📄 ইখলাস অর্জনের সহজ উপায়
(১) চোখভরা স্বপ্ন, বুকভরা আশা সব ঝেড়ে ফেলেন। মৃত্যুকে বেশি বেশি স্মরণ করেন। কুরআনে কারিমে ঘোষিত হয়েছে—
كل نفس ذائقة الموت. وإنما توفون أجوركم يوم القيامة فمن زحزح عن النار وأدخل الجنه فقد فاز ، وما الحياة الدنيا إلا متاع الغرور.
জীবনমাত্রই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে। কিয়ামতের দিন তোমাদেরকে তোমাদের কর্মফল পূর্ণমাত্রায় দেওয়া হইবে। যাকে আগুন হতে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে সে-ই সফলকাম এবং পার্থিব জীবন ছলনাময় ভোগ ছাড়া আর কিছুই নয়।
আরও ঘোষিত হয়েছে—
و ما تدري نفس ماذا تكسب غدا، وما تدري نفس باي أرض تموت إن الله عليم خبير.
কেউ জানে না—আগামীকাল সে কী অর্জন করবে এবং কেউ জানে না, কোথায় তার মৃত্যু ঘটবে। নিশ্চই আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সববিষয়ে অবহিত।
(২) জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণকে ভয় করেন। জীবনসায়াহ্নে, জীবনের শেষ মহূর্তে আপনার শেষ আমলটা রিয়া-সংক্রমিত হয়ে যায় কি না—তার ভয় করেন। তাহলে আপনি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত। কারণ, যেই অবস্থায় মানুষ মৃত্যুবরণ করে, সে সেই অবস্থাতেই কিয়ামতের দিন উঠবে। তার নিয়তানুযায়ী তার সাথে আচরণ করা হবে। শেষ আমল যেন ভালো হয়—এর জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করেন, মানুষের শেষ আমলই সর্বোত্তম আমল।
(৩) যাদের ইখলাস রয়েছে তাদের সাথে বসেন; মুত্তাকিদের সাথে সময় কাটান। তারা আপনাকে কল্যাণ থেকে বঞ্চিত করবে না। তাদের কাছে সঠিক পথের দিশা পাবেন। আপনি যদি রিয়াকারীদের সাথে উঠাবসা করেন, তাদের আদর্শ গ্রহণ করেন, তারা আপনাকে জাহান্নামে নিয়ে ছাড়বে।
(৪) বেশি বেশি দুআ করেন। আল্লাহর কাছেই আশ্রয় নেন। এটি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের শিখিয়েছেন। তিনি বলেন—হে লোকসকল, তোমরা ছোট্ট পিপিলিকার চেয়েও সূক্ষ্ম এই শিরক থেকে বেঁচে থাকো। সাহাবায়ে কেরামের কেউ কেউ প্রশ্ন করলেন—
ইয়া রাসুলাল্লাহ, পিপিলিকা থেকেও যা সূক্ষ্ম তা থেকে কীভাবে আমরা বেঁচে থাকতে পারি?
তিনি বললেন, তোমরা বলো—
اللهم إنا نعوذ بك أن أشرك بك شيئا نعلمه ونستغفرك لما لا نعلمه.
হে আল্লাহ, আমরা আমাদের জানা বিষয়ে শিরক করা থেকে আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আর অজানা বিষয়ে আমরা ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।
(৫) আল্লাহ তাআলা আপনার মতো বান্দাকে যে স্মরণ করছেন, একে আপনার নিজের কাছে অত্যন্ত প্রিয় করে তোলেন। মানুষের প্রশংসার ওপর একে প্রধান্য দেন। আল্লাহ তাআলার ঘোষণা—
فاذكروني أذكركم.
সুতরাং তোমরা আমাকেই স্মরণ করো, আমিও তোমাদের স্মরণ করব।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, আল্লাহ তাআলা বলেন—
আমি আমার ব্যাপারে আমার বান্দার ধারণার কাছাকাছি থাকি। সে যখন আমাকে স্মরণ করে তখন আমি তার সাথে থাকি। সে যদি আমাকে মনে মনে স্মরণ করে তাহলে আমিও তাকে মনে মনে স্মরণ করি, সে যদি আমার কথা উত্তম মজলিসে আলোচনা করে, তাহলে আমি তার কথা এর চেয়েও উত্তম মজলিশে (ফেরেশতাদের মজলিস) আলোচনা করি। সে যদি আমার দিকে এক বিঘত অগ্রসর হয়, তাহলে আমি তার দিকে একহাত অগ্রসর হই। আমার দিকে এক হাত অগ্রসর হলে তার দিকে আমি দুই হাত অগ্রসর হই। সে আমার দিকে হেঁটে আসলে আমি তার দিকে দৌড়ে যাই।
আপনি আল্লাহর এই স্মরণকে বান্দার তুচ্ছ প্রশংসার ওপর প্রধান্য দেন। তা আপনাকে লৌকিকতা থেকে রক্ষার সহায়ক হবে। আল্লাহ আমাদেরকে তার নিকটবর্তী হওয়ার তাওফিক দান করেন।
(৬) মানুষের সম্পদে লালায়িত হবেন না। যেই অন্তরে সম্পদের লালসা রয়েছে, যেই মন প্রশংসা ও মূল্যায়ন পেতে আগ্রহী সেই মনে ইখলাস থাকতে পারে না। অন্যথায় আগুন-পানির সহাবস্থান, সাপ ও মাছের চমৎকার মিলেমিশে থাকা আবশ্যক হয়ে পড়বে।
আপনি যদি ইখলাসের গুণে গুণান্বিত হওয়ার স্বপ্ন দেখেন, তাহলে প্রথমে আপনাকে যেই কাজটা করতে হবে তা হলো, নিরাশার ছুরি দিয়ে সম্পদের লালসাকে হত্যা করা। দুনিয়ার সম্পদ এমন কোনো বিষয় নয়, যাতে লোভ রাখা যায়। আপনি সম্পদের প্রতি এই নির্মোহ ভাব মনে বসাতে পারলে এটা লালসা জবাইয়ের কাজে আপনাকে সহায়তা করবে। দুনিয়ার সম্পদে কীসের আশা? কীসের ভরসা? আপনার জন্য তো মহান আল্লাহর নিকট বিশাল ধনভান্ডার রয়েছে, যার মালিক কেবল তিনিই, যাতে তিনি ছাড়া অন্য কারো হস্তক্ষেপের অধিকার নেই।
**ইখলাসের মিষ্ট ফল**
ইখলাসের প্রতিদান সম্পর্কে জানার চেষ্টা করলে, এগুলো নিয়ে ভাবলে, দুনিয়া-আখেরাতে ইখলাসের শুভ পরিণামের কল্পনা করলে তা আপনাকে ইখলাস অর্জনে সহায়তা করবে। এবার নিচের পয়েন্টগুলোতে ইখলাসের উপকারের একটা ঝলক দেখে নিই আমরা; ইখলাসের মাধ্যমে—
✓ আল্লাহর সাহায্য লাভ করে মানুষ।
✓ পরকালের শান্তি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
✓ দুনিয়া আখেরাতে মানুষের বিশেষ মর্যাদা অর্জন হয়।
✓ দুনিয়ার গোমরাহি থেকে রক্ষা মিলে।
✓ আল্লাহর ভালোবাসা লাভ করতে পারে বান্দা।
✓ বান্দা ফেরেশতাদের ভালোবাসা পায়।
✓ সুনাম-সুখ্যাতিও ছড়ায়।
✓ দুনিয়া-আখেরাতের বিপদাপদ দূর হয়।
✓ মনে প্রশান্তি জাগে, নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে হয়, আল্লাহর তাওফিকে নিজেকে ধন্য মনে হয়।
✓ বিপদাপদ- মুসিবত, কষ্ট সহ্য করা যায়।
✓ অন্তরের ঈমান সুশোভিত হয়।
✓ দুআ কবুল হয়।
✓ কবরে আল্লাহর নিয়ামত লাভ করা যায়।
✓ সর্বোপরি ইখলাস আছে, এমন ব্যক্তির জন্য রয়েছে জান্নাতের সুসংবাদ।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে ইখলাস অর্জনের তাওফিক দান করেন। আমিন।
টিকাঃ
৮৯. সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ১৮৫
৯০. সূরা লুকমান, আয়াত: ৩৪
৯১. মুসনাদে আহমদ, খণ্ড: ৪, পৃষ্ঠা: ৪০৩; মান: হাদিসটির সনদ জায়্যিদ, দেখেন—আলবানি রচিত 'সহিহুল জামে, খণ্ড: ৩, পৃষ্ঠা: ২৩৩; সহিহূত তারগিব ওয়াত তারহিব, খণ্ড : ১, পৃষ্ঠা : ১৯
১২. সূরা বাকারা, আয়াত: ১৫২
১৩. সহিহ বুখারি: ৭৪০৫; সহিহ মুসলিম: ২৬৭৫
৯৪. দেখেন- منهاج القاصدين ص ۲۲۱-۲۲۳ ، الإخلاص للعوايشة ٤١-٦٤ الإخلاص والشرك الأصغر للدكتور عبد العزيز بن عبد اللطيف ص ۱۳ ، الرياء ذمه وأثره السيئ في الأمة لسليم الهلالي ص ۱۷
৯৫. আল-ফাওয়ায়িদ, ইবনুল কায়্যিম: ২৬৭-২৬৮
(১) চোখভরা স্বপ্ন, বুকভরা আশা সব ঝেড়ে ফেলেন। মৃত্যুকে বেশি বেশি স্মরণ করেন। কুরআনে কারিমে ঘোষিত হয়েছে—
كل نفس ذائقة الموت. وإنما توفون أجوركم يوم القيامة فمن زحزح عن النار وأدخل الجنه فقد فاز ، وما الحياة الدنيا إلا متاع الغرور.
জীবনমাত্রই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে। কিয়ামতের দিন তোমাদেরকে তোমাদের কর্মফল পূর্ণমাত্রায় দেওয়া হইবে। যাকে আগুন হতে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে সে-ই সফলকাম এবং পার্থিব জীবন ছলনাময় ভোগ ছাড়া আর কিছুই নয়।
আরও ঘোষিত হয়েছে—
و ما تدري نفس ماذا تكسب غدا، وما تدري نفس باي أرض تموت إن الله عليم خبير.
কেউ জানে না—আগামীকাল সে কী অর্জন করবে এবং কেউ জানে না, কোথায় তার মৃত্যু ঘটবে। নিশ্চই আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সববিষয়ে অবহিত।
(২) জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণকে ভয় করেন। জীবনসায়াহ্নে, জীবনের শেষ মহূর্তে আপনার শেষ আমলটা রিয়া-সংক্রমিত হয়ে যায় কি না—তার ভয় করেন। তাহলে আপনি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত। কারণ, যেই অবস্থায় মানুষ মৃত্যুবরণ করে, সে সেই অবস্থাতেই কিয়ামতের দিন উঠবে। তার নিয়তানুযায়ী তার সাথে আচরণ করা হবে। শেষ আমল যেন ভালো হয়—এর জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করেন, মানুষের শেষ আমলই সর্বোত্তম আমল।
(৩) যাদের ইখলাস রয়েছে তাদের সাথে বসেন; মুত্তাকিদের সাথে সময় কাটান। তারা আপনাকে কল্যাণ থেকে বঞ্চিত করবে না। তাদের কাছে সঠিক পথের দিশা পাবেন। আপনি যদি রিয়াকারীদের সাথে উঠাবসা করেন, তাদের আদর্শ গ্রহণ করেন, তারা আপনাকে জাহান্নামে নিয়ে ছাড়বে।
(৪) বেশি বেশি দুআ করেন। আল্লাহর কাছেই আশ্রয় নেন। এটি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের শিখিয়েছেন। তিনি বলেন—হে লোকসকল, তোমরা ছোট্ট পিপিলিকার চেয়েও সূক্ষ্ম এই শিরক থেকে বেঁচে থাকো। সাহাবায়ে কেরামের কেউ কেউ প্রশ্ন করলেন—
ইয়া রাসুলাল্লাহ, পিপিলিকা থেকেও যা সূক্ষ্ম তা থেকে কীভাবে আমরা বেঁচে থাকতে পারি?
তিনি বললেন, তোমরা বলো—
اللهم إنا نعوذ بك أن أشرك بك شيئا نعلمه ونستغفرك لما لا نعلمه.
হে আল্লাহ, আমরা আমাদের জানা বিষয়ে শিরক করা থেকে আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আর অজানা বিষয়ে আমরা ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।
(৫) আল্লাহ তাআলা আপনার মতো বান্দাকে যে স্মরণ করছেন, একে আপনার নিজের কাছে অত্যন্ত প্রিয় করে তোলেন। মানুষের প্রশংসার ওপর একে প্রধান্য দেন। আল্লাহ তাআলার ঘোষণা—
فاذكروني أذكركم.
সুতরাং তোমরা আমাকেই স্মরণ করো, আমিও তোমাদের স্মরণ করব।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, আল্লাহ তাআলা বলেন—
আমি আমার ব্যাপারে আমার বান্দার ধারণার কাছাকাছি থাকি। সে যখন আমাকে স্মরণ করে তখন আমি তার সাথে থাকি। সে যদি আমাকে মনে মনে স্মরণ করে তাহলে আমিও তাকে মনে মনে স্মরণ করি, সে যদি আমার কথা উত্তম মজলিসে আলোচনা করে, তাহলে আমি তার কথা এর চেয়েও উত্তম মজলিশে (ফেরেশতাদের মজলিস) আলোচনা করি। সে যদি আমার দিকে এক বিঘত অগ্রসর হয়, তাহলে আমি তার দিকে একহাত অগ্রসর হই। আমার দিকে এক হাত অগ্রসর হলে তার দিকে আমি দুই হাত অগ্রসর হই। সে আমার দিকে হেঁটে আসলে আমি তার দিকে দৌড়ে যাই।
আপনি আল্লাহর এই স্মরণকে বান্দার তুচ্ছ প্রশংসার ওপর প্রধান্য দেন। তা আপনাকে লৌকিকতা থেকে রক্ষার সহায়ক হবে। আল্লাহ আমাদেরকে তার নিকটবর্তী হওয়ার তাওফিক দান করেন।
(৬) মানুষের সম্পদে লালায়িত হবেন না। যেই অন্তরে সম্পদের লালসা রয়েছে, যেই মন প্রশংসা ও মূল্যায়ন পেতে আগ্রহী সেই মনে ইখলাস থাকতে পারে না। অন্যথায় আগুন-পানির সহাবস্থান, সাপ ও মাছের চমৎকার মিলেমিশে থাকা আবশ্যক হয়ে পড়বে।
আপনি যদি ইখলাসের গুণে গুণান্বিত হওয়ার স্বপ্ন দেখেন, তাহলে প্রথমে আপনাকে যেই কাজটা করতে হবে তা হলো, নিরাশার ছুরি দিয়ে সম্পদের লালসাকে হত্যা করা। দুনিয়ার সম্পদ এমন কোনো বিষয় নয়, যাতে লোভ রাখা যায়। আপনি সম্পদের প্রতি এই নির্মোহ ভাব মনে বসাতে পারলে এটা লালসা জবাইয়ের কাজে আপনাকে সহায়তা করবে। দুনিয়ার সম্পদে কীসের আশা? কীসের ভরসা? আপনার জন্য তো মহান আল্লাহর নিকট বিশাল ধনভান্ডার রয়েছে, যার মালিক কেবল তিনিই, যাতে তিনি ছাড়া অন্য কারো হস্তক্ষেপের অধিকার নেই।
**ইখলাসের মিষ্ট ফল**
ইখলাসের প্রতিদান সম্পর্কে জানার চেষ্টা করলে, এগুলো নিয়ে ভাবলে, দুনিয়া-আখেরাতে ইখলাসের শুভ পরিণামের কল্পনা করলে তা আপনাকে ইখলাস অর্জনে সহায়তা করবে। এবার নিচের পয়েন্টগুলোতে ইখলাসের উপকারের একটা ঝলক দেখে নিই আমরা; ইখলাসের মাধ্যমে—
✓ আল্লাহর সাহায্য লাভ করে মানুষ।
✓ পরকালের শান্তি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
✓ দুনিয়া আখেরাতে মানুষের বিশেষ মর্যাদা অর্জন হয়।
✓ দুনিয়ার গোমরাহি থেকে রক্ষা মিলে।
✓ আল্লাহর ভালোবাসা লাভ করতে পারে বান্দা।
✓ বান্দা ফেরেশতাদের ভালোবাসা পায়।
✓ সুনাম-সুখ্যাতিও ছড়ায়।
✓ দুনিয়া-আখেরাতের বিপদাপদ দূর হয়।
✓ মনে প্রশান্তি জাগে, নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে হয়, আল্লাহর তাওফিকে নিজেকে ধন্য মনে হয়।
✓ বিপদাপদ- মুসিবত, কষ্ট সহ্য করা যায়।
✓ অন্তরের ঈমান সুশোভিত হয়।
✓ দুআ কবুল হয়।
✓ কবরে আল্লাহর নিয়ামত লাভ করা যায়।
✓ সর্বোপরি ইখলাস আছে, এমন ব্যক্তির জন্য রয়েছে জান্নাতের সুসংবাদ।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে ইখলাস অর্জনের তাওফিক দান করেন। আমিন।
টিকাঃ
৮৯. সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ১৮৫
৯০. সূরা লুকমান, আয়াত: ৩৪
৯১. মুসনাদে আহমদ, খণ্ড: ৪, পৃষ্ঠা: ৪০৩; মান: হাদিসটির সনদ জায়্যিদ, দেখেন—আলবানি রচিত 'সহিহুল জামে, খণ্ড: ৩, পৃষ্ঠা: ২৩৩; সহিহূত তারগিব ওয়াত তারহিব, খণ্ড : ১, পৃষ্ঠা : ১৯
১২. সূরা বাকারা, আয়াত: ১৫২
১৩. সহিহ বুখারি: ৭৪০৫; সহিহ মুসলিম: ২৬৭৫
৯৪. দেখেন- منهاج القاصدين ص ۲۲۱-۲۲۳ ، الإخلاص للعوايشة ٤١-٦٤ الإخلاص والشرك الأصغر للدكتور عبد العزيز بن عبد اللطيف ص ۱۳ ، الرياء ذمه وأثره السيئ في الأمة لسليم الهلالي ص ۱۷
৯৫. আল-ফাওয়ায়িদ, ইবনুল কায়্যিম: ২৬৭-২৬৮