📄 ৩। ল্যাটিন অনুবাদ
ঈসা আলাইহিস সালাম পরবর্তী যুগে প্রথম শতাব্দীতেই গ্রিক অনুবাদ থেকে ল্যাটিন ভাষায় অনুবাদ হয়। কেননা ল্যাটিন ভাষা সেসময় উত্তর আফ্রিকার বহুল প্রচলিত ভাষা ছিল। এখানকার ইহুদি-খ্রিষ্টান অধিবাসীরা এই অনুবাদ দিয়ে দলিল প্রমাণ উপস্থাপন করত।
📄 ৪। ইথিওপিয়ান অনুবাদ
৩২০ খ্রিষ্টাব্দে গ্রিক অনুবাদ থেকে পুরাতন নিয়মকে ইথিউপিয়ান (হাবশি) ভাষায় অনুবাদ করা হয়। বলা হয়ে থাকে সম্রাট কনস্টানাটিন (৩২৪-৩৩৭ খ্রি.) এর সময়ে যখন হাবশায় খ্রিষ্টধর্ম প্রবেশ করে তখন এই অনুবাদের কাজ শুরু হয়। এরপর চতুর্থ শতাব্দীর শেষের দিকে এই অনুবাদের কাজ সমাপ্ত হয়।
📄 ৫। গোথিক (Gothic) অনুবাদ
বিশপ ভিলাস ৩৫০ খ্রিষ্টাব্দে পুরোনো ও নতুন নিয়মকে গোথিক ভাষায় অনুবাদ করেন। কিন্তু তিনি সামুয়েলের পুস্তকদ্বয় এবং রাজাবলি পুস্তকদ্বয় অনুবাদ করেননি। তার বক্তব্য ছিল এই পুস্তকগুলি গোথিক জাতির জন্যে বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। কেননা এগুলোতে নৈরাজ্যবাদী চেতনা বিদ্যমান রয়েছে।²⁴⁷
টিকাঃ
২৪৭. কামুসুল কিতাবিল মুকাদ্দাস, পৃষ্ঠা: ৭৭১
📄 ৬। আরমেনিয় অনুবাদ
প্রধান বিশপ আইজ্যাক (৩৯০-৪২৮ খ্রি.) প্রথমে আরমেনিয় ভাষায় অনুবাদের দায়িত্ব পালন করেন।