📄 ১৬. সখরিয়
ইনি বেরিখিয়ের পুত্র। বেরিখিয় ইদ্দোর পুত্র। এরা লেবির বংশধর। তার দায়িত্ব ছিল পৌরোহিত্যকর্ম। তিনি হগয়ের সামসময়িক ছিলেন। কানানিদের মাঝে তিনি দাওয়াতি কাজ করেন। দুর্বল জাতিকে তিনি প্রত্যয়ী করে তোলেন। তিনি নিজ শহরে বসবাস করছিলেন এবং দীর্ঘায়ু লাভ করেন। মৃত্যুর পর তিনি বন্ধু হগয় এর পাশে সমাহিত হন। এই পুস্তকটি কখন রচিত হয়েছে তা নিয়ে মতভেদ রয়েছে। সম্ভাব্য ৫২০ খ্রিষ্টপূর্বে সম্রাট প্রথম দারিয়াসের সময় এটি রচিত হয়।
📄 ১৭. মালাখি
এর অর্থ হলো আমার রাসুল। পুস্তকে বর্ণিত তথ্য ছাড়া তার সম্পর্কে তেমন কিছু জানা যায় না। এই পুস্তকটি রচনার সময় বনি ইসরাইলের কোনো বাদশা ছিল না। পারস্য সম্রাট কর্তৃক নিয়োজিত একজন প্রশাসক বা ওয়ালি তাদের বিচার কার্য পরিচালনা করতেন। কথিত আছে, তিনি নহমিয়ের (৪২৩ খ্রিষ্টপূর্ব) এর সামসময়িক। এটি পুরাতন নিয়মের সর্বশেষ পুস্তক।
ইহুদিদের বিশ্বাস হলো এরা বিভিন্ন যুগে বিভিন্ন সময়ে বনি ইসরাইলের মাঝে নবুয়তের দায়িত্ব পালন করেছেন। যখনই তারা দ্বীন থেকে দূরে সরে যেত তখনই আল্লাহ তাআলা তাদেরকে শুধরাবার জন্য নবিদেরকে প্রেরণ করতেন। এদের প্রচেষ্টাতেই বনি ইসরাইল নিজেদের জাতীয়তাকে ধরে রাখতে সক্ষম হয় এবং তাদের ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণে সমর্থ হয়।
কিন্তু আমরা মুসলিমরা এদের প্রত্যেকের নবি হওয়ার ব্যাপারে নিশ্চয়তা দিতে পারি না। কেননা, তাদের ধর্মীয় গ্রন্থ পুরাতন নিয়মের ভাষ্য অনুযায়ী এদের মধ্যে প্রচুর ভণ্ড নবির আবির্ভাব হয়েছে। কেননা নবুওয়তের মহিমান্বিত বিষয়টি ইহুদিদের কাছে পেশায় পরিণত হয়েছিল। নবুওয়তের দাবি করলেই মিলত বড় বড় রাষ্ট্রীয় পদ। সম্রাট ও প্রশাসকের নৈকট্য লাভ করা যেত।