📄 তালমুদের ভাষা
মিশনা লেখা হয়েছিল হিব্রু ভাষায়। তেষট্টিটি পুস্তকের সমষ্টি ইহুদিদের এই ধর্মগ্রন্থটি রচিত হয় খিষ্টাব্দ প্রথম ও দ্বিতীয় শতকে।
মিশনার ব্যাখ্যা লেখা হয় আরামিয় ভাষায়। এই ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের জন্য পরবর্তীতে দুটি ধারা প্রচলিত হয়। প্রথমটি হলো ফিলিস্তিনি ধারা। এরা ফিলিস্তিনের আধুনিক আরবি ভাষা ব্যবহার করত। খ্রিষ্টাব্দ পঞ্চম শতাব্দী পর্যন্ত এদের এই ব্যাখ্যার কাজ চলমান থাকে। এই তালমুদ বাইতুল মুকাদ্দাসের তালমুদ বা জেরুজালেমের তালমুদ নামে পরিচিত।
দ্বিতীয় ধারাটি ব্যাবিলনকেন্দ্রিক। এরা দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় আরামীয় ভাষা ব্যবহার করত। এদের কাজ শেষ হয় খ্রিষ্টীয় ষষ্ঠ শতাব্দীতে। এই তালমুদটি ব্যাবিলনীয় তালমুদ নামে পরিচিত। এটি জেরুসালেমের তালমুদ এর চেয়ে প্রায় তিনগুণ বড়। রাব্বিদের মাঝে এই তালমুদ অধিক পরিচিত। সাধারণভাবে তালমুদ বলতে এটাকেই বোঝানো হয়।
পরবর্তী যুগের সংকলিত মাসআলাগুলোকে টোসেপ্টা ও মিদরাশ বলা হয়। তবে এই পুস্তকগুলো তালমুদের মতো প্রচার ও গ্রহণযোগ্যতা পায়নি।