ১০ ও ১৪ নং আয়াতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আয়াত নং-১০
إِنَّ الَّذِينَ فَتَنُوا الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ ثُمَّ لَمْ يَتُوبُوا فَلَهُمْ عَذَابُ جَهَنَّمَ وَلَهُمْ عَذَابُ الْحَرِيقِ
"নিশ্চয় যারা মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদেরকে আজাব দেয়, তারপর তাওবা করে না, তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের আজাব। আর তাদের জন্য রয়েছে আগুনে দগ্ধ হওয়ার আজাব।"
যে কেউই ইমানদারদেরকে কষ্ট দিয়ে তাদেরকে ইমান থেকে বিচ্যুত করার চেষ্টা করবে এবং অতঃপর এই অপরাধের জন্য তাওবা করবে না, তাহলে তার জন্য রয়েছে জাহান্নাম এবং আগুনে দগ্ধ হওয়ার শাস্তি।
অর্থাৎ এই সূরাটিতে রয়েছে আসহাবে উখদুদের কাহিনী। তবে শুধুমাত্র তাদের জন্যই নয়, বরং যে কেউই ইমানদারদের উপর জুলুম-নির্যাতন করে সত্য দীন থেকে বিচ্যুত করতে চেষ্টা করবে, অতঃপর নিজের এই কাজের জন্য তাওবাকারী না হবে, তাহলে তাদের জন্য জাহান্নামের আজাব প্রস্তুত।
উক্ত আজাবের মধ্যে অসংখ্য প্রকারের শাস্তি রয়েছে। যার মধ্যে সবচেয়ে বড় শাস্তি হল—আগুনে দগ্ধ করা হবে। যাতে শরীর ও আত্মা সব দগ্ধ করা হবে।
এই আয়াতটি থেকে তাওবার মর্যাদা অনুমান করা যায় যে, দীনের এমন জঘন্য দুশমনদের জন্যও তাওবার দরজা তাদের জীবদ্দশায় উন্মুক্ত। এজন্য শর্তারোপ করা হয়েছে যে, তারা যদি তাওবা না করে তাহলে আজাবে পতিত হবে।

আয়াত নং-১৪
وَهُوَ الْغَفُورُ الْوَدُودُ
। “আর তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, প্রেমময়।"
আল্লাহ তা'আলা الْغَفُورُ তথা অত্যন্ত ক্ষমাশীল। الْوَدُودُ তথা প্রেমময়। পেছনের আয়াতে ইরশাদ করেছেন-আল্লাহ তা'আলার পাকড়াও বড় কঠিন। আর এখানে ইরশাদ করেন-আল্লাহ তা'আলার মাগফিরাত ও মহব্বতেরও কোন সীমা নেই। তিনি তাঁর নিকট তাওবাকারী অনুগত বান্দাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেন। তাদের দোষ-ত্রুটি গোপন করেন এবং তাদেরকে বিভিন্ন প্রকার নি'আমত এবং দয়া ও অনুগ্রহ দ্বারা সম্মানিত করেন।

সূরাতুল বুরুজ-এর ১০ ও ১৪ নং আয়াতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আয়াত নং-১০
إِنَّ الَّذِينَ فَتَنُوا الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ ثُمَّ لَمْ يَتُوبُوا فَلَهُمْ عَذَابُ جَهَنَّمَ وَلَهُمْ عَذَابُ الْحَرِيقِ
"নিশ্চয় যারা মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদেরকে আজাব দেয়, তারপর তাওবা করে না, তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের আজাব। আর তাদের জন্য রয়েছে আগুনে দগ্ধ হওয়ার আজাব।"
যে কেউই ইমানদারদেরকে কষ্ট দিয়ে তাদেরকে ইমান থেকে বিচ্যুত করার চেষ্টা করবে এবং অতঃপর এই অপরাধের জন্য তাওবা করবে না, তাহলে তার জন্য রয়েছে জাহান্নাম এবং আগুনে দগ্ধ হওয়ার শাস্তি।
অর্থাৎ এই সূরাটিতে রয়েছে আসহাবে উখদুদের কাহিনী। তবে শুধুমাত্র তাদের জন্যই নয়, বরং যে কেউই ইমানদারদের উপর জুলুম-নির্যাতন করে সত্য দীন থেকে বিচ্যুত করতে চেষ্টা করবে, অতঃপর নিজের এই কাজের জন্য তাওবাকারী না হবে, তাহলে তাদের জন্য জাহান্নামের আজাব প্রস্তুত।
উক্ত আজাবের মধ্যে অসংখ্য প্রকারের শাস্তি রয়েছে। যার মধ্যে সবচেয়ে বড় শাস্তি হল—আগুনে দগ্ধ করা হবে। যাতে শরীর ও আত্মা সব দগ্ধ করা হবে।
এই আয়াতটি থেকে তাওবার মর্যাদা অনুমান করা যায় যে, দীনের এমন জঘন্য দুশমনদের জন্যও তাওবার দরজা তাদের জীবদ্দশায় উন্মুক্ত। এজন্য শর্তারোপ করা হয়েছে যে, তারা যদি তাওবা না করে তাহলে আজাবে পতিত হবে।

আয়াত নং-১৪
وَهُوَ الْغَفُورُ الْوَدُودُ
। “আর তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, প্রেমময়।"
আল্লাহ তা'আলা الْغَفُورُ তথা অত্যন্ত ক্ষমাশীল। الْوَدُودُ তথা প্রেমময়। পেছনের আয়াতে ইরশাদ করেছেন-আল্লাহ তা'আলার পাকড়াও বড় কঠিন। আর এখানে ইরশাদ করেন-আল্লাহ তা'আলার মাগফিরাত ও মহব্বতেরও কোন সীমা নেই। তিনি তাঁর নিকট তাওবাকারী অনুগত বান্দাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেন। তাদের দোষ-ত্রুটি গোপন করেন এবং তাদেরকে বিভিন্ন প্রকার নি'আমত এবং দয়া ও অনুগ্রহ দ্বারা সম্মানিত করেন।

📘 ইলা মাগফিরাহ > 📄 সূরাতুন নাসর

📄 সূরাতুন নাসর


সূরাতুন নাসর-এর পুরো সূরাতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

إِذَا جَاءَ نَصْرُ اللَّهِ وَالْفَتْحُ وَرَأَيْتَ النَّاسَ يَدْخُلُونَ فِي دِينِ اللَّهِ أَفْوَاجًا فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ وَاسْتَغْفِرْهُ إِنَّهُ كَانَ تَوَّابًا
“যখন আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় আসবে, আর আপনি মানুষকে দলে দলে আল্লাহর দীনে প্রবেশ করতে দেখবেন, তখন আপনি আপনার রবের পবিত্রতা বর্ণনা করুন এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় তিনি তাওবা কবুলকারী।"
বিজয়ের পরে ইস্তিগফার। আল্লাহ তা'আলার নুসরাত বা সাহায্য পাওয়ার পরে ইস্তিগফার। মহাসফলতা ও গ্রহণীয়তা পাওয়ার পরে ইস্তিগফার। কোন কাজ ভালভাবে সম্পাদনের পরে ইস্তিগফার। দায়িত্ব আদায়ের পর ইস্তিগফার। আল্লাহ তা'আলার সাথে সাক্ষাতের প্রস্তুতির পূর্বে ইস্তিগফার। নিজের দীনি কাজের হেফাজত ও উন্নতির জন্য ইস্তিগফার। আল্লাহ তা'আলার শোকর আদায়ের জন্য ইস্তিগফার। ইস্তিগফারের অসংখ্য উপকারিতা ও ফজিলত বুঝানোর সুরা হল এই সূরা।
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনের শেষ দিকে এসে যখন মক্কা বিজয় হল, তখন আরবের বিভিন্ন গোত্র দলে দলে এসে মুসলমান হতে লাগল। আল্লাহ তা'আলার ওয়াদা সত্যে পরিণত হল। এখন উম্মতের গুনাহসমূহ ক্ষমা করান। যেন শাফা'আতের মর্যাদাও লাভ হয়। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শেষ বয়সে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জানতে পারলেন যে, দুনিয়াতে তাঁর যে কাজ ছিল, তা পূর্ণ হয়েছে। এখন পরকালের সফরের সময়। তাই এই সুরা অবতীর্ণ হওয়ার পর নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাসবিহ-তাহলিল ও ইস্তিগফার বাড়িয়ে দিলেন। নামাজের মধ্যেও এবং নামাজের বাহিরেও। হাদিস শরিফে এ সকল তাসবিহ ও ইস্তিগফারগুলো এই শব্দে এসেছে। যেমন-
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي
سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ وَاسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ
سُبْحَانَ رَبِّي وَبِحَمْدِهِ وَاسْتَغْفِرُهُ إِنَّهُ كَانَ تَوَّابًا
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ إِلَيْكَ
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ رَبِّ اغْفِرْ لِي وَتُبْ عَلَى إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيم
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ اليك
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي سُبْحَانَكَ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ
سُبْحَانَكَ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْنِي
سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ اسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ
মুহাম্মাদ খুবাইব হাফি ২১ জমাদিউল উখরা ১৪৩২ হিজরী ১১ এপ্রিল ২০১৫ ঈসায়ী ভোর: ৪. ৩০ মি:

সূরাতুন নাসর-এর পুরো সূরাতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

إِذَا جَاءَ نَصْرُ اللَّهِ وَالْفَتْحُ وَرَأَيْتَ النَّاسَ يَدْخُلُونَ فِي دِينِ اللَّهِ أَفْوَاجًا فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ وَاسْتَغْفِرْهُ إِنَّهُ كَانَ تَوَّابًا
“যখন আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় আসবে, আর আপনি মানুষকে দলে দলে আল্লাহর দীনে প্রবেশ করতে দেখবেন, তখন আপনি আপনার রবের পবিত্রতা বর্ণনা করুন এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় তিনি তাওবা কবুলকারী।"
বিজয়ের পরে ইস্তিগফার। আল্লাহ তা'আলার নুসরাত বা সাহায্য পাওয়ার পরে ইস্তিগফার। মহাসফলতা ও গ্রহণীয়তা পাওয়ার পরে ইস্তিগফার। কোন কাজ ভালভাবে সম্পাদনের পরে ইস্তিগফার। দায়িত্ব আদায়ের পর ইস্তিগফার। আল্লাহ তা'আলার সাথে সাক্ষাতের প্রস্তুতির পূর্বে ইস্তিগফার। নিজের দীনি কাজের হেফাজত ও উন্নতির জন্য ইস্তিগফার। আল্লাহ তা'আলার শোকর আদায়ের জন্য ইস্তিগফার। ইস্তিগফারের অসংখ্য উপকারিতা ও ফজিলত বুঝানোর সুরা হল এই সূরা।
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনের শেষ দিকে এসে যখন মক্কা বিজয় হল, তখন আরবের বিভিন্ন গোত্র দলে দলে এসে মুসলমান হতে লাগল। আল্লাহ তা'আলার ওয়াদা সত্যে পরিণত হল। এখন উম্মতের গুনাহসমূহ ক্ষমা করান। যেন শাফা'আতের মর্যাদাও লাভ হয়। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শেষ বয়সে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জানতে পারলেন যে, দুনিয়াতে তাঁর যে কাজ ছিল, তা পূর্ণ হয়েছে। এখন পরকালের সফরের সময়। তাই এই সুরা অবতীর্ণ হওয়ার পর নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাসবিহ-তাহলিল ও ইস্তিগফার বাড়িয়ে দিলেন। নামাজের মধ্যেও এবং নামাজের বাহিরেও। হাদিস শরিফে এ সকল তাসবিহ ও ইস্তিগফারগুলো এই শব্দে এসেছে। যেমন-
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي
سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ وَاسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ
سُبْحَانَ رَبِّي وَبِحَمْدِهِ وَاسْتَغْفِرُهُ إِنَّهُ كَانَ تَوَّابًا
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ إِلَيْكَ
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ رَبِّ اغْفِرْ لِي وَتُبْ عَلَى إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيم
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ اليك
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي سُبْحَانَكَ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ
سُبْحَانَكَ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْنِي
سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ اسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ
মুহাম্মাদ খুবাইব হাফি ২১ জমাদিউল উখরা ১৪৩২ হিজরী ১১ এপ্রিল ২০১৫ ঈসায়ী ভোর: ৪. ৩০ মি:

সূরাতুন নাসর-এর পুরো সূরাতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

إِذَا جَاءَ نَصْرُ اللَّهِ وَالْفَتْحُ وَرَأَيْتَ النَّاسَ يَدْخُلُونَ فِي دِينِ اللَّهِ أَفْوَاجًا فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ وَاسْتَغْفِرْهُ إِنَّهُ كَانَ تَوَّابًا
“যখন আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় আসবে, আর আপনি মানুষকে দলে দলে আল্লাহর দীনে প্রবেশ করতে দেখবেন, তখন আপনি আপনার রবের পবিত্রতা বর্ণনা করুন এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় তিনি তাওবা কবুলকারী।"
বিজয়ের পরে ইস্তিগফার। আল্লাহ তা'আলার নুসরাত বা সাহায্য পাওয়ার পরে ইস্তিগফার। মহাসফলতা ও গ্রহণীয়তা পাওয়ার পরে ইস্তিগফার। কোন কাজ ভালভাবে সম্পাদনের পরে ইস্তিগফার। দায়িত্ব আদায়ের পর ইস্তিগফার। আল্লাহ তা'আলার সাথে সাক্ষাতের প্রস্তুতির পূর্বে ইস্তিগফার। নিজের দীনি কাজের হেফাজত ও উন্নতির জন্য ইস্তিগফার। আল্লাহ তা'আলার শোকর আদায়ের জন্য ইস্তিগফার। ইস্তিগফারের অসংখ্য উপকারিতা ও ফজিলত বুঝানোর সুরা হল এই সূরা।
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনের শেষ দিকে এসে যখন মক্কা বিজয় হল, তখন আরবের বিভিন্ন গোত্র দলে দলে এসে মুসলমান হতে লাগল। আল্লাহ তা'আলার ওয়াদা সত্যে পরিণত হল। এখন উম্মতের গুনাহসমূহ ক্ষমা করান। যেন শাফা'আতের মর্যাদাও লাভ হয়। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শেষ বয়সে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জানতে পারলেন যে, দুনিয়াতে তাঁর যে কাজ ছিল, তা পূর্ণ হয়েছে। এখন পরকালের সফরের সময়। তাই এই সুরা অবতীর্ণ হওয়ার পর নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাসবিহ-তাহলিল ও ইস্তিগফার বাড়িয়ে দিলেন। নামাজের মধ্যেও এবং নামাজের বাহিরেও। হাদিস শরিফে এ সকল তাসবিহ ও ইস্তিগফারগুলো এই শব্দে এসেছে। যেমন-
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي
سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ وَاسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ
سُبْحَانَ رَبِّي وَبِحَمْدِهِ وَاسْتَغْفِرُهُ إِنَّهُ كَانَ تَوَّابًا
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ إِلَيْكَ
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ رَبِّ اغْفِرْ لِي وَتُبْ عَلَى إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيم
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ اليك
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي سُبْحَانَكَ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ
سُبْحَانَكَ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْنِي
سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ اسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ
মুহাম্মাদ খুবাইব হাফি ২১ জমাদিউল উখরা ১৪৩২ হিজরী ১১ এপ্রিল ২০১৫ ঈসায়ী ভোর: ৪. ৩০ মি:

সূরাতুন নাসর-এর পুরো সূরাতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

إِذَا جَاءَ نَصْرُ اللَّهِ وَالْفَتْحُ وَرَأَيْتَ النَّاسَ يَدْخُلُونَ فِي دِينِ اللَّهِ أَفْوَاجًا فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ وَاسْتَغْفِرْهُ إِنَّهُ كَانَ تَوَّابًا
“যখন আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় আসবে, আর আপনি মানুষকে দলে দলে আল্লাহর দীনে প্রবেশ করতে দেখবেন, তখন আপনি আপনার রবের পবিত্রতা বর্ণনা করুন এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় তিনি তাওবা কবুলকারী।"
বিজয়ের পরে ইস্তিগফার। আল্লাহ তা'আলার নুসরাত বা সাহায্য পাওয়ার পরে ইস্তিগফার। মহাসফলতা ও গ্রহণীয়তা পাওয়ার পরে ইস্তিগফার। কোন কাজ ভালভাবে সম্পাদনের পরে ইস্তিগফার। দায়িত্ব আদায়ের পর ইস্তিগফার। আল্লাহ তা'আলার সাথে সাক্ষাতের প্রস্তুতির পূর্বে ইস্তিগফার। নিজের দীনি কাজের হেফাজত ও উন্নতির জন্য ইস্তিগফার। আল্লাহ তা'আলার শোকর আদায়ের জন্য ইস্তিগফার। ইস্তিগফারের অসংখ্য উপকারিতা ও ফজিলত বুঝানোর সুরা হল এই সূরা।
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনের শেষ দিকে এসে যখন মক্কা বিজয় হল, তখন আরবের বিভিন্ন গোত্র দলে দলে এসে মুসলমান হতে লাগল। আল্লাহ তা'আলার ওয়াদা সত্যে পরিণত হল। এখন উম্মতের গুনাহসমূহ ক্ষমা করান। যেন শাফা'আতের মর্যাদাও লাভ হয়। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শেষ বয়সে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জানতে পারলেন যে, দুনিয়াতে তাঁর যে কাজ ছিল, তা পূর্ণ হয়েছে। এখন পরকালের সফরের সময়। তাই এই সুরা অবতীর্ণ হওয়ার পর নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাসবিহ-তাহলিল ও ইস্তিগফার বাড়িয়ে দিলেন। নামাজের মধ্যেও এবং নামাজের বাহিরেও। হাদিস শরিফে এ সকল তাসবিহ ও ইস্তিগফারগুলো এই শব্দে এসেছে। যেমন-
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي
سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ وَاسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ
سُبْحَانَ رَبِّي وَبِحَمْدِهِ وَاسْتَغْفِرُهُ إِنَّهُ كَانَ تَوَّابًا
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ إِلَيْكَ
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ رَبِّ اغْفِرْ لِي وَتُبْ عَلَى إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيم
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ اليك
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي سُبْحَانَكَ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ
سُبْحَانَكَ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْنِي
سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ اسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ
মুহাম্মাদ খুবাইব হাফি ২১ জমাদিউল উখরা ১৪৩২ হিজরী ১১ এপ্রিল ২০১৫ ঈসায়ী ভোর: ৪. ৩০ মি:

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00