📘 ইহুদি ও খ্রিষ্টান জাতির ইতিহাস 📄 বারো, ইষ্টের

📄 বারো, ইষ্টের


ইষ্টের একজন ইহুদি রমণীর নাম। তার ঘটনার আলোচনা আছে বলে পুস্তকটিকে এ নামে নামকরণ করা হয়। পারস্য সম্রাট ইষ্টেরকে দেখে মুগ্ধ হন এবং নিজ স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করেন। ইষ্টের সম্রাট ও তার চাচাতো ভাই মর্দখয় এর মাঝে সুসম্পর্ক স্থাপন করে দিতে সক্ষম হন। ইতিপূর্বে একজন প্রভাবশালী উজির হামানের সাথে মর্দখয় এর ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। ফলে হামান ইহুদিদেরকে সমূলে বিনাশ করার ষড়যন্ত্র শুরু করে। এমনকি মার্চের ১৩ তারিখে ইহুদিদের সমূলে ধ্বংস করার জন্য একটি রাজকীয় ফরমান জারি করতে সক্ষম হয়। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে ইহুদিদের রক্ষা করার ক্ষেত্রে ইষ্টের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। চাচাতো ভাই মর্দখয়কে নিয়ে হামানের বিরুদ্ধে পরিকল্পনা করতে থাকে। তারা সম্রাটকে এ কথা বোঝাতে সক্ষম হয় যে, হামান সম্রাটকে হত্যা করে নিজে সিংহাসনে বসার পরিকল্পনা করছে। তাদের পরিকল্পনা সফল হয় এবং সম্রাট হামানকে তার অনুসারীবৃন্দসহ হত্যা করার নির্দেশ দেন। কাকতালীয়ভাবে ইহুদিদের হত্যার জন্য নির্ধারিত দিনেই হামান ও তার সহযোগীদেরকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত পারসিকদের সংখ্যা ছিল সত্তর হাজার। এজন্যই মার্চের ১৪ তারিখকে অদ্যাবধি ইহুদিরা উৎসব হিসেবে পালন করে।

গবেষকগণ মনে করেন, এটি একটি বানোয়াট রূপকথা। এর ঐতিহাসিক কোনো ভিত্তি নেই। এই ঘটনা ইহুদি নারীদেরকে অ-ইহুদিদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের পদ্ধতি বাতলে দেয় এবং একজন ইহুদি নারী সৌন্দর্য দ্বারা নিজ জাতির সেবার পদ্ধতি শিক্ষা দেয়। পুস্তকটিকে আরবিসহ বিভিন্ন অনুবাদে ঐতিহাসিক পুস্তকের সর্বশেষ পুস্তক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু হিব্রু বাইবেলে এটিকে কেতুবেম তথা পবিত্র সহিফাসমূহের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এই পুস্তকটির গ্রহণযোগ্যতা স্বয়ং ইহুদি গবেষকদের মাঝে প্রশ্নবিদ্ধ। মিল্টন সারডিস এবং জর্জির নাজইয়াঞ্জ প্রমুখ এই পুস্তকটির গ্রহণযোগ্যতা মেনে নেননি। আবার কেউ কেউ এটিকে অগ্রহণযোগ্য পুস্তকগুলোর একটি মনে করেন।¹⁶⁵

পুস্তিকাটি কোন যুগে লেখা হয়েছে তা নিয়েও মতবিরোধ রয়েছে। তুলনামূলক বিশুদ্ধ মত হলো ৩৩২ খ্রিষ্টপূর্বে আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট এর বিজয়ের পর গ্রিক শাসন আমলে এটি রচিত হয়েছে। নতুন নিয়মে এ সংক্রান্ত কোনো তথ্যই পাওয়া যায় না।

টিকাঃ
১৬৫. কামুসুল কিতাবিল মুকাদ্দাস, পৃষ্ঠা: ৬৪।

ইষ্টের একজন ইহুদি রমণীর নাম। তার ঘটনার আলোচনা আছে বলে পুস্তকটিকে এ নামে নামকরণ করা হয়। পারস্য সম্রাট ইষ্টেরকে দেখে মুগ্ধ হন এবং নিজ স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করেন। ইষ্টের সম্রাট ও তার চাচাতো ভাই মর্দখয় এর মাঝে সুসম্পর্ক স্থাপন করে দিতে সক্ষম হন। ইতিপূর্বে একজন প্রভাবশালী উজির হামানের সাথে মর্দখয় এর ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। ফলে হামান ইহুদিদেরকে সমূলে বিনাশ করার ষড়যন্ত্র শুরু করে। এমনকি মার্চের ১৩ তারিখে ইহুদিদের সমূলে ধ্বংস করার জন্য একটি রাজকীয় ফরমান জারি করতে সক্ষম হয়। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে ইহুদিদের রক্ষা করার ক্ষেত্রে ইষ্টের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। চাচাতো ভাই মর্দখয়কে নিয়ে হামানের বিরুদ্ধে পরিকল্পনা করতে থাকে। তারা সম্রাটকে এ কথা বোঝাতে সক্ষম হয় যে, হামান সম্রাটকে হত্যা করে নিজে সিংহাসনে বসার পরিকল্পনা করছে। তাদের পরিকল্পনা সফল হয় এবং সম্রাট হামানকে তার অনুসারীবৃন্দসহ হত্যা করার নির্দেশ দেন। কাকতালীয়ভাবে ইহুদিদের হত্যার জন্য নির্ধারিত দিনেই হামান ও তার সহযোগীদেরকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত পারসিকদের সংখ্যা ছিল সত্তর হাজার। এজন্যই মার্চের ১৪ তারিখকে অদ্যাবধি ইহুদিরা উৎসব হিসেবে পালন করে।

গবেষকগণ মনে করেন, এটি একটি বানোয়াট রূপকথা। এর ঐতিহাসিক কোনো ভিত্তি নেই। এই ঘটনা ইহুদি নারীদেরকে অ-ইহুদিদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের পদ্ধতি বাতলে দেয় এবং একজন ইহুদি নারী সৌন্দর্য দ্বারা নিজ জাতির সেবার পদ্ধতি শিক্ষা দেয়। পুস্তকটিকে আরবিসহ বিভিন্ন অনুবাদে ঐতিহাসিক পুস্তকের সর্বশেষ পুস্তক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু হিব্রু বাইবেলে এটিকে কেতুবেম তথা পবিত্র সহিফাসমূহের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এই পুস্তকটির গ্রহণযোগ্যতা স্বয়ং ইহুদি গবেষকদের মাঝে প্রশ্নবিদ্ধ। মিল্টন সারডিস এবং জর্জির নাজইয়াঞ্জ প্রমুখ এই পুস্তকটির গ্রহণযোগ্যতা মেনে নেননি। আবার কেউ কেউ এটিকে অগ্রহণযোগ্য পুস্তকগুলোর একটি মনে করেন।¹⁶⁵

পুস্তিকাটি কোন যুগে লেখা হয়েছে তা নিয়েও মতবিরোধ রয়েছে। তুলনামূলক বিশুদ্ধ মত হলো ৩৩২ খ্রিষ্টপূর্বে আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট এর বিজয়ের পর গ্রিক শাসন আমলে এটি রচিত হয়েছে। নতুন নিয়মে এ সংক্রান্ত কোনো তথ্যই পাওয়া যায় না।

টিকাঃ
১৬৫. কামুসুল কিতাবিল মুকাদ্দাস, পৃষ্ঠা: ৬৪।

ইষ্টের একজন ইহুদি রমণীর নাম। তার ঘটনার আলোচনা আছে বলে পুস্তকটিকে এ নামে নামকরণ করা হয়। পারস্য সম্রাট ইষ্টেরকে দেখে মুগ্ধ হন এবং নিজ স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করেন। ইষ্টের সম্রাট ও তার চাচাতো ভাই মর্দখয় এর মাঝে সুসম্পর্ক স্থাপন করে দিতে সক্ষম হন। ইতিপূর্বে একজন প্রভাবশালী উজির হামানের সাথে মর্দখয় এর ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। ফলে হামান ইহুদিদেরকে সমূলে বিনাশ করার ষড়যন্ত্র শুরু করে। এমনকি মার্চের ১৩ তারিখে ইহুদিদের সমূলে ধ্বংস করার জন্য একটি রাজকীয় ফরমান জারি করতে সক্ষম হয়। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে ইহুদিদের রক্ষা করার ক্ষেত্রে ইষ্টের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। চাচাতো ভাই মর্দখয়কে নিয়ে হামানের বিরুদ্ধে পরিকল্পনা করতে থাকে। তারা সম্রাটকে এ কথা বোঝাতে সক্ষম হয় যে, হামান সম্রাটকে হত্যা করে নিজে সিংহাসনে বসার পরিকল্পনা করছে। তাদের পরিকল্পনা সফল হয় এবং সম্রাট হামানকে তার অনুসারীবৃন্দসহ হত্যা করার নির্দেশ দেন। কাকতালীয়ভাবে ইহুদিদের হত্যার জন্য নির্ধারিত দিনেই হামান ও তার সহযোগীদেরকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত পারসিকদের সংখ্যা ছিল সত্তর হাজার। এজন্যই মার্চের ১৪ তারিখকে অদ্যাবধি ইহুদিরা উৎসব হিসেবে পালন করে।

গবেষকগণ মনে করেন, এটি একটি বানোয়াট রূপকথা। এর ঐতিহাসিক কোনো ভিত্তি নেই। এই ঘটনা ইহুদি নারীদেরকে অ-ইহুদিদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের পদ্ধতি বাতলে দেয় এবং একজন ইহুদি নারী সৌন্দর্য দ্বারা নিজ জাতির সেবার পদ্ধতি শিক্ষা দেয়। পুস্তকটিকে আরবিসহ বিভিন্ন অনুবাদে ঐতিহাসিক পুস্তকের সর্বশেষ পুস্তক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু হিব্রু বাইবেলে এটিকে কেতুবেম তথা পবিত্র সহিফাসমূহের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এই পুস্তকটির গ্রহণযোগ্যতা স্বয়ং ইহুদি গবেষকদের মাঝে প্রশ্নবিদ্ধ। মিল্টন সারডিস এবং জর্জির নাজইয়াঞ্জ প্রমুখ এই পুস্তকটির গ্রহণযোগ্যতা মেনে নেননি। আবার কেউ কেউ এটিকে অগ্রহণযোগ্য পুস্তকগুলোর একটি মনে করেন।¹⁶⁵

পুস্তিকাটি কোন যুগে লেখা হয়েছে তা নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে। তুলনামূলক বিশুদ্ধ মত হলো ৩৩২ খ্রিষ্টপূর্বে আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট এর বিজয়ের পর গ্রিক শাসন আমলে এটি রচিত হয়েছে। নতুন নিয়মে এ সংক্রান্ত কোনো তথ্যই পাওয়া যায় না।

টিকাঃ
১৬৫. কামুসুল কিতাবিল মুকাদ্দাস, পৃষ্ঠা: ৬৪।

ফন্ট সাইজ
15px
17px