📘 ইহুদি ও খ্রিষ্টান জাতির ইতিহাস 📄 আপত্তি আট

📄 আপত্তি আট


মথি মনে করেন, ঈসা আলাইহিস সালাম সুলাইমান বিন দাউদের বংশধর। অপরদিকে লুক মনে করেন, তিনি নাথান বিন দাউদের বংশধর।

📘 ইহুদি ও খ্রিষ্টান জাতির ইতিহাস 📄 আপত্তি নয়

📄 আপত্তি নয়


মথি ঈসা আলাইহিস সালামকে দাউদ আলাইহিস সালামের বংশধর হিসেবে অভিহিত করেছেন। বংশপরম্পরায় যারা সবাই ছিলেন প্রসিদ্ধ সম্রাট। পক্ষান্তরে লুক তাকে সম্রাটদের অধস্তন হিসেবে দেখাননি।

📘 ইহুদি ও খ্রিষ্টান জাতির ইতিহাস 📄 আপত্তি দশ

📄 আপত্তি দশ


পাঠক উপর্যুক্ত চার্টের দিকে তাকালে দেখতে পাবেন, বংশলতিকার বর্ণনায় পুরাতন নিয়ম ও নতুন নিয়মের মধ্যে কী পরিমাণ বিরোধ বিদ্যমান। অথচ পুরাতন নিয়ম হলো নতুন নিয়মের ভিত্তি। এদিকে খ্রিষ্টানদের বিশ্বাস নতুন নিয়ম ঈসা আলাইহিস সালামের কাছে অহি হিসেবে এসেছে। এই অহি জিবরাইল বহন করে এনেছেন। কিন্তু প্রশ্ন জাগে, অহিতে কী এমন জঘন্য ভুল থাকতে পারে? পূর্বোক্ত আপত্তিগুলোই তাদের দাবির জবাবে যথেষ্ট।

📘 ইহুদি ও খ্রিষ্টান জাতির ইতিহাস 📄 আপত্তি এগারো

📄 আপত্তি এগারো


একথা সর্বজনবিদিত যে, বংশলতিকা বর্ণনা করা হয় পিতৃকুলের দিক থেকে। নতুন নিয়মে মসিহ আলাইহিস সালামের বংশলতিকা যোসেফের দিকে সম্বন্ধ করে বর্ণনা করা হয়েছে। অথচ খ্রিষ্টানরাও বলে থাকে, যোসেফ মসিহ আলাইহিস সালামের পিতা নন। সুতরাং পিতা নন এমন একজন থেকে বংশ বর্ণনা করা আদৌ কোনো যৌক্তিক বক্তব্য হতে পারে না। মসিহ আলাইহিস সালামের বংশলতিকা বর্ণনা করতে হলে মাতা মারইয়ামের দিকে সম্বন্ধ করেই বর্ণনা করা উচিত।
এদিক থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কুরআনের বর্ণনাই আপত্তিহীন ও বাস্তবসম্মত। কুরআন তাকে ইবনে মারইয়াম তথা মারইয়াম-তনয় বলে অভিহিত করেছে। পরিচয়ের ক্ষেত্রে মায়ের দিকটাই উল্লেখ করেছে। পিতৃকুলের বর্ণনা দেওয়ার মতো অযৌক্তিক কোনো বিষয়ের অবতারণা কুরআনে করা হয়নি। অন্যদের ক্ষেত্রে যেখানে পিতা-মাতার প্রতি সদাচারের কথা বলা হয়েছে সেখানে মসিহ আলাইহিস সালামকে 'মায়ের প্রতি সদাচারী' হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px