📄 ১. ইবিয়ন সম্প্রদায় (Ebionites)
এরা সাধু ইবিয়নের অনুসারী। এই উপদলটি মুসার শরিয়তের সকল বিধানের ওপর বিশ্বাস স্থাপন করে। ঈসা আলাইহিস সালামকে পুরাতন নিয়মে বর্ণিত প্রতীক্ষিত মসিহ বিবেচনা করে। মসিহের প্রভুত্বকে তারা অস্বীকার করে। তাকে একজন মানুষ এবং রাসুল হিসেবেই বিবেচনা করে। এই উপদলটির বিশেষ সুসমাচার রয়েছে যার নাম ইবিয়নিদের সুসমাচার। খ্রিষ্টানদের নিকট এটি অগ্রহণযোগ্য ও নিষিদ্ধ সুসমাচারের অন্তর্ভুক্ত। নিকিয়ার মহাসভার সিদ্ধান্তের পর শাসকগোষ্ঠীর চাপে চতুর্থ শতাব্দীর পর এই উপদলটি হারিয়ে যায়।
📄 ২. শিমশাতি সম্প্রদায়
২৬০ খ্রিষ্টাব্দে এন্তাকিয়ার বিশিষ্ট সাধু পোল শিমশাতির দিকে এই উপদলটির সম্বন্ধ করা হয়। তিনি মসিহের প্রভুত্বকে অস্বীকার করতেন এবং তাকে একজন মানুষ ও রাসুল হিসেবেই বিবেচনা করতেন। ইবনে হাযম এই সাধু ব্যক্তিটিকে মহান বলে অভিহিত করেছেন। তার মাযহাবকে এভাবে সাব্যস্ত করেছেন যে, তিনি বলতেন: নিশ্চয় ঈসা অন্যান্য নবিগণের ন্যায় আল্লাহর বান্দা ও তার রাসুল। তিনি বলতেন: আমি জানি না কালিমা কী? কিংবা রুহুল কুদসই বা কে? [৫৭৬]
টিকাঃ
[৫৭৬] আল-ফসলু ফিল-মিলাল ওয়াল-আহওয়াই ওয়ান-নিহাল।
📄 ৩. আরিসি সম্প্রদায়
মিসরের আলেকজান্দ্রিয়া চার্চের সাধু আরিয়ুসের দিকে এই উপদলকে সম্বন্ধ করা হয়। পরবর্তীতে তিনি মসিহের প্রভুত্ব ও ঈশ্বরপুত্র হওয়ার বিষয়ে আলেকজান্দ্রিয়া চার্চের বিরোধিতা করেন।