📘 ইলা মাগফিরাহ > 📄 সূরাতুল মুলক

📄 সূরাতুল মুলক


সূরাতুল মুলক-এর ২ ও ১২ নং আয়াতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

■ আয়াত নং-২
الَّذِي خَلَقَ الْمَوْتَ وَالْحَيَاةَ لِيَبْلُوَكُمْ أَيُّكُمْ أَحْسَنُ عَمَلًا ۚ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْغَفُورُ
“যিনি মৃত্যু ও জীবন সৃষ্টি করেছেন যাতে তিনি তোমাদেরকে পরীক্ষা করতে পারেন যে, কে তোমাদের মধ্যে আমলের দিক থেকে উত্তম। আর তিনি মহাপরাক্রমশালী, অতিশয় ক্ষমাশীল।”
অর্থাৎ জীবন ও মৃত্যুর ধারাবাহিকতা এজন্যই সৃষ্টি করা হয়েছে যে, আল্লাহ তা'আলা তোমাদের আমলসমূহ যাচাই করতে চান যে, কে মন্দ কাজ করে আর কে ভাল কাজ করে। আল্লাহ তা'আলা আজিজ তথা মন্দ কাজ করা কোন লোকই তাঁর নিকট জবাবদিহি ও তাঁর প্রতিশোধ থেকে বাঁচতে পারবে না। তিনি গাফুর তথা তিনি তাওবাকারী ও নেক আমলকারীদেরকে ক্ষমা ও পুরস্কার দান করেন।

আয়াত নং-১২
إِنَّ الَّذِينَ يَخْشَوْنَ رَبَّهُم بِالْغَيْبِ لَهُم مَّغْفِرَةٌ وَأَجْرُ كَبِيرُ
“নিশ্চয় যারা তাদের রবকে না দেখেই ভয় করে তাদের জন্য রয়েছে ক্ষমা ও বড় প্রতিদান।"
অর্থাৎ আল্লাহ তা'আলাকে দেখেনি কিন্তু তাঁর উপর এবং তাঁর গুণাবলীর উপর বিশ্বাস রাখে এবং তাঁর মর্যাদা ও বড়ত্ব চিন্তা করে ভয়ে থর থর করে কেঁপে উঠে। অথবা এর অর্থ হল-যখন মানুষের কাছ থেকে নিরালায় একাকী থাকে তখনও আল্লাহ তা'আলার ভয়ে তাঁর আনুগত্যে লিপ্ত থাকে। অথবা এর অর্থ হল-মানুষের ভিড় থেকে পৃথক হয়ে নিরালায় স্বীয় রবকে স্মরণ করে ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে।

📘 ইলা মাগফিরাহ > 📄 সূরা নূহ

📄 সূরা নূহ


সূরা নূহ-এর ৩.৪. ৭. ১০. ১১. ১২ ও ২৮ নং আয়াতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

■ আয়াত নং-৩-৪
أَنِ اعْبُدُوا اللَّهَ وَاتَّقُوهُ وَأَطِيعُونِ يَغْفِرْ لَكُم مِّن ذُنُوبِكُمْ وَيُؤَخِّرُكُمْ إِلَى أَجَلٍ مُّسَمًّى إِنَّ أَجَلَ اللَّهِ إِذَا جَاءَ لَا يُؤَخِّرُ لَوْ كُنتُمْ تَعْلَمُونَ
“(হজরত নূহ আলাইহিস সালাম তার নিজ কওমকে বললেন) এ বিষয়ে যে, তোমরা আল্লাহর ইবাদাত কর, তাঁকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর। তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন এবং তোমাদেরকে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অবকাশ দেবেন; আল্লাহর নির্ধারিত সময় আসলে কিছুতেই তা বিলম্বিত করা হয় না, যদি তোমরা জানতে!”
অর্থাৎ ইমান আনবে তো পূর্বে আল্লাহ তা'আলার যত হক নষ্ট করেছ তা ক্ষমা করে দেবেন। ইমান, তাকওয়া তথা আল্লাহ তা'আলার ভয় ও নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আনুগত্য মাগফিরাতের কারণ।

আয়াত নং-৭
وَإِنِّي كُلَّمَا دَعَوْتُهُمْ لِتَغْفِرَ لَهُمْ جَعَلُوا أَصَابِعَهُمْ فِي آذَانِهِمْ وَاسْتَغْشَوْا ثِيَابَهُمْ وَأَصَرُّوا وَاسْتَكْبَرُوا اسْتِكْبَارًا
“আর যখনই আমি তাদেরকে আহ্বান করেছি যেন আপনি তাদেরকে ক্ষমা করেন, তারা নিজেদের কানে আঙ্গুল ঢুকিয়ে দিয়েছে, নিজেদের পোশাকে আবৃত করেছে, (অবাধ্যতায়) অনড় থেকেছে এবং দম্ভভরে ঔদ্ধত্য প্রকাশ করেছে।”
হজরত নূহ আলাইহিস সালাম তার নিজ জাতিকে বার বার মাগফিরাতের দিকে ডেকেছেন। কিন্তু তারা এই নি'আমত থেকে পলায়ন করেছে। মাগফিরাতের দিকে যখন আসলোই না এবং আসার কোন সম্ভাবনাও নেই, তাহলে তাদেরকে আপনার আজাব দেখিয়ে দিন।

আয়াত নং-১০-১২
فَقُلْتُ اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ إِنَّهُ كَانَ غَفَّارًا يُرْسِلِ السَّمَاءَ عَلَيْكُم مِدْرَارًا وَيُمْدِدْكُم بِأَمْوَالٍ وَبَنِينَ وَيَجْعَل لَّكُمْ جَنَّاتٍ وَيَجْعَل لَّكُمْ أَنْهَارًا
"আর বলেছি, তোমার রবের কাছে ক্ষমা চাও; নিশ্চয় তিনি পরম ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের উপর মুষলধারে বৃষ্টি বর্ষণ করবেন। আর তোমাদেরকে ধন-সম্পদ ও সন্তানসন্ততি দিয়ে সাহায্য করবেন এবং তোমাদের জন্য বাগ-বাগিচা দেবেন আর দেবেন নদী-নালা।"
হজরত নূহ আলাইহিস সালাম তার নিজ জাতিকে ইস্তিগফারের দাওয়াত দিলেন এবং সাথে সাথে ইস্তিগফারের মহান ফায়দাসমূহ ও ফলাফলও বর্ণনা করলেন। যেমন-
ক. আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে মাগফিরাত পাওয়া যাবে।
খ. পানি, যা মানুষের বসবাসের জন্য প্রাণস্বরূপ। এর পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থা সমাধান হয়ে যাবে অর্থাৎ অনাবৃষ্টি ও খরা দূর হবে।
গ. অধিক সন্তানসন্ততি দান করবেন ও বন্ধ্যাত্ব দূর হবে।
ঘ. অধিক ফসল উৎপন্ন হবে।
৫. ঝর্ণা চালু হবে। কূপ ও ঝর্ণার অসংখ্য উপকারিতা রয়েছে।
অর্থাৎ এত বড় কুফর এবং এত অধিক পরিমাণ গুনাহ করা সত্ত্বেও এখনো যদি তোমরা স্বীয় মালিকের সামনে নত হও এবং তাঁর নিকট তাওবা কর, তাহলে তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তিনি পেছনের সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন। আর ইমান ও ইস্তিগফারের বরকতে ঐ দুর্ভিক্ষ যাতে তোমরা অনেক বছর যাবৎ ভোগছ, তা দূর হয়ে যাবে এবং আল্লাহ তা'আলা মুষলধারে বৃষ্টি বর্ষণ করবেন। যার ফলে খেত-খামার ও বাগ-বাগিচা সতেজ হয়ে যাবে। খাদ্যশস্য, ফল-ফলাদি অধিক পরিমাণে উৎপন্ন হবে। জীবজন্তু মোটাতাজা ও হৃষ্টপুষ্ট হবে। যার ফলে দুধ ও ঘি বৃদ্ধি পাবে। নারীরা যারা কুফর এবং গুনাহের ক্ষতির কারণে বন্ধ্যা হয়ে আছে, তারা পুত্র সন্তান জন্ম দেবে। মোটকথা পরকালের পাশাপাশি দুনিয়ার আরাম-আয়েশেরও আধিক্য হবে।
কুফর ও গুনাহের মন্দ প্রভাবে বাতাসের ব্যবস্থাপনা, বৃষ্টির ব্যবস্থাপনা, জমিনের উৎপাদন ব্যবস্থাপনা, সুস্থতা ও প্রজনন ব্যবস্থাপনা ও পানি এবং পরিবেশ ব্যবস্থাপনা সবকিছুর ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়। আর ইস্তিগফারের বরকতে এ সকল ব্যবস্থাপনা ঠিক হয়ে যায়।

[ আয়াত নং-২৮
رَبِّ اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِمَن دَخَلَ بَيْتِيَ مُؤْمِنًا وَلِلْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ وَلَا تَزِدِ الظَّالِمِينَ إِلَّا تَبَارًا
“হে আমার রব! আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে, যে আমার ঘরে ইমানদার হয়ে প্রবেশ করবে তাকে এবং মুমিন নারী-পুরুষকে ক্ষমা করুন এবং ধ্বংস ছাড়া আপনি জালিমদের আর কিছুই বাড়িয়ে দেবেন না।”
হজরত নূহ আলাইহিস সালামের বহুমুখী একটি ইস্তিগফার। নিজের জন্য, নিজের মাতা-পিতার জন্য, নিজের সাথে ইমান গ্রহণকারীদের জন্য এবং কিয়ামত পর্যন্ত আগত ইমানদার নারী ও পুরুষের জন্য।
رَبِّ اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِمَن دَخَلَ بَيْتِيَ مُؤْمِنًا وَلِلْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ
হে আমার রব! আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে, যে আমার ঘরে ইমানদার হয়ে প্রবেশ করবে তাকে এবং মুমিন নারী-পুরুষকে ক্ষমা করুন।
এটিও কুরআনুল কারিমে বর্ণিত আরও একটি ইস্তিগফার।

📘 ইলা মাগফিরাহ > 📄 সূরাতুল মুযম্মিল

📄 সূরাতুল মুযম্মিল


সূরাতুল মুযযাম্মিল-এর ২০ নং আয়াতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

[ আয়াত নং-২০
إِنَّ رَبَّكَ يَعْلَمُ أَنَّكَ تَقُومُ أَدْنَى مِن ثُلُثَيِ اللَّيْلِ وَنِصْفَهُ وَثُلُثَهُ وَطَائِفَةٌ مِّنَ الَّذِينَ مَعَكَ وَاللَّهُ يُقَدِرُ اللَّيْلَ وَالنَّهَارَ عَلِمَ أَن لَّن تُحْصُوهُ فَتَابَ عَلَيْكُمْ فَاقْرَءُوا مَا تَيَسَّرَ مِنَ الْقُرْآنِ عَلِمَ أَن سَيَكُونُ مِنكُم مَّرْضَى وَآخَرُونَ يَضْرِبُونَ فِي الْأَرْضِ يَبْتَغُونَ مِن فَضْلِ اللَّهِ وَآخَرُونَ يُقَاتِلُونَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَاقْرَءُوا مَا تَيَسَّرَ مِنْهُ وَأَقِيمُوا الصَّلَاةَ وَآتُوا الزَّكَاةَ وَأَقْرِضُوا اللهَ قَرْضًا حَسَنًا وَمَا تُقَدِّمُوا لِّأَنفُسِكُم مِّنْ خَيْرٍ تَجِدُوهُ عِندَ اللهِ هُوَ خَيْرًا وَأَعْظَمَ أَجْرًا وَاسْتَغْفِرُوا اللَّهَ إِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
“নিশ্চয় তোমার রব জানেন যে, তুমি রাতের দুই তৃতীয়াংশের কিছু কম, অথবা অর্ধরাত অথবা রাতের এক তৃতীয়াংশ সালাতে দাঁড়িয়ে থাক এবং তোমার সাথে যারা আছে তাদের মধ্য থেকে একটি দলও। আর আল্লাহ রাত ও দিন নিরূপণ করেন। তিনি জানেন যে, তোমরা তা করতে সক্ষম হবে না। তাই তিনি তোমাদেরকে ক্ষমা করলেন। অতএব তোমরা কুরআন থেকে যতটুক সহজ ততটুকু পড়। তিনি জানেন তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ অসুস্থ হয়ে পড়বে। আর কেউ কেউ আল্লাহর অনুগ্রহ সন্ধানে পৃথিবীতে ভ্রমণ করবে, আর কেউ কেউ আল্লাহর পথে লড়াই করবে। অতএব তোমরা কুরআন থেকে যতটুকু সহজ ততটুকু পড়। আর সালাত কায়েম কর, জাকাত দাও এবং আল্লাহকে উত্তম ঋণ দাও। আর তোমরা নিজেদের জন্য মঙ্গলজনক যা কিছু অগ্রে পাঠাবে তোমরা তা আল্লাহর কাছে পাবে প্রতিদান হিসেবে উৎকৃষ্টতর ও মহত্তররূপে। আর তোমরা আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাও। নিশ্চয় আল্লাহ অতীব ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।”
আল্লাহ তা'আলার জানা আছে যে, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও তার সাহাবায়ে কেরামগণ তাহাজ্জুদ এর হুকুমের পূর্ণ আমল করেছে এবং কখনো অর্ধরাত, কখনো রাতের এক তৃতীয়াংশ এবং কখনো দুই তৃতীয়াংশ তারা নামাজে কাটাতেন। আল্লাহ তা'আলার এটাও জানা আছে যে, তোমরা এটা সর্বদা পূর্ণ করতে পারবে না। যার ফলে আল্লাহ তা'আলা স্বীয় রহমতে ক্ষমার ঘোষণা প্রেরণ করে দিলেন- فَتَابَ عَلَيْكُمْ তাই তিনি তোমাদেরকে ক্ষমা করলেন। এজন্য যার উঠার তাওফিক হয়, সে যত রাকাত ইচ্ছা সালাত পড়বে এবং তাতে যে পরিমাণ ইচ্ছা কুরআন তিলাওয়াত করবে। এখন উম্মতের উপর তাহাজ্জুদের সালাত ফরজও নয় এবং না এর জন্য কোন ওয়াক্ত এবং তিলাওয়াতের নির্ধারিত পরিমাণের কোন শর্ত আছে যে, রাতের এত অংশ দাঁড়িয়ে থাকতে হবে এবং এ পরিমাণ কুরআন পড়তে হবে। আল্লাহ তা'আলা জানতেন যে, তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ অসুস্থও হতে পারে। অনেকে আবার সফরে থাকতে পারে। তোমাদের মধ্যে এমন মর্দে মুজাহিদও থাকতে পারে যে যুদ্ধরত অবস্থায় আছে। এজন্য তোমাদের উপর সহজ করে দেওয়া হয়েছে-তোমরা নামাজের মধ্যে যে পরিমাণ কুরআন পড়া সহজ হয়, ঐ পরিমাণই পড়। তবে হ্যাঁ! ফরজ সালাতসমূহ খুব গুরুত্বের সাথে আদায় করতে থাক। জাকাত দিতে থাক এবং আল্লাহর রাস্তায় আনন্দচিত্তে সম্পদ ব্যয় করতে থাক। আর স্মরণ রাখবে, তোমরা যে নেক আমল এখানে করবে, আল্লাহ তা'আলার নিকট থেকে তা অনেক উত্তমরূপে ফেরত পাবে এবং এর জন্য অনেক বেশি প্রতিদানও লাভ করবে। এ সকল নেক আমল মূলত ঐ রশদ যা তোমরা তোমাদের প্রকৃত জীবনের জন্য আল্লাহ তা'আলার নিকট জমা করছ। এজন্য এটা মনে করো না যে, নেকি এখানে শেষ হয়ে যাবে। আর এই আয়াতে সর্বশেষ হুকুম হল- وَاسْتَغْفِرُوا اللَّهَ আর আল্লাহ তা'আলার নিকট ইস্তিগফার করতে থাক।
প্রতিটি মানুষেরই কিছু না কিছু ভুল-ত্রুটি থাকেই। গুনাহ এবং ত্রুটি-বিচ্যুতি হয়েই যায়। সুতরাং সেগুলোর ক্ষতিপূরণের জন্য ইস্তিগফার করতে থাক। আল্লাহ তা'আলার নিকট ক্ষমাপ্রার্থনা করতে থাক। إِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
নিশ্চয় আল্লাহ তা'আলা অতীব ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

📘 ইলা মাগফিরাহ > 📄 সূরাতুল মুদ্দাসির

📄 সূরাতুল মুদ্দাসির


সূরাতুল মুদ্দাসসির-এর ৫৬ নং আয়াতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আয়াত নং-৫৬
وَمَا يَذْكُرُونَ إِلَّا أَن يَشَاءَ اللَّهُ هُوَ أَهْلُ التَّقْوَى وَأَهْلُ الْمَغْفِرَةِ
"আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া কেউ উপদেশ গ্রহণ করতে পারে না। তিনিই ভয়ের যোগ্য এবং ক্ষমার অধিকারী।"
এই কুরআনুল কারিম নসিহতের জন্য যথেষ্ট। এই গ্রন্থ সকলের জন্য। যে কেউ চাইলেই এর থেকে উপকৃত হতে পারে। কিন্তু পরিপূর্ণ উপকৃত সে-ই হতে পারে, যাকে আল্লাহ তা'আলা চান। আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করা উচিত। আল্লাহ তা'আলা ক্ষমাকারী ও মাগফিরাত প্রদানকারী। কোন মানুষ যতই গুনাহ করুক কিন্তু তারপরে যখন সে তাকওয়ার পথ অবলম্বন করবে এবং আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করবে, তখন আল্লাহ তা'আলা তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেবেন এবং তার তাওবা কবুল করবেন।
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই আয়াত তিলাওয়াত করার পর আল্লাহ তা'আলার নিম্নের বাণীটি বর্ণনা করেন যে, আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন-আমি এর উপযুক্ত যে, বান্দা আমাকে ভয় করবে এবং আমার সাথে কোন কাজে কাউকে শরিক করবে না। অতঃপর যখন বান্দা আমাকে ভয় করল এবং শিরক থেকে পবিত্র হল, তখন আমার শান হল-আমি তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া।

সূরাতুল মুদ্দাসসির-এর ৫৬ নং আয়াতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আয়াত নং-৫৬
وَمَا يَذْكُرُونَ إِلَّا أَن يَشَاءَ اللَّهُ هُوَ أَهْلُ التَّقْوَى وَأَهْلُ الْمَغْفِرَةِ
"আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া কেউ উপদেশ গ্রহণ করতে পারে না। তিনিই ভয়ের যোগ্য এবং ক্ষমার অধিকারী।"
এই কুরআনুল কারিম নসিহতের জন্য যথেষ্ট। এই গ্রন্থ সকলের জন্য। যে কেউ চাইলেই এর থেকে উপকৃত হতে পারে। কিন্তু পরিপূর্ণ উপকৃত সে-ই হতে পারে, যাকে আল্লাহ তা'আলা চান। আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করা উচিত। আল্লাহ তা'আলা ক্ষমাকারী ও মাগফিরাত প্রদানকারী। কোন মানুষ যতই গুনাহ করুক কিন্তু তারপরে যখন সে তাকওয়ার পথ অবলম্বন করবে এবং আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করবে, তখন আল্লাহ তা'আলা তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেবেন এবং তার তাওবা কবুল করবেন।
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই আয়াত তিলাওয়াত করার পর আল্লাহ তা'আলার নিম্নের বাণীটি বর্ণনা করেন যে, আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন-আমি এর উপযুক্ত যে, বান্দা আমাকে ভয় করবে এবং আমার সাথে কোন কাজে কাউকে শরিক করবে না। অতঃপর যখন বান্দা আমাকে ভয় করল এবং শিরক থেকে পবিত্র হল, তখন আমার শান হল-আমি তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া।

সূরাতুল মুদ্দাসসির-এর ৫৬ নং আয়াতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আয়াত নং-৫৬
وَمَا يَذْكُرُونَ إِلَّا أَن يَشَاءَ اللَّهُ هُوَ أَهْلُ التَّقْوَى وَأَهْلُ الْمَغْفِرَةِ
"আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া কেউ উপদেশ গ্রহণ করতে পারে না। তিনিই ভয়ের যোগ্য এবং ক্ষমার অধিকারী।"
এই কুরআনুল কারিম নসিহতের জন্য যথেষ্ট। এই গ্রন্থ সকলের জন্য। যে কেউ চাইলেই এর থেকে উপকৃত হতে পারে। কিন্তু পরিপূর্ণ উপকৃত সে-ই হতে পারে, যাকে আল্লাহ তা'আলা চান। আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করা উচিত। আল্লাহ তা'আলা ক্ষমাকারী ও মাগফিরাত প্রদানকারী। কোন মানুষ যতই গুনাহ করুক কিন্তু তারপরে যখন সে তাকওয়ার পথ অবলম্বন করবে এবং আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করবে, তখন আল্লাহ তা'আলা তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেবেন এবং তার তাওবা কবুল করবেন।
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই আয়াত তিলাওয়াত করার পর আল্লাহ তা'আলার নিম্নের বাণীটি বর্ণনা করেন যে, আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন-আমি এর উপযুক্ত যে, বান্দা আমাকে ভয় করবে এবং আমার সাথে কোন কাজে কাউকে শরিক করবে না। অতঃপর যখন বান্দা আমাকে ভয় করল এবং শিরক থেকে পবিত্র হল, তখন আমার শান হল-আমি তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া।

সূরাতুল মুদ্দাসসির-এর ৫৬ নং আয়াতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আয়াত নং-৫৬
وَمَا يَذْكُرُونَ إِلَّا أَن يَشَاءَ اللَّهُ هُوَ أَهْلُ التَّقْوَى وَأَهْلُ الْمَغْفِرَةِ
"আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া কেউ উপদেশ গ্রহণ করতে পারে না। তিনিই ভয়ের যোগ্য এবং ক্ষমার অধিকারী।"
এই কুরআনুল কারিম নসিহতের জন্য যথেষ্ট। এই গ্রন্থ সকলের জন্য। যে কেউ চাইলেই এর থেকে উপকৃত হতে পারে। কিন্তু পরিপূর্ণ উপকৃত সে-ই হতে পারে, যাকে আল্লাহ তা'আলা চান। আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করা উচিত। আল্লাহ তা'আলা ক্ষমাকারী ও মাগফিরাত প্রদানকারী। কোন মানুষ যতই গুনাহ করুক কিন্তু তারপরে যখন সে তাকওয়ার পথ অবলম্বন করবে এবং আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করবে, তখন আল্লাহ তা'আলা তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেবেন এবং তার তাওবা কবুল করবেন।
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই আয়াত তিলাওয়াত করার পর আল্লাহ তা'আলার নিম্নের বাণীটি বর্ণনা করেন যে, আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন-আমি এর উপযুক্ত যে, বান্দা আমাকে ভয় করবে এবং আমার সাথে কোন কাজে কাউকে শরিক করবে না। অতঃপর যখন বান্দা আমাকে ভয় করল এবং শিরক থেকে পবিত্র হল, তখন আমার শান হল-আমি তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00