📄 চার. বিবাহ ও পরিবার গঠন
সাধারণভাবে সুসমাচারগুলো বিবাহের ব্যাপারে ভীতি প্রদর্শন এবং সন্ন্যাসব্রত ও কৌমার্যের প্রতি উৎসাহিত করে।
করিন্থিয়দের প্রতি লিখিত পত্রে পোল বলেন, "কিন্তু যে ব্যক্তি হৃদয়ে স্থির, যাহার কোনো প্রয়োজন নাই, এবং আপনি আপন ইচ্ছা সম্বন্ধে কর্তা, সে যদি আপন কন্যাকে কুমারী রাখিতে হৃদয়ে স্থির করিয়া থাকে, তবে ভাল করে। অতএব যে আপন কুমারী কন্যার বিবাহ দেয়, সে ভাল করে; এবং যে না দেয়, সে আরও ভাল করে। "[৪৮৯]
পোল আরও বলেন, "আবার তোমরা যে সকল কথা লিখিয়াছ, তাহার বিষয়ে- স্ত্রীলোককে স্পর্শ না করা মনুষ্যের ভাল।"[৪৯০]
তবে যে নিজের ব্যাপারে অপরাধের ভয় করে সে বিয়ে করে নিতে পারে। অন্যত্র তিনি বলেন, “পরন্তু অবিবাহিত লোকদের ও বিধবাদের কাছে আমার কথা এই, তাহারা যদি আমার মত থাকিতে পারে, তবে তাহাদের পক্ষে তাহাই ভাল; কিন্তু তাহারা যদি ইন্দ্রিয় দমন করিতে না পারে, তবে বিবাহ করুক; কেননা, আগুনে জ্বলা অপেক্ষা বরং বিবাহ করা ভাল।”[৪৯১]
এরই মাধ্যমে আমরা দল-উপদল নির্বিশেষে খ্রিষ্টানদের নিকট সমাদৃত চারটি সুসমাচার সম্পর্কে আলোচনা শেষ করেছি। এ পর্যায়ে আমরা খ্রিষ্টধর্মের অন্যান্য উৎস তথা পবিত্র পুস্তকসমূহ নিয়ে আলোচনা করব।
টিকাঃ
[৪৮৯] করিন্থিয়, অধ্যায়: ৭, অনুচ্ছেদ: ৩৭-৩৮।
[৪৯০] প্রাগুক্ত, অধ্যায়: ৭, অনুচ্ছেদ: ১।
[৪৯১] প্রাগুক্ত, অধ্যায়: ৭, অনুচ্ছেদ: ৮-৯।