📘 ইহুদি ও খ্রিষ্টান জাতির ইতিহাস 📄 উক্ত উৎসগুলোতে পোলের চিন্তাধারার প্রভাব

📄 উক্ত উৎসগুলোতে পোলের চিন্তাধারার প্রভাব


এ পর্যায়ে উক্ত ধর্মীয় উৎসগুলোতে পোলের চিন্তাধারার প্রভাব কতটুকু তা খতিয়ে দেখা দরকার। এজন্য আমাদেরকে প্রথমে এগুলোর লেখকের সাথে পোলের সম্পর্কের ধরণ নিয়ে অবগত হওয়া প্রয়োজন।

১। মথির সুসমাচার: লেখক হাওয়ারি ছিলেন না। মার্কের সুসমাচার থেকে উদ্ধৃত করার মাধ্যমে তিনি সুসমাচারটি রচনা করেন।
২। মার্কের সুসমাচার: লেখক বিভিন্ন সফরে পোলের সঙ্গী ছিলেন।
৩। লুক: পোলের প্রিয়ভাজন।
৪। যোহন: লেখক হাওয়ারি ছিলেন না। মসিহের প্রভুত্ব সম্পর্কে পোলের নাস্তিক্যবাদী দর্শনকে যোহন তার সুসমাচারে পেশ করেছেন।
৫। প্রেরিতদের কার্যবিবরণী: পোলের প্রিয়ভাজন লুক কর্তৃক রচিত।
৬। পোলের পত্রসমূহ: পোল নিজেই লেখক।
৭। যাকোবের পত্র: পোলের চিন্তা-দর্শনের ব্যাখ্যা।
৮। পিতরের পত্র: পোলের চিন্তা-দর্শনের ব্যাখ্যা।
৯। যোহনের পত্র: পোলের চিন্তা-দর্শনের ব্যাখ্যা।
১০। যিহুদার পত্র: পোলের চিন্তা-দর্শনের ব্যাখ্যা।

এত এত আলোচনা, গবেষণা, পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণের পর এ কথা বলা কি যৌক্তিক হতে পারে যে, খ্রিষ্টানরা যে ধর্ম পালন করে, তা মসিহ আলাইহিস সালাম আনীত ধর্ম? না, কখনোই না, বরং এটি হলো চরম বিকৃত ও অপব্যাখ্যাকারী ইহুদি পোলের আবিষ্কৃত ধর্ম।[৪৯৯]

টিকাঃ
[৪৯৯] পাঠক বিস্তারিত জানতে ড. মুহাম্মদ নাদের সিদ্দিকি কর্তৃক উর্দু ভাষায় রচিত আল-মসিহিয়্যাতু ফি পাকিস্তান গ্রন্থটি দেখে নিতে পারেন।

ফন্ট সাইজ
15px
17px