📘 ইলা মাগফিরাহ > 📄 আলোর ঝলক

📄 আলোর ঝলক


তাওবা ও ইস্তিগফার সংক্রান্ত আয়াতসমূহ একত্রিত করার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু জীবনের বিশৃঙ্খলা, কূল-কিনারাহীনতা, সাহসের দুর্বলতা এবং সময়ের স্বল্পতার কারণে হচ্ছিল না। আল্লাহ তা'আলার অনুগ্রহে একটি আসমানী ইশারা যেন দৃষ্টিগোচর হল। একজন মুজাহিদ আমাকে অনেক প্রভাবিত করেছেন। তার ত্যাগ ও কুরবানী, জীবন উৎসর্গ ও শহিদি মৃত্যুর আকাঙ্ক্ষা অন্তরে অনেক প্রভাব বিস্তার করল। তিনি তার কথা এবং তাশকিল শেষ করে চলে গেলেন এবং যাওয়ার সময় কুরআনুল কারিমের চমৎকার একটি কপি হাদিয়া দিয়ে গেলেন। এমন হাদিয়া তো এমনিতেই বরকতময় হয়ে থাকে। আর সেখানে এত বড় ত্যাগ ও কুরবানীদাতা মহান মর্দে মুমিনের হাদিয়া।
ব্যাস! আমি নিয়ত করে ফেললাম যে, ইন শা' আল্লাহ এই পবিত্র কপিটি থেকেই আমি ইস্তিগফার সংক্রান্ত আয়াতসমূহ একত্রিত করব। সেই শহিদ ভাইটি এমন কোন ওসিয়াত কিংবা আবেদন করেননি। তিনি শুধু কুরআনুল কারিমের কপিটি হাদিয়া পাঠিয়েছেন। আমার জানা নেই তিনি কোন দু'আ আশা করেছেন কি-না। প্রিয় মানুষদের তো নিজস্ব ভঙ্গি ও নিজস্ব আন্দাজ থাকে। এই শহিদ ভাই অনেক ত্যাগ ও কুরবানীওয়ালা ছিলেন। তিনি চিঠিতে লিখেছেন যে, আমি আপনাকে কয়েকবারই দেখেছি কিন্তু আপনি আমাকে দেখেননি। আপনার সাথে সাক্ষাতের প্রবল ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও তার আবেদন করিনি। আমি আমার এই প্রবল ইচ্ছাটিও আল্লাহ তা'আলার জন্য কুরবানী করছি। ব্যাস! আমি অনুমতি চাই। তিনি চলে গেলেন।
কুরআনুল কারিমের কপিটি দিয়ে গেলেন। কয়েক দিন পরেই আমি আমার এক ভাইয়ের সাথে বসে দুই দফা তিলাওয়াতের সময় তাওবা ও ইস্তিগফার সংক্রান্ত আয়াতসমূহ দাগ দিয়েছি। আমার ধারণা ছিল না যে, এই বিষয়ের উপরও শত শত আয়াত বিদ্যমান। সাধারণ তিলাওয়াত এবং সাধারণ তাফসীরের সময় অধিকাংশই এর ধারণা হয় না। আয়াতের সংখ্যাও ছিল ধারণার চেয়ে অধিক। এজন্য পুনরায় অসম্ভব মনে হচ্ছিল এবং আমি সফরে-হজরে কুরআনুল কারিমের এই কপিটি সাথে নিয়ে ঘুরতাম।
আকাঙ্ক্ষা ছিল যে, এ আয়াতসমূহের সহজ এবং সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা লিখে দেই। এ কাজটি যদিও "ফাতহুল জাওয়াদ” এর কাজের মত কঠিন ছিল না। সেটা অনেক ইলমী সতর্কতা ও পরীক্ষিত কাজ ছিল। একেবারে নতুন এবং নির্বাচিত কাজ ছিল। সেই "ফাতহুল জাওয়াদ"ও যদি সাধারণ দৃষ্টিতে পাঠ করা হয় তাহলে এমনই মনে হবে যে, এটাও সাধারণ একটি কাজ। আয়াত এবং তরজমা লিখে দিয়েছে এবং নিচে তাফসির গ্রন্থসমূহ থেকে ইবারত বা মূলপাঠ সংযোজন করে দেওয়া হয়েছে। তবে বিষয়টি এমন নয়। বরং এমন কোন আলেম যার জীবনের বহু বছর কেটেছে তাফসির অধ্যয়ন ও তাফসীরের পঠন-পাঠনে। তিনি যদি "ফাতহুল জাওয়াদ" গ্রন্থটি দেখেন তাহলে বুঝবেন যে, এটা কতটা কঠিন কাজ ছিল। একটি বিষয়ের আয়াত একত্রিত করা, উক্ত আয়াতসমূহের একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করা, উক্ত লক্ষ্যের আলোকে আসলাফ তথা পূর্বসূরীদের মতামত একত্রিত করা, অতঃপর বর্তমানকে অতীতের সাথে সংযোগ এবং জিহাদ অস্বীকারের ফিতনার মূলোৎপাটনের প্রতিটি দলিলকে অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে খণ্ডন করা। আল্লাহ তা'আলার অনুগ্রহ ছিল তাই কাজ হয়ে গেছে। বাস্তবে না আমার সামর্থ্যের ভেতর ছিল, না প্রকৃতার্থে এতে আমার কোন কৃতিত্ব ছিল। বর্তমান যুগের শুহাদায়ে কেরামের ত্যাগ ও কুরবানীর উপর আল্লাহ তা'আলার দয়া ও অনুগ্রহ হয়েছে যে, জিহাদ এমন গ্রহণযোগ্য দলীল-প্রমাণের দ্বারা আলোকিত হয়েছে। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি সৃষ্টিকুলের রব।
তবে "ইস্তিগফার সংক্রান্ত আয়াত" এর কাজ সহজ ছিল। কেননা কোন মুসলমানই ইস্তিগফারকে অস্বীকার করে না। হ্যাঁ! এ সম্পর্কে অলসতার সমস্যা প্রকট। অস্বীকার আর অলসতার মাঝে অনেক পার্থক্য। অলসতা দূর করার জন্য দলিলের চেয়েও অধিক দাওয়াত এবং স্মরণ করিয়ে দেওয়া প্রয়োজন হয়। তাই কাজ সহজই ছিল কিন্তু তারপরও কুরআনুল কারিমের প্রতিটি কাজ বিশেষ আদব, বিশেষ মনোযোগ ও বিশেষ সময় কামনা করে। সুতরাং এই বিশেষ মনোযোগ এবং বিশেষ সময়ের সন্ধানে দুই-তিন বছর অতিবাহিত হয়ে গেছে এবং কুরআনুল কারিমের লাল গিলাফওয়ালা কপিটি সফরে-হজরে আমার সাথেই ছিল।

📘 ইলা মাগফিরাহ > 📄 ইস্তিগফারের উপর দ্বিতীয় মেহনত

📄 ইস্তিগফারের উপর দ্বিতীয় মেহনত


এমতাবস্থায় চিন্তা-ভাবনা তো ছিল যে, এ কাজটি অনেক দ্রুতই সমাপ্ত করার যেন নিজের মাগফিরাত তথা ক্ষমার একটু পুঁজি হয়ে যায়। যেহেতু ইস্তিগফার এবং তাওবার বিষয়ে অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত একত্রিত হচ্ছিল। এক তো হল রঙ্গে-নূর ওয়েবসাইটের কোন-কোন আলোচনা। দ্বিতীয়ত ইস্তিগফার সংক্রান্ত প্রবন্ধ-নিবন্ধ। তৃতীয়ত ইস্তিগফারের শাব্দিক আলোচনা সংক্রান্ত হাদিসসমূহ। চতুর্থ হল তাওবা সংক্রান্ত হাদিসসমূহ। পঞ্চম হল ইস্তিগফারের ফজিলত সংক্রান্ত হাদিসসমূহ। ষষ্ঠ হল ইস্তিগফার সম্পর্কে ইমাম গাজালী রাহি.-এর জ্ঞানগর্ব আলোচনার সারসংক্ষেপ এবং ব্যাখ্যা আর সপ্তম হল ইস্তিগফার এবং তাওবার মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক ও পার্থক্যের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ ইত্যাদি।
আলহামদুলিল্লাহ! এ সকল কাজ একত্রিত হচ্ছিল এবং সাথে সাথে তার সংকলনের কাজও চলছিল। অতঃপর তা বিন্যস্তের কাজও সমাপ্ত হয়। বিন্যস্তের পর অধম এই পুরো পাণ্ডুলিপিটি দ্বিতীয়বার পাঠ করার পর অন্তর আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে উঠে। তাই পাণ্ডুলিপিটি নিয়ে অনেক দূরের একটি মসজিদে চলে যাই এবং সেখানে গিয়ে এই কাজকে দৈনিক নিয়মতান্ত্রিকভাবে করার জন্য আল্লাহ তা'আলার নিকট প্রতিজ্ঞা করি। আলহামদুলিল্লাহ! আয়াতসমূহের উপর কাজ শুরু হয় এবং দেড় মাসের মধ্যে সমাপ্ত হয়।
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي بِنِعْمَتِهِ تَيْمُ الصَّالِحَاتِ

📘 ইলা মাগফিরাহ > 📄 গ্রন্থটির চুম্বকাংশ

📄 গ্রন্থটির চুম্বকাংশ


কুরআনুল কারিমের তাওবা সংক্রান্ত আয়াত, ইস্তিগফার সংক্রান্ত আয়াত ও মাগফিরাত সংক্রান্ত আয়াতসমূহ পাঠ করলে অন্তর আশ্চর্যরকম একটি আলোয় আলোকিত হয়। নিম্নে তার কিছু সারমর্ম তুলে ধরছি।
» আল্লাহ তা'আলা স্বীয় বান্দাদেরকে মাগফিরাতের দিকে ডাকছেন। আসো আমার বান্দা আসো। তোমাকে মাফ করে দেব। তোমাকে ক্ষমা করে দেব।
» যে আল্লাহ তা'আলার যে পরিমাণ কাছের সে সেই পরিমাণ আল্লাহ তা'আলার মাগফিরাত ও ক্ষমার জন্য লালায়িত এবং সে আল্লাহ তা'আলার নিকট বার বার মাগফিরাত চায় এবং ইস্তিগফার করে। যদিও আমরা মনে করি এমন লোকদের ইস্তিগফারারের কি প্রয়োজন? তারা তো ক্ষমাপ্রাপ্ত লোকই।
» যে আল্লাহ তা'আলা থেকে যত দূরে, যে যেই পরিমাণ নিফাকে ডুবে আছে সে সেই পরিমাণ ইস্তিগফার থেকে দূরে। তার অন্তরে সব জিনিসের আকাঙ্ক্ষা আছে কিন্তু মাগফিরাতের আকাঙ্ক্ষা নেই। বস্তুত এমন লোকদেরই ইস্তিগফারের অধিক প্রয়োজন। কিন্তু সে নিজের নিফাক, নিজের গুনাহ এবং দুনিয়ার মহব্বতের উপর নিশ্চিন্ত। এজন্য না সে মাফ চায়, না ইস্তিগফার করে।
» মুসলমানের এমন কোন বিষয় নেই যা ইস্তিগফারের দ্বারা সমাধা হতে পারে না। অসম্ভব থেকে অসম্ভব কাজও ইস্তিগফারের বরকতে সম্ভবপর হয়ে যায়। মাছের পেট হতে জীবিত বের হওয়ার ঘটনা প্রমাণ হিসেবে বিদ্যমান। ইস্তিগফারের বরকতে পরাজয় বিজয়ে পরিণত হয়ে যায়। ইস্তিগফারের বরকতে বিজয় নিশ্চিত হয়ে যায়। ইস্তিগফারের বরকতে পানি, বাতাস, মাটি ও আগুনের নিয়মতান্ত্রিকতা মানুষের জন্য ঠিক হয়ে যায়। বংশগত সমস্যা সমাধান হয়ে যায়। বন্ধ্যাত্ব দূর হয়ে যায়। রাজনৈতিক সমস্যা সমাধান হয়ে যায় এবং সামাজিকভাবে পরস্পরে মহব্বত, ক্ষমা, অনুগ্রহ ও সেবার পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
» মুমিনের অন্তরে যদি আল্লাহ তা'আলার নিকট মাগফিরাত ও ক্ষমা পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা হয় তাহলে তা অনেক উপকারী। প্রথমতো হল তাতে অহংকার সৃষ্টি হয় না। সেই অন্তর সর্বদা বিনয়ী থাকে। আর বিনয় আল্লাহ তা'আলার অত্যন্ত পছন্দ। দ্বিতীয়ত হল তার দুর্বলতা দূর হয়ে যায় এবং সে অনেক শক্তিশালী মুমিনে পরিণত হয়।
» মুজাহিদরা ইস্তিগফার করলে তাদের শক্তি, অবিচলতা এবং বিজয় অর্জন হয় এবং তাদের জিহাদ এবং জিহাদি কার্যক্রম অনেক দূর-দূরান্ত পর্যন্ত ছড়িয়ে যায়। উলামায়ে কেরাম ইস্তিগফার করলে তাদের ইলমের মধ্যে নূর ও বরকত তৈরি হয় এবং তার ইলম স্বয়ং তার জন্য এবং অন্যদের জন্য উপকারী হয়ে যায়।
» কোন গুনাহ এমন নেই যা তাওবা এবং ইস্তিগফারের দ্বারা মাফ হয় না। শর্ত হল যে, তাওবা জীবিত থাকতে করা এবং সঠিক তাওবা করা। যখন আজাবের নিদর্শন শুরু হয়ে যায়, মৃত্যুর বিভিষিকা শুরু হয়ে যায় কিংবা মৃত্যু এসে যায় তখন তাওবা কবুল হয় না। এর পূর্বে সকল গুনাহের দরজা উন্মুক্ত এবং সঠিক তাওবার জন্য এমন সুসংবাদও রয়েছে যে, গুনাহসমূহকে নেকি দ্বারা পরিবর্তন করে দেওয়া হয়।
» তোমরা দেখে থাকবে, মানুষ সম্পদ, সন্তান, নারী, গবাদী পশু, ঘোড়া, অলঙ্কার ও জায়গা-জমি লাভ করার ক্ষেত্রে একে অপরকে পেছনে ফেলতে চায়। একে অপরের থেকে এগিয়ে যেতে চায়। এমতাবস্থায় তুমি এই অস্থায়ী বস্তুকে ছাড় এবং স্বীয় প্রভুর মাগফিরাত এবং স্বীয় প্রভুর জান্নাত পাওয়ার জন্য দৌড় দাও। মেহনত কর। মুকাবিলা করো এবং একে অপরের থেকে এগিয়ে যাও।
» কালিমায়ে তাইয়্যেবাকে অন্তরে বসিয়ে নাও। তাকে সুদৃঢ় কর। নিজেও পাঠ কর এবং অন্যদের নিকটও পৌঁছে দাও। ইস্তিগফার নিজেও কর। এর দ্বারা তোমাদের কালিমা সুদৃঢ় এবং মজবুত হবে এবং অন্য ইমানদারদের জন্যও ইস্তিগফার কর এবং মানুষকে আল্লাহ তা'আলার মাগফিরাত ও ইস্তিগফারের দিকে ডাক।
» যে আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করবে, সে আল্লাহ তা'আলার আজাব থেকে দুনিয়া ও আখিরাতে বেঁচে থাকবে। আর যে আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করবে না, সে সব জায়গায় মরবে। আল্লাহ তা'আলার ভয় অনেক বড় নি'আমত। তবে এমন ভয় যার সাথে আশাও আছে। ভয় এবং আশা উভয়টির সম্মিলিত বহিঃপ্রকাশ সঠিক ইস্তিগফারের মধ্যেই হয়ে থাকে। একদিকে ভয় যে, আমার থেকে ভুল হয়ে গেছে। আমার থেকে বাড়াবাড়ি হয়ে গেছে। আমি এটা কি করলাম। আমি তো ধ্বংসের দিকে যাচ্ছি। হে আল্লাহ! হে আল্লাহ! হে আল্লাহ! সাথে সাথে আশাও আছে যে, ক্ষমা পেতে পারি। হে আল্লাহ ক্ষমা করে দাও। মাফ করে দাও। মাগফিরাত দান কর। সুতরাং যার এটা নসিব হয়ে গেছে তার ইমানের উঁচু মর্যাদা লাভ হয়ে গেছে।
» যে গুনাহ করতে আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করে না, সে অনেক কঠিন আশঙ্কার মধ্যে আছে। আর যে গুনাহ করে আল্লাহ তা'আলার মাগফিরাত ও রহমত থেকে নিরাশ হয়ে বসে আছে, সে তারচেয়েও অধিক আশঙ্কার মধ্যে আছে।
» মাগফিরাতের উপায়-উপকরণ কী কী? মাগফিরাত থেকে বঞ্চিত হওয়ার কারণ কী কী? মাগফিরাত একজন মুমিনের জন্য সবচেয়ে বড় নি'আমত। তবে কীভাবে?
এ সবকিছু কুরআনুল কারিমে বিদ্যমাণ। ব্যাস! এতটুকু সারকথা বলে দিলাম যেন সারকথা সারকথাই থাকে।

📘 ইলা মাগফিরাহ > 📄 কত সহজ হয়ে গেছে

📄 কত সহজ হয়ে গেছে


তাওবা-ইস্তিগফার ও মাগফিরাতের যে আয়াত একত্রিত করেছি, তা অর্ধশতের অধিক। এই আয়াতসমূহের তাফসীরে না দীর্ঘ কোন আলোচনা লেখা হয়েছে এবং না তাফসির গ্রন্থের রেফারেন্স। সংক্ষিপ্তভাবে কয়েক লাইনের মধ্যে এই বরকতময় আয়াতের তাওবা, ইস্তিগফার সংক্রান্ত বিষয়টি সুস্পষ্ট করে দিয়েছি। যেন সাধারণ পাঠক খুব সহজেই এ সকল আয়াতসমূহের অর্থ বুঝতে পারে এবং আনুমানিক চার-পাঁচ ঘণ্টার অধ্যয়ন কিংবা তা'লীমের দ্বারা কুরআনুল কারিমের মাগফিরাত সংক্রান্ত প্রায় সকল আয়াত পাঠ করতে পারে। আর যে ইলমে দীনের তালিবুল ইলম এবং আরবী সম্পর্কে অবহিত, সে আড়াই ঘণ্টা কিংবা তিন ঘণ্টা এ সকল আয়াত পাঠ করতে পারবে। মা শা' আল্লাহ, লা-হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা- বিল্লাহ! দেখুন কত সহজ হয়ে গেছে যে, এত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং এত অধিক আয়াত মাত্র কয়েক ঘণ্টার মেহনতে বুঝে যাবে। আপনারা জানেন যে, কুরআনুল কারিম রোগও নির্দেশ করে এবং তার চিকিৎসাও। গুনাহ হল রোগ আর তাওবা-ইস্তিগফার হল আরোগ্য লাভের উপায় ও চিকিৎসা। চিকিৎসার পরিপূর্ণ প্রেসক্রিপশন, পরিপূর্ণ সিলেবাস এবং পূর্ণাঙ্গ নিয়ম- নীতি। যা আয়াতসমূহকে বুঝে পাঠ করার দ্বারা আমাদের সামনে এসে যাবে ইন শা' আল্লাহ।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00