📘 ইলা মাগফিরাহ > 📄 সূরাতুশ শু‘আরা

📄 সূরাতুশ শু‘আরা


সুরাতুশ শু'আরা-এর
৫১. ৮২ ও ৮৬ নং আয়াতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
আয়াত নং-৫১
إِنَّا نَطْمَعُ أَن يَغْفِرَ لَنَا رَبُّنَا خَطَايَانَا أَن كُنَّا أَوَّلَ الْمُؤْمِنِينَ
“আমরা আশা করি যে, আমাদের রব আমাদের অপরাধসমূহ ক্ষমা করে দেবেন, কারণ আমরা মুমিনদের মধ্যে প্রথম।"
মাগফিরাত এমন বৃহৎ নি'আমত যে, এর জন্য যে কোন ত্যাগ তুচ্ছ। ফির'আউনের জাদুকরেরা যখন ইমানের ঘোষণা দিলেন ফিরআউন তখন তাদেরকে উল্টো লটকিয়ে হত্যা করার হুমকি দিল। তারা তখন বললেন, মৃত্যুসহ আরও সবকিছু কবুল, তবুও যেন আমরা আল্লাহ তা'আলার মাগফিরাত পেয়ে যাই।
আয়াত নং-৮২
وَالَّذِي أَطْمَعُ أَن يَغْفِرَ لِي خَطِيئَتِي يَوْمَ الدِّينِ
“আর যিনি আশা করি, বিচার দিবসে আমার ত্রুটি-বিচ্যুতি ক্ষমা করে দেবেন।"
হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামের বর্ণনা যে, আমি কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে মাগফিরাতের আশা রাখি। অর্থাৎ কোন বিষয়ে কোন ভুল-ত্রুটি কিংবা স্বীয় মর্যাদা অনুযায়ী কোন প্রকার ত্রুটি-বিচ্যুতি হয়ে থাকলে তাঁর অনুগ্রহে ক্ষমা পাওয়ার আশাবাদী। তাঁকে ছাড়া তো আর কেউ ক্ষমাকারী নেই।
আয়াত নং-৮৬
وَاغْفِرْ لِأَبِي إِنَّهُ كَانَ مِنَ الضَّالِّينَ
"আর আমার পিতাকে ক্ষমা করুন; নিশ্চয় সে পথভ্রষ্টদের অন্তর্ভুক্ত ছিল।"
হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালাম স্বীয় পিতার জন্য মাগফিরাত কামনা করেছেন। পরবর্তীতে তা নিষিদ্ধ হয়ে গেলে এই দু'আ পরিত্যাগ করেন।

📘 ইলা মাগফিরাহ > 📄 সূরাতুন-নামল

📄 সূরাতুন-নামল


সুরাতুন-নামল-এর
১১. ৪৪. ও ৪৬ নং আয়াতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
আয়াত নং-১১ إِلَّا مَن ظَلَمَ ثُمَّ بَدَّلَ حُسْنًا بَعْدَ سُوءٍ فَإِنِّي غَفُورٌ رَّحِيمٌ “তবে যে জুলুম করে। তারপর অসৎকাজের পরিবর্তে সৎকাজ করে, তবে অবশ্যই আমি অধিক ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।”
পেছনের আয়াতে বলেছেন-হে মূসা আপনি ভয় পাবেন না। কেননা কোন রাসুল আমার সামনে ভয় পেতে পারে না। অর্থাৎ আমার সামনে তো একমাত্র জালিমরা ভয় পাবে। আর আপনি তো আমার রাসুল। আপনি কেন ভয় পাবেন?
এই আয়াতে বুঝানো হয়েছে যে, জালিমও যদি তাওবা করে নেয় তাহলে তার জন্যও আমার রহমত ও মাগফিরাতের দরজা খোলা। অতঃপর তারও ভয়ের কোন কারণ নেই। অর্থাৎ আল্লাহ তা'আলার সামনে উপস্থিত হয়ে ভয় এবং শঙ্কা কেবল তাদেরই যারা কোন বাড়াবাড়ি ও গুনাহ করে এসেছে। তবে তারাও যদি বাড়াবাড়ি ও গুনাহ করার পরে তাওবা করে ফেলে এবং নেক কাজ করে গুনাহের নিদর্শন মুছে ফেলে তাহলে আল্লাহ তা'আলা স্বীয়
রহমতে ক্ষমাকারী।
আয়াত নং-৪৪
قِيلَ لَهَا ادْخُلِي الصَّرْحَ فَلَمَّا رَأَتْهُ حَسِبَتْهُ لُجَّةٌ وَكَشَفَتْ عَن سَاقَيْهَا قَالَ إِنَّهُ صَرْحُ مُمَرَّدُ مِّن قَوَارِيرُ قَالَتْ رَبِّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي وَأَسْلَمْتُ مَعَ سُلَيْمَانَ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
“তাকে বলা হল, প্রাসাদটিতে প্রবেশ কর। অতঃপর যখন সে তা দেখল, সে তাকে এক গভীর জলাশয় ধারণা করল এবং তার পায়ের গোছাদ্বয় অনাবৃত করল। সুলাইমান বলল, এটি আসলে স্বচ্ছ কাঁচ-নির্মিত প্রাসাদ। সে বলল, হে আমার রব, নিশ্চয় আমি আমার নিজের প্রতি জুলুম করেছি। আমি সুলাইমানের সাথে সৃষ্টিকূলের রব আল্লাহর নিকট আত্মসমর্পণ করলাম।"
হজরত সুলাইমান আলাইহিস সালাম এক জায়গায় তাশরিফ নিলেন। রাস্তায় পাথরের স্থানে কাঁচের বিছানা ছিল। এই চমৎকার কাঁচ দূর থেকে পানির ঝর্ণার মত মনে হচ্ছিল এবং সম্ভবত কাঁচের নিচে বাস্তবেই পানি ছিল। রাণী বিলকিছ সেখানে পৌঁছে এটাকে পানি মনে করে পোষাক উঁচু করে পা অনাবৃত করল। হজরত সুলাইমান আলাইহিস সালাম বললেন— এটা কাঁচের বিছানা, পানি নয়। এখানে রাণী বিলকিছের জ্ঞানের স্বল্পতা এবং হজরত সুলাইমান আলাইহিস সালামের জ্ঞানের পূর্ণতা প্রকাশ পেল। সে জেনে গেল যে, দীনের বিষয়েও সে যেটা বুঝেছে সেটাই সঠিক হবে। হজরত সুলাইমান আলাইহিস সালাম তাকে সতর্ক করলেন যে, সূর্য ও তারকাদের ঝলক দেখে এদেরকে রব মনে করা এমনই ধোঁকা যেমনটি মানুষ কাঁচের ঝলক দেখে পানি মনে করা।
আয়াত নং-৪৬
قَالَ يَا قَوْمِ لِمَ تَسْتَعْجِلُونَ بِالسَّيِّئَةِ قَبْلَ الْحَسَنَةِ لَوْلَا تَسْتَغْفِرُونَ اللَّهَ لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُونَ
"সে (হজরত সালেহ আলাইহিস সালাম) বলল, হে আমার কওম, তোমরা কল্যাণের পূর্বে কেন অকল্যাণকে তরান্বিত করতে চাইছ? কেন তোমরা আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছ না, যেন তোমাদেরকে রহমত করা হয়?"
হজরত সালেহ আলাইহিস সালাম যখন স্বীয় জাতিকে অনেক বুঝালেন এবং তারা মানল না তখন তিনি তাদেরকে আজাবের ভয় দেখালেন। তারা তখন রেগে গিয়ে বলতে লাগল যে, তুমি যদি সত্যবাদী হও তাহলে দ্রুত আজাব নিয়ে এসো। প্রতিউত্তরে হজরত সালেহ আলাইহিস সালাম বললেন যে, তোমরা ইমান ও তাওবার কল্যাণের পথে তো আসলেই না, উল্টো অকল্যাণ তথা দ্রুত আজাব কামনা করছ। আজাব আসলে তো তোমাদের কিছুই রক্ষা পাবে না। এখনো সময় আছে গুনাহ থেকে তাওবা করে আল্লাহ তা'আলার রহমত ও হেফাজতে চলে আসো। ইস্তিগফারের ফল হল আল্লাহ তা'আলার রহমত।

📘 ইলা মাগফিরাহ > 📄 সূরাতুল কাসাস

📄 সূরাতুল কাসাস


সুরাতুল কাসাস-এর ১৬ ও ৬৭ নং আয়াতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে。
আয়াত নং-১৬ قَالَ رَبِّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي فَاغْفِرْ لِي فَغَفَرَ لَهُ إِنَّهُ هُوَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ "সে বলল, হে আমার রব, নিশ্চয় আমি আমার নফসের উপর জুলুম করেছি, সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন। অতঃপর তিনি তাকে ক্ষমা করলেন। নিশ্চয় তিনি অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।”
হজরত মূসা আলাইহিস সালামের ইস্তিগফার- رَبِّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي فَاغْفِرْ لِي হে আমার রব, নিশ্চয় আমি আমার নফসের উপর জুলুম করেছি, সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন। মূলত হজরত মূসা আলাইহিস সালাম এক জালেম কিবতীকে ঘুষি মেরে ছিলেন। যার ফলে সে মারা গিয়েছিল। হজরত মূসা আলাইহিস সালাম বুঝতে পারেননি যে এক ঘুষিতে সে মারা যাবে। এর জন্য তিনি অনেক লজ্জিত হলেন যে, নিরপরাধ খুন হয়ে গেল। বস্তুত সে কিবতী হারবী কাফির ও জালেম ছিল এবং হজরত মূসা আলাইহিস সালামেরও তাকে হত্যা করার নিয়ত ছিল না। শুধুমাত্র সতর্ক করাই উদ্দেশ্য ছিল। কিন্তু তারপরও অনেক পেরেশান ও লজ্জিত হলেন। আর মনে করলেন যে, এতে কোন না কোনভাবে শয়তানের হাত রয়েছে। হজরত আম্বিয়া আলাইহিস সালামগণের স্বভাব-চরিত্র এমন পাক-পবিত্র হয়ে থাকে যে, নবুওয়াত পাওয়া সত্ত্বেও তারা তাদের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আমলেরও এমন আত্মসমালোচনা করেন এবং চিন্তা-ভাবনার সামান্য ভুল-ত্রুটি ও বিচ্যুতির জন্যও আল্লাহ তা'আলার নিকট কেঁদে কেঁদে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তাইতো হজরত মূসা আলাইহিস সালাম আল্লাহ তা'আলার নিকট নিজের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাইলেন।
আয়াত নং-৬৭ فَأَمَّا مَن تَابَ وَآمَنَ وَعَمِلَ صَالِحًا فَعَسَى أَن يَكُونَ مِنَ الْمُفْلِحِينَ “তবে যে তাওবা করেছিল, ইমান এনেছিল এবং সৎকর্ম করেছিল, আশা করা যায় সে সাফল্য অর্জনকারীদের অন্তর্ভুক্ত হবে।"
অর্থাৎ পরকালের সফলতা একমাত্র ইমান এবং নেক আমলের সাথে সম্পৃক্ত। বর্তমানেও যে কেউ কুফর-শিরক থেকে তাওবা করে ইমান গ্রহণ করবে এবং নেক কাজ করবে আল্লাহ তা'আলা তার পেছনের সকল গুনাহ ক্ষমা করে তাকে সফলতা দান করবেন। আল্লাহ তা'আলার মহান বাণী- عَسَى অর্থাৎ 'আশা করা যায়' বাক্যটি ইয়াকিন তথা নিশ্চিত অর্থে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

সুরাতুল কাসাস-এর ১৬ ও ৬৭ নং আয়াতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে。
আয়াত নং-১৬ قَالَ رَبِّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي فَاغْفِرْ لِي فَغَفَرَ لَهُ إِنَّهُ هُوَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ "সে বলল, হে আমার রব, নিশ্চয় আমি আমার নফসের উপর জুলুম করেছি, সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন। অতঃপর তিনি তাকে ক্ষমা করলেন। নিশ্চয় তিনি অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।”
হজরত মূসা আলাইহিস সালামের ইস্তিগফার- رَبِّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي فَاغْفِرْ لِي হে আমার রব, নিশ্চয় আমি আমার নফসের উপর জুলুম করেছি, সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন। মূলত হজরত মূসা আলাইহিস সালাম এক জালেম কিবতীকে ঘুষি মেরে ছিলেন। যার ফলে সে মারা গিয়েছিল। হজরত মূসা আলাইহিস সালাম বুঝতে পারেননি যে এক ঘুষিতে সে মারা যাবে। এর জন্য তিনি অনেক লজ্জিত হলেন যে, নিরপরাধ খুন হয়ে গেল। বস্তুত সে কিবতী হারবী কাফির ও জালেম ছিল এবং হজরত মূসা আলাইহিস সালামেরও তাকে হত্যা করার নিয়ত ছিল না। শুধুমাত্র সতর্ক করাই উদ্দেশ্য ছিল। কিন্তু তারপরও অনেক পেরেশান ও লজ্জিত হলেন। আর মনে করলেন যে, এতে কোন না কোনভাবে শয়তানের হাত রয়েছে। হজরত আম্বিয়া আলাইহিস সালামগণের স্বভাব-চরিত্র এমন পাক-পবিত্র হয়ে থাকে যে, নবুওয়াত পাওয়া সত্ত্বেও তারা তাদের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আমলেরও এমন আত্মসমালোচনা করেন এবং চিন্তা-ভাবনার সামান্য ভুল-ত্রুটি ও বিচ্যুতির জন্যও আল্লাহ তা'আলার নিকট কেঁদে কেঁদে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তাইতো হজরত মূসা আলাইহিস সালাম আল্লাহ তা'আলার নিকট নিজের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাইলেন।
আয়াত নং-৬৭ فَأَمَّا مَن تَابَ وَآمَنَ وَعَمِلَ صَالِحًا فَعَسَى أَن يَكُونَ مِنَ الْمُفْلِحِينَ “তবে যে তাওবা করেছিল, ইমান এনেছিল এবং সৎকর্ম করেছিল, আশা করা যায় সে সাফল্য অর্জনকারীদের অন্তর্ভুক্ত হবে।"
অর্থাৎ পরকালের সফলতা একমাত্র ইমান এবং নেক আমলের সাথে সম্পৃক্ত। বর্তমানেও যে কেউ কুফর-শিরক থেকে তাওবা করে ইমান গ্রহণ করবে এবং নেক কাজ করবে আল্লাহ তা'আলা তার পেছনের সকল গুনাহ ক্ষমা করে তাকে সফলতা দান করবেন। আল্লাহ তা'আলার মহান বাণী- عَسَى অর্থাৎ 'আশা করা যায়' বাক্যটি ইয়াকিন তথা নিশ্চিত অর্থে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

📘 ইলা মাগফিরাহ > 📄 সূরাতুল আনকাবুত

📄 সূরাতুল আনকাবুত


সুরাতুল আনকাবুত-এর
৭ নং আয়াতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
আয়াত নং-৭
وَالَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ لَنُكَفِّرَنَّ عَنْهُمْ سَيِّئَاتِهِمْ وَلَنَجْزِيَنَّهُمْ أَحْسَنَ الَّذِي كَانُوا يَعْمَلُونَ
“আর যারা ইমান আনে ও সৎকর্ম করে, অবশ্যই আমি তাদের থেকে তাদের পাপসমূহ দূর করে দেব এবং আমি অবশ্যই তাদের সেই উত্তম আমলের প্রতিদান দেব, যা তারা করত।”
পেছনের আয়াতে ইরশাদ হয়েছে—আল্লাহ তা'আলা গোটা পৃথিবীবাসী থেকে নির্মোহ, প্রাচুর্যময় ও অমুখাপেক্ষী। এই আয়াতে ইরশাদ করা হয়েছে যে, নির্মোহ, প্রাচুর্যময় ও অমুখাপেক্ষী হওয়া সত্ত্বেও স্বীয় রহমত এবং অনুগ্রহে তোমাদের মেহনতসমূহের মূল্যায়ন করেন ও কবুল করেন এবং এর উপর তোমাদেরকে ক্ষমা, মাগফিরাত ও প্রতিদান দিয়ে থাকেন। পরকালে ইমানের বরকতে নেকি পাওয়া যাবে এবং গুনাহ মাফ হবে। ইমান ও নেক আমল মাগফিরাতের কারণ।

সুরাতুল আনকাবুত-এর
৭ নং আয়াতে তাওবা, ইস্তিগফার ও মাগফিরাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
আয়াত নং-৭
وَالَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ لَنُكَفِّرَنَّ عَنْهُمْ سَيِّئَاتِهِمْ وَلَنَجْزِيَنَّهُمْ أَحْسَنَ الَّذِي كَانُوا يَعْمَلُونَ
“আর যারা ইমান আনে ও সৎকর্ম করে, অবশ্যই আমি তাদের থেকে তাদের পাপসমূহ দূর করে দেব এবং আমি অবশ্যই তাদের সেই উত্তম আমলের প্রতিদান দেব, যা তারা করত।”
পেছনের আয়াতে ইরশাদ হয়েছে—আল্লাহ তা'আলা গোটা পৃথিবীবাসী থেকে নির্মোহ, প্রাচুর্যময় ও অমুখাপেক্ষী। এই আয়াতে ইরশাদ করা হয়েছে যে, নির্মোহ, প্রাচুর্যময় ও অমুখাপেক্ষী হওয়া সত্ত্বেও স্বীয় রহমত এবং অনুগ্রহে তোমাদের মেহনতসমূহের মূল্যায়ন করেন ও কবুল করেন এবং এর উপর তোমাদেরকে ক্ষমা, মাগফিরাত ও প্রতিদান দিয়ে থাকেন। পরকালে ইমানের বরকতে নেকি পাওয়া যাবে এবং গুনাহ মাফ হবে। ইমান ও নেক আমল মাগফিরাতের কারণ।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00